Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সোনার বাংলা তৈরিতে শেখ হাসিনার সহযাত্রী ছিলেন সৈয়দ আশরাফ

সোনার বাংলা তৈরিতে শেখ হাসিনার সহযাত্রী ছিলেন সৈয়দ আশরাফ
ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সৈয়দ আশরাফ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা তৈরি এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়নে শেখ হাসিনার সহযাত্রী ছিলেন এবং দেশরত্ন শেখ হাসিনার সাথে কাজ করতে গিয়ে তিনি সৈয়দ আশরাফ হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, আজ দেশ ও জাতি যেভাবে অন্ধকার কেটে কেটে আলোর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তার অনেকটা সময়ে সৈয়দ আশরাফ তার সঙ্গী ছিলেন।

শুক্রবার (১১জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর শহীদ মিনার পাদদেশে, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম স্মরণে আয়োজিত এক স্মরণসভায় তিনি এই কথা বলেন। স্মরণ সভার আয়োজন করে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট।

নৌ মন্ত্রী বলেন, আজ যে আমরা আলোর পথে হাঁটছি তার পেছনে সৈয়দ আশরাফসহ অনেক জাতীয় বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ,  ত্যাগী রাজনীতিবিদরা ছিলেন, কিন্তু আজ কিছু কিছু জায়গায় দেখতে পাচ্ছি আমাদের ওই সকল চরিত্রকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়ে শুধু একজনকে আলোকিত করার চেষ্টা চলছে, যা আমাদের জন্য ভাল নয়। সৈয়দ আশরাফ এই মানসিকতার মানুষ ছিলেন না, তিনি চেয়েছিলেন সবাইকে নিয়ে এই অভিযাত্রায় এগিয়ে যেতে। আজ যদি আমরা এই কাজ করি তাহলে তার আত্মা কষ্ট পাবে।

স্মরণ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, জাসদের সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, নাট্যজন ও সাবেক সাংস্কৃতিক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর সহ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ সহ আরও অনেকে।

সাবেক তথ্যমন্ত্রী বলেন, সৈয়দ আশরাফ ছিলেন আওয়ামী লীগের দু:সময়ের কাণ্ডারি, মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে যেমন দেশের জন্য লড়েছেন তেমনি স্বাধীন দেশের ক্রান্তিকালেও তিনি লড়াই করে গেছেন। তিনি নীতিবান ছিলেন, নিষ্ঠাবান ছিলেন। তিনি ছিলেন যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান।

রাজনীতিবিদ হয়, সংসদ সদস্য হয়, মন্ত্রী হয় কিন্তু একজন সৈয়দ আশরাফ সহজে তৈরি হয় না বলেছেন সাবেক সাংস্কৃতিক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।

তিনি বলেন সৈয়দ আশরাফ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েও কোনদিন পদের অহমিকা করেননি, তিনি ছিলেন মৃদুভাষী কিন্তু গভীর জ্ঞানের অধিকারী।

স্মরণ সভায় সৈয়দ আশরাফের স্মরণে কবিতা আবৃতি করা হয়। আবৃতি করেন, জোটের সাধারণ সম্পাদক অবৃতিশিল্পী হাসান আরিফ, সৈয়দ হাসান ইমাম, ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, আহকাম উল্লাহ ও রেজীনা ওয়ালী লীনা।

আপনার মতামত লিখুন :

রিমান্ডে নেওয়া হতে পারে মিন্নিকে

রিমান্ডে নেওয়া হতে পারে মিন্নিকে
আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি

স্বামী রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায়  আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার করেছে বরগুনা জেলা পুলিশ। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই)  দিনভর জিজ্ঞাসাবাদের পর রাত ৯ টায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৩ টায় তাকে আদালতে নেওয়া হবে বলে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরগুনা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফায়েল আহমেদ।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, যেহেতু প্রাথমিকভাবে রিফাত হত্যায় মিন্নির সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে তাই তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন আছে। ওই আলোচিত ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতা কতটুকু তা জানা প্রয়োজন। এজন্য আমরা আদালতের কাছে মিন্নির ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করব।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ মাইঠা এলাকার বাড়ি থেকে মিন্নি ও তাঁর মাকে পুলিশ লাইনসে আনা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছিল পুলিশ। ওইদিন রাতেই তাকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।

২৬ জুন বরগুনা সরকরি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পরদিন রিফাতের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বরগুনা থানায় ১২ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। এ মামলার প্রধান আসামি সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ড ২ জুলাই পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। মামলার এজাহারভুক্ত ছয় আসামি সহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১০ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলা দুই নম্বর আসামি রিফাত ফরাজীসহ বাকি তিন আসামি এখনও রিমান্ডে আছেন।

রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে বেড়েছে পাসের হার ও জিপিএ-৫

রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে বেড়েছে পাসের হার ও জিপিএ-৫
প্রত্যাশিত ফলাফল পাওয়া শিক্ষার্থীরা উল্লাসে মেতে উঠেছে। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৭৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭২৯ জন শিক্ষার্থী।

গত বছর পাসের হার ছিল ৬৬ দশমিক ৫১ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৪ হাজার ১৩৮ জন শিক্ষার্থী। ফলে চলতি বছরের ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুই-ই বেড়েছে এই শিক্ষাবোর্ডে।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই ফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. আনারুল হক প্রামাণিক।

তিনি জানান, চলতি বছরের ফলাফলে পাসের হারে ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে। ছাত্রীদের পাসের হার ৮১ দশমিক ২১ শতাংশ। আর ছাত্রদের পাসের হার ৭২ দশমিক ৩২ শতাংশ। তবে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে রয়েছে ছেলেরা। ৩ হাজার ৫৪১ জন ছাত্র জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। আর ছাত্রীরা জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ১৮৮ জন।

সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক আনারুল আরও জানান, রাজশাহী বোর্ডের অধীনে এবার ৭৫৮টি কলেজ থেকে ১ লাখ ৫১ হাজার ১৩৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। যার মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৫৫০ জন। ৭টি কলেজে পাসের হার শূন্য। ৩৪টি কলেজে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অকৃতকার্যদের মধ্যে এক বিষয়ে ফেল করেছে ২৬ হাজার ৮২৮ জন। যা মোট পরীক্ষার্থীর ১৮ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী- রাজশাহী বোর্ডের অধীনস্থ জেলাগুলোর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাসের হার ৬৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৩৫ জন। নাটোর জেলায় পাসের হার ৭৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৮৪ জন। নওগাঁ জেলায় পাসের হার ৬৯ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫২ জন।

পাবনা জেলায় পাসের হার ৭৪ দশমিক ২২ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৪২ জন। সিরাজগঞ্জ জেলায় পাসের হার ৭৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৪৬ জন। বগুড়া জেলায় পাসের হার ৮১ দশমিক ১৮ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৪৩৭ জন। জয়পুরহাট জেলায় পাসের হার ৭২ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০৯ জন।

এদিকে, ফল ঘোষণার পর রাজশাহীর বিভিন্ন কলেজ ঘুরে দেখা গেছে, প্রত্যাশিত ফলাফল পাওয়া শিক্ষার্থীরা উল্লাসে মেতে উঠেছে। তারা ব্যান্ড বাজিয়ে উল্লাস করছে। অভিভাবকরা মিষ্টি হাতে কলেজে এসেছে। কৃতি শিক্ষার্থী ও কলেজের শিক্ষকদের মিষ্টি মুখ করাচ্ছে অভিভাবকরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র