Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা হচ্ছে রাজশাহীকে

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা হচ্ছে রাজশাহীকে
ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
রাজশাহী
বার্তা২৪


  • Font increase
  • Font Decrease

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হচ্ছে পুরো রাজশাহী মহানগরীকে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশের পাশাপাশি মহানগরীতে টহল দিচ্ছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। মোতায়েন রয়েছে সেনা ও বিজিবি সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকেই নগরীর প্রবেশ পথ নওদাপাড়া, কাশিয়াডাঙ্গা বাইপাস সড়ক ও অক্ট্রয় মোড়ে বসানো হয়েছে অস্থায়ী চেকপোস্ট। নগরীর মধ্যে গৌরহাঙ্গা রেলগেট, শাহ মখদুম থানার মোড়, সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট, লক্ষ্মীপুর মোড়, কল্পনা হলের মোড়, সাগড়পাড়া, সোনাদিঘীর মোড়, সদর হাসপাতালের মোড়, আদালত চত্বর, পার্কের গেটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোবাইল চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে ব্যাপক তল্লাশি করছে।

রাজশাহী মহানগর ও জেলা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৩০ ডিসেম্বর ভোটে রাজশাহীতে ৬৯৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩৮৯টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ (গুরুত্বপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ।

এর মধ্যে মহানগর পুলিশের (আরএমপি) অধীনে ১৯৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৮৬টি ও জেলার ৪৯৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ২০৩টি ঝুঁকিপূর্ণ।

এদিকে, বৃহস্পতিবার থেকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য রাজশাহী জেলায় নির্বাচনী এলাকায় রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এপিসি এবং ০৩টি প্রশিক্ষিত ডগসহ ডমিনেশন টহল পরিচালনা করে।

নির্বাচন উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জনস্বার্থ, জনশৃঙ্খলা ও সাধারণ জনগণের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/27/1545925829150.jpg

২৯ ডিসেম্বর দিবাগত মধ্যরাত থেকে ৩০ ডিসেম্বর মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত বেবিট্যাক্সি, অটোরিকশা, ইজিবাইক, ট্যাক্সি ক্যাব, মাইক্রোবাস, জীপ, পিক-আপ, কার, বাস, ট্রাক, টেম্পো এবং স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন যন্ত্রচালিত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

এছাড়া ২৮ ডিসেম্বর দিবাগত মধ্যরাত থেকে পহেলা জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত রাজশাহী মহানগর এলাকায় মোটরসাইকেল চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, তাদের নির্বাচনী এজেন্ট, পরিচয়পত্রধারী দেশী, বিদেশী পর্যবেক্ষকদের  ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা  শিথিলযোগ্য। নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত পরিচয়পত্রধারী দেশী, বিদেশী সাংবাদিক, নির্বাচন কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, নির্বাচনের বৈধ পরিদর্শক, এ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডাক ও টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

 

আপনার মতামত লিখুন :

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের

মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি মহিলা পরিষদের
আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। একই সঙ্গে এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণেও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানমের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের মামলায় তারই স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দ্রুত গতিতে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে রিমান্ডে নেওয়া হলো। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এসপির বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, মিন্নি জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়া গিয়েছে।

মিন্নি একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। কিন্তু পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর দেননি। তাই এ বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ তদন্তসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অভিযুক্ত মিন্নির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ মনে করে, বহু গুরুতর অপরাধ, শত খুনের আসামিদের পাশে আইনজীবীরা দাঁড়ান। নারী নির্যাতন না শুধু হত্যাকারীদের পাশেও দাঁড়ান।

তারা বলেন, মানবাধিকার নীতিমালা অনুযায়ী আসামিরাও লিগ্যাল প্রটেকশন পাওয়ার অধিকার আছে। সুতরাং ইচ্ছা বা অনিচ্ছায়, চাপ বা অন্য কারণে যা কিছু হোক বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, আইনানুগ, স্বচ্ছ তদন্ত হবে এবং আসামিরও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি দাবি করে।

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি

সিলেটে ডাবল খুন মামলায় ১ আসামির ফাঁসি
আদালত চত্বরে ডাবল খুন মামলার আসামিরা/ ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে দ্বৈত (ডাবল) খুনের মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম গোলাপগঞ্জ উপজেলার মেহেরপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে।

একই মামলার আসামি রানু মিয়াকে তিন বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। তিনি মেহেরপুর গ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে। মামলার অন্য দুই আসামি মনোয়ারা বেগম ও আয়েশা আক্তারকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

সিলেটের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকালে সিলেট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আমিনুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গোলাপগঞ্জের মেহেরপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আসামিরা হামলা চালিয়ে রুবেল আহমেদ ও ফারুক মিয়াকে জখম করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল ও ফারুক মারা যান।

ঘটনার দুই দিন পর নিহতদের বোন নাজিরা বেগম চারজনকে আসামি করে গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র