Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

ফুলের চারা বিক্রি করে সংসার চালায় হাবিবুর

ফুলের চারা বিক্রি করে সংসার চালায় হাবিবুর
ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
লালমনিরহাট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

হাবিবুর রহমান (১৫)। বাড়ি লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার রুদেশ্বর গ্রামে। বাবা শহিদার মিস্ত্রী অসুস্থ থাকার কারণে এই অল্প বয়সেই তাকে সংসারের হাল ধরতে হয়েছে।

প্রতিদিন সকাল হলেই ভ্যান ভর্তি বিভিন্ন গাছের চারা নিয়ে বেরিয়ে পড়ে হাবিবুর। এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে ফেরি করে ফুলের চারা বিক্রি করে। তার কাছে গোলাপ, গাঁদা, ডালিয়া, কচমচ, নয়নতারা, বকুল, রঙ্গন, স্টারসহ প্রায় ১০/২০ প্রকার ফুলের চারা পাওয়া যায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/11/1547200679990.jpg

শুক্রবার (১১ জানুয়ারি) কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ফুটবল মাঠে ভ্যানে করে ফুলের চারা বিক্রি করতে দেখা গেছে হাবিবুরকে। সেখানে সে ভ্যানের পাশে দাঁড়িয়ে ক্রেতাদের ডাকছে- ‘আইসেন ভাই একটা ফুলের চারা নিয়ে যান। দাম মাত্র ৫টাকা। এতো কম দামে পাবেন না।’

জানা গেছে, হাবিবুরের বাবা খুবই অসুস্থ। তিনি কোনো উপার্জন করতে পারেন না। সংসারে আর কোনো উপার্জনের ব্যক্তি নেই। তাই ৪ সদস্যের সংসারের হাল ধরতে হয়েছে তাকে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/11/1547200706567.jpg

ফুলের চারা বিক্রেতা কিশোর হাবিবুর রহমান বার্তা২৪.কমকে জানায়, ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছে সে। পরে অভাবের কারণে আর লেখাপড়া করতে পারেনি। এখন বাড়ির পাশেই জমি ভাড়া নিয়ে ফুল চাষ করছে। সেই চারাই ফেরি করে বিক্রি করছে।

হাবিবুর আরও জানান, সারাদিন ফুলের চারা বিক্রি করে ৪ সদস্যের সংসার চালাতে হয় তাকে।

হাবিবুরের দাবি, ফুলের চারা বিক্রিতে কেউ আর্থিক সহযোগিতা করলে সে একটা নার্সারি করবে। পাশাপাশি সবাইকে গাছ লাগাতে অনুপ্রেরণা যোগাবে।

আপনার মতামত লিখুন :

আহসান মঞ্জিল কর্তৃপক্ষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি মেয়র খোকনের

আহসান মঞ্জিল কর্তৃপক্ষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি মেয়র খোকনের
আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে আলোচনা সভায় মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন (সামনে বসা, বামে)/ ছবি: বার্তা২৪.কম

ঢাকার ইতিহাস ঐতিহ্য বিকাশে নবাব পরিবারের ইতিহাস তরুণ সমাজের মাঝে তুলে ধরতে আহসান মঞ্জিল জাদুঘর কর্তৃপক্ষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।

জাদুঘর কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে মেয়র বলেন, ‘ইতিহাস সংস্কৃতি বিকাশে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন জাদুঘরের পাশে থাকবে। যদি করণীয় কিছু থাকে, তাহলে সিটি করপোরেশনে জানাবেন। সবাই মিলে প্রাণের ঢাকা শহরকে গড়ে তুলতে চাই।’

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিকালে পুরান ঢাকার আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘শিক্ষার উন্নয়নে নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহর অবদান’ শীর্ষক সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর।

সভায় আহসান মঞ্জিল ভবন রক্ষার্থে পুনঃনির্মাণের জন্য সরকারের আর্থিক বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন শিল্পী হাশেম খান। তার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মেয়র এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561464182099.jpg

সাঈদ খোকন বলেন, ‘শিক্ষা ক্ষেত্রে স্যার সলিমুল্লাহর অবদানের কথা না উল্লেখ করলেই নয়। কেননা যে ইতিহাস মানুষের হৃদয়ে থাকে, তার সঙ্গে বইয়ের পাতার ইতিহাসের অনেক সময় তাল মেলে না।’

তিনি বলেন, ‘নবাব সলিমুল্লাহ যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নেন, তখন অনেকে বলেছিলেন সামাজিকভাবে এই এলাকা প্রস্তুত হয়নি। জানি না সে কথা কতটুকু সত্য। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় নবাব সলিমুল্লাহর অবদানের ইতিহাস যুগে যুগে মানুষের হৃদয়ে থাকবে।’

শিল্পী হাশেম খানের সভাপতিত্বে সেমিনারে আলোচনা করেন জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক রিয়াদ আহমেদ, অধ্যাপক ড: আলমগীর, অধ্যাপক সুলতান শফি, অধ্যাপক সানিয়া নিশাত আমীন সহ আরও অনেকে।

সৈয়দপুরে অচল বিমানের ড্যাশ ৮, ত্রুটি সারানো যায়নি ১০ ঘণ্টায়ও

সৈয়দপুরে অচল বিমানের ড্যাশ ৮, ত্রুটি সারানো যায়নি ১০ ঘণ্টায়ও
ছবি: সংগৃহীত

১০ ঘণ্টায়ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরে আটকাপড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ড্যাশ ৮ ৪০০ উড়োজাহাজের ত্রুটি মেরামত করা যায়নি। যে কারণে ঢাকাগামী যাত্রীদের দুর্ভোগে পড়েছেন।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) সকাল সোয়া ৮টার দিকে উড়োজাহাজটি ঢাকা থেকে ছেড়ে আসে। ঢাকাগামী যাত্রীরা বোর্ডিং শেষে উড়োজাহাজে উঠে পড়েন। এরপর যাত্রীদের জানানো হয় যান্ত্রিক ত্রুটির এটি যেতে পারছে না। এ অবস্থায় ৭০ জন যাত্রী প্রস্তুতি নিয়ে শেষ পর্যন্ত উড়োজাহাজ থেকে নেমে আসতে বাধ্য হন।

বিমান সূত্রে জানা গেছে, সকালে উড়োজাহাজের ল্যান্ডিং গিয়ারের যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। এরপর ঢাকা থেকে বিমানের প্রকৌশল শাখার একটি টিম সৈয়দপুর যায়। কিন্তু সন্ধ্যা ৬টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উড়োজাহাজটির ত্রুটি সারানো যায়নি।

উড়োজাহাজটি অচল হয়ে যাওয়ায় ৭০ জন যাত্রী বিপাকে পড়েন। এ অবস্থায় কেউ কেউ অন্য বেসরকারি এয়ারলাইন্সে করে ঢাকায় ফিরে আসলেও বেশ কিছু যাত্রী ঢাকায় ফিরে আসতে পারেননি।

এ বিষয়ে বিমানের ডিজিএম (পিআর) তাহেরা খন্দকার বার্তা২৪.কমকে বলেন, বিমানের প্রকৌশল শাখার টিম সৈয়দপুরে গিয়েছে। তারা কাজ করছেন। আশা করা যাচ্ছে সন্ধ্যা ৭টা সাড়ে ৭টা নাগাদ এটি অপেক্ষামান যাত্রীদের নিয়ে ঢাকায় ফিরে আসতে পারবে।  

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র