Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ৪০ বছর পূর্তি

বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ৪০ বছর পূর্তি
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ৪০ বছর উদযাপন ছবি: বার্তা২৪
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

'আলোকিত মানুষ চাই' স্লোগান নিয়ে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৭৮ সালের ডিসেম্বরে তার ৪০ বছর পূর্ণ হয়েছে আজ শুক্রবার (৮ ফেব্রুয়ারি)। আলোর পথের এই যাত্রায় এখন বছরে ২৮ লাখ পাঠক অংশ নেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/08/1549622001230.jpg

সকালে রাজধানীর বাংলামোটরের ১৭ ময়মনসিংহ রোড থেকে বের হওয়া শোভাযাত্রায় দেখা গেল অ্যারিস্টটল এবং সক্রেটিসকে। এই দুই বিখ্যাত দার্শনিকের সাথে পাওয়া গেল শেখ সাদী, বিদ্যাসাগর, নজরুল, বেগম রোকেয়া, গৌতম বুদ্ধসহ আদি-মধ্য এবং আধুনিক যুগের শিল্প-সংস্কৃতির সকল কুশলিবদের। কে নেই? পাওয়া গেল বিজ্ঞানী আইনস্টাইনকেও। দেশীয় সংস্কৃতির নানা বিষয়সহ ১৮ ভাগে ভাগ করে উপস্থাপন করা হয়েছে শোভাযাত্রাকে। এর একভাগে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের স্বেচ্ছাসেবীরা সেজেছেন সাহিত্য-সংস্কৃতির বিভিন্ন বিভাগের অবদান রাখা বিখ্যাত সব ব্যক্তিত্বসহ পৃথিবীর বিখ্যাত সব মানুষের সাজে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/08/1549622031098.jpg

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ৪০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানের শুরুতেই বর্ণিল এই শোভাযাত্রা। যার নেতৃত্বে এই কেন্দ্রের স্বপ্নদ্রষ্টা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। নানা নকশায় কারুকার্য খচিত কাগজে তৈরি মুকুট আর কাপড়ের আলখেল্লা পরে এদিন তিনি আলোকবর্তিকার ভূমিকায়। সত্যিকার অর্থেতো তিনি তার চাইতেও বড় কিছু।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/08/1549622021025.jpg

আলোর পথের এই স্বপ্নদ্রষ্টা বলেন, ‘আমরা একসময় চেয়েছিলাম প্রতিটি মানুষের জীবন উজ্জ্বল হোক, আলোকিত হোক, সুন্দর হোক। যাতে বড় হবার পথে সুন্দর কিছু তারা করেন। আমাদের দেশ যাতে পৃথিবীর মধ্যে একটা শ্রেষ্ঠ দেশের মর্যাদায় চলে যেতে পারে। মানুষ ছোট আর জাতি বড়, এটা কখনোই হতে পারে না। আমরা সেজন্য মানুষকে বড় করার চেষ্টা করেছি। যাতে জাতি একদিন বড় হতে পারে। আমরা কাজ করে গেছি। সাফল্য-ব্যর্থতা এইসব নিয়ে ভাবিনি। আমি একা নই। অনেক মানুষের আত্মদান এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে। আমি হয়তো তার সামনে ছিলাম।’

আলোকিত মানুষ গড়ার এ কারিগর বলেন, আমাদের চিত্তের যে বিকাশ, এটা ৪০ বছরের বিষয় নয়। এটা হাজার হাজার বছরের বিষয়। চিরদিন অন্ধকার আমাদের গ্রাস করে নিতে চাইবে এবং চিরদিন আমরা তার সাথে যুদ্ধ করে জয়ী হবো। লক্ষ লক্ষ চল্লিশ বছর আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।’

শোভাযাত্রা শেষে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের সামনের খোলা জায়গায় বই প্রেমিক পাঠক এবং কেন্দ্রের স্বেচ্ছাসেবকদের মেলা বসে। বিখ্যাত ব্যান্ড পার্টি রামেশ্বরের ব্যান্ডের ঢোলের তালে শুরু হয় আনন্দ উল্লাস। প্রাণ-উচ্ছ্বাসের উল্লাসে ভরপুর ছিল এই আলোর নাচন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/08/1549622086834.jpg

শোভাযাত্রা শেষে আগতদের আপ্যায়ন করা হয় নানা রকমের পিঠা, খই, মুড়ি, মোয়া, বাতাসা, নিমকি, মুরালিসহ নানা রকমের বাঙালিয়ানা খাবার দিয়ে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/08/1549622062204.jpg

