Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

পায়রা বন্দরের ড্রেজিং চুক্তি স্বাক্ষর

পায়রা বন্দরের ড্রেজিং চুক্তি স্বাক্ষর
পায়রা বন্দরের ড্রেজিং চুক্তি স্বাক্ষর, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পায়রা বন্দরের ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের জন্য পিপিপির আওতায় চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। সোমবার (১৪ জানুয়ারি) নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বেলজিয়ামের কোম্পানি ‘জান ডে নুল’র সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।

প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ হাজার ৬৪৩ কোটি টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে জোয়ারের সহায়তায় ১২ মিটার ড্রাফটের জাহাজ বন্দরের জেটিতে ভিড়তে পারবে। কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রসমূহের জন্য বিদেশ থেকে বছরে ২০ মিলিয়ন মেট্রিক টন কয়লা বন্দরের পোতাশ্রয়ে সরাসরি খালাস করা যাবে, যা দেশের পশ্চিমাঞ্চলের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপকরণ চাহিদা পূরণ করবে। ২০ ফুট দৈর্ঘ্যের ৩ হাজার কন্টেইনারবাহী জাহাজ ও ৪০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার জাহাজ বন্দরের জেটিতে সরাসরি ভিড়তে পারবে।

প্ৰকল্পের আওতায় পায়রা বন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেলে ১০.৫ মিটার ড্রাফটের ৪০ হাজার ধারণক্ষমতার বাল্কবাহী ক্যারিয়ারের চলাচলে সক্ষম চ্যানেল (টার্নিং বেসিনসহ) ডিজাইন এবং ক্যাপিটাল ড্রেজিংসহ ১২ বছর পর্যন্ত রক্ষণাবেক্ষণ ড্রেজিং করা হবে।

ড্রেজিংয়ের ফলে ৭৫ কিলোমিটার দীর্ঘ, ১০০-১২৫ মিটার প্রস্থ ও সর্বোচ্চ ১০৫ মিটার গভীর চ্যানেল তৈরি হবে। ইঞ্জিনিয়ারিং সমীক্ষার জন্য ১৪ মাস এবং ক্যাপিটাল ড্রেজিং করতে ১৪ মাস সময় লাগবে।

বেলজিয়াম এক্সপোর্ট ক্রেডিট এজেন্সির সহায়তায় এইচএসবিসি এবং এর কনসোর্টিয়াম ব্যাংক হতে পায়রা ড্রেজিং কোম্পানি লিমিটেড ঋণ গ্রহণ করবে। পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক রক্ষণাবেক্ষণ ড্রেজিং শেষ হওয়ার ৬ মাস পর হতে ২০টি সমপরিমাণ অর্ধ-বার্ষিক কিস্তিতে সুদসহ পরিশোধ করবে। চুক্তির বাকি বছরসমূহের রক্ষণাবেক্ষণ ড্রেজিং এর জন্য উভয় পক্ষ অর্থায়নের উৎস খুঁজবে এবং অর্থ প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রকল্প কোম্পানি রক্ষণাবেক্ষণ ড্রেজিং করবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/14/1547468877562.jpg

চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর এম জাহাঙ্গীর আলম ও জান ডে নুল বেলজিয়ামের চেয়ারম্যান জনচিরি। নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আবদুস সামাদ ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পায়রা বন্দরকে গভীর সমুদ্র বন্দর আকারে গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাবনাবাদ চ্যানেলকে ভবিষ্যতে ১৪.৫ মিটার গভীর করা হবে। এ নতুন গভীর সমুদ্র বন্দর দেশের উত্তর দক্ষিণ অঞ্চলে অর্থনৈতিক করিডোর প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করবে এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে দক্ষিণের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে রুপান্তরিত হবে আশাবাদ ব্যক্ত করেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলম।

চ্যানেলে প্রাথমিক রক্ষণাবেক্ষণ ড্রেজিং করা হবে। ক্যাপিটাল ড্রেজিং চলাকালীন ১১১ মিলিয়ন ঘনমিটার ড্রেজিং ম্যাটারিয়াল অপসারণ করা হবে।

