Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

রাতেও খোলা থাকছে চমেকের কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার

রাতেও খোলা থাকছে চমেকের কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার
রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
চট্টগ্রাম
বার্তা২৪.কম 


  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টারে রাতে সেবা পাচ্ছেন রোগীরা। রোগীর দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে কর্তৃপক্ষ কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার রাতেও খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর আগে রাতে খোলা না থাকায় রোগীদের চরম সমস্যা পড়তে হতো।

জানা গেছে, হাসপাতালে ভর্তি থাকা গরিব কিডনি রোগীরা মাত্র ৪৪১ টাকায় ডায়ালাইসিস সেবা পাচ্ছেন। বাইরের রোগীরা ২৪০০ টাকায় ডায়ালাইসিস করাতে পারছেন সেখান থেকে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সরকার ২০১৭ সালের ৪ মার্চ পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) ভিত্তিতে চমেক হাসপাতালের নিচতলায় ডায়ালাইসিস সেন্টারটি চালু করে। বর্তমানে এ  সেন্টারে রয়েছে ৩১টি মেশিন। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা, বেলা ১টা থেকে বিকেল ৫টা, সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত তিনটি সেশনে রোগীরা এখান থেকে ডায়ালাইসিস সেবা নিচ্ছেন।

এ ব্যাপারে চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মহসেন উদ্দিন আহমেদ বার্তা২৪কে বলেন, ‘হাসপাতালের কিডনি ডায়লাইসিস সেন্টারটি এখন থেকেও রাতেও খোলা থাকবে। ফলে রোগীর রাতে এদিক সেদিক ছোটাছুটি করতে হবে না। রোগীর চাপ বাড়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে রোগীদের উপকার হবে। এটি ভালো উদ্যোগ।

এখানে প্রতিদিন ১ হাজার রোগী সেবা নিচ্ছেন। রাতে বন্ধ থাকায় রোগীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হতো। রোগীদের কথা বিবেচনা করেন শুক্রবার  ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে রাতেও খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কতৃপক্ষ।

এ ব্যাপারে স্যান্ডর ডায়ালাইসিস সার্ভিসের আবাসিক চিকিৎসক ডা.মো. রেজাউল হাসান বার্তা২৪কে বলেন, ‘আগে চিকিৎসা না পেয়ে অনেক রোগী মারাও গিয়েছে। রোগীদের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে আমরা চমেক হাসপাতারের ডায়ালাইসিস সেন্টারটি ২৪ ঘন্টা চালু রাখার উদ্যোগ নিয়েছি। এতে সরকারি বেসরকারি সব রোগীরা সুবিধা পাবে।

আপনার মতামত লিখুন :

রূপায়ণের মুকুলসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

রূপায়ণের মুকুলসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
অগ্নিকাণ্ডে বিধ্বস্ত এফআর টাওয়ার/ ফাইল ছবি

বনানীর এফআর টাওয়ার (ফারুক-রূপায়ণ টাওয়ার) নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগে দু’টি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলা দু’টি দায়ের করা হয়। মামলা নম্বর ২ ও ৩।

মামলা দুটোর বাদী প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত উপপরিচালক মো. আবুবকর সিদ্দিক। রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুলসহ ২৩ জনকে মামলার আসামি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ মার্চ দুপুরে বনানীর এফআর টাওয়ারে আগুন লাগে। এতে ২৬ জন মারা যান।

দুদকের অভিযোগ, এফআর টাওয়ারের ১৫ তলা থেকে ২৩ তলা পর্যন্ত অনিয়মের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। প্রথমে ১৫ তলা ভবন নির্মাণের নকশার অনুমোদন নেওয়া হয়। পরে ভবনটির দু’টি নকশা হাতে পায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। একটি নকশায় ১৮তলা ও অন্যটিতে ২৩তলা দেখানো হয়েছে।

একটি মামলায় পাঁচ জনকে এবং আরেকটি মামলায় ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মুকুল ও ফারুক দু’টি মামলারই আসামি। মামলার বিষয়ে দুদকের ভারপ্রাপ্ত সচিব সারোয়ার মাহমুদ বলেন, ‘তদন্তের প্রয়োজনে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হতে পারে।’

‘বাংলাদেশে প্রায় ৭৫ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত’

‘বাংলাদেশে প্রায় ৭৫ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত’
প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ এন্টি ড্রাগ ফেডারেশনের আলোচনা সভা/ ছবি: বার্তা২৪.কম

‘বাংলাদেশে প্রায় ৭৫ লাখের বেশি মাদকাসক্ত রয়েছে। এসব মাদকাসক্তের ৮৪ ভাগ পুরুষ ও ১৬ ভাগ নারী। সমাজের বিত্তশালী থেকে শুরু করে নারী ও শিশু কিশোররাও মাদকের সাথে জড়িত।’

বাংলাদেশের মাদক পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানায় বাংলাদেশ এন্টি ড্রাগ ফেডারেশন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে শতকরা ৯০ ভাগ কিশোর তরুণ মাদকের সাথে যুক্ত। এদের ৪৫ ভাগ বেকার ও ৬৫ ভাগ আন্ডারগ্রাজুয়েট। উচ্চশিক্ষিতদের সংখ্যা ১৫ শতাংশ।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় এসব তথ্য তুলে ধরে বাংলাদেশ এন্টি ড্রাগ ফেডারেশন।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল, বাংলাদেশ এন্টি ড্রাগ ফেডারেশনের সভাপতি নুর মোহাম্মদ, জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের সভাপতি ডা. অরুপ রতন চৌধুরী প্রমুখ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561462186623.jpg

সভায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘ধর্মের পথে থাকলে মাদক থেকে দূরে থাকা যায়। মাদকাসক্তদের ৮০ শতাংশই যুবক। শেখ হাসিনার হাত ধরে যে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হচ্ছি, তার মূল চালিকাশক্তিই হলো তরুণ সমাজ। সেই তরুণরাই যদি মাদকাসক্ত হয়ে পরে, তাহলে উন্নয়নের প্রধান বাধা হবে মাদক।’

তিনি বলেন, ‘যুব সমাজের সাথে মহিলারাও এই মাদকে আসক্ত হচ্ছে। জনগণকে তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে কমিটি গঠন করে যুবকদের মধ্যে যে হতাশা, তা নির্মূল করতে হবে।’

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘আজকের যুব সমাজই ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দেবে। তারাই যদি মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে, তাহলে দেশের ভবিষ্যৎ মেরুদণ্ডহীন হয়ে পড়বে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র