Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

বাণিজ্য মেলার প্যাভিলিয়নের যত বাহার!

বাণিজ্য মেলার প্যাভিলিয়নের যত বাহার!
বাণিজ্য মেলার ওয়াচ টাওয়ার ছবি: সৈয়দ মেহেদি
মনি আচার্য্য
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের সর্ববৃহৎ পণ্যমেলা ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০১৯ (ডিআইটিএফ) বুধবার (৯ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে। মেলা শুরু হলেও এখনো বাণিজ্য মেলা সেভাবে জমে ওঠেনি।

তবে সারাদেশের মানুষের কাছে বিশেষ করে রাজধানীবাসীর কাছে বাণিজ্য মেলা এখন শুধুমাত্র পণ্যমেলা নয়। এটি এখন সবার মিলন মেলাও বটে। তাই প্রতিবারই মেলার মূল ফটক থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্যাভিলিয়ন নির্মাণেও থাকে নতুনত্ব।

বাণিজ্য মেলার ২৪তম এ আসরেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। বিশেষ করে বিভিন্ন বিপণি প্রতিষ্ঠানের প্যাভিলিয়নগুলোতে চোখ পড়লেই বোঝা যায় বাণিজ্য মেলার চাকচিক্য।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানগুলো মেলা প্রাঙ্গণে প্যাভিলিয়ন নির্মাণে দেশীয় প্রযুক্তি থেকে শুরু করে বিদেশী হাইটেক প্রযুক্তিও ব্যবহার করছে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান বাঁশ ও খর ব্যবহার করে যেমন গ্রাম বাংলার আবহাওয়া তৈরি করা চেষ্টা করেছেন মেলা প্রাঙ্গণে, তেমনি অনেক প্রতিষ্ঠান গ্রিন টেকনোলজি মেথড ব্যবহার করে তৈরি করেছে দৃষ্টিনন্দন প্যাভিলিয়ন।

অন্যদিকে মেলায় আগত দর্শনার্থীদের চোখও বার বার যাচ্ছে দৃষ্টিনন্দন এসব প্যাভিলিয়নের দিকে।

গ্রাম বাংলা রূপে সজ্জিত শতরঞ্জির প্যাভিলিয়ন: সামান্য বাঁশ ও খর দিয়ে যে এতো সুন্দর প্যাভিলিয়ন বানানো যায় তা বাণিজ্য মেলায় অবস্থিত শতরঞ্জির প্যাভিলিয়ন না খেলে বোঝা যাবে না। শতরঞ্জির প্যাভিলিয়নটির দুই তলা কাঠামো বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরি। আর প্যাভিলিয়নটির ছাদ তৈরি করা হয়েছে খর দিয়ে। এছাড়া প্যাভিলিয়নটির ভিতরে ও বাহিরে গ্রাম বাংলার নানা নকশা দয়ে সাজানো।

অন্যদিকে প্যাভিলিয়নটি অন্য সব প্যাভিলিয়ন থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরণের হওয়ায় সহজেই দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করছে। কেউ প্যাভিলিয়নটি ঘুরে দেখতে ব্যস্ত কেউবা সেখানে সেলফি তুলতে ব্যস্ত।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/11/1547203522658.jpg

গ্রিন টেকনোলজি মেথডে প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন তৈরি করছে ওয়ালটন: বাণিজ্য মেলার এবারের আসরেও তিনতলা বিশিষ্ট সুদৃশ্য প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন তৈরি করছে ওয়ালটন। প্যাভিলিয়ন নির্মাণে অনুসরণ করা হয়েছে গ্রিন টেকনোলজি মেথড। ভেতরে থাকছে সুদৃশ্য ম্যুরেল। আরেও থাকছে ৯৮ ইঞ্চির বড় পর্দার এলইডি টিভি। সর্বাধিক সংখ্যক মডেল এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তি পণ্য নিয়ে মেলার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ এখন ওয়ালটনের প্যাভিলিয়ন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/11/1547203540753.jpg

সরেজমিনে দেখা গেছে, তিনতলা প্যাভিলিয়নের প্রবেশদ্বারের ডিজাইনে থাকছে নান্দনিক টেরাকোটা। প্রথম তলায় প্রদর্শন ও বিক্রির জন্য থাকছে হোম অ্যাপলাইয়েন্সের পণ্য, দ্বিতীয় তলায় থাকছে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড এক্সেসরিজ, লিফট, কম্প্রেসার, জেনারেটরসহ বিভিন্ন ধরনের ইন্ডাস্ট্রিয়াল সলিউশনস ও তৃতীয় তলায় থাকছে সুবিশাল স্টোর।

গ্লাস ও কাঠের বোর্ড দিয়ে চার কোনা ও ত্রিকোণ আকৃতির প্যাভিলিয়ন হাতিল ও আকিজের: এবার বাণিজ্য মেলাতেও বিভিন্ন আকৃতির দৃষ্টিনন্দন প্যাভিলিয়ন তৈরি করেছে হাতিল ও আকিজ গ্রুপ। হাতিল কাঠের বোর্ড ও গ্লাস দিয়ে তৈরি করছে হাইটেক চার কোনা আকৃতির প্যাভিলিয়ন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/11/1547203696906.jpg

