Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

এবার আলোচনায় সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যরা

এবার আলোচনায় সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যরা
এবার আলোচনায় সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যরা। ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
খুলনা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ইতোমধ্যে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদের শপথ গ্রহণের পর্ব শেষ হয়েছে। এবার আলোচনা-সমালোচনা সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের নিয়ে।

আইন অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনের ভোটের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এক্ষেত্রে আগামী ১ এপ্রিলের মধ্যে এ নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। তাই এবার সংসদের সংরক্ষিত আসন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের মধ্যে খুলনা ও বাগেরহাট এ দুই জেলা মিলে আসন নম্বর-১১। এ আসনে প্রবীণদের পাশাপাশি রয়েছেন নবীন নারী নেত্রীরাও। দলীয় সূত্র মতে, বর্তমান সংসদ সদস্যসহ ১০ থেকে ১২ জন নারী রয়েছেন আলোচনায়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খুলনা-বাগেরহাট অঞ্চলের সংরক্ষিত আসন থেকে কে হচ্ছেন নারী সংসদ সদস্য তা নিয়ে এখনই শুরু হয়েছে নানান জল্পনা-কল্পনা। নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পরপরই সম্ভাব্য নারী সংসদ সদস্য প্রার্থীদের নজর এখন সেদিকেই। নারী সংসদ সদস্য প্রার্থীদের অনেকেই লবিংয়ের জন্য ইতোমধ্যে ঢাকায় অবস্থান করছেন।

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত ৫০টি আসনের বিপরীতে প্রত্যেক জেলার একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাশী। একাধিক নারী নেত্রীও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী। জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত ১১ আসনের (খুলনা-বাগেরহাট) সংসদ সদস্য প্রার্থীরা হলেন- বর্তমান সংসদ সদস্য চিতলমারী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান কালিদাশ বড়ালের স্ত্রী হ্যাপী বড়াল, সাবেক সংসদ সদস্য নূর আফরোজ আলী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনেতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমানের স্ত্রী রওশান আরা ইভা, নগর আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাড. সুলতানা রহমান শিল্পী, যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আফসানা হাসান ডেইজী, যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আফসানা ফেরদৌস কেকা, জেলা যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক সেলিনা পিয়া, জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জেসমিন পারভীন জলি, মহানগর মহিলা লীগের সভানেত্রী অধ্যাপিকা হোসনেয়ারা রুনু, মহানগর আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অলোকা নন্দা দাস, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আফরোজা জেসমিন বিথী ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি চৈতালী হালদার চৈতী।

দলীয় সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ, মহিলা আওয়ামী ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাদের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের পরীক্ষিত নেত্রীদের মধ্যে থেকে নারী সংসদ সদস্য করার দাবি জানানো হয়েছে।

মনোনয়ন প্রত্যাশীরাও বলছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের রাজনীতিতে আছেন। পরীক্ষিত নেত্রীদের বিষয়ে দল মূল্যায়ন করলে তারা মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী। একাধিক নেত্রীর সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরে ১৯ মার্চ সংসদ সদস্যদের ভোটে ৫০ জন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তারা ২২ মার্চ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন। ২০১৭ সালের ৮ জুলাই জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংরক্ষিত এ ৫০টি পদ বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন :

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের
আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। একই সঙ্গে এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণেও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানমের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের মামলায় তারই স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দ্রুত গতিতে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে রিমান্ডে নেওয়া হলো। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এসপির বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, মিন্নি জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়া গিয়েছে।

মিন্নি একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর দেননি। তাই এ বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ তদন্তসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অভিযুক্ত মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ মনে করে, বহু গুরুতর অপরাধ, শত খুনের আসামিদের পাশে আইনজীবীরা দাঁড়ান। নারী নির্যাতন না শুধু হত্যাকারীদের পাশেও দাঁড়ান।

তারা বলেন, মানবাধিকার নীতিমালা অনুযায়ী আসামিরাও লিগ্যাল প্রটেকশন পাওয়ার অধিকার আছে। সুতরাং ইচ্ছা বা অনিচ্ছায়, চাপ বা অন্য কারণে যা কিছু হোক বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, আইনানুগ, স্বচ্ছ তদন্ত হবে এবং আসামিরও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি দাবি করে।

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি
আদালত চত্বরে ডাবল খুন মামলার আসামিরা/ ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে দ্বৈত (ডাবল) খুনের মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম গোলাপগঞ্জ উপজেলার মেহেরপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে।

একই মামলার আসামি রানু মিয়াকে তিন বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। তিনি মেহেরপুর গ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে। মামলার অন্য দুই আসামি মনোয়ারা বেগম ও আয়েশা আক্তারকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

সিলেটের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকালে সিলেট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আমিনুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গোলাপগঞ্জের মেহেরপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আসামিরা হামলা চালিয়ে রুবেল আহমেদ ও ফারুক মিয়াকে জখম করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল ও ফারুক মারা যান।

ঘটনার দুই দিন পর নিহতদের বোন নাজিরা বেগম চারজনকে আসামি করে গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র