Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

ভক্তি-ভালোবাসায় ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

ভক্তি-ভালোবাসায় ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন
খুলনা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মানুষের ঢল, ছবি: মানজারুল ইসলাম
সেন্ট্রাল ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাতে দেশের বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা শহীদ মিনারে সাধারণ মানুষের ভিড় নামে।

কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গাইতে গাইতে শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন দেশের সর্বস্তরের জনতা।

বৃহস্পতিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) একুশের প্রথম প্রহরে ১২টা ১ মিনিটে সারাদেশের শহীদ মিনারে, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে হাজারো মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে আসেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/21/1550713907397.jpg

ঢাকা, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, চাঁদপুর, চুয়াডাঙ্গা, লালমনিরহাট, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, রংপুর, বগুড়া, রাজশাহী, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোরসহ সারাদেশেই ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদনে সাধারণ মানুষের ঢল নামে। এছাড়া দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে জড়ো হয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/21/1550714001594.jpg

শহীদ মিনারের বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, জেলা প্রশাসন, বিভাগীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, সংসদ সদস্য, প্রেসক্লাব, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, আইনজীবী সমিতি, নির্বাচন অফিসসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও সাধারণ মানুষেরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/21/1550714026423.jpg

সকল বয়সী ও সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের পদচারণায় মুখরিত ছিল সারাদেশের শহীদ মিনার এলাকা। সময় বাড়ার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ে জনতার ভিড়। সাধারণ জনতা শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করে একুশের বীর সেনানী ভাষা শহীদদের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/21/1550714051265.jpg

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ১৯৫২ সালে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের এ দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে মহান শহীদ দিবস হিসেবে পালন হয়ে আসছে। অমর একুশে এখন পালিত হয় সারা বিশ্বে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে। ১৯৯৯ সালে ইউনেসকো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।মে ভাষা শহীদদের প্রতি জানানো হয় বিনম্র শ্রদ্ধা।

আপনার মতামত লিখুন :

আহসান মঞ্জিল কর্তৃপক্ষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি মেয়র খোকনের

আহসান মঞ্জিল কর্তৃপক্ষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি মেয়র খোকনের
আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে আলোচনা সভায় মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন/ ছবি: বার্তা২৪.কম

ঢাকার ইতিহাস ঐতিহ্য বিকাশে নবাব পরিবারের ইতিহাস তরুণ সমাজের মাঝে তুলে ধরতে আহসান মঞ্জিল জাদুঘর কর্তৃপক্ষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।

জাদুঘর কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে মেয়র বলেন, ‘ইতিহাস সংস্কৃতি বিকাশে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন জাদুঘরের পাশে থাকবে। যদি করণীয় কিছু থাকে, তাহলে সিটি করপোরেশনে জানাবেন। সবাই মিলে প্রাণের ঢাকা শহরকে গড়ে তুলতে চাই।’

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিকালে পুরান ঢাকার আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘শিক্ষার উন্নয়নে নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহর অবদান’ শীর্ষক সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর।

সভায় আহসান মঞ্জিল ভবন রক্ষার্থে পুনঃনির্মাণের জন্য সরকারের আর্থিক বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন শিল্পী হাশেম খান। তার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মেয়র এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561464182099.jpg

সাঈদ খোকন বলেন, ‘শিক্ষা ক্ষেত্রে স্যার সলিমুল্লাহর অবদানের কথা না উল্লেখ করলেই নয়। কেননা যে ইতিহাস মানুষের হৃদয়ে থাকে, তার সঙ্গে বইয়ের পাতার ইতিহাসের অনেক সময় তাল মেলে না।’

তিনি বলেন, ‘নবাব সলিমুল্লাহ যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নেন, তখন অনেকে বলেছিলেন সামাজিকভাবে এই এলাকা প্রস্তুত হয়নি। জানি না সে কথা কতটুকু সত্য। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় নবাব সলিমুল্লাহর অবদানের ইতিহাস যুগে যুগে মানুষের হৃদয়ে থাকবে।’

শিল্পী হাশেম খানের সভাপতিত্বে সেমিনারে আলোচনা করেন জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক রিয়াদ আহমেদ, অধ্যাপক ড: আলমগীর, অধ্যাপক সুলতান শফি, অধ্যাপক সানিয়া নিশাত আমীন সহ আরও অনেকে।

সৈয়দপুরে অচল বিমানের ড্যাশ ৮, ত্রুটি সারানো যায়নি ১০ ঘণ্টায়ও

সৈয়দপুরে অচল বিমানের ড্যাশ ৮, ত্রুটি সারানো যায়নি ১০ ঘণ্টায়ও
ছবি: সংগৃহীত

১০ ঘণ্টায়ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরে আটকাপড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ড্যাশ ৮ ৪০০ উড়োজাহাজের ত্রুটি মেরামত করা যায়নি। যে কারণে ঢাকাগামী যাত্রীদের দুর্ভোগে পড়েছেন।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) সকাল সোয়া ৮টার দিকে উড়োজাহাজটি ঢাকা থেকে ছেড়ে আসে। ঢাকাগামী যাত্রীরা বোর্ডিং শেষে উড়োজাহাজে উঠে পড়েন। এরপর যাত্রীদের জানানো হয় যান্ত্রিক ত্রুটির এটি যেতে পারছে না। এ অবস্থায় ৭০ জন যাত্রী প্রস্তুতি নিয়ে শেষ পর্যন্ত উড়োজাহাজ থেকে নেমে আসতে বাধ্য হন।

বিমান সূত্রে জানা গেছে, সকালে উড়োজাহাজের ল্যান্ডিং গিয়ারের যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। এরপর ঢাকা থেকে বিমানের প্রকৌশল শাখার একটি টিম সৈয়দপুর যায়। কিন্তু সন্ধ্যা ৬টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উড়োজাহাজটির ত্রুটি সারানো যায়নি।

উড়োজাহাজটি অচল হয়ে যাওয়ায় ৭০ জন যাত্রী বিপাকে পড়েন। এ অবস্থায় কেউ কেউ অন্য বেসরকারি এয়ারলাইন্সে করে ঢাকায় ফিরে আসলেও বেশ কিছু যাত্রী ঢাকায় ফিরে আসতে পারেননি।

এ বিষয়ে বিমানের ডিজিএম (পিআর) তাহেরা খন্দকার বার্তা২৪.কমকে বলেন, বিমানের প্রকৌশল শাখার টিম সৈয়দপুরে গিয়েছে। তারা কাজ করছেন। আশা করা যাচ্ছে সন্ধ্যা ৭টা সাড়ে ৭টা নাগাদ এটি অপেক্ষামান যাত্রীদের নিয়ে ঢাকায় ফিরে আসতে পারবে।  

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র