পরে বর্ষপূর্তির মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে সংগীত শিল্পী মোস্তফা জামান আব্বাসি, কিরণ চন্দ্র রায়, সাদী মোহাম্মদ ও প্রিয়াংকা গোপ ছাড়াও দেশবরেণ্য শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন।

বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ট্রাস্টিরা ছাড়াও এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লেখক এবং অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল, শিল্পী মোস্তফা মনোয়ার, ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম ও সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/08/1549622103449.jpg

এছাড়া ৪০ বছর পূর্তিতে শুভেচ্ছা জানাতে সারাদিন কেন্দ্রের মূল ভবনে ভিড় করে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার পাঠকরা।

১৯৭৮ সালের ডিসেম্বরে যাত্রা শুরু করে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র। ১১ সদস্যের ট্রাস্টিবোর্ডের মাধ্যমে পরিচালিত এই কেন্দ্র বর্তমানে ১২ টি কর্মসূচির মাধ্যমে আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ছাড়াও ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কর্মসূচি রয়েছে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে। ১৪ হাজার স্কুল-কলেজ, ৬৪ টি জেলা এবং ৪৮৭ টি উপজেলায় বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কর্মসূচি রয়েছে। দেশের মোট এক হাজার ৯০০টি জায়গায় ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি থেকে বই নিয়ে যেতে পারেন পাঠকরা।

আপনার মতামত লিখুন :

বুধবার থেকে ফের ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

বুধবার থেকে ফের ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস
বৃষ্টিতে ডুবে যায় অর্মি ক্লাব সংলগ্ন সড়কের এক পাশ, ছবি: শাদরুল

সপ্তাহখানেক আগে টানা বৃষ্টিতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে দেশের নিম্নাঞ্চলগুলোতে বন্যার সৃষ্টি হয়। বৃষ্টির প্রবণতা কমে যাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হচ্ছে। তবে নদীর পানি কমতে শুরু করলেও রাস্তা-ঘাট, ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এতে ভোগান্তির অন্ত নেই ক্ষতিগ্রস্তদের।

এদিকে আবহাওয়া অফিস বলছে, মৌসুমি বায়ু বঙ্গোপসাগরে দুর্বল অবস্থায় থাকলেও বাংলাদেশে ফের সক্রিয় হয়েছে। এতে কয়েক দিনের বৃদ্ধি পাওয়া তাপমাত্রাকে হ্রাস করতে ভারী বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে। মানুষের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে পারে। এর ফলে আবারও বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সোমবার (২২ জুলাই) সকাল থেকে রাজধানীতে হাস্যোজ্জ্বল রোদের ঝিলিক দেখা যায়। হঠাৎ মেঘ উঁকি দিলেও আকাশ ছিল অনেকটাই পরিষ্কার। ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যায়।

আবহাওয়াবিদ শাহিনুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে মোটামুটি সক্রিয় হয়েছে। এটি ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিরাজ করতে পারে। তাই আগামী বুধবার (২৪ জুলাই) বা বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) বৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। ৩০ জুলাই পর্যন্ত এ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বৃদ্ধি পাওয়া তাপমাত্রা ধীরে ধীরে হ্রাস পাবে। বর্তমানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বিরাজ করছে, তা কমে ৩২ থেকে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। তাপমাত্রা কমলেও গরমের প্রখরতা তেমনটা কমবে না। কারণ, এখন বর্ষা মৌসুম চলছে। এ সময় ভ্যাপসা গরম বিরাজ করে।’

সোমবার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, বরিশাল ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেটের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

অন্যদিকে, ফরিদপুর, খুলনা ও যশোর অঞ্চলের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

ঢাকা ও পাশ্ববর্তী এলাকার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। আবহাওয়া প্রায় শুষ্ক থাকতে পারে। দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

নদীবন্দরের সতর্ক বার্তায় বলা হয়েছে, রংপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারিপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

নারী বিষয়ক অনলাইন টিভির যাত্রা শুরু

নারী বিষয়ক অনলাইন টিভির যাত্রা শুরু
এশিয়ার নারী বিষয়ক হারনেট টিভির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান/ছবি: শাহরিয়ার তামিম

এশিয়ার নারী বিষয়ক প্রথম অনলাইন টেলিভিশন-হারনেট টিভি যাত্রা শুরু করল। শুধুমাত্র নারীদের জন্য বিশেষ অনুষ্ঠানমালা নির্মাণ করে সম্প্রচার করবে টেলিভিশনটি।

সোমবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশান ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে টেলিভিশনটির উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার, ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত জোয়াও তাবাজারা দি অলিভেইরা জুনিয়র, ঢাকা সিটি করপোরেশন (উত্তর) মেয়র আতিকুল ইসলাম, র‌্যাব মহাপরিচালক ড. বেনজীর আহমেদ, মানবাধিকার কর্মী খুশী কবির, আইনজীবী তুরিন আফরোজ, সংসদ সদস্য মাহী বি. চৌধুরী, কানিজ আলমাস প্রমুখ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কাদের বলেন, আমার আজ এখানে আসা, বেঁচে থাকা সবকিছুই এক অলৌকিকতা। কেননা আমি মৃত্যুর খুব কাছে ছিলাম, সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করছি সেটা সম্ভব হয়েছে; তার জন্য আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, আর আপনাদের দোয়া।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563810637321.jpg

সেতুমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের চেঞ্জ মেকার একজন মহিলা। তিনি আমাদের লিডার। তিনি আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশের মেকার। কিন্তু তারও ভুলত্রুটি থাকতে পারে। কেননা তিনি মানুষ। মানুষ মাত্রই কিছু ভুল ত্রুটি থাকে। দেশ চালাতে কিছু ভুল ত্রুটি হতে পারে। কিন্তু তিনি আমাদের দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছেন। তিনি আমাদের ভিশন দিয়েছেন।

হারনেট টিভির যাত্রার কথা তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের দেশে কোনকিছু শুরু হয় অনেক ঢাকঢোল দিয়ে, শেষ হয়ে প্যানপ্যানানি দিয়ে। কিন্তু আমি মনে করি হারনেট টিভি ইট উইল মেক এ ডিফারেন্স। কারণ, আপনারা শুরু করলেন 'গ্যালাক্সি অব ট্যালেন্টস' নিয়ে। এটা যেন অপপ্রচারের কারখানা, ফ্যাক্টরি না হয়, ভালগারিজমের আড্ডাখানা না হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563810652264.jpg

তিনি আরো বলেন, গঠনমূলক সমালোচনাকে আমরা এনকারেজ করি। সেই আমার প্রকৃত বন্ধু যে আমার গঠনমূলক সমালোচনা করে। এক নারী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে অভিযোগ করেছে। তার বক্তব্যে তিনি যে সংখ্যা বলেছেন ৩৭ মিলিয়ন মানুষ 'ডিজিপিয়ার্ড' সেটা কী সঠিক? আমরা ধীরে ধীরে আগাতে চাই। মশা মারতে কামান দাগাতে চাই না। তার কথা আমরা ঠান্ডা মাথায় শুনতে চাই, তারপর খতিয়ে দেখতে চাই।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন্নেসা ইন্দিরা বলেন, মিডিয়াতে নারীরা দক্ষতার সাথে কাজ করছে, এখন নারীরা মিডিয়া উদ্যোক্তা হিসেবেও সফল হচ্ছে শেখ হাসিনার সরকার মিডিয়া বান্ধব সরকার।

তিনি আরো বলেন, হারনেট টিভি নারী উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, বঞ্চিত শোষিত নারীর কথা বলবে সেটাই প্রত্যাশা। তাদের সফলতা কামনা করছি।

হারনেট টিভির চেয়ারপারসন হোসনে প্রধান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আছেন আলিশা প্রধান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আছেন মেহজাবিন প্রধান ফাইজা।

অনুষ্ঠানে আলিশা প্রধান বলেন, ২০১৭ সালে যখন আমি আমেরিকা থেকে দেশে ফিরে আসি তখন থেকেই নারীদের জন্য কিছু করার ভাবনাটা মাথায় ছিল। অবশেষে আমরা সেটা করতে পারলাম।

তিনি বলেন, হারনেট টিভি সম্প্রচারের মাধ্যমে নারীর অধিকার, নারীর ক্ষমতায়ন, সকলের মানবাধিকার নিশ্চিতকরণের দিকে গুরুত্বারোপ করবে।

প্রসঙ্গত, নারীদের জন্য বৈষম্যমুক্ত সম্প্রীতির বিশ্ব গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে ২০১৮ সালে হারনেট টিভি প্রতিষ্ঠা করা হয়। যেটি আজ উদ্বোধন করা হলো।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র