Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

এবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপে বসতে চান বি.চৌধুরী

এবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপে বসতে চান বি.চৌধুরী
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে সংলাপ নিয়ে যখন রাজনীতির অঙ্গনে সুবাতাস তখন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপে বসার আগ্রহ জানিয়েছেন বি. চৌধুরী। সংলাপে বসার আগ্রহের কথা জানিয়ে চিঠিও দিতে যাচ্ছে বিকল্পধারা বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে বি. চৌধুরীর লেখা চিঠিটি নিয়ে যান বিকল্পধারার প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুর রউফ মান্নান ও সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ওমর ফারুক। তবে সেখানে তারা চিঠি দিতে পারেন নি।

সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার উমর ফারুক বলেন, ‘আমাদের আওয়ামী লীগের অফিসে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরে জানানো হয়, সংসদ ভবনে যেতে। আমরা জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে ওবায়দুল কাদেরের কাছে চিঠি দুটি হস্থান্তর করবো।’

জানা যায়, বিকেলে দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্যদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপে বসার সিদ্ধান্ত নেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায় দলটি। এরপরই সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি লেখেন বি. চৌধুরী। প্রধানমন্ত্রীকে বি চৌধুরী স্বাক্ষরিত চিঠি দেওয়ার পাশাপাশি বিকল্প ধারার মহাসচিব মেজর অব. মান্নান স্বাক্ষরিত একটি চিঠি দেওয়া হচ্ছে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Oct/30/1540912381198.jpg

উল্লেখ্য, রোববার চলমান রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়ে চিঠি দেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেন। ড. কামালের চিঠির জবাবে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সোমবার সংবাদ সম্মেলনে জানান তারা ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে রাজি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও গণভবনে সংলাপে বসার আমন্ত্রণ জানিয়ে মঙ্গলবার ড. কামাল হোসেনকে চিঠি লিখেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সংবিধানসম্মত যে কোনো আলোচনার জন্য তিনি সবসময় প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চিঠি পাওয়ার পর মতিঝিলে নিজ চেম্বারে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. কামাল হোসেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে ১৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল চূড়ান্ত করেছে ঐক্যফ্রন্ট। বৃহস্পতিবার (১ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপে বসতে ঐক্যফ্রন্টের ১৬ প্রতিনিধি গণভবনে যাবেন।

প্রধানমন্ত্রীর লেখা বি চৌধুরীর চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা লক্ষ্য করে অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছি যে, আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানে সংলাপের কোনও বিকল্প নেই। সেই প্রস্তাবটি আপনি গ্রহণ করেছেন। আমরা খুশি হয়েছি, আপনি নির্বাচন সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে রাজনৈতিক সংলাপের প্রস্তাব দিয়েছেন। এজন্য আপনাকে বাংলাদেশ যুক্তফ্রন্ট ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বর্তমান পরিস্থিতিতে আপনার সঙ্গে রাজনৈতিক সংলাপে বসার জন্য আপনার সময় ও সুবিধামতো আমাদের আমন্ত্রণ জানালে খুশি হবো। জাতির এই রাজনৈতিক ক্রান্তিলগ্নে আমাদের সবার শুভেচ্ছা ও সৌহার্দের মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে বিশ্বাস করি।’

আপনার মতামত লিখুন :

গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি

গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি
গ্রেনেড হামলায় আত্মার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় জড়িতদের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকর এবং মাস্টার মাইন্ডদের বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা।

বুধবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় নগরীর শিববাড়ি রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে এক প্রতিবাদ সভায় এ দাবি জানানো হয়।

ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজমা ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহিত-উর-রহমান শান্ত'র সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আ'লীগের সহ-সভাপতি মো. ইকরামুল হক টিটু।

এতে সংগঠনের সহ-সভাপতি হোসাইন জিল্লু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসাইন জাহাঙ্গীর বাবুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, 'বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতেই দানবীয় এ হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। তবে আল্লাহর অশেষ রহমতে পরিকল্পিত সে হামলায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন শেখ হাসিনা। ইতোমধ্যে এই গ্রেনেড হামলার যে রায় হয়েছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করতে হবে।'

প্রতিবাদ সভা শেষে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী-মেয়র ব্যস্ত বক্তৃতায়, সচিবের আয়েশি ঘুম

মন্ত্রী-মেয়র ব্যস্ত বক্তৃতায়, সচিবের আয়েশি ঘুম
মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক পর্যালোচনা সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের আয়েশি ঘুম/ছবি: শাহরিয়ার তামিম

রাজধানীর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক পর্যালোচনা সভা চলছে। ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন স্থানীয়, সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র সভায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলায় ব্যস্ত। তবে অনুষ্ঠানের এ মঞ্চে দুশ্চিন্তামুক্ত ছিলেন একজন। আর তিনি হলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

অনুষ্ঠানের শুরু থেকে তিনি দফায় দফায় ঘুম দিচ্ছেন। কখনও ঘুমে দুলুনি খাচ্ছেন, কখনও আবার হঠাৎ চমকে উঠছেন। কোনো কোনো সময় মুখ হা করে বিরাট হাই তুলছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566400999878.jpg

বুধবার (২১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত সভায় এমন আয়েশি ভঙ্গিতে ধরা পড়লেন সচিব হেলালুদ্দীন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। মেয়র আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাইসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566401016016.jpg

মন্ত্রীর কারণে বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শুরু হয় আরও দেরিতে। এরপর মন্ত্রীর ডান পাশের চেয়ারে বসেন সচিব হেলালুদ্দীন আর বাম পাশে বসেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

সভার শুরুতে মেয়র কথা বলার পর বক্তব্য শুরু করেন মন্ত্রী। তার বক্তৃতার পুরো সময় সচিব কখনো হাই তুলেছেন, আবার কখনো দুই হাত বুকের ওপর রেখে ভঙ্গিতে ঘুম দিয়েছেন। মাঝে মাঝে দুই চোখ খুললেও আবার চোখ বন্ধ করে ফেলেন। মন্ত্রী যখন বক্তৃতা করছিলেন তখন মাঝে মাঝেই সচিব চেয়ারে হেলান দিয়ে ঘুমাচ্ছিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566401037611.jpg

সম্প্রতি দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে সরকার, সিটি করপোরেশন ও প্রশাসন কর্মকর্তারা বেশ দৌড়ের ওপর রয়েছেন। ডেঙ্গু মৌসুমের শুরুতে পদক্ষেপ না নেওয়ায় সমালোচনাও সইতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহলকে। এর মধ্যে এমন জনগুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষ্ঠানে সরকারের একজন আমলার এভাবে ঘুমানোকে বেমানান বলছেন সভায় উপস্থিত ব্যক্তিরা।

আরও পড়ুন:  রোববার থেকে চিরুনি অভিযান, লার্ভা পেলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের..

ডেঙ্গু আক্রান্তদের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দুঃখ..

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র