অন্যদিকে আকিজ একই উপাদান দিয়ে তৈরি করেছে ত্রিভুজ আকৃতির হাইটেক প্যাভিলিয়ন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/11/1547203723960.jpg

শক্তিমান স্প্রিন্টার অ্যাথলেটের আকৃতিতে এনার্জি ড্রিংকস স্পিডের প্যাভিলিয়ন: এনার্জি ড্রিংকস স্পিডের প্যাভিলিয়ন নির্মাণে প্রতিবছরই থাকে নতুনত্ব। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। স্পিড পান করলে ভরপুর এনার্জি এ বিষয়টি ক্রেতাদের আকর্ষণে আনতে প্যাভিলিয়নটির সামনে তৈরি হয়েছে শক্তিমান স্প্রিন্টার অ্যাথলেটের আকৃতি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/11/1547203650507.jpg

এদিকে বাণিজ্য মেলায় আরও ঘুরে দেখা গেছে, প্রাণ চিনিগুড়া চাল, নাভানা ফার্নিচার ও মিস্টার নুডুলসসহ আরও বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের প্যাভিলিয়ন তৈরিতেও ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ আর্ট।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/11/1547203666333.jpg

 

আপনার মতামত লিখুন :

‘আমাকে ফাইন করুন’

‘আমাকে ফাইন করুন’
মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে মেয়র আতিকুল ইসলাম

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘আমার সিটি করপোরেশনের কোথাও যদি পানি জমে থাকে, মিডিয়াতে যদি নিউজ আসে তাহলে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে ফাইন করার নির্দেশ দিয়েছি, ওই কর্মকর্তাকে শাস্তির নির্দেশ দিয়েছি। আর যদি আমার অপরাধ থাকে আমাকে ফাইন করুন, আমি আইনের ঊর্ধ্বে নই।’

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন মেয়র। এসময় স্থানীয় কাউন্সিলর মফিজুর রহমান, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ব বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার, অঞ্চল-৩ এর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হেমায়েত হোসেন, ডিএসসিসি’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ আনোয়ার, মহিলা কাউন্সিলর আলেয়া সারোয়ার ডেইজী ও শ্রমিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মেয়র বলেন,  আমরা প্রতিটি বাড়িতে চিরুনি অভিযান শুরু করছি। আমি বলেছি আমি আর আমার অফিস করতে চাই না। আমার গাড়িতেই আমি অফিস করব। এই কয়েক দিন গাড়িতেই অফিস করব।

তিনি বলেন, যেখানে জমা পানি, স্বচ্ছ পানি সেখানেই এডিস মশার জন্ম নেবে। রোদ হচ্ছে, বৃষ্টি হচ্ছে এডিস মশা হবেই। তাই সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। যার যার এলাকা নিজ দায়িত্বে পরিষ্কার রাখতে হবে।

গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমার সিটি করপোরেশনে পানি জমে আছে, আমি ম্যাজিস্ট্রেটকে বলেছি, “যদি আমার সিটি করপোরেশনের কোথাও পানি জমে থাকে, যদি কোন নিউজ জানতে পারি। সিটি করপোরেশনের যে দায়িত্বে তাকেই জরিমানা করতে বলেছি। তাকেও জেল দিতে বলেছি। দরকার পরলে মেয়রকেও ফাইন দিবা, জরিমানা দিবা। আমিও আইনের ঊর্ধ্বে নই। সিটি করপোরেশনের যদি কোনও কাজের অবহেলা থাকে তাহলে তার দায়িত্ব মেয়রকে নিতে হবে।’’

খুলনায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বাবা-ছেলে গ্র‌েফতার

খুলনায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বাবা-ছেলে গ্র‌েফতার
টাকা আত্মসাতের মামলায় গ্র‌েফতারকৃত বাবা-ছেলে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

খুলনায় ব্যবসার চার কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বাবা ও ছেলেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুর‌ে নগরীর শেরে বাংলা রোডের নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এর আগে গত ১৫ আগস্ট চার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাবা ও দুই ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করেন ব্যবসায়ী এম এ মাজেদ সরকার। গ্রেফতার হওয়া দু'জন হলেন মামলার প্রধান আসামি মাহমুদুর রহমান ও তার বাবা আবদুল কাদের। মামলার অপর আসামি মাহমুদুরের ভাই আরিফুর ইসলাম পলাতক রয়েছেন।

সিআইডির এসআই মধুসুধন বর্মণ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'বাদী ও আসামিরা ২০১০ সাল থেকে অংশীদারি ব্যবসা শুরু করেন। তারা যৌথ হিসেবে লেনদেন করতেন। ৪/৫ মাস আগে আসামিরা ব্যাংক থেকে সব টাকা তুলে নিয়ে বাদীকে বের করে দেন। এরপরে বাদী নগরীর সোনাডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন।

তিনি জানান, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র