Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

নোটিশ ছাড়া গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, ভোগান্তিতে নগরবাসী

নোটিশ ছাড়া গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, ভোগান্তিতে নগরবাসী
গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় মাটির চুলায় রান্না করছেন রাজধানীর মিরপুরের এক গৃহিণী/ ছবি: বার্তা২৪.কম
মনি আচার্য্য
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আগাম কোনো নোটিশ ছাড়াই রাজধানীর বেশ কয়েকটি এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে তিতাস গ্যাস লিমিটেড। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা।

তিতাস গ্যাস সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার জন্য আশুলিয়া ও আমিনবাজার সি‌জিএস প্ল্যান্ট হ‌তে তিতাসের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

এর ফলে সকাল ৮ টা থেকে রাজধানীর আশুলিয়া, সাভার, আমিনবাজার, গাবতলী, মিরপুর, পাইকপাড়া, পীরেরবাগ, কল্যাণপুর, শ্যামলী, রিং‌রোড, মনসুরাবাদ, কাদিরাবাদ, মোহাম্মদপুর, লালমাটিয়া, ধানম‌ণ্ডি, আজিমপুর, হাজারীবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/16/1550312272080.jpg

সকাল থেকে গ্যাস না থাকায় গ্যাসের সিলিন্ডার কেনার ভিড় দেখা যায় রাজধানীর গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকা বিভিন্ন এলাকায়। রাজধানীর আজিমপুরের একটি সিলিন্ডারের দোকানে দেখা যায়, লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন ত্রিশ থেকে চল্লিশ জন নারী-পুরুষ। শেষ পর্যন্ত সিলিন্ডার নিয়ে বাসায় ফিরতে পারবেন কিনা সংশয় তাদের চোখে মুখে।

এসব এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বাসাবাড়িতে গ্যাস সরবরাহ না থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন বাসিন্দারা। খাবারের দোকানে সকালের নাস্তা থেকে শুরু করে দুপুরের খাবারের জন্য লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। সুযোগ বুঝে খাবারের দোকানিরাও চড়া মূল্য হাঁকাচ্ছেন। এছাড়া অনেক দোকান আগাম প্রস্তুতি না থাকায় ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী খাবার দিতে পারছেন না।

এমন ভোগান্তিতে পড়ায় রাগে ক্ষোভে ফুঁসছেন নগরবাসী। তাদের এই রাগ ক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দু তিতাস গ্যাস লিমিটেড।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে, তা তিতাসের মাধ্যমে জানেননি। সকালে চুলা জ্বালানোর চেষ্টা করা হলে দেখা যায় গ্যাস নেই। পরে জানা যায়, ২৪ ঘণ্টার জন্য গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করেছে তিতাস গ্যাস।

তারা আরও বলছেন, কোনো ধরনের আগাম নোটিশ বা মাইকিং ছাড়া এভাবে গ্যাস বন্ধ করে দায়িত্বে চরম অবহেলা করেছে তিতাস। এর কারণে সবাই বিপাকে পড়েছেন। দোকানেও খাবার পাওয়া যাচ্ছেন না। আর যেসব দোকানে খাবার বা পানি পাওয়া যাচ্ছে দাম চাচ্ছে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি।

রাজধানীর মিরপুর-৩ এর বাসিন্দা একটি কলেজের অধ্যক্ষ মো. মিনহাজুল তালুকদার বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘সকাল ৯ টায় রান্নার জন্য গ্যাসের চুলা জ্বালাতে গেলে দেখা যায় গ্যাস নেই। পরে তিতাস গ্যাসে ফোন দিয়ে গ্যাস সরবরাহ বন্ধের বিষয়টি জানা যায়। কিন্তু গতকাল এলাকায় গ্যাস বন্ধের মাইকিং হয়নি। আগাম নোটিশ ছাড়া গ্যাস বন্ধের কারণে সকাল থেকেই অনেক ভোগান্তিতে আছি।’

ধানমন্ডি-১৫ নম্বরের বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘সকাল থেকে গ্যাস না থাকায় বাসায় কোনো রান্নাবান্না হয়নি। আর বাসার আশপাশেও কোনো খাবারের দোকান নেই। সব মিলিয়ে বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে চরম ভোগান্তিতে আছি। সকালে কলা-রুটি খেয়ে অফিসে আসতে হয়েছে আর বাচ্চাদের টিফিন ছাড়াই স্কুলে পাঠাতে হয়েছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/16/1550312533496.jpg

