Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চাকসু নির্বাচনের দাবিতে ছাত্রলীগের আল্টিমেটাম

চাকসু নির্বাচনের দাবিতে ছাত্রলীগের আল্টিমেটাম
চাকসু নির্বাচনের দাবিতে ছাত্রলীগের আল্টিমেটাম, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
চট্টগ্রাম
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকসু নির্বাচনের ডামাডোলের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনের দাবিতে প্রশাসনকে এক মাসের আল্টিমেটাম বেঁধে দিয়েছে ছাত্রলীগ। এই সময়ের মধ্যে তফসিল ঘোষণা এবং নির্বাচনের প্রস্তুতির দাবি জানানো হয়েছে।

সোমবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে এক মানববন্ধন থেকে এমন হুঁশিয়ারি ও আল্টিমেটাম দেয় ছাত্র নেতারা।

মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফজলে রাব্বি সুজন বলেন, ২৮ বছর ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের সংসদকে প্রশাসন অনৈতিক সুবিধার জন্য অচল করে রেখেছে। সিনেটে শিক্ষার্থীদের কোনো প্রতিনিধি না থাকায় শিক্ষার্থীরা সকল অধিকার থেকে বঞ্চিত। পর্যাপ্ত আবাসন ও যাতায়াত ব্যবস্থায় ত্রুটির কারণে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে। প্রশাসন একচেটিয়াভাবে তাদের অনৈতিক সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু তাদের এই সুযোগ আর দেওয়া হবে না। আগামী এক মাসের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকল ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও তফসিল ঘোষণা করতে হবে। অন্যথায় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে সকল ছাত্র সংগঠন কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।

সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক অর্থ সম্পাদক জাহেদ আওয়াল মানববন্ধন সঞ্চালনা করেন।

মানববন্ধনে ছাত্রলীগ চবি শাখার সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইলিয়াছ, জাহাঙ্গীর আলম জীবন, সহ-সম্পাদক আজাদুর রহমান, তারেকুল ইসলাম ও মিশু বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ ১৯৯০ সালের ফেব্রুয়ারিতে চাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর ক্ষমতার হাতবদলে উপাচার্যদের আশ্বাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল নেতৃত্ব তৈরির আঁতুরঘর। ঢাকসু নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হওয়ায় নতুন করে আশার সঞ্চার হয় চবির শিক্ষার্থীদের মাঝে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীকে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি। পরে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতারে কাছে জানতে চাইলে তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমি এখনই এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। ভিসি স্যার যা করবেন, তারপর দেখা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন :

মুক্তিযোদ্ধা চিকিৎসাসেবা প্রকল্প চালু করেছে ভারত

মুক্তিযোদ্ধা চিকিৎসাসেবা প্রকল্প চালু করেছে ভারত
প্রতীকী

প্রতি বছর ১০০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে চিকিৎসাসেবা দিতে নতুন প্রকল্প চালু করেছে ভারত সরকার। এ প্রকল্পের আওতায় ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে।

ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় হাইকমিশন ও বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে বাংলাদেশের সব জেলা থেকে অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের বাছাই করবে। এ বছরও ১০০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নির্বাচিত করে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে।

এ বিষয়ক একটি বিজ্ঞাপন মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (www.molwa.gov.bd) প্রকাশিত হয়েছে। আবেদনকারীদের ওয়েবসাইট দেখে নির্ধারিত ফরমে ২২ আগস্ট, ২০১৯ এর মধ্যে নিজ নিজ জেলার সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে আবেদন জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

সবকিছু অর্জন করতে হয়েছে, কেউ এমনিতে দেয়নি: সোহেল তাজ

সবকিছু অর্জন করতে হয়েছে, কেউ এমনিতে দেয়নি: সোহেল তাজ
সংবাদ সম্মেলনে সোহেল তাজ

সাবেক স্বরাষ্টপ্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ বলেছেন, আমার সবকিছু অর্জন করতে হয়েছে, কেউ এমনিতে কিছু দেয়নি। গ্রামে-গঞ্জে ঘুরে বেরিয়েছি। দেশে বিদেশে যেখানেই গেছি মানুষ আমাকে ভালোবেসেছে। আমাকে নিয়ে মানুষের চিন্তা আমাকে অভিভূত করে, ঋণী করে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জলাই) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

সমাজের নানা সমস্যা সমাধান তুলে ধরতে সোহেল তাজ 'হটলাইন কমান্ডো' নামের একটি অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেন।

সোহেল তাজ বলেন, ২০০৯ সালের নির্বাচনে 'দিন বদলের সনদ' আমাদের খুব আকর্ষণীয় নির্বাচনী ইশতেহার ছিল। তখন প্রধানমন্ত্রী আমাকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তখন দিন বদলের সনদকে বুকে ধারণ করে নিজেকে কাজে নিয়োজিত করেছিলাম। পরবর্তীতে যেকোনো কারণেই হোক রাজনীতি থেকে বিরতি গ্রহণ করি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563432593667.jpg

সোহেল তাজ বলেন, আমি ছোটবেলায় আমার বাবাকে কাছে পাইনি। তাই চেয়েছি আমার সন্তানদের যেন এটা না হয়, আমার দুই মেয়ে, এক ছেলে। বিরতির এই সময়টাতে তাদেরকে সময় দিয়েছি।

মা জোহরা তাজউদ্দিনে কথা স্মরণ করে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমার মা সবসময় বলতেন তুই যাই করিস না কেন, মানুষের জন্য কিছু করিস।

সোহেল তাজ বলেন, আমার কোন পোস্ট পজিশন নেই, আমার কোন ধনদৌলত নেই। কীভাবে জনগণের ভালোবাসার এই ঋণশোধ করব! সেটাই সবসময় চিন্তা করেছি। সেই চিন্তা থেকেই ‘হটলাইন কমান্ডো’ অনুষ্ঠানের এই ভাবনা।

দেশের মানুষের নানা সামাজিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ, সমাধানের জন্য আমরা নিয়ে আসছি 'হটলাইন কমান্ডো।' এ সময় হটলাইন কমান্ডোর চিন্তাভাবনা, কর্মপরিকল্পনা নিয়ে একটি প্রেজন্টেশন দেন সোহেল তাজ।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র