Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

ময়ূরপঙ্খীর উড্ডয়নের ছাড়পত্র এখনো মেলেনি

ময়ূরপঙ্খীর উড্ডয়নের ছাড়পত্র এখনো মেলেনি
ছবি: সংগৃহীত
ইশতিয়াক হুসাইন
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪


  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামে ছিনতাইয়ের চেষ্টা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বোয়িং ৭৩৭ ৮০০ উড়োজাহাজটি (ময়ূরপঙ্খী) এখনো বুঝে পায়নি এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ। এর ফলে উড়োজাহাজটি দিয়ে বিমান কোনো ধরনের ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারছে না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক যুবকের ছিনতাইয়ের চেষ্টার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কমান্ডো অভিযানে সে নিহত হয়।

বিমানের ফ্লাইটটি ১৩৪ জন যাত্রী ও ১৪ জন ক্রুসহ ঢাকা ছাড়ে। এর কিছুক্ষণ পর নিজেকে মাহাদি বলে পরিচয় দেওয়া ২৫ বছরের যুবক উড়োজাহাজটি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে।

৮ মিনিটের কমান্ডো অভিযান শেষে নিরাপত্তা বাহিনীর পুরো উড়োজাহাজটিতে তল্লাশি চালায়। তবে অভিযান শেষ হলেও বোয়িং ৭৩৭ ৮০০ উড়োজাহাজটি কতক্ষণে উড্ডয়নের জন্য পুনরায় ছাড়পত্র পায় তা এখনই কেউ সুনির্দিষ্ট করে বলতে পারছে না।

বিমানের জেনারেল ম্যানেজার (পিআর) শাকিল মেরাজ বার্তা২৪.কমকে বলেন, এয়ারলাইনসের প্রকৌশল বিভাগের কর্মীরা চট্টগ্রামে উড়োজাহাজটির ক্ষয়ক্ষতি পরিমাপ করছেন। কারণ গতকালের ঘটনার পর উড়োজাহাজের র‌্যাফট খুলে যাত্রীদের দ্রুততার সাথে নামানো হয়। সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে প্রকৌশলীরা এটি উড্ডয়ন উপযোগী কিনা তার ছাড়পত্র দেবেন।

তদন্তের স্বার্থে সব ধরনের সহায়তা করতে বিমান প্রস্তুত রয়েছে বলে মন্তব্য করেন শাকিল মেরাজ।

তবে অন্য একটি সূত্র বলছে, বিমানের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ হলেই উড়োজাহাজটি ছাড়পত্র নাও পেতে পারে। কারণ এর ঘটনার পর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এর তদন্ত করবে। এরপরেই হয়তো উড়োজাহাজটি চূড়ান্ত ছাড়পত্র পেতে পারে।

এদিকে উড়োজাহাজটি চট্টগ্রামের শাহ আমানতে গ্রাউন্ডেড থাকায় বিমানের নিয়মিত ফ্লাইট সূচি ঠিক রাখতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এই উড়োজাহাজ দিয়ে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইনস আঞ্চলিক ফ্লাইটসমূহ পরিচালনা করে থাকে।

অভিযানের পর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল এস এম মতিউর রহমান জানিয়েছিলেন, অভিযানে উড়োজাহাজটিতে কোনো ক্ষতি হয়নি। ছিনতাইকারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমরা চেয়েছিলাম দ্রুততম সময়ে অভিযান শেষ করতে। আর তাই ছিনতাইকারীর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ ছিল না। ৮ মিনিটের অভিযান শেষে উড়োজাহাজটিতে নিরপত্তা তল্লাশি পরিচালনা করা হয়। এরপর উড়োজাহাজটিকে চলাচলের জন্য নিরাপদ ঘোষণা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি

গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি
গ্রেনেড হামলায় আত্মার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় জড়িতদের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকর এবং মাস্টার মাইন্ডদের বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা।

বুধবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় নগরীর শিববাড়ি রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে এক প্রতিবাদ সভায় এ দাবি জানানো হয়।

ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজমা ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহিত-উর-রহমান শান্ত'র সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আ'লীগের সহ-সভাপতি মো. ইকরামুল হক টিটু।

এতে সংগঠনের সহ-সভাপতি হোসাইন জিল্লু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসাইন জাহাঙ্গীর বাবুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, 'বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতেই দানবীয় এ হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। তবে আল্লাহর অশেষ রহমতে পরিকল্পিত সে হামলায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন শেখ হাসিনা। ইতোমধ্যে এই গ্রেনেড হামলার যে রায় হয়েছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করতে হবে।'

প্রতিবাদ সভা শেষে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী-মেয়র ব্যস্ত বক্তৃতায়, সচিবের আয়েশি ঘুম

মন্ত্রী-মেয়র ব্যস্ত বক্তৃতায়, সচিবের আয়েশি ঘুম
মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক পর্যালোচনা সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের আয়েশি ঘুম/ছবি: শাহরিয়ার তামিম

রাজধানীর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক পর্যালোচনা সভা চলছে। ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন স্থানীয়, সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র সভায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলায় ব্যস্ত। তবে অনুষ্ঠানের এ মঞ্চে দুশ্চিন্তামুক্ত ছিলেন একজন। আর তিনি হলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

অনুষ্ঠানের শুরু থেকে তিনি দফায় দফায় ঘুম দিচ্ছেন। কখনও ঘুমে দুলুনি খাচ্ছেন, কখনও আবার হঠাৎ চমকে উঠছেন। কোনো কোনো সময় মুখ হা করে বিরাট হাই তুলছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566400999878.jpg

বুধবার (২১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত সভায় এমন আয়েশি ভঙ্গিতে ধরা পড়লেন সচিব হেলালুদ্দীন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। মেয়র আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাইসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566401016016.jpg

মন্ত্রীর কারণে বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শুরু হয় আরও দেরিতে। এরপর মন্ত্রীর ডান পাশের চেয়ারে বসেন সচিব হেলালুদ্দীন আর বাম পাশে বসেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

সভার শুরুতে মেয়র কথা বলার পর বক্তব্য শুরু করেন মন্ত্রী। তার বক্তৃতার পুরো সময় সচিব কখনো হাই তুলেছেন, আবার কখনো দুই হাত বুকের ওপর রেখে ভঙ্গিতে ঘুম দিয়েছেন। মাঝে মাঝে দুই চোখ খুললেও আবার চোখ বন্ধ করে ফেলেন। মন্ত্রী যখন বক্তৃতা করছিলেন তখন মাঝে মাঝেই সচিব চেয়ারে হেলান দিয়ে ঘুমাচ্ছিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566401037611.jpg

সম্প্রতি দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে সরকার, সিটি করপোরেশন ও প্রশাসন কর্মকর্তারা বেশ দৌড়ের ওপর রয়েছেন। ডেঙ্গু মৌসুমের শুরুতে পদক্ষেপ না নেওয়ায় সমালোচনাও সইতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহলকে। এর মধ্যে এমন জনগুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষ্ঠানে সরকারের একজন আমলার এভাবে ঘুমানোকে বেমানান বলছেন সভায় উপস্থিত ব্যক্তিরা।

আরও পড়ুন:  রোববার থেকে চিরুনি অভিযান, লার্ভা পেলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের..

ডেঙ্গু আক্রান্তদের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দুঃখ..

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র