পশ্চিম রাজাবাজারের বাসিন্দা রাব্বী বলেন, ‘সকাল থেকে গ্যাস নেই তা দেখে মাথায় হাত। পরে দোকানে খাবার কিনতে গিয়ে আবারও চরম ভোগান্তি। প্রতিটি খাবারে দোকানিরা ১০-১৫ টাকা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। দোকানিরা বলছেন, এ দামে নিলে নেন না হলে চলে যান।’

আরও বেশ কয়েকটি এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিতাস গ্যাসের এমন আচরণ নতুন কিছু নয়। তারা এর আগেও একাধিক বার এমন আচরণ করেছে। গ্রাহকদের আগাম কোনো সতর্কতা ছাড়াই তারা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে গ্রাহকদের সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।

তবে তিতাস গ্যাসের পক্ষে থেকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হচ্ছে, তাদের হাতে পর্যাপ্ত সময় না থাকায় তারা আগাম নোটিশ দিতে পারেনি।

এ বিষয়ে তিতাস গ্যাসের অপারেশন বিভাগের পরিচালক কামরুজ্জামান খান বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘সমস্যাটি আমাদের নয়। সমস্যা হচ্ছে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল), তাদের যান্ত্রিক ত্রুটি থাকায় তারা আমদের গ্যাস দিতে পারছে না। আর সমস্যাটি এতো দ্রুত ঘটে যাওয়ায় আমরাও গ্রাহকদের সময় মতো জানাতে পারেনি।’

আপনার মতামত লিখুন :

‘জাসদ-গণবাহিনীর সৃষ্টি বঙ্গবন্ধু হত্যার পরিকল্পনার অংশ’

‘জাসদ-গণবাহিনীর সৃষ্টি বঙ্গবন্ধু হত্যার পরিকল্পনার অংশ’
জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার পেছনে দেশের শত্রুরা দুটি কাজ সুপরিকল্পিতভাবে করেছে। এর একটি হচ্ছে পাকিস্তান থেকে ফিরে আসা সেনা কর্মকর্তাদের কাজে লাগানো আর অন্যটি জাসদ ও গণবাহিনীর সৃষ্টি। এদের সম্পর্কে অনেক ভালো জেনেছি যখন জেলে ছিলাম।’

শনিবার (২৪ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

এইচ টি ইমাম বলেন, ‘৩ নভেম্বর যে অভ্যুত্থান হল তখন কর্নেল তাহের ও তার সঙ্গে যারা ছিল তাদের সবাইকে অ্যারেস্ট করে তারা আবার জেলখানায় চলে এল। জেলে শাফায়াত জামিল আমার সাথে। জেলখানায় তখন প্রথম জানতে পারলাম ৬৬ সালে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের মধ্যে একটি বিপ্লবী সেল তৈরি করা হয়েছিল এবং সেটি সিরাজুল আলম খানের নেতৃত্বে। তখন শুনেছি বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে কী জঘণ্য উক্তি তারা করত।’

পাকিস্তান ফেরত সেনা অফিসারদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান থেকে প্রত্যাগত সেনা অফিসাররা এসেই এমন একটা বিভেদ সৃষ্টি করে ফেলল। পরবর্তীতে দেখেন, বেছে বেছে মুক্তিবাহিনীর অফিসারদের এরা হত্যা করেছে। মুক্তিবাহিনীর সেনা যারা, তারাই প্রাণ দিয়েছে, এরা কিন্তু কেউ প্রাণ দেয়নি। জেনারেল জিয়াউর রহমান তার কোর্সমেট জেনারেল মোজাম্মেল, জেনারেল আব্দুর রহমান, জেনারেল ওয়াজিমুল্লাহকে ভালো ভালো জায়গায় বসিয়েছে। এমনভাবে পুরো জিনিসটা কুক্ষিগত করে ফেলল আমাদের সেনাবাহিনীকে যে জেনারেল শফিউল্লাহ কিছুই না।’

‘জেনারেল জিয়া তো ওদেরই লোক। এরা সকলে কোর্সমেট। এদেরই পৃষ্ঠপোষকতায় বেড়ে উঠেছে কর্নেল রশিদ, কর্নেল ফারুক। কর্নেল রশিদের তো ঢাকায় পোস্টিং ছিল না, তার তো আর্টিলারি ব্যাটালিয়ন নিয়ে কুমিল্লায় থাকার কথা, ফারুকের ট্যাঙ্ক বাহিনী নিয়ে থাকার কথা বগুড়া অথবা সাভারে। এরা যে ঢাকায় এল তাহলে আমাদের সেনাপতিরা, যারা তখন ছিলেন, তারা জানতেন না, এ সমস্ত মুভমেন্ট কী কখনো আর্মি হেডকোয়ার্টাসের অনুমতি কিংবা অনুমোদন ছাড়া হয়? এগুলো তো হয় না। তাহলে আমাদের মধ্যে কীভাবে ঢুকে পড়েছিল এই ষড়যন্ত্রকারীরা। আর মূল ষড়যন্ত্রটি যারা করেছে তারা হল পাকিস্তানিরা।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566671529801.jpg

