Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

প্রেমিকাকে বিয়ে করতে বাবাকে হত্যা, ছেলের ফাঁসি

প্রেমিকাকে বিয়ে করতে বাবাকে হত্যা, ছেলের ফাঁসি
আদালত পাড়ায় বাবা হত্যার আসামি শরীয়তউল্লাহ, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
ময়মনসিংহ
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেখতে দেখতে সৃষ্টি হয় ভালোলাগা। ভালোলাগা থেকে ভালোবাসা। এভাবেই কেটেছে তিনটি বছর। এরপর একই এলাকার সেই মেয়ের সঙ্গে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখেন টগবগে তরুণ শরীয়তউল্লাহ।

তবে সেই স্বপ্ন পূরণে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় বাবা। বাবাকে বিয়ের জন্য কোনভাবেই রাজি করাতে পারেনি শরীয়তউল্লাহ। সেই ক্ষোভে উত্তেজিত হয়ে বাবাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে সে। ঘটনাটি ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার।

হত্যার ঘটনায় দীর্ঘ ১৪ বছর পর বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আদালত হত্যার দায়ে ফাঁসির আদেশ দেন। ময়মনসিংহের অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক নূরুল আমিন বিপ্লব এ আদেশ দেন। এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন আসামি শরীয়তউল্লাহ (৩৮)।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রেজাউল করিম খান বলেন, 'নিজের পছন্দের মেয়েকে বিয়ে করতে না দেওয়ায় ২০০৫ সালের ১৩ মার্চ মধ্যরাতে শরীয়তউল্লাহ তার বাবা ইব্রাহিম খলিল উল্লাহকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এ সময় তার মা নাসিমা খাতুন বাঁধা দিতে গেলে সেও আহত হয়। পরে স্বজনরা ইব্রাহিম খলিল উল্লাহকে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে ১৪ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।'

পরে ১৫ মার্চ নিহতের মেজো ছেলে সাদিকুল্লাহ বাদী হয়ে গফরগাঁও থানায় শরীয়তউল্লাহকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার ১৪ বছর পর বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আসামির উপস্থিতিতে অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো.নূরুল আমিন বিপ্লব আসামি শরীয়তউল্লাহকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন :

১৫ বছরে ২০০টি অফিসে চুরি করে চক্রটি

১৫ বছরে ২০০টি অফিসে চুরি করে চক্রটি
চুরি চক্রের আটককৃত সদস্যরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

চক্রের দুই মূলহোতা মো. মফিজুর রহমান ও মমিনুল ইসলাম রাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোর বিভিন্ন করপোরেট অফিসে ঢুকে তথ্য সংগ্রহ করত। পরে চক্রের বাকি সদস্যরা একত্রিত হয়ে সুকৌশলে অফিসের লক খুলে দুর্ধর্ষ চুরি করত। এভাবে চক্রটি দীর্ঘ ১৫ বছর যাবৎ দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২০০টি চুরি করে।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতে রোববার (২১ জুলাই) রাজধানীর বংশাল থেকে এই চক্রের মূলহোতা মো. মফিজুর রহমান ও মমিনুল ইসলামসহ এ চক্রের পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার বাকি তিনজন হলেন- মো. বদরুল হক, মো. জামাল উদ্দিন ও মো. রাহাদ সরকার। এছাড়া গ্রেফতাকৃতদের কাছ থেকে পাঁচটি ল্যাপটপ, দুটি প্রাইভেট কার, তালা ভাঙার একটি সেলাইরেঞ্জ, দুটি স্ক্রু ড্রাইভার, একটি হেক্স ব্লেড, একটি প্লাস ও নগদ এক লাখ ৯০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

১৫ বছরে ২০০টি অফিসে চুরি করে চক্রটি

সোমবার (২২ জুলাই) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মো. মাহবুব আলম।

