Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভেজাল বিরোধী অভিযানে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

ভেজাল বিরোধী অভিযানে ৪ লাখ টাকা জরিমানা
ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকনের ঘোষিত সাত দিনব্যাপী ভেজাল বিরোধী অভিযানের দ্বিতীয় দিনে ভ্রাম্যমাণ আদালত ভিন্নভিন্ন ১৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৪ লাখ ২৬ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। এছাড়া ৩ জনকে কারাদণ্ড ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে ডিএসসিসি’র ৪টি অঞ্চলকে ভাগ করে অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/14/1547478775871.jpg

অঞ্চল-১ এর আওতাধীন শাহবাগ আজিজ সুপার মার্কেটের সিলভানা রেস্টুরেন্টের মালিক মোস্তফা কামালকে ২৭৩ দণ্ডবিধিতে ৩ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড, মৌমিতা রেস্টুরেন্টকে বিশ হাজার টাকা জরিমানা এবং বিসমিল্লাহ হোটেলের মালিক আলতাফ হোসেনকে ২৭৩ দণ্ডবিধিতে ৫দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ঢাকা হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টকে ৩৯ ধারায় বিশ হাজার টাকা জরিমানা, মধুরিমা হোটেলের মালিককে ১ হাজার টাকা জরিমানা ও ইউনার ফ্রেশ ওয়াটারকে সিলগালা করে দেওয়া হয়।

অঞ্চল-২ এর আওতায় পল্টন নাইটিংগেল মোড় এলাকায় পরিচালিত অভিযানে নিউ ঢাকা কাবাব এন্ড রেস্টুরেন্টের মালিক মুজিবর রহমানকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান, ডায়মন্ড রেস্টুরেন্টকে ৪১ ধারা অনুযায়ী একলাখ টাকা, কড়াই গোস্ত রেস্টুরেন্টকে এক লাখ টাকা, দস্তরখানা রেস্টুরেন্টকে ১লাখ টাকা জরিমানা এবং কস্তুরী রেস্টুরেন্টকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অঞ্চল-৩ এর আওতাধীন আজিমপুর ছাপড়া মসজিদ এলাকার ডেলিশাস ফুড কে দশ হাজার, হোটেল রোজ হ্যাভেনকে বিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া মোহন চাঁদ, আনন্দ, মিঠাই ও হরিপদ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার এবং হক বেকারিকে সতর্ক করা হয়।

অঞ্চল-৪ এর ইসলামপুর রোডে এলাকায় অমূল্য মিষ্টান্ন ভাণ্ডারকে চল্লিশ হাজার এবং অন্য ৩ প্রতিষ্ঠানকে আরও দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

উল্লেখ্য, সাত দিনব্যাপী ক্রাশ প্রোগ্রামের ২য় দিন ছিল সোমবার।

আপনার মতামত লিখুন :

মশককর্মীদের ম‌নিট‌রিংয়ের দা‌য়িত্ব নাগরিকদেরও: মেয়র আতিক

মশককর্মীদের ম‌নিট‌রিংয়ের দা‌য়িত্ব নাগরিকদেরও: মেয়র আতিক
ডিএন‌সি‌সি মেয়র আতিকুল ইসলাম, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

সুনাগ‌রি‌কের দা‌য়িত্ব পালনের আহবান জানিয়ে ঢাকা উত্তর সি‌টি ক‌রপো‌রেশ‌নের (ডিএন‌সি‌সি) মেয়র আতিকুল ইসলাম ব‌লে‌ছেন, সি‌টি করপো‌রেশ‌নের ও‌য়েব সাইটে কোন মশককর্মী ক‌বে কোন এলাকায় যা‌বে, তার বিস্তা‌রিত দেওয়া আছে। তার নাম, ফোন নম্বর দেওয়া হ‌য়ে‌ছে। তারা গেল কি-না, ওষুধ ছিটা‌লো কি-না এটা, এসব ম‌নিট‌রিং করার দা‌য়িত্ব আপনা‌দের।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় ঢাকা আন্তর্জা‌তিক বৌদ্ধ বিহা‌রের আ‌য়োজ‌নে আষাঢ়ী পূ‌র্ণিমা-২০১৯ ও বৃক্ষ‌রোপণ অনুষ্ঠা‌নে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা ব‌লেন।

মেয়র জানান, মশক কর্মীদের ব‌লে‌ছি- তারা ওষুধ ছি‌টি‌য়ে স্থা‌নীয় নি‌র্দিষ্ট সাত জ‌নের ম‌ধ্যে চারজ‌নের স্বাক্ষর না আন‌লে বেতন দে‌ব না। এসব স্বাক্ষর হ‌তে পা‌রে স্কুল শিক্ষক, স্থানীয় প্রতি‌নি‌ধি, স‌াংবা‌দিক, মস‌জি‌দের ইমাম। বৌদ্ধরাও স্বাক্ষর দি‌তে পা‌রে। আমি নগরপিতা হ‌তে চাই না, আমি সেবক হ‌তে চাই।

তি‌নি ব‌লেন, আমরা ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার ক‌রি না, ফুটপাথ ব্যবহার ক‌রি না। আমাদের আইন মান‌তে হ‌বে। অনেক উন্নয়ন হ‌বে, কিন্তু আমা‌দের ধৈর্য্য ধর‌তে হ‌বে।

‘আমি কাল‌শি খাল প‌রিষ্কার কর‌তে গি‌য়ে‌ছিলাম। সেখান থে‌কে ৩৬টি জাজিম পে‌য়েছি, সেখা‌নে টি‌ভি ফ্রিজের ভাঙা অংশ পে‌য়ে‌ছি, সেখা‌নে প‌রিত্যাক্ত সোফা পে‌য়ে‌ছি, প্রায় ৮০ট্রাক ডা‌বের খোসা বের ক‌রে‌ছি। তাহ‌লে পা‌নি নিষ্কাশন হ‌বে কী ক‌রে?’

DNCC

বৌদ্ধ‌দের উদ্দেশে আতিকুল ইসলাম ব‌লেন, ৫০০ বছ‌রের ইতিহাস বৌদ্ধদেরই। দে‌শের বড় বিহারগু‌লো দেখলে তা বোঝা যায়। বৌদ্ধ‌দের থে‌কে অনেক কিছু শেখার আছে। অসাম্প্রদা‌য়িক বাংলা‌দেশ গড়ার জন্য ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’, এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্লোগান। আমরা তা বাস্তবায়ন কর‌ব। মু‌ক্তিযু‌দ্ধের প‌ক্ষের শ‌ক্তি ছিল বৌদ্ধরাও। আজ‌কে দেশ‌টি এগি‌য়ে যা‌চ্ছে। জা‌তির জন‌কের স্বপ্নের বাংলা‌দেশ গড়ার দি‌কে এগিয়ে যাচ্ছে। এটা অনেক ক‌ষ্টের কাজ, যা প্রধানমন্ত্রী ক‌রে যা‌চ্ছেন।

ঢাকা আন্তর্জা‌তিক বৌদ্ধ বিহা‌রের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ধর্ম‌মিত্র মহাথের সভাপ‌তি‌ত্বে অনুষ্ঠানে বি‌শেষ অতিথি হি‌সে‌বে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বি‌শেষ সহকারী ব্যা‌রিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইন‌মেন্ট অফিসার নুরুন নবী, বাংলা‌দেশ বু‌দ্ধিস্ট ফেডা‌রেশ‌নের সাধারণ সম্পাদক ভিক্ষু সুনন্দ‌প্রিয়, ২১নং ওয়ার্ডের ক‌মিশনার মাসুম গ‌নি তাপস, ৩৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জাহা‌ঙ্গীর আলম প্রমুখ।

দালাল চক্রের সক্রিয় ৭ সদস্যের কারাদণ্ড

দালাল চক্রের সক্রিয় ৭ সদস্যের কারাদণ্ড
দণ্ডপ্রাপ্ত দালাল চক্রের সদস্যরা, ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও পঙ্গু হাসপাতালের সামনে থেকে দালাল চক্রের সক্রিয় ৭ সদস্যকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন র‌্যাব-২ এর ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এদের মধ্যে ইলিয়াস হোসেনের (৩৩) তিন মাস, মো.শাওন মৃধার (২৫) এক মাস, ওমর ফারুক (২০) এক মাস, জহিরুল ইসলাম জনির (২২) এক মাস, মো. ফয়েজুল্লার (৩৩) এক মাস, মো. রেজাউল করিমের (৪৬) এক মাস এবং মো. দুলালের (৩০) পনের দিন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) র‍্যাব-২ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল মালিক এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন থেকে একটি সংঘবদ্ধ দালালচক্র রাজধানীর আগারগাঁও হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদেরকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। এর মাধ্যমে তারা অসহায় রোগীদের নিকট থেকে চিকিৎসার নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয়। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে র‍্যাব-২ অভিযান পরিচালনা করে।’

র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘অভিযান শেষে র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিছুর রহমানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ৭ দালালকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র