Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

জীবনের সত্যিকার ব্যবহার করতে হবে: আবু সায়ীদ

জীবনের সত্যিকার ব্যবহার করতে হবে: আবু সায়ীদ
সমাবেশে বক্তব্য দেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ / ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
চট্টগ্রাম
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

‘আমি নীল আকাশকে ভালোবাসি, এই বাংলাকে ভালোবাসি, বাংলার আলো বাতাসকে ভালোবাসি, আমি পুরোপুরি বাঙালি’ কথাগুলো বলেছেন বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।

বৃহস্পতিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনি ইস্ট ডেল্টা ইউনির্ভাসিটির প্রাক সমাবর্তন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির উপচার্য প্রফেসর সেকান্দর খানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান।

সমাবেশে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, ‘একজন মানুষের জীবন খুব সংক্ষিপ্ত। এই জীবনের মধ্যে কেউ সফল, কেউ গুণি, আর কেউ অধম। জীবনের দায়িত্ব অনেক, মনে ভিতরের সত্তাকে আগুন দিয়ে জ্বালাতে হবে। তখন জীবন সত্যিকার অর্থে ব্যবহার হবে।’

বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেছেন, ‘মানুষের জীবনে অসম্ভব বলে কিছু নেই। অসম্ভব শব্দটি শুধু ডিকশনারিতে আছে। আমাদের বড় কিছু চাইতে হবে, অন্তহীন কিছুকে চাইতে হবে। আমরা চাওয়ার জায়গায় ভিক্ষুক, কৃপণ।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/28/1551349393746.jpg

বর্তমান সমাজে নেতা অর্থ হলো ম্যানেজার মন্তব্য করে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, ‘বর্তমান সমাজে নেতারা অন্য নেতার কথা শুনে চলে। এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে। কিন্তু নিজের কোনো শক্তি প্রদর্শন করতে পারে না, সৃজনশীল কিছু নেতাদের মাঝে নেই। অন্যজনে যা বলে লিডাররা তা শুনে ম্যানেজারের কাজ টা করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘লিডার ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম, লিডার ছিলেন সরওয়ারর্দী লিডার ছিলেন সুভাষ চন্দ্র।’

শিক্ষার্থীদের মুক্ত চিন্তার অধিকারী হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘একটি পাখি যেমন মুক্ত আকাশে উড়ে। তেমনি তোমরা মুক্ত আকাশে উড়ার চিন্তা করবে।

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির ইংরেজি ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী মোতাহেরা রহমানের প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক আবু সায়ীদ বলেন, ‘নিজের ভেতরের অনেকগুলো প্রশ্নের উত্তর খোঁজার নাম হলো নিজেকে জানা। আর প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়ার নাম হলো জ্ঞান।’

প্রত্যেক কাজকে প্রেম ও ভালোবাসা দিয়ে করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘জীবনে প্রেমটা হচ্ছে বড় বিষয়। প্রত্যেক কাজ প্রেমময় হতে হবে। কাজের মধ্য দিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

প্রত্যেকে লোভের প্রতিযোগিতা করছে উল্লেখ করে অধ্যাপক বলেন, ‘এম্বিশন আর লোভ একই জিনিস। কারও সাথে প্রতিযোগিতা করা আমাদের বর্বর করে তুলছে। তাই এম্বিশন শব্দটি খুবই খারাপ উত্তেজনাপূর্ণ। আমাদেরকে কাজের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে প্রেম দিয়ে। তখন আরও বড় হওয়া সম্ভব হবে।’

বিলগ্রেডসের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘বিলগ্রেড লেখাপড়ায় ভাল ছিল না। নিজের কাজটা ভালভাবে করেছে বলে এত বড় হয়েছে। নিউটনও নিজের লক্ষ্যে পৌঁছেছে কাজের মাধ্যমে।’

পরশ পাথরের সন্ধানে না ছুটে নিজেকে পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘নিজের ভেতরের সত্তাকে বনের আগুনের মতো জ্বালাতে হবে। তখন আলোকিত মানুষ হওয়া যাবে। আর বইয়ে মানুষের আত্মার আলো ফুটে ওঠে। তাই বেশি করে বই পড়তে হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

