Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

রোহিঙ্গা সংকটে বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের অবস্থান সন্তোষজনক নয়

রোহিঙ্গা সংকটে বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের অবস্থান সন্তোষজনক নয়
ছবি: বার্তা২৪
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

 

পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের যে কর্মকাণ্ড সেটা মোটেই সন্তোষজনক নয়। তাদেরকে এ বিষয়ে আরো বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকায় দেখতে চায় বাংলাদেশ। আমি বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের আরো সম্পৃক্ততা আশা করছি।

সোমবার (১৪ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

চীন ও রাশিয়ার অবস্থান প্রসঙ্গে বলেন, তারাও আমাদের সাথে রয়েছে। রাজনীতিতে ভিন্নভাবে বিভিন্ন সময় পরিবর্তন আসে। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে স্থায়ী বলে কিছু নেই।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুটি সহজে সমাধান হবে না। এর জন্য অনেক কাঠখড় পোড়াতে হবে। বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের অবস্থান নিয়ে আমি একটি স্টাডি করতে বলেছি। এই গবেষণা থেকে রোহিঙ্গাদের কারণে আমাদের দেশের সামাজিক, আর্থিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কী কী প্রভাব পড়েছে তা জানার চেষ্টা করা হবে। রোহিঙ্গা ইস্যু জিইয়ে থাকলে ভারত-চীনসহ সবার স্বার্থ ব্যাহত হবে।

 পররাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন দেশ অভিনন্দন ও আমন্ত্রণ জানালেও বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী দেশ ভারত দিয়েই প্রথম বিদেশ সফর শুরু করতে চান নতুন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে প্রথমেই অর্থনৈতিক কূটনীতির উপর জোর দিবেন জানিয়ে বলেন, বিশ্বের সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়াতে এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি আরো শক্তিশালী করতে এবার অর্থনৈতিক কূটনৈতিক কর্মকাণ্ডে জোড় দেয়া হবে। বহির্বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ ও সম্পর্ক উন্নয়নেও নতুন মাত্রা যোগ করতে চাই। বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে ভিশন ২০৩০ ঘোষণা করেছেন তা বাস্তবায়নে সামনের দিনে অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর জোড় দেয়া হবে।

সরকারের ভিশন টেসই লক্ষ্য মাত্রা অর্জন আমি সকলের কাছে সহযোগিতা চাই। ২০২১ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ পালন করব। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে যা যা প্রয়োজন উদ্যোগ নিব। মহাজোট সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তাই মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে এবং জীবন সহজ করতে অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর জোড় দিব।

আপনার মতামত লিখুন :

মোবাইল অনলাইনে জানুন এইচএসসির ফল

মোবাইল অনলাইনে জানুন এইচএসসির ফল
পুরনো ছবি

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামীকাল বুধবার (১৭ জুলাই) প্রকাশ হবে। এদিন দুপুর ১টা থেকে পরীক্ষার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে স্ব-স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফলাফল জানতে পারবেন। এছাড়া এসএমএস ও অনলাইনের মাধ্যমেও ফল জানা যাবে।

এর আগে ফলাফলের অনুলিপি সকাল ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেবেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। উপস্থিত থাকবেন সংশ্লিষ্ট বোর্ড প্রধানরা। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী। মন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে শিক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন।

মোবাইল এসএমএস-এ যেভাবে ফল জানা যাবে

এক্ষেত্রে যেকোনো অপারেটর থেকে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে  তারপর HSC লেখে, আপনি যেই বোর্ড থেকে পরীক্ষা দিয়েছেন সেই বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর, রোল নম্বর, পরীক্ষার সাল লেখে Send করুন 16222 নম্বরে। প্রতি এসএমএস (SMS) এ ২ টাকা ৩০ পয়সা করে কাটা হবে।

উদাহরণ: HSC Dha XXXXXX 2019 send to 16222

বাংলাদেশের সকল শিক্ষা বোর্ডের কোড নাম

Board First 3 letters
Dhaka Board DHA
Barisal Board BAR
Sylhet Board SYL
 Comilla Board COM
Chittagong Board CHI
Rajshahi Board RAJ
Jessore Board JES
Dinajpur Board DIN
 Madrasah Board MAD
Technical Board TEC

 

এসএমএস ছাড়া ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন (http://www.educationboard.gov.bd/)।

