Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

অবশেষে চুরি হওয়া সেই শিশু উদ্ধার

অবশেষে চুরি হওয়া সেই শিশু উদ্ধার
অবশেষে চুরি হওয়া সেই শিশু উদ্ধার। ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

অবশেষে ৪ দিন পর