Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

'প্রধানমন্ত্রীর আস্থা রক্ষা করে কাজ করব'

'প্রধানমন্ত্রীর আস্থা রক্ষা করে কাজ করব'
আশরাফ আলী খান খসরু, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
নেত্রকোনা
বার্তা২৪


  • Font increase
  • Font Decrease

'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থা রক্ষা করে কাজ করব। কারণ তিনি বিশ্বাস ও ভরসা করে যে দায়িত্ব আমাকে দিয়েছেন আমি তাঁর মর্যাদা রাখতে যা যা করণীয় সবই করব।'

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার পর অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে আশরাফ আলী খান খসরু এ কথা বলেন।  

এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বার্তা২৪কে আরও বলেন, 'সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে এবং গণমানুষের চাওয়ার পক্ষে সব সময়ই জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় অবস্থান। দেশকে উন্নয়নের শিখরে নিয়ে যেতে প্রধানমন্ত্রী দিন-রাত কাজ করছেন। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও আধুনিক সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর যে লক্ষ্য, সেই লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে দেশের মানুষকে সাথে নিয়ে একাত্তরের চেতনায় কাজ করে যাবেন বলেও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু।'

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খান খসরু। তিনি নেত্রকোনা কলেজ থেকে বিএ পাস করেন। ১৯৬৯ সালে তিনি জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরে তিনি জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। টানা দুইবার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে করেছেন ৭০ বছর বয়সী আশরাফ আলী। তার পিতা নুরুল ইসলাম খান (এনআই খান) ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এবং নেত্রকোনা পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। তার মা হেনা ইসলাম ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। হেনা ইসলাম মৃত্যুর আগ পর্যন্ত জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। আশরাফ আলী খান খসরুর স্ত্রী কামরুন্নেছা আশরাফ দীনা জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগেও একই আসন থেকে ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন আশরাফ আলী খান খসরু।

আপনার মতামত লিখুন :

রূপায়ণের মুকুলসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

রূপায়ণের মুকুলসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
অগ্নিকাণ্ডে বিধ্বস্ত এফআর টাওয়ার/ ফাইল ছবি

বনানীর এফআর টাওয়ার (ফারুক-রূপায়ণ টাওয়ার) নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগে দু’টি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলা দু’টি দায়ের করা হয়। মামলা নম্বর ২ ও ৩।

মামলা দুটোর বাদী প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত উপপরিচালক মো. আবুবকর সিদ্দিক। রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুলসহ ২৩ জনকে মামলার আসামি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ মার্চ দুপুরে বনানীর এফআর টাওয়ারে আগুন লাগে। এতে ২৬ জন মারা যান।

দুদকের অভিযোগ, এফআর টাওয়ারের ১৫ তলা থেকে ২৩ তলা পর্যন্ত অনিয়মের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। প্রথমে ১৫ তলা ভবন নির্মাণের নকশার অনুমোদন নেওয়া হয়। পরে ভবনটির দু’টি নকশা হাতে পায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। একটি নকশায় ১৮তলা ও অন্যটিতে ২৩তলা দেখানো হয়েছে।

একটি মামলায় পাঁচ জনকে এবং আরেকটি মামলায় ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মুকুল ও ফারুক দু’টি মামলারই আসামি। মামলার বিষয়ে দুদকের ভারপ্রাপ্ত সচিব সারোয়ার মাহমুদ বলেন, ‘তদন্তের প্রয়োজনে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হতে পারে।’

‘বাংলাদেশে প্রায় ৭৫ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত’

‘বাংলাদেশে প্রায় ৭৫ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত’
প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ এন্টি ড্রাগ ফেডারেশনের আলোচনা সভা/ ছবি: বার্তা২৪.কম

‘বাংলাদেশে প্রায় ৭৫ লাখের বেশি মাদকাসক্ত রয়েছে। এসব মাদকাসক্তের ৮৪ ভাগ পুরুষ ও ১৬ ভাগ নারী। সমাজের বিত্তশালী থেকে শুরু করে নারী ও শিশু কিশোররাও মাদকের সাথে জড়িত।’

বাংলাদেশের মাদক পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানায় বাংলাদেশ এন্টি ড্রাগ ফেডারেশন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে শতকরা ৯০ ভাগ কিশোর তরুণ মাদকের সাথে যুক্ত। এদের ৪৫ ভাগ বেকার ও ৬৫ ভাগ আন্ডারগ্রাজুয়েট। উচ্চশিক্ষিতদের সংখ্যা ১৫ শতাংশ।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় এসব তথ্য তুলে ধরে বাংলাদেশ এন্টি ড্রাগ ফেডারেশন।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল, বাংলাদেশ এন্টি ড্রাগ ফেডারেশনের সভাপতি নুর মোহাম্মদ, জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের সভাপতি ডা. অরুপ রতন চৌধুরী প্রমুখ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561462186623.jpg

সভায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘ধর্মের পথে থাকলে মাদক থেকে দূরে থাকা যায়। মাদকাসক্তদের ৮০ শতাংশই যুবক। শেখ হাসিনার হাত ধরে যে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হচ্ছি, তার মূল চালিকাশক্তিই হলো তরুণ সমাজ। সেই তরুণরাই যদি মাদকাসক্ত হয়ে পরে, তাহলে উন্নয়নের প্রধান বাধা হবে মাদক।’

তিনি বলেন, ‘যুব সমাজের সাথে মহিলারাও এই মাদকে আসক্ত হচ্ছে। জনগণকে তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে কমিটি গঠন করে যুবকদের মধ্যে যে হতাশা, তা নির্মূল করতে হবে।’

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘আজকের যুব সমাজই ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দেবে। তারাই যদি মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে, তাহলে দেশের ভবিষ্যৎ মেরুদণ্ডহীন হয়ে পড়বে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র