Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

আহমাদ নাইনার তিলওয়াতে মুগ্ধ নাসিরাবাদের মুসল্লিরা

আহমাদ নাইনার তিলওয়াতে মুগ্ধ নাসিরাবাদের মুসল্লিরা
ক্বারি আহমাদ নাইনাকে নাসিরাবাদ মসজিদে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন সুফি মোহম্মদ মিজানুর রহমান সহ অন্যান্য আয়োজকরা/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম নগরীর নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটি জামে মসজিদের মুসল্লিদের ক্বিরাত শুনিয়ে মুগ্ধ করলেন আর্ন্তজাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ক্বারি আহমাদ আহমাদ নাইনা। তিনি বর্তমানে বিশ্বের সেরা ক্কারি হিসেবে স্বীকৃত।

শুক্রবার (১১ জানুয়ারি) নাসিরাদের এ মসজিদে জুমা নামাজে খ্যাতিমান এ ক্বারি পবিত্র কুরআন থেকে মনোমুগ্ধকর তিলওয়াত করে শোনান। বৃহস্পতিবার নানুপুর দরবার শরীফে শাহসুফি হযরত মওলানা সৈয়দ আবদুছ্ছালাম ঈসাপুরী (ক.) ওরশ শরিফের মাহফিলে যোগদানের জন্য চট্টগ্রামে পৌঁছান আহমাদ নাইনা।

বিশিষ্ট শিল্পপতি ও পিএইচপি পরিবারের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সুফি মোহম্মদ মিজানুর রহমানের আমন্ত্রণে মিশর থেকে আহমাদ নাইনা বাংলাদেশে আসেন।

সুফি মিজানুর রহমানের আমন্ত্রণে আহমাদ নাইনার সঙ্গে আরও আসেন শ্রীলংকা থেকে আর্ন্তজাতিক ইসলামিক স্কলার হাফেজ মওলানা ইকবাল আল কাদেরী ও ঢাকার বকশী বাজারের পীর সাহেব কেবলা সৈয়দ আনোয়ার মোবারকী।

আহমাদ নায়না মিশরের রাজ পরিবারের মজজিদে সপ্তাহে দুই বার তিলওয়াত শোনান। আগামীকাল শনিবার অতিথিবৃন্দ চট্টগ্রাম ত্যাগ করবেন।

শুক্রবার জুমার নামাজের পূর্বে ক্বারি আহমাদ আহমাদ নাইনার তিলওয়াতের সময় নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটি জামে মসজিদে মুসল্লিদের সাথে উপস্থিত ছিলেন সুফি মোহম্মদ মিজানুর রহমান, হাফেজ মওলানা ইকবাল আল-কাদেরী ও পীর সাহেব সৈয়দ আনোয়ার মোবারকী।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মসজিদের খতিব মওলানা মঈনুদ্দিন আশরাফি, কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মোহম্মদ ইদ্রিস, সাধারণ সম্পাদক মোহম্মদ শাহজাহান, মোহম্মদ আলী হোসেন, আলমগীর পারভেজ, মোহম্মদ আলী, মোহম্মদ সাজ্জাদ প্রমুখ।

এ সময় সুফি মিজানুর রহমান বলেন, ‘পবিত্র কোরআন তিলওয়াত শুনার বিরল এ সুযোগ মুসলমানদের সব সময় হয় না। আজ জগৎবিখ্যাত ক্বারি পবিত্র কোরআনের তিলওয়াত শোনালেন,আমরা পরম সৌভাগ্যবান।’

নামাজের সময় খুৎবা পেশ করেন হাফেজ মওলানা ইকবাল আল কাদেরী। নামাজ শেষে মহান আল্লাহর দরবারে দেশের সাফল্য কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

রূপায়ণের মুকুলসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

রূপায়ণের মুকুলসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
অগ্নিকাণ্ডে বিধ্বস্ত এফআর টাওয়ার/ ফাইল ছবি

বনানীর এফআর টাওয়ার (ফারুক-রূপায়ণ টাওয়ার) নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগে দু’টি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলা দু’টি দায়ের করা হয়। মামলা নম্বর ২ ও ৩।

মামলা দুটোর বাদী প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত উপপরিচালক মো. আবুবকর সিদ্দিক। রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুলসহ ২৩ জনকে মামলার আসামি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ মার্চ দুপুরে বনানীর এফআর টাওয়ারে আগুন লাগে। এতে ২৬ জন মারা যান।

দুদকের অভিযোগ, এফআর টাওয়ারের ১৫ তলা থেকে ২৩ তলা পর্যন্ত অনিয়মের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। প্রথমে ১৫ তলা ভবন নির্মাণের নকশার অনুমোদন নেওয়া হয়। পরে ভবনটির দু’টি নকশা হাতে পায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। একটি নকশায় ১৮তলা ও অন্যটিতে ২৩তলা দেখানো হয়েছে।

একটি মামলায় পাঁচ জনকে এবং আরেকটি মামলায় ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মুকুল ও ফারুক দু’টি মামলারই আসামি। মামলার বিষয়ে দুদকের ভারপ্রাপ্ত সচিব সারোয়ার মাহমুদ বলেন, ‘তদন্তের প্রয়োজনে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হতে পারে।’

‘বাংলাদেশে প্রায় ৭৫ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত’

‘বাংলাদেশে প্রায় ৭৫ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত’
প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ এন্টি ড্রাগ ফেডারেশনের আলোচনা সভা/ ছবি: বার্তা২৪.কম

‘বাংলাদেশে প্রায় ৭৫ লাখের বেশি মাদকাসক্ত রয়েছে। এসব মাদকাসক্তের ৮৪ ভাগ পুরুষ ও ১৬ ভাগ নারী। সমাজের বিত্তশালী থেকে শুরু করে নারী ও শিশু কিশোররাও মাদকের সাথে জড়িত।’

বাংলাদেশের মাদক পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানায় বাংলাদেশ এন্টি ড্রাগ ফেডারেশন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে শতকরা ৯০ ভাগ কিশোর তরুণ মাদকের সাথে যুক্ত। এদের ৪৫ ভাগ বেকার ও ৬৫ ভাগ আন্ডারগ্রাজুয়েট। উচ্চশিক্ষিতদের সংখ্যা ১৫ শতাংশ।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় এসব তথ্য তুলে ধরে বাংলাদেশ এন্টি ড্রাগ ফেডারেশন।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল, বাংলাদেশ এন্টি ড্রাগ ফেডারেশনের সভাপতি নুর মোহাম্মদ, জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের সভাপতি ডা. অরুপ রতন চৌধুরী প্রমুখ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561462186623.jpg

সভায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘ধর্মের পথে থাকলে মাদক থেকে দূরে থাকা যায়। মাদকাসক্তদের ৮০ শতাংশই যুবক। শেখ হাসিনার হাত ধরে যে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হচ্ছি, তার মূল চালিকাশক্তিই হলো তরুণ সমাজ। সেই তরুণরাই যদি মাদকাসক্ত হয়ে পরে, তাহলে উন্নয়নের প্রধান বাধা হবে মাদক।’

তিনি বলেন, ‘যুব সমাজের সাথে মহিলারাও এই মাদকে আসক্ত হচ্ছে। জনগণকে তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে কমিটি গঠন করে যুবকদের মধ্যে যে হতাশা, তা নির্মূল করতে হবে।’

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘আজকের যুব সমাজই ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দেবে। তারাই যদি মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে, তাহলে দেশের ভবিষ্যৎ মেরুদণ্ডহীন হয়ে পড়বে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র