Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

‘মেধাবীরাই আগামীর দেশ গড়ার কারিগর’

‘মেধাবীরাই আগামীর দেশ গড়ার কারিগর’
ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
ময়মনসিংহ
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইউসুফ খান পাঠান বলেছেন, ‘মেধাবী শিক্ষার্থীরা আমাদের দেশের অমূল্য সম্পদ। দেশের উন্নয়নে তরুণদের মেধা ও মননশীলতার পরিচয় দিতে হবে। তাহলেই সাধন হবে জাতির কল্যাণ। কারণ আজকের মেধাবীরাই হবে আগামীর দেশ গড়ার কারিগর।’

শুক্রবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে নগরীর অ্যাডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ট্রাস্ট অ্যাডুকেশন পয়েন্টের উদ্যোগে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ জেলা স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে চান্সপ্রাপ্ত ৩৩ জন, বিদ্যাময়ী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে চান্সপ্রাপ্ত ৬১ জন এবং সমাপনীতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০৩ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

ট্রাস্ট অ্যাডুকেশন পয়েন্টের সভাপতি সাইদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা কল্যাণ সমিতির সভাপতি নাজমুল ইসলাম, ময়মনসিংহ কমার্স কলেজের প্রিন্সিপাল এখলাছ উদ্দিন, আবু মোহাম্মদ সায়েম, আশফাক উদ্দিন, আতাহার হোসেন প্রমুখ।

এছাড়া অনুষ্ঠানে ট্রাস্ট অ্যাডুকেশন পয়েন্টের পক্ষ থেকে ৭৬ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

নির্মাণের দেড় বছর পরও তালাবদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন

নির্মাণের দেড় বছর পরও তালাবদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজশাহীর দুর্গাপুরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হয় ২০১৭ সালের ৩০ ডিসেম্বর। ওই দিন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্থানীয় প্রকৌশল অধিদফতরকে (এলজিইডি) ভবনটি বুঝিয়ে দেয়। নির্মাণ শেষ হওয়ার পর ১১ মাস পড়ে থাকে ভবনটি। জাতীয় নির্বাচনের আগে ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর ভবনটির উদ্বোধন করেন রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ দারা।

তবে উদ্বোধন করা হলেও জেলা প্রশাসন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর ও উপজেলা প্রশাসনের মধ্যে হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় ভবনটি ব্যবহারের অনুমতি পাননি স্থানীয় মুকিযোদ্ধারা। ফলে দুই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভবনটি নির্মাণ শেষ হওয়ার দেড় বছর পার হলেও পড়ে আছে অযত্ন-অবহেলায়। এ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা।

উপজেলা প্রকৌশল দফতর সূত্র জানায়, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে দুর্গাপুরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দেয় মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়। ভবনটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ২ কোটি ২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা।

আরও পড়ুন: পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়েতে স্মরণকালের ভয়াবহ শিডিউল বিপর্যয়

যা বাস্তবায়ন করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঠিকাদার সেলিম রেজার প্রতিষ্ঠান ‘রুপালী অ্যান্ড সেলিম জেভি ও লিড পার্টনার’ ভবনটির নির্মাণ কাজের টেন্ডার পান। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে নির্মাণকাজ শুরু করেন।

ওই বছরের ৩০ ডিসেম্বর নির্মাণকাজ শেষে স্থানীয় প্রকৌশল অধিদফতরে ভবনটি হস্তান্তর করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এর প্রায় ১১ মাস পর ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর ভবনটির উদ্বোধন করেন তৎকালীন সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ দারা।

তবে উদ্বোধন হলেও জেলা প্রশাসন থেকে উপজেলা প্রশাসনকে ভবনটি হস্তান্তর না করায় তা ব্যবহারের অনুমতি পায়নি স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা। ফলে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার দেড় বছর পরও তালাবদ্ধ ভবনটি।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুল মান্নান ফিরোজ জানান, উপজেলার মুক্তিযোদ্ধাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ভবনটি নির্মাণ করেছে সরকার। অথচ গাফিলতি করে হস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষ না করার অযুহাতে দেড় বছর ধরে ভবনটি তালাবদ্ধ ফেলে রাখা হয়েছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা দ্রুত ভবনটি মুক্তিযোদ্ধাদের বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

আরও পড়ুন: ‘ছেলেধরা’ সন্দেহে বৃদ্ধকে থানায় এনে বিপাকে পুলিশ!

দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিটন সরকার বলেন, ‘ভবনটি আমাদের দফতরের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। এখনো সেটি জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে রয়েছে। ভবনটি হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্নের জন্য সংশ্লিষ্ট মাধ্যমে যোগাযোগ করা হচ্ছে। আশা করি খুব দ্রুত প্রক্রিয়া শেষে ভবনটি মুক্তিযোদ্ধাদের বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে।’

জানতে চাইলে উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল দফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী খলিলুর রহমান বলেন, ‘যথাসময়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আমাদেরকে ভবন বুঝিয়ে দিয়েছিল। তবে কিছু সমস্যার কারণে হস্তান্তরে বিলম্ব হচ্ছে। তবে এখন সমস্যা সমাধান হয়েছে। শুধু হস্তান্তরের অপেক্ষা।’

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ডা. মনসুর রহমান বলেন, ‘আমি যতদূর জেনেছি- ভবনটিতে কিছু আসবাবপত্রের সংকট থাকায় কর্তৃপক্ষ কিছুটা সময় নিচ্ছে। গণপূর্ত বিভাগ হতে ভবনটি বুঝে পেলেই দ্রুত ভবনটি মুকিযোদ্ধাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।’

‘আমাকে ফাইন করুন’

‘আমাকে ফাইন করুন’
মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে মেয়র আতিকুল ইসলাম

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘আমার সিটি করপোরেশনের কোথাও যদি পানি জমে থাকে, মিডিয়াতে যদি নিউজ আসে তাহলে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে ফাইন করার নির্দেশ দিয়েছি, ওই কর্মকর্তাকে শাস্তির নির্দেশ দিয়েছি। আর যদি আমার অপরাধ থাকে আমাকে ফাইন করুন, আমি আইনের ঊর্ধ্বে নই।’

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন মেয়র। এসময় স্থানীয় কাউন্সিলর মফিজুর রহমান, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ব বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার, অঞ্চল-৩ এর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হেমায়েত হোসেন, ডিএসসিসি’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ আনোয়ার, মহিলা কাউন্সিলর আলেয়া সারোয়ার ডেইজী ও শ্রমিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মেয়র বলেন,  আমরা প্রতিটি বাড়িতে চিরুনি অভিযান শুরু করছি। আমি বলেছি আমি আর আমার অফিস করতে চাই না। আমার গাড়িতেই আমি অফিস করব। এই কয়েক দিন গাড়িতেই অফিস করব।

তিনি বলেন, যেখানে জমা পানি, স্বচ্ছ পানি সেখানেই এডিস মশার জন্ম নেবে। রোদ হচ্ছে, বৃষ্টি হচ্ছে এডিস মশা হবেই। তাই সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। যার যার এলাকা নিজ দায়িত্বে পরিষ্কার রাখতে হবে।

গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমার সিটি করপোরেশনে পানি জমে আছে, আমি ম্যাজিস্ট্রেটকে বলেছি, “যদি আমার সিটি করপোরেশনের কোথাও পানি জমে থাকে, যদি কোন নিউজ জানতে পারি। সিটি করপোরেশনের যে দায়িত্বে তাকেই জরিমানা করতে বলেছি। তাকেও জেল দিতে বলেছি। দরকার পরলে মেয়রকেও ফাইন দিবা, জরিমানা দিবা। আমিও আইনের ঊর্ধ্বে নই। সিটি করপোরেশনের যদি কোনও কাজের অবহেলা থাকে তাহলে তার দায়িত্ব মেয়রকে নিতে হবে।’’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র