দেশের সিভিল সার্ভিসের অবমূল্যায়নের প্রেক্ষাপটের ইতিহাস তুলে ধরে সাবেক এই আমলা বলেন, ‘১৯৬৫ সালের পরে তৎকালীন সিএসপি নিয়ে মানুষের মধ্যে একটা বিরূপ ভাব তৈরি হয়েছিল। তার পেছনে কারণ ছিল আইয়ুব খান। মার্শাল ল চালুর পরে উনি দেখলেন সবকিছু চালায় সিএসপিরা। তিনি তখন ক্ষমতা ভাগাভাগির জন্য কমিটি করলেন। সিভিল সার্ভিসের ক্ষমতা কীভাবে খর্ব করা যায় সে ব্যবস্থা কমিটি পাকাপোক্ত করল। সেই থেকে সিভিল সার্ভিসের অবমূল্যায়ন কিংবা তাদের ক্ষমতা নিয়ে নেওয়া হলো।’

‘আইয়ুব খানের আরেকজন প্রতীকী ইয়াহিয়া খান। আর আমাদের দেশে এসে হলেন জিয়াউর রহমান খান। আমি জিয়াউর রহমান খানই বলব। কারণ তিনি কিন্তু ওই লাইনেরই এবং তারপরে এরশাদ খান।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই খানেরা আমাদের ক্রমান্বয়ে যে কী পরিমাণে ক্ষতি করে গেছেন, অথচ সে জিনিসটি থেকে বঙ্গবন্ধু এসে সেই রাষ্ট্রটিতে তিনি আবার খুঁজে খুঁজে সিভিল সার্ভিসের লোকদের নিয়ে এসেছেন। শুধু সিভিল সার্ভিস নয়, উনি প্রথম সরকারে ল্যাটারাল এন্ট্রি অর্থাৎ সরকারের বাইরে কোথায় কোনো প্রতিভা আছে, যিনি সরকারকে সহযোগিতা করতে পারবেন, সেটা চালু করেন।’

বাকশালের সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহকর্মী এইচ টি ইমাম বলেন, ‘বাকশালের গঠনতন্ত্র কেউ দেখেনি। বাকশালের উদ্দেশ্য কী ছিল এটি সম্পর্কে কেউ জানে না। বঙ্গবন্ধু এভাবে জনগণের কাছে ক্ষমতা নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন ভিত্তিমূলে, তৃণমূলে। যে জন্য ৬৪টি মহকুমাকে তিনি জেলায় পরিণত করলেন। প্রতিটা জেলায় গভর্নর নিয়োগ করলেন এবং তাদেরকে ক্ষমতায়ন করে গেছেন।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মূখ্য সচিব ড.কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক। স্বাগত সংগঠনের মহাসচিব শেখ ইউসুফ হারুন প্রমুখ।

ব্লেন্ডার মেশিন থেকে সাড়ে তিন হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

ব্লেন্ডার মেশিন থেকে সাড়ে তিন হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার
আটক হওয়া মাদক ব্যবসায়ী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজধানীর কাফরুল এলাকার একটি বাসার ব্লেন্ডার মেশিনে রক্ষিত অবস্থায় ৩ হাজার ৬৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৪। এ ঘটনায় মো. ইউনুস নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব।

রোববার (২৪ আগস্ট) রাতে র‍্যাব-৪ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সজল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566664805904.jpg

সাজেদুল ইসলাম সজল বলেন, 'আজ বিকেল ৫টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৪ এর একটি দল কাফরুল থানাধীন সেনপাড়া পর্বতা এলাকার একটি আবাসিক ভবনের ৬ তলার ফ্ল্যাটে অভিযান পরিচালনা করে। ফ্ল্যাটটিতে অভিযানের এক পর্যায়ে একটি ব্লেন্ডার মেশিনে রক্ষিত অবস্থায় ৩ হাজার ৬৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এছাড়া এ ঘটনায় মাদক ব্যবসায়ী ইউসুফকে আটক করা হয়।'

তিনি বলেন, 'প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, ইউসুফ কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করে থাকে।'

আটকের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও তিনি জানান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র