Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বরিশালে বিএনপির ৪৪ নেতাকর্মী কারাগারে

বরিশালে বিএনপির ৪৪ নেতাকর্মী কারাগারে
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেস্পন্ডেন্ট
বরিশাল
বার্তা২৪ ডটকম


  • Font increase
  • Font Decrease

বরিশালে পুলিশের দায়ের করা বিশেষ ক্ষমতা আইনের পৃথক পাঁচটি মামলায় দুই উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের ৪৪ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৯ জানুয়ারি) জেলা ও দায়রা জজ আদালতে অভিযুক্তরা হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম না মঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত নেতাকর্মীদের মধ্যে আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির পাঁচজন এবং বাকিরা মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মী। এরা হলেন- রিয়াজ শাহিন লিটন, রেজাউল খান, কামরুল মোল্লা, রিয়াজ উদ্দিন সুজন, রিয়াজ উদ্দিন চৌধূরী ওরফে দিনু মিয়া, সালাউদ্দিন পিপলু, সৈয়দ তুহিন, ইউনুছ হাওলাদার, হালিম ফকির, পারভেজ খন্দকার, প্রিন্স মাহমুদ, সোলায়মান নিক্সন, কামরুল হাসান কাজল, মাহামুদ খান, রুপক মিয়াজি, আকতার মুন্সি, জামাল নলী, সাইফুল ইসলাম, শাহিন হাওলাদার, আমজাদ পোদ্দার, ফারুক হোসেন, সৈয়দ আকবর, খোকা হাওলাদার, মিল্টন চৌধুরী, রিপন চৌধুরী, আমির দেওয়ান, সবুজ মাঝি, নাছির ফকির, মুরাদ হাওলাদার, মনির হোসেন, মনির সওদাগর, মঞ্জু ভূইয়া, কামাল মাঝি, মাহেব দেওয়ান, মিজান মাঝি, জাহাঙ্গীর হাওলাদার, মামুন হাওলাদার, বাতেন শাহ ও নজরুল খানসহ দুই উপজেলার মোট ৪৪ জন নেতাকর্মী।

উল্লেখ্য, একাদশ সংসদ নির্বাচন বানচাল করার লক্ষ্যে মেহেন্দীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত শিবির নেতাকর্মীরা সড়ক অবরোধ করে গাড়ি ভাঙচুর ও আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণা অফিস ভাঙচুর এবং নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে।

এ ঘটনায় মেহেন্দীগঞ্জ থানা পুলিশ স্থানীয় বিএনপি জামায়াত নেতাকর্মীদের অভিযুক্ত করে পৃথক চারটি মামলা দায়ের করে। অপরদিকে একই ঘটনায় আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ স্থানীয় বিএনপি জামায়াত নেতাকর্মীদের অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করে।

মামলা দায়েরের পরপরই অভিযুক্তরা হাইকোর্ট থেকে জামিন নেয়। তাদের জামিনের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে সকল অভিযুক্তরা বরিশাল আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করে।

এদিকে পুলিশের দায়ের করা মামলায় বরিশাল নগরী, সদর উপজেলাসহ বিভিন্ন উপজেলা বিএনপি জামায়াতের মোট ৪৯ নেতাকর্মীর জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আপনার মতামত লিখুন :

রূপায়ণের মুকুলসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

রূপায়ণের মুকুলসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
অগ্নিকাণ্ডে বিধ্বস্ত এফআর টাওয়ার/ ফাইল ছবি

বনানীর এফআর টাওয়ার (ফারুক-রূপায়ণ টাওয়ার) নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগে দু’টি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলা দু’টি দায়ের করা হয়। মামলা নম্বর ২ ও ৩।

মামলা দুটোর বাদী প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত উপপরিচালক মো. আবুবকর সিদ্দিক। রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুলসহ ২৩ জনকে মামলার আসামি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ মার্চ দুপুরে বনানীর এফআর টাওয়ারে আগুন লাগে। এতে ২৬ জন মারা যান।

দুদকের অভিযোগ, এফআর টাওয়ারের ১৫ তলা থেকে ২৩ তলা পর্যন্ত অনিয়মের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। প্রথমে ১৫ তলা ভবন নির্মাণের নকশার অনুমোদন নেওয়া হয়। পরে ভবনটির দু’টি নকশা হাতে পায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। একটি নকশায় ১৮তলা ও অন্যটিতে ২৩তলা দেখানো হয়েছে।

একটি মামলায় পাঁচ জনকে এবং আরেকটি মামলায় ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মুকুল ও ফারুক দু’টি মামলারই আসামি। মামলার বিষয়ে দুদকের ভারপ্রাপ্ত সচিব সারোয়ার মাহমুদ বলেন, ‘তদন্তের প্রয়োজনে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হতে পারে।’

‘বাংলাদেশে প্রায় ৭৫ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত’

‘বাংলাদেশে প্রায় ৭৫ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত’
প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ এন্টি ড্রাগ ফেডারেশনের আলোচনা সভা/ ছবি: বার্তা২৪.কম

‘বাংলাদেশে প্রায় ৭৫ লাখের বেশি মাদকাসক্ত রয়েছে। এসব মাদকাসক্তের ৮৪ ভাগ পুরুষ ও ১৬ ভাগ নারী। সমাজের বিত্তশালী থেকে শুরু করে নারী ও শিশু কিশোররাও মাদকের সাথে জড়িত।’

বাংলাদেশের মাদক পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানায় বাংলাদেশ এন্টি ড্রাগ ফেডারেশন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে শতকরা ৯০ ভাগ কিশোর তরুণ মাদকের সাথে যুক্ত। এদের ৪৫ ভাগ বেকার ও ৬৫ ভাগ আন্ডারগ্রাজুয়েট। উচ্চশিক্ষিতদের সংখ্যা ১৫ শতাংশ।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় এসব তথ্য তুলে ধরে বাংলাদেশ এন্টি ড্রাগ ফেডারেশন।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল, বাংলাদেশ এন্টি ড্রাগ ফেডারেশনের সভাপতি নুর মোহাম্মদ, জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের সভাপতি ডা. অরুপ রতন চৌধুরী প্রমুখ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561462186623.jpg

সভায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘ধর্মের পথে থাকলে মাদক থেকে দূরে থাকা যায়। মাদকাসক্তদের ৮০ শতাংশই যুবক। শেখ হাসিনার হাত ধরে যে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হচ্ছি, তার মূল চালিকাশক্তিই হলো তরুণ সমাজ। সেই তরুণরাই যদি মাদকাসক্ত হয়ে পরে, তাহলে উন্নয়নের প্রধান বাধা হবে মাদক।’

তিনি বলেন, ‘যুব সমাজের সাথে মহিলারাও এই মাদকে আসক্ত হচ্ছে। জনগণকে তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে কমিটি গঠন করে যুবকদের মধ্যে যে হতাশা, তা নির্মূল করতে হবে।’

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘আজকের যুব সমাজই ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দেবে। তারাই যদি মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে, তাহলে দেশের ভবিষ্যৎ মেরুদণ্ডহীন হয়ে পড়বে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র