Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বর্ষার আগেই সড়ক মেরামত ও সংস্কার শেষ করার নির্দেশ

বর্ষার আগেই সড়ক মেরামত ও সংস্কার শেষ করার নির্দেশ
ওবায়দুল কাদের-ফাইল ফটো
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সড়ক-মহাসড়ক নির্মাণকাজের গুণগতমান সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আসন্ন বর্ষা মৌসুমের আগেই সড়ক মেরামত ও সংস্কার কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন সড়ক প্রকৌশলীদের।

সোমবার (১৪ জানুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তর প্রধান, চলমান প্রকল্পসমূহের প্রধান এবং সওজ’র জোন প্রধানদের সভায় এ নির্দেশনা দেন।

তিনি বলেন, দেশের সড়ক-মহাসড়কের উপর স্থাপিত কাঁচাবাজার ও ভাসমান দোকানপাট উচ্ছেদ করে মূলসড়ক উদ্ধারের কাজ শুরু হয়েছে, এ কাজ সফলভাবে শেষ করতে হবে। পরবর্তী পর্যায়ে সড়কপাশের অবৈধ স্থাপনা সরানোর উদ্যোগ নেয়া হবে। এছাড়া পৌরসভা এলাকায় মহাসড়কের পার্শ্ব আবর্জনামুক্ত রাখতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরকে কঠোর নির্দেশনা দেন।

সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা পর্যটনের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি সড়কের বেইলি সেতুসমূহ প্রতিস্থাপনসহ চলমান নির্মাণকাজ  যথাসময়ে শেষ করতে হবে।

ইতোমধ্যে দেশের প্রথম সীমান্ত সড়কের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিনড্রাইভ সম্প্রসারণ করে বত্রিশ ফুটে উন্নীত করা হবে। পর্যটকদের সুবিধার্থে সৈকতসংলগ্ন সড়কে বাতি স্থাপন, বিভিন্ন পয়েন্টে বিশ্রামাগার নির্মাণের পাশাপাশি মেরিনড্রাইভে পর্যটকদের জন্য বিশেষ বাস সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।

আগামী মাসে দ্বিতীয় সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্পের  আওতায় প্রায় বারো হাজার কোটি ব্যয়ে এলেঙ্গা-রংপুর জাতীয় মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণকাজ শুরু হতে যাচ্ছে । এরই মাঝে জয়দেবপুর-এলেঙ্গা মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণ কাজ শেষ হতে চলেছে। আগামী জুনে নির্মাণকাজ শেষে সড়কটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।

এসময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ইবনে আলম হাসান, বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান মো. মশিয়ার রহমান, বিআরটিসি’র চেয়াম্যান ফরিদ আহমদ ভুইয়া, ডিটিসিএর নির্বাহি পরিচালক খন্দকার রাকিবুর রহমান, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন চলমান প্রকল্পসমূহের পরিচালক, সওজ অধিদপ্তরের জোন প্রধানগণসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

আহসান মঞ্জিল কর্তৃপক্ষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি মেয়র খোকনের

আহসান মঞ্জিল কর্তৃপক্ষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি মেয়র খোকনের
আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে আলোচনা সভায় মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন (সামনে বসা, বামে)/ ছবি: বার্তা২৪.কম

ঢাকার ইতিহাস ঐতিহ্য বিকাশে নবাব পরিবারের ইতিহাস তরুণ সমাজের মাঝে তুলে ধরতে আহসান মঞ্জিল জাদুঘর কর্তৃপক্ষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।

জাদুঘর কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে মেয়র বলেন, ‘ইতিহাস সংস্কৃতি বিকাশে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন জাদুঘরের পাশে থাকবে। যদি করণীয় কিছু থাকে, তাহলে সিটি করপোরেশনে জানাবেন। সবাই মিলে প্রাণের ঢাকা শহরকে গড়ে তুলতে চাই।’

