Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

দুধের গ্রাম গাইবান্ধার শ্রীকলা

দুধের গ্রাম গাইবান্ধার শ্রীকলা
গাইবান্ধা জেলার জামালপুর ইউনিয়নের শ্রীকলা গ্রামের একটি গরুর খামার/ ছবি: বার্তা২৪.কম
তোফায়েল হোসেন জাকির
 ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দুধের গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে গাইবান্ধা জেলার জামালপুর ইউনিয়নের শ্রীকলা। ছোট এই গ্রামে এ পর্যন্ত গড়ে উঠেছে ৩৫টি খামার। প্রতিটি  খামারে রয়েছে ১০-১২টি করে গাভী। প্রথমদিকে খামার করে অনেকে স্বাবলম্বী হলেও এখন দুধের ন্যায্য মূল্য পান না।

বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে সাদুল্লাপুর উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার পশ্চিম-উত্তরে শ্রীকলা গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, গ্রামটি অনেক ছোট ও মফস্বল এলাকা হিসেবে পরিচিত। সেখানে শিক্ষার হারও তুলনামূলক কম। সবাই নিজ উদ্যোগ ও মেধা খাটিয়েই গড়ে তুলেছেনএসব দুগ্ধ খামার।

আহসান হাবিব (৪০) নামের এক খামারি বার্তা২৪.কম’কে বলেন, ‘আমার খামারে ১০টি উন্নত জাতের ফ্রিজিয়ান ও সাহিওয়াল গাভী রয়েছে। ১০বছর আগে একটি মাত্র বাছুর দিয়ে খামার শুরু করি। এখন খামারে প্রায় অর্ধকোটি টাকা মূল্যের গাভী আছে।’

আহসান হাবিবের মতো একইভাবে আবুল হোসেন (লাল মিয়া), মেনহাজ উদ্দিন, সলিম উদ্দিন, আবুল মিয়া, আব্দুস ছামাদ, সাজু মিয়া, আবুতালেব, খয়রুজ্জামান, মোছা. হেলেনা আফরোজ ও মোছা. মেহেন্নেকা বেগমসহ আরও অনেকের খামারে ফ্রিজিয়ান, সাহিওয়াল, লালসিন্ধি ওজার্সি ফ্রিজিয়ান জাতের গাভী দেখা গেছে। অল্প জায়গায় অনেক খামার থাকায় এলাকাটি দুধের গ্রাম হিসেবেই পরিচিতি পেয়েছে।

খামারি আবুল হোসেন বার্তা২৪.কম’কে বলেন, ‘বয়স ভেদে প্রতিটি গাভীকে দিনে ১০০-১৫০ টাকার খাবার দিতে হয়। এর মধ্যে ক্যাটলফিড,ভুষি ও সবুজ ঘাস দিতে হয়। এছাড়াও গাভীগুলোকে নিয়মিত গোসল করাতে হয়। প্রতিটি গাভী গড়ে দৈনিক ২০ কেজি দুধ দেয়।’

আবুল মিয়া নামে এক খামারি জানান, মাত্র ২০ হাজার টাকা দিয়ে একটি বাছুর কিনে তার খামারের যাত্রা শুরু। এখন তিনি প্রায় ১৫ লখ টাকা মূল্যের গাভির মালিক। তবে অনেকে খামার করায় এখন দুধের ন্যায্য দাম পাওয়া যায় না। মাঝে মাঝে দুধ কেনার কোনো ক্রেতা পাওয়া যায় না। ফলে সাদুল্লাপুর ব্র্যাক চিলিং সেন্টারে ৩৭ দরে প্রতিকেজি দুধ বিক্রি করতে হয়।

খামারি মেনহাজ উদ্দিন জানান, বর্তমানে খামার করার পরিবেশ নেই। দুধের বাজার একেবারেই কম। দুধ নিয়ে বাজারে বিক্রি করতে গেলে৩০-৩৫ টাকার বেশি পাওয়া যায় না।

খামারিদের অভিযোগ, তারা ব্যাংক থেকে কোনো ঋণ পান না। যদি প্রশিক্ষণসহ সহজ শর্তে ঋণ পাওয়া যেত তাহলে খামারগুলো বিস্তৃত হতে পারতো। তাই জিও-এনজিওগুলোকে তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান খামারিরা।

আপনার মতামত লিখুন :

গফরগাঁওয়ে হত্যা মামলার আসামি বন্দুকযুদ্ধে নিহত

গফরগাঁওয়ে হত্যা মামলার আসামি বন্দুকযুদ্ধে নিহত
ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ অটোরিকশা চালক হত্যার প্রধান আসামি মো. এখলাছ উদ্দিন (৩০) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ডিবি’র উপ-পরিদর্শক (এসআই) আকরাম হোসেন ও কনস্টেবল ইলিয়াস মিয়া।

বুধবার (২১ আগস্ট) দিনগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার পাগলা থানার চাকুয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকালে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গোপন সূত্রে ডিবি পুলিশ জানতে পারে পাগলার চাকুয়া এলাকায় অটোরিকশা চালক হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ বেশ কয়েকজন ডাকাত অবস্থান করছেন। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালায় ডিবির একটি দল। এ সময় তাদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা করলে ডাকাত দল ও মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে অতর্কিতভাবে গুলি করতে থাকে। এতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়। 

পরে আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে ডাকাত দল ও মাদক ব্যবসায়ীরা গুলি করতে করতে দৌড়ে পালিয়ে যান। এসময় ঘটনাস্থলে একটি বিদেশি ১২ বোর রিভলবার, এক রাউন্ড গুলি ও ২০০ গ্রাম হেরোইনসহ চিহ্নিত ডাকাত ও মাদক ব্যবসায়ী মো. এখলাছ উদ্দিনকে আহত অবস্থায় পাওয়া যায়। 

পরে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

ডিবি’র ওসি আরো জানান, নিহত এখলাছ উদ্দিন আন্ত:জেলা ডাকাত দলের সদস্য। তার নেতৃত্বে ডাকাতরা গত ২৭ জুলাই রাতে এক অটোচালককে নির্মমভাবে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই করে নিয়ে যায়। তার বিরুদ্ধে ৩টি ডাকাতি, ২টি মাদক ও ১টি হত্যা মামলাসহ ৬টির বেশি মামলা রয়েছে। 

 

গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি

গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি
গ্রেনেড হামলায় আত্মার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় জড়িতদের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকর এবং মাস্টার মাইন্ডদের বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা।

বুধবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় নগরীর শিববাড়ি রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে এক প্রতিবাদ সভায় এ দাবি জানানো হয়।

ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজমা ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহিত-উর-রহমান শান্ত'র সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আ'লীগের সহ-সভাপতি মো. ইকরামুল হক টিটু।

এতে সংগঠনের সহ-সভাপতি হোসাইন জিল্লু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসাইন জাহাঙ্গীর বাবুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, 'বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতেই দানবীয় এ হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। তবে আল্লাহর অশেষ রহমতে পরিকল্পিত সে হামলায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন শেখ হাসিনা। ইতোমধ্যে এই গ্রেনেড হামলার যে রায় হয়েছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করতে হবে।'

প্রতিবাদ সভা শেষে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র