২০১৮ সালের ১৯ মার্চ মন্ত্রিসভা প্রকল্পটিকে জাতীয় অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে ঘোষণা করে। এ প্রেক্ষিতে পিপিপি আইন ২০১৫ ও জাতীয় অগ্রাধিকার প্রকল্প বিধিমালার অনুসরণ করে চুক্তি করা হয়। ২০১৩ সালের ৩৫ নভেম্বর জাতীয় সংসদে ‘পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন- ২০১৩’ পাস করে।

২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর দেশের দক্ষিণাঞ্চলে পটুয়াখালী জেলার রাবনাবাদ চ্যানেলে পায়রা বন্দর নামে দেশের ৩য় সমুদ্র বন্দরের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আপনার মতামত লিখুন :

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো
মিয়া সেপ্পো, ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি পূর্ণ বিশ্রামে রয়েছেন।

জাতিসংঘের আবাসিক কার্যালয়ের (ইউএনআরসি) এক কর্মকর্তা জানান, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো কয়েকদিন ধরে অসুস্থ। তার জ্বর হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া গেছে যে তার ডেঙ্গু হয়েছে।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, চিকিৎসকের পরামর্শে মিয়া সেপ্পো এখন পূর্ণ বিশ্রামে রয়েছেন। তিনি অফিস করছেন না। তার সুস্থ হতে কতদিন লাগবে তা জানাতে পারেননি চিকিৎসক।

নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পেলেই আইনগত ব্যবস্থা

নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পেলেই আইনগত ব্যবস্থা
ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীদের খোঁজখবর নিতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন মেয়র সাঈদ খোকন।

ঢাকা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেছেন, 'নির্মাণাধীন ভবনগুলোতে এডিস মশার প্রজনন স্থল অন্যান্য জায়গার তুলনায় অনেক বেশি। তাই যেসব নির্মাণাধীন ভবনে পানি জমে থাকার ফলে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাবে সেসব ভবনের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে'।

সোমবার( ২২ জুলাই) দুপুর ১২ টার দিকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীদের খোঁজখবর নিতে এসে এসব কথা বলেন ডিএসসিসি মেয়র।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563782288014.jpg

মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, 'নির্মাণাধীন ভবন মালিক এবং কর্তৃপক্ষকে বারবার সতর্ক করা হয়েছে, যাতে কাজ চলার সময় কোনভাবেই ভবনে পানি না জমে এবং এডিস মশার লার্ভা বংশ বিস্তার করতে না পারে। আমরা চিহ্নিত করছি যেসব ভবন মালিকরা নগর কর্তৃপক্ষের এ কার্যক্রমে সাড়া দিচ্ছেন না। এমন অবস্থায় নির্মাণাধীন ভবনগুলোতে প্রয়োজনীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে নগর কর্তৃপক্ষ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবে। আজ থেকে এসব মোবাইল কোর্ট চলবে যতদিন পর্যন্ত ডেঙ্গু পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয়'।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563782302675.jpg

মেয়র আরও বলেন, 'আমাদের ৫৭ টি ওয়ার্ডের প্রতিটি বাসায় পরিচ্ছন্নতা কর্মী এবং স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা যাচ্ছেন।যে বাসায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে তা ধ্বংস করে পরিষ্কার করে দিয়ে আসছেন এবং ভবিষ্যতের এডিস মশার লার্ভা যেন জন্মাতে না পারে সে জন্য বাসিন্দাদের প্রশিক্ষণও দেয়া হচ্ছে'।

মেয়র বলেন, ’আমাদের টার্গেট আছে ১৫ দিনের মধ্যে ২৫ হাজার বাসা এডিস মশার লার্ভা মুক্ত করব। আমাদের ৬৮ টি মেডিকেল টিম পাড়া-মহল্লায় কাজ করছে। ইতিমধ্যে ২৫ হাজারের ঊর্ধ্বে ডেঙ্গু রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। যাদের অবস্থা বেশি খারাপ তাদের নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে'।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র