মো. মাহবুব আলম বলেন, 'গত ২/৩ বছর ধরে এই চক্রের দুই মূলহোতার মধ্যে মো. মফিজুর রহমান একজন উবার চালক ও মো. মমিনুল ইসলাম আন্তঃনগর সোনার বাংলা ট্রেনের এটেনডেন্স। এই দুইজন রাজধানীর উত্তরা, ধানমন্ডি, কলাবাগান ও রমনা এলাকার বড় বড় করপোরেট অফিসের খোঁজ নিত। পরে নানা কৌশলে তারা এসব করপোরেট অফিসের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করত। তথ্য সংগ্রহ শেষ হয়ে গেলে চক্রের বাকি তিন সদস্যদের একত্রিত করে চুরির পরিকল্পনা করত।'

১৫ বছরে ২০০টি অফিসে চুরি করে চক্রটি

তিনি বলেন, 'প্রথমে মফিজুরের উবারের গাড়ি করে চক্রটির সদস্যরা রাতের বেলায় চুরি করার জন্য নির্দিষ্ট অফিসের নিচে যেত। গাড়ি থেকে চার জন নেমে অফিসের ভেতর প্রবেশ করত আর উবার চালক মফিজুর নিচে অপেক্ষা করত। অফিসের গেইটে মো. মমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রথমে নানা কৌশলে ডিজিটাল লক খোলা হত। পরে অফিসের ভেতরে প্রবেশ করে প্রথমে সার্ভার বক্স ভেঙে হার্ডডিসক নষ্ট করে ফেলত তারা। যাতে করে সিসিটিভি ফুটেজ অফিস মালিকরা না পান। পরে ভেতরে নানা কৌশলে অবলম্বন করে মোটা অংকের টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে আসত। চুরির শেষ পর্যায়ে সকল মালামাল উবারের গাড়িতে উঠিয়ে নিজেদের গোপন জায়গায় নিয়ে আসত।'

তিনি আরও বলেন, 'এ চক্রটি ১৫ বছর যাবৎ দেশের বিভিন্ন এলাকার করপোরেট অফিসসহ নানা অফিসে প্রায় ২০০টির মতো চুরি সংঘটিত করেছে। এভাবে তারা কোটি কোটি টাকা বিভিন্ন করপোরেট অফিস থেকে চুরি করেছে এখন পর্যন্ত। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা আমাদের কাছে এসব তথ্য স্বীকার করেছে। তাদের আরও বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এরই সঙ্গে তদের বিরুদ্ধে অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।'

দাবি আদায়ে অনঢ় ঢাবি শিক্ষার্থীরা

দাবি আদায়ে অনঢ় ঢাবি শিক্ষার্থীরা
অধিভুক্ত সাত কলেজ বাতিলের দাবিতে আন্দোলনরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

অধিভুক্ত সাত কলেজ বাতিলের দাবিতে অনঢ় অবস্থানে রয়েছে আন্দোলনরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা। সোমবার (২২ জুলাই) ভোর ছয়টা থেকে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন। যাতে বন্ধ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরণের কার্যক্রম।

এদিকে শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলন দীর্ঘদিনের এবং যৌক্তিক ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার কথা বলেছেন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আকতার হোসেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563781070953.jpg

এ সময় তিনি বলেন, সাত কলেজ বাতিলের দাবিতে  শিক্ষার্থীরা অনেক দিন যাবৎ আন্দোলন করে আসছে। এই আন্দোলন শুধু গুটিকয়েক শিক্ষার্থীর আন্দোলন নয়, এটা তেতাল্লিশ হাজার শিক্ষার্থীর আন্দোলন। ঢাবি প্রশাসনের সক্ষমতা নেই সাত কলেজের ভার বহন করার। তাই দ্রুত শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। আন্দোলনের সঙ্গে তার সম্পূর্ণ সমর্থন রয়েছেন বলেও জানান আকতার।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563781085759.jpg

আন্দোলনের মুখপাত্র শাকিল মিয়া বলেন, যদিও আমাদের আন্দোলনে সবাই নেই। কিন্তু আমাদের সঙ্গে এক আকতার রয়েছে। যৌক্তিক আন্দোলনে আমরা তেতাল্লিশ হাজারের প্রতিনিধিত্ব করছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

এদিকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, কর্মকর্তারা হলের গেট থেকে শিক্ষার্থীদের বাধায় ফিরে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা ভিসি চত্বরে জড়ো হয়ে বিভিন্ন ধরণের স্লোগান দিচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র