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিকালে পুরান ঢাকার আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘শিক্ষার উন্নয়নে নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহর অবদান’ শীর্ষক সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর।

সভায় আহসান মঞ্জিল ভবন রক্ষার্থে পুনঃনির্মাণের জন্য সরকারের আর্থিক বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন শিল্পী হাশেম খান। তার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মেয়র এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561464182099.jpg

সাঈদ খোকন বলেন, ‘শিক্ষা ক্ষেত্রে স্যার সলিমুল্লাহর অবদানের কথা না উল্লেখ করলেই নয়। কেননা যে ইতিহাস মানুষের হৃদয়ে থাকে, তার সঙ্গে বইয়ের পাতার ইতিহাসের অনেক সময় তাল মেলে না।’

তিনি বলেন, ‘নবাব সলিমুল্লাহ যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নেন, তখন অনেকে বলেছিলেন সামাজিকভাবে এই এলাকা প্রস্তুত হয়নি। জানি না সে কথা কতটুকু সত্য। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় নবাব সলিমুল্লাহর অবদানের ইতিহাস যুগে যুগে মানুষের হৃদয়ে থাকবে।’

শিল্পী হাশেম খানের সভাপতিত্বে সেমিনারে আলোচনা করেন জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক রিয়াদ আহমেদ, অধ্যাপক ড: আলমগীর, অধ্যাপক সুলতান শফি, অধ্যাপক সানিয়া নিশাত আমীন সহ আরও অনেকে।

সৈয়দপুরে অচল বিমানের ড্যাশ ৮, ত্রুটি সারানো যায়নি ১০ ঘণ্টায়ও

সৈয়দপুরে অচল বিমানের ড্যাশ ৮, ত্রুটি সারানো যায়নি ১০ ঘণ্টায়ও
ছবি: সংগৃহীত

১০ ঘণ্টায়ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরে আটকাপড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ড্যাশ ৮ ৪০০ উড়োজাহাজের ত্রুটি মেরামত করা যায়নি। যে কারণে ঢাকাগামী যাত্রীদের দুর্ভোগে পড়েছেন।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) সকাল সোয়া ৮টার দিকে উড়োজাহাজটি ঢাকা থেকে ছেড়ে আসে। ঢাকাগামী যাত্রীরা বোর্ডিং শেষে উড়োজাহাজে উঠে পড়েন। এরপর যাত্রীদের জানানো হয় যান্ত্রিক ত্রুটির এটি যেতে পারছে না। এ অবস্থায় ৭০ জন যাত্রী প্রস্তুতি নিয়ে শেষ পর্যন্ত উড়োজাহাজ থেকে নেমে আসতে বাধ্য হন।

বিমান সূত্রে জানা গেছে, সকালে উড়োজাহাজের ল্যান্ডিং গিয়ারের যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। এরপর ঢাকা থেকে বিমানের প্রকৌশল শাখার একটি টিম সৈয়দপুর যায়। কিন্তু সন্ধ্যা ৬টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উড়োজাহাজটির ত্রুটি সারানো যায়নি।

উড়োজাহাজটি অচল হয়ে যাওয়ায় ৭০ জন যাত্রী বিপাকে পড়েন। এ অবস্থায় কেউ কেউ অন্য বেসরকারি এয়ারলাইন্সে করে ঢাকায় ফিরে আসলেও বেশ কিছু যাত্রী ঢাকায় ফিরে আসতে পারেননি।

এ বিষয়ে বিমানের ডিজিএম (পিআর) তাহেরা খন্দকার বার্তা২৪.কমকে বলেন, বিমানের প্রকৌশল শাখার টিম সৈয়দপুরে গিয়েছে। তারা কাজ করছেন। আশা করা যাচ্ছে সন্ধ্যা ৭টা সাড়ে ৭টা নাগাদ এটি অপেক্ষামান যাত্রীদের নিয়ে ঢাকায় ফিরে আসতে পারবে।  

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র