ডিআইজি মিজান ও এনামুল বা‌ছি‌রের বিরু‌দ্ধে দুদ‌কের মামলা

ডিআইজি মিজান ও এনামুল বা‌ছি‌রের বিরু‌দ্ধে দুদ‌কের মামলা
ডিআইজি মিজান ও এনামুল বাছির, ছবি: সংগৃহীত

৪০ লাখ টাকার ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমান ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাম‌য়িক বরখাস্ত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে মামলা ক‌রে‌ছে দুদক।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও দুদক পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা ঢাকার এক নম্বর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন। বিষয়‌টি নিশ্চিত করে‌ছেন দুদকের উপপ‌রিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য।

প্রণব কুমার বার্তা‌টো‌য়ে‌ন্টি‌ফোর.কম‌-কে জানান, গতকাল ডিআইজি মিজান‌কে জিজ্ঞাসাবাদ ক‌রা হ‌য়ে‌ছে। আজ ডিআইজি মিজান ও দুদক প‌রিচালক এনামুল বা‌ছি‌রের বিরু‌দ্ধে মামলাটি করা হ‌য়ে‌ছে।

এর আগে গত ১ জুলাই ডিআইজি মিজানুরের আগাম জামিনের আবেদন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ নামঞ্জুর ক‌রেন। আগাম জা‌মিন সরাসরি খারিজ করে দিয়ে তাকে ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কেএম ইমরুল কায়েস গ্রেফতারের আদেশ দেন। প‌রে গত ৪ জুলাই মিজা‌নের ভাগ্নে পু‌লি‌শের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হাসানকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

জানা যায়, মিজা‌নের দুর্নী‌তির অভিযোগ থেকে রেহাই পেতে তৎকালীন অনুসন্ধান কর্মকর্তা এনামুল বাছিরকে ৪০ লাখ টাক ঘুষ দেওয়ার বিষয়‌টি উঠে আসে গণমাধ্য‌মে। অভিযোগ উঠার পর দুইজনই তাদের নিজেদের সংস্থা থেকে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন। অভিযোগ ওঠায় গত ১২ জুন বাছিরকে সরিয়ে দুদকের আরেক পরিচালক মো. মঞ্জুর মোরশেদকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়।

অনুসন্ধা‌নে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩ মে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে প্রথম ডিআইজি মিজানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। প্রথমে অনুসন্ধান কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের উপ-পরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী; পরে এই দায়িত্ব পে‌য়ে‌ছি‌লেন বরখাস্ত দুদক প‌রিচালক এনামুল বাছির। ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠার গত ১২ জুন তাকে সরিয়ে দুদকের আরেক পরিচালক মো. মঞ্জুর মোরশেদকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়। অনুসন্ধান শেষে তিনি ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা করে দুদক। মামলায় তিন কোটি সাত লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন এবং তিন কোটি ২৮ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ আনা হয় ডিআইজি মিজান, তার স্ত্রী, ভাই ও ভাগ্নের বিরুদ্ধে।

শিশুশ্রম বন্ধে ডিসিদের সহযোগিতা চান শ্রম প্রতিমন্ত্রী

শিশুশ্রম বন্ধে ডিসিদের সহযোগিতা চান শ্রম প্রতিমন্ত্রী
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসনে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সহযোগিতা চেয়েছেন শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে ডিসি সম্মেলনের তৃতীয় দিনের চতুর্থ অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসন প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত এক লাখ শিশুকে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ঝুঁকিমুক্ত জীবনে ফিরিয়ে আনা হবে। এসডিজির বিষয়টি সামনে রেখে ২০৩০ সালের মধ্যে সব ধরনের শিশুশ্রম মুক্ত দেশ গড়তে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকার ৩৮টি কাজকে শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে নিষিদ্ধ করেছে। এরই মধ্যে তৈরি পোশাক এবং চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে শিশুশ্রম মুক্ত করা হয়েছে।’

‘২০২১ সালে মধ্যম আয়ের নিরাপদ কর্মক্ষেত্র, ২০৩০ সালের মধ্যে শিশুশ্রম মুক্ত, ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশ গড়তে জেলা প্রশাসকদের বড় ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ করে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসনে জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের সব স্তরের কর্মকর্তাদের পাশে পাবো বলে আশা করি,’ বলেন প্রতিমন্ত্রী।

আরো ১১টি ঝুঁকিপূর্ণ কাজকে শিশুশ্রম মুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র