Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শাহ আমানত বিনামবন্দরে সেনা ও নৌ বাহিনীর কমান্ডো টিম

শাহ আমানত বিনামবন্দরে সেনা ও নৌ বাহিনীর কমান্ডো টিম
ছিনতাইয়ের কবলে বাংলাদেশ বিমানের উড়োজাহাজ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিনামবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজের জরুরি অবতরণের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নৌ বাহিনীর বিশেষ কমান্ডো টিম।

রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সাড়ে ৫টার  দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুবাইগামী ফ্লাইটটি জরুরি অবতরণ করে শাহ আমানত বিমানবন্দরে।

এরমধেই ছিনতাইয়ের চেষ্টাকারী সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম পুলিশ।

এর আগে উড়োজাহাজের ভেতরে থাকা যাত্রীদের নিরাপদে নামানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

নারী বিষয়ক অনলাইন টিভির যাত্রা শুরু

নারী বিষয়ক অনলাইন টিভির যাত্রা শুরু
এশিয়ার নারী বিষয়ক হারনেট টিভির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান/ছবি: শাহরিয়ার তামিম

এশিয়ার নারী বিষয়ক প্রথম অনলাইন টেলিভিশন-হারনেট টিভি যাত্রা শুরু করল। শুধুমাত্র নারীদের জন্য বিশেষ অনুষ্ঠানমালা নির্মাণ করে সম্প্রচার করবে টেলিভিশনটি।

সোমবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশান ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে টেলিভিশনটির উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার, ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত জোয়াও তাবাজারা দি অলিভেইরা জুনিয়র, ঢাকা সিটি করপোরেশন (উত্তর) মেয়র আতিকুল ইসলাম, র‌্যাব মহাপরিচালক ড. বেনজীর আহমেদ, মানবাধিকার কর্মী খুশী কবির, আইনজীবী তুরিন আফরোজ, সংসদ সদস্য মাহী বি. চৌধুরী, কানিজ আলমাস প্রমুখ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কাদের বলেন, আমার আজ এখানে আসা, বেঁচে থাকা সবকিছুই এক অলৌকিকতা। কেননা আমি মৃত্যুর খুব কাছে ছিলাম, সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করছি সেটা সম্ভব হয়েছে; তার জন্য আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, আর আপনাদের দোয়া।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563810637321.jpg

সেতুমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের চেঞ্জ মেকার একজন মহিলা। তিনি আমাদের লিডার। তিনি আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশের মেকার। কিন্তু তারও ভুলত্রুটি থাকতে পারে। কেননা তিনি মানুষ। মানুষ মাত্রই কিছু ভুল ত্রুটি থাকে। দেশ চালাতে কিছু ভুল ত্রুটি হতে পারে। কিন্তু তিনি আমাদের দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছেন। তিনি আমাদের ভিশন দিয়েছেন।

হারনেট টিভির যাত্রার কথা তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের দেশে কোনকিছু শুরু হয় অনেক ঢাকঢোল দিয়ে, শেষ হয়ে প্যানপ্যানানি দিয়ে। কিন্তু আমি মনে করি হারনেট টিভি ইট উইল মেক এ ডিফারেন্স। কারণ, আপনারা শুরু করলেন 'গ্যালাক্সি অব ট্যালেন্টস' নিয়ে। এটা যেন অপপ্রচারের কারখানা, ফ্যাক্টরি না হয়, ভালগারিজমের আড্ডাখানা না হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563810652264.jpg

তিনি আরো বলেন, গঠনমূলক সমালোচনাকে আমরা এনকারেজ করি। সেই আমার প্রকৃত বন্ধু যে আমার গঠনমূলক সমালোচনা করে। এক নারী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে অভিযোগ করেছে। তার বক্তব্যে তিনি যে সংখ্যা বলেছেন ৩৭ মিলিয়ন মানুষ 'ডিজিপিয়ার্ড' সেটা কী সঠিক? আমরা ধীরে ধীরে আগাতে চাই। মশা মারতে কামান দাগাতে চাই না। তার কথা আমরা ঠান্ডা মাথায় শুনতে চাই, তারপর খতিয়ে দেখতে চাই।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন্নেসা ইন্দিরা বলেন, মিডিয়াতে নারীরা দক্ষতার সাথে কাজ করছে, এখন নারীরা মিডিয়া উদ্যোক্তা হিসেবেও সফল হচ্ছে শেখ হাসিনার সরকার মিডিয়া বান্ধব সরকার।

তিনি আরো বলেন, হারনেট টিভি নারী উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, বঞ্চিত শোষিত নারীর কথা বলবে সেটাই প্রত্যাশা। তাদের সফলতা কামনা করছি।

হারনেট টিভির চেয়ারপারসন হোসনে প্রধান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আছেন আলিশা প্রধান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আছেন মেহজাবিন প্রধান ফাইজা।

অনুষ্ঠানে আলিশা প্রধান বলেন, ২০১৭ সালে যখন আমি আমেরিকা থেকে দেশে ফিরে আসি তখন থেকেই নারীদের জন্য কিছু করার ভাবনাটা মাথায় ছিল। অবশেষে আমরা সেটা করতে পারলাম।

তিনি বলেন, হারনেট টিভি সম্প্রচারের মাধ্যমে নারীর অধিকার, নারীর ক্ষমতায়ন, সকলের মানবাধিকার নিশ্চিতকরণের দিকে গুরুত্বারোপ করবে।

প্রসঙ্গত, নারীদের জন্য বৈষম্যমুক্ত সম্প্রীতির বিশ্ব গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে ২০১৮ সালে হারনেট টিভি প্রতিষ্ঠা করা হয়। যেটি আজ উদ্বোধন করা হলো।

 

‘এমন কাজ করব যাতে ত্রাণের প্রয়োজন না থাকে’

‘এমন কাজ করব যাতে ত্রাণের প্রয়োজন না থাকে’
বন্যা দর্গত এক ব্যক্তিকে ত্রাণ সহায়তা দিচ্ছেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান

“ত্রাণ ব্যবস্থাপনার চাইতে আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি দুর্যোগ সহনশীলতার ওপর। আমরা এমন একটি দেশ গড়তে চাই যেখানে দুর্যোগ এলে মানুষ সহজেই মোকাবেলা করতে পারবে। ত্রাণের জন্যে কাউকে যাতে হাত পাততে না হয়। এমন কাজ করব যাতে ত্রাণের প্রয়োজন না থাকে।”

বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এমনটিই বলছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।

দেশে বন্যা শুরুর পর থেকেই বন্যা কবলিত এলাকায় সময় দিচ্ছেন ডা. এনাম। বলতে গেলে মন্ত্রণালয় আর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরকে মাঠে নামিয়ে দিয়েছেন তিনি। চষে বেড়াচ্ছেন একের পর এক বন্যা কবলিত জেলায়। সঙ্গী করেছেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শাহ কামালকেও।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563809825850.jpg
দিন কাটে কিভাবে এমন প্রশ্নের সূত্র ধরে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলে চলেন—
খুব ভোরে; ফজরের নামাজ পড়েই বেড়িয়ে পড়ি। এই ধরুন আজকের কথা—ভোর ৬টায় সাভারের বাসা থেকে বের হয়েছি। টাঙ্গাইলে যমুনার পাড়ে কালিহাতীতে বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ দিয়ে কথা বলেছি এলাকাবাসীর সঙ্গে।

তারপর ছুটে গেলাম সিরাজগঞ্জের কাজিবাড়িতে। সেটা শেষ করে ছুটলাম বগুড়ার ধুনটে। তারপর বগুড়া সার্কিট হাউজে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে ছুটলাম সারিয়াকান্দিতে।

এর মধ্যে আবার সরকারি রীতিনীতি পালনের আনুষ্ঠানিকতাতেও অংশ নিতে হয়। কিন্তু ঝোঁক থাকে দেশের দুর্গত মানুষদের কাছে কতটা দ্রুত সময়ের মধ্যে ত্রাণ পৌঁছানো যায় সে বিষয়ে।

রাত ৮টায় ফিরছি সারিয়াকান্দি থেকে। ঢাকায় পৌঁছাতে পৌঁছাতে মধ্যরাত হবে। পরদিন ভোরে আবার একই নিয়মে দুর্গত কোন অঞ্চলের উদ্দেশে বের হব। বন্যার পর এভাবেই চলছে আমার দিনলিপি।

বন্যা কবলিত মানুষের কথা বলতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন—
এই যে দুর্গত এলাকায় ছুটে যাচ্ছি—প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে আমরা অসহায় দুর্গত মানুষদের পাশে দাঁড়াচ্ছি, তাদের হাতে জননেত্রীর উপহার হিসেবে মানবিক ত্রাণ সহায়তা তুলে দিচ্ছি। এটা পেয়ে তারা আশ্বস্ত হচ্ছে, ভরসা পাচ্ছে। ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ও আত্মবিশ্বাস ফিরে পাচ্ছে।

অন্যদিকে মাঠের প্রশাসনও গতি পাচ্ছে। আরেকটি বিষয় হলো—জেলায় জেলায় গিয়ে যখন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে বৈঠক করছি, তখন আমরাও স্পষ্ট ধারণা পাই যে, দুর্যোগ প্রশমন বা মোকাবেলায় ঠিক কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে। এই যে মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকা। এর কারণে ত্রাণ বিতরণে মনিটরিং বেড়েছে। স্বচ্ছতা এসেছে। জবাবদিহিতা নিশ্চিত হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে মাঠ পর্যায়ে কোন ধরনের সহায়তা প্রয়োজন সেটাও জানা যাচ্ছে। আমরাও জানতে পারছি ঠিক এই মুহূর্তে জনগণের প্রয়োজনটা কী।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563809859133.jpg
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও মন্ত্রণালয়কে দুর্গত মানুষদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছেন জানিয়ে ডা. এনাম বলেন, মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শাহ কামাল অত্যন্ত অভিজ্ঞ ও দক্ষ। তিনি সঙ্গে থাকায় মাঠের সিদ্ধান্ত মাঠেই বাস্তবায়িত হচ্ছে। বলতে পারেন, মন্ত্রণালয়কে আমরা পৌঁছে দিয়েছি দুর্গত মানুষদের দোরগোড়ায়।

এখন তো আমাদের অফিসই হচ্ছে—নৌকা, ট্রলার বা গাড়ি। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন ভিশন নিয়ে মিশনে নেমেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। দেশরত্ন শেখ হাসিনা সরকার অত্যন্ত শক্তিশালী সরকার। পূর্ণ সমর্থন ও সামর্থ্য নিয়ে আমরা বন্যা দুর্গত মানুষের পাশে আছি, থাকব।

আমাদের লক্ষ্যই হচ্ছে, দেশে দুর্যোগের ঝুঁকি কমিয়ে আনা। দুর্যোগ সহনশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া, যাতে ভবিষ্যতে আর কারও ত্রাণ প্রয়োজন না হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র