প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল জানতে এই ওয়েবসাইটের (www.dhakaeducationboard.gov.bd) 'রেজাল্ট' কর্নারে ক্লিক করে ইআইআইএন নম্বর এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠনভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়া জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইমেইলে কেন্দ্র ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল পাঠানো হবে। ডিসি অফিস ও ইউএনও কার্যালয় থেকে ফলের হার্ড কপি সংগ্রহ করা যাবে।

আলিম পরীক্ষার্থীরা মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে (www.bmeb.gov.bd) প্রবেশ করে আলিম পরীক্ষার জেলা ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল পাওয়া যাবে।

উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন।

 

‘হামার ভালোবাসার ভোট শ্যাষ বাহে’

‘হামার ভালোবাসার ভোট শ্যাষ বাহে’
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শোকাহত রংপুরবাসী/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রংপুর মানেই এরশাদ। এরশাদ মানেই রংপুর। তাই ভোটের রাজনীতিতে কখনোই এরশাদ বা লাঙ্গলের পরাজয় নেই। রংপুরে বরাবরই অজেয় ছিল সাবেক রাষ্ট্রপ্রধানের দল জাতীয় পার্টি। কিন্তু এখন কী হবে? এরশাদ তো নেই। এরশাদবিহীন ভোটযুদ্ধে তার আঁতুরঘর অজেয় থাকবে কি-না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।

এরশাদ অসুস্থ হবার পর থেকেই রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনের গুঞ্জন উঠে। শেষ পর্যন্ত গত রোববার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধীদলীয় নেতার মৃত্যুর হলে শোকের আড়ালে ভোটের আলোচনাও ভাসে মুখে মুখে।

এ নিয়ে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম রংপুরের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সাথে কথা বলেছে। বিশেষ করে এরশাদের ভোটব্যাংক খ্যাত নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে তাদের আবেগ আর ভালোবাসার কথা।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রংপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দানে জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জানাজায় অংশ নিতে আসা বোরহান কবির বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'এখন তো আমরা ভোট নিয়ে ভাবছি না। যারা ভোট করেন তারাই এ নিয়ে চিন্তা করছে। আমি তো এতদিন এরশাদ স্যারকে ভালোবেসে ভোট দিয়েছি। সেই ভালোবাসার তো শেষ।'

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563296206450.gif

রংপুর সদর উপজেলার আফরোজা বেগম। বয়স পঞ্চাশ পেরিয়েছে। এই এরশাদভক্ত কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, 'হামার ভালোবাসার ধন নাই। এতদিন এরশাদ সাইবের প্রতি হামার আদর দরদ ছিল, তার জনতে ভোট পাইছে। সারাজেবন তো তাকে ভোট দিচি। এ্যালা হামার ভালোবাসার ভোট শ্যাষ বাহে। আর কাক ভোট দেমো। এরশাদ সাইবতো নাই।'

এরশাদের মৃত্যুতে রংপুর সদর আসনে গত ২৮ বছর ধরে চলা জাতীয় পার্টির যে দাপুটে রাজত্বের অবসান ঘটল বলে মনে করছেন ছাপাখানার শ্রমিক ইসমাইল হোসেন। তিনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'শোকের পাশাপাশি মাইনসের মুকোত ভোট নিয়্যাও আলোচনা হওছে। সবার মত মুইয়ো আগোত এরশাদ স্যারোক লাঙলোত ভোট দিচু। কিন্তু তায় তো বাচি নাই। দেকা যাউক কায় ভোট করে।'

সাবেক এই রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা দেখা গেছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। কারণ ১৯৯১ সাল থেকে রংপুরের মানুষ এরশাদকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করে আসছে। খেটে খাওয়া দিনমজুর, শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে এরশাদের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563296234501.gif

এদিকে জানাজার মাঠে আইনজীবী রফিকুল ইসলাম বলেন, 'এরশাদের অবর্তমানে জাতীয় পার্টিকে আর কেউ ছাড় দেবে না। ভোটাররা আর আগের ভালোবাসা থেকে লাঙলে ঝুঁকবেন না। এরশাদ তো ছিলেন ভালোবাসা আর আবেগে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। এ জনপ্রিয়তা তো অন্যদের নেই।'

উল্লেখ্য, বর্তমান জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রংপুর সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য। তার মৃত্যুতে এ আসনটি শূন্য হলো।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র