Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় কাঁপছে রাজশাহী

সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় কাঁপছে রাজশাহী
রাজশাহীতে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বইছে/ ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

টানা তৃতীয় দিনের মতো দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে রাজশাহীতে। শুক্রবার (২৮ ডিসেম্বর) তাপমাত্রা আরো এক দফা কমে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছে। যা দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে জানিয়েছে রাজশাহী আবহাওয়া অফিস।

আগের দিন বৃহস্পতিবার রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির সাথে সাথে হিমেল বাতাসের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় ঠাণ্ডার প্রকোপ আরো বেড়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন ছিন্নমূল মানুষজন।

দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সাধারণত ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে বলা হয় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে বলা হয় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। আর তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে তাকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তরাঞ্চলের ওপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

কয়েকদিনের শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে উত্তর জনপদের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষগুলো পড়েছেন বিপাকে।

আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাস বলছে আরও দুই থেকে তিন দিন রাজশাহীসহ সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমবে। ফলে নতুন করে উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের আরও কিছু এলাকা শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়তে পারে।

২৫ ডিসেম্বর থেকে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা অব্যাহত রয়েছে রাজশাহীতে। এই জেলায় শৈত্যপ্রবাহ আরো কয়েকদিন থাকবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান জানান, পহেলা ডিসেম্বর থেকে মূলত রাজশাহীর তাপমাত্রা কমতে থাকে। ২৫ ডিসেম্বরের পরে রাজশাহীর তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে অবস্থান করছে।

শীতের প্রকোপ বাড়ায় রাজশাহীতে ঠাণ্ডাজনিত রোগের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। শীত যতই বাড়ছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা ততই বাড়ছে। শীতের অসুখে শিশু ও বয়স্করাই আক্রান্ত হচ্ছেন বেশি।

আপনার মতামত লিখুন :

রূপায়ণের মুকুলসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

রূপায়ণের মুকুলসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
অগ্নিকাণ্ডে বিধ্বস্ত এফআর টাওয়ার/ ফাইল ছবি

বনানীর এফআর টাওয়ার (ফারুক-রূপায়ণ টাওয়ার) নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগে দু’টি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলা দু’টি দায়ের করা হয়। মামলা নম্বর ২ ও ৩।

মামলা দুটোর বাদী প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত উপপরিচালক মো. আবুবকর সিদ্দিক। রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুলসহ ২৩ জনকে মামলার আসামি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ মার্চ দুপুরে বনানীর এফআর টাওয়ারে আগুন লাগে। এতে ২৬ জন মারা যান।

দুদকের অভিযোগ, এফআর টাওয়ারের ১৫ তলা থেকে ২৩ তলা পর্যন্ত অনিয়মের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। প্রথমে ১৫ তলা ভবন নির্মাণের নকশার অনুমোদন নেওয়া হয়। পরে ভবনটির দু’টি নকশা হাতে পায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। একটি নকশায় ১৮তলা ও অন্যটিতে ২৩তলা দেখানো হয়েছে।

একটি মামলায় পাঁচ জনকে এবং আরেকটি মামলায় ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মুকুল ও ফারুক দু’টি মামলারই আসামি। মামলার বিষয়ে দুদকের ভারপ্রাপ্ত সচিব সারোয়ার মাহমুদ বলেন, ‘তদন্তের প্রয়োজনে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হতে পারে।’

‘বাংলাদেশে প্রায় ৭৫ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত’

‘বাংলাদেশে প্রায় ৭৫ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত’
প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ এন্টি ড্রাগ ফেডারেশনের আলোচনা সভা/ ছবি: বার্তা২৪.কম

‘বাংলাদেশে প্রায় ৭৫ লাখের বেশি মাদকাসক্ত রয়েছে। এসব মাদকাসক্তের ৮৪ ভাগ পুরুষ ও ১৬ ভাগ নারী। সমাজের বিত্তশালী থেকে শুরু করে নারী ও শিশু কিশোররাও মাদকের সাথে জড়িত।’

বাংলাদেশের মাদক পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানায় বাংলাদেশ এন্টি ড্রাগ ফেডারেশন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে শতকরা ৯০ ভাগ কিশোর তরুণ মাদকের সাথে যুক্ত। এদের ৪৫ ভাগ বেকার ও ৬৫ ভাগ আন্ডারগ্রাজুয়েট। উচ্চশিক্ষিতদের সংখ্যা ১৫ শতাংশ।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় এসব তথ্য তুলে ধরে বাংলাদেশ এন্টি ড্রাগ ফেডারেশন।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল, বাংলাদেশ এন্টি ড্রাগ ফেডারেশনের সভাপতি নুর মোহাম্মদ, জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের সভাপতি ডা. অরুপ রতন চৌধুরী প্রমুখ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561462186623.jpg

সভায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘ধর্মের পথে থাকলে মাদক থেকে দূরে থাকা যায়। মাদকাসক্তদের ৮০ শতাংশই যুবক। শেখ হাসিনার হাত ধরে যে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হচ্ছি, তার মূল চালিকাশক্তিই হলো তরুণ সমাজ। সেই তরুণরাই যদি মাদকাসক্ত হয়ে পরে, তাহলে উন্নয়নের প্রধান বাধা হবে মাদক।’

তিনি বলেন, ‘যুব সমাজের সাথে মহিলারাও এই মাদকে আসক্ত হচ্ছে। জনগণকে তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে কমিটি গঠন করে যুবকদের মধ্যে যে হতাশা, তা নির্মূল করতে হবে।’

এ সময় প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘আজকের যুব সমাজই ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দেবে। তারাই যদি মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে, তাহলে দেশের ভবিষ্যৎ মেরুদণ্ডহীন হয়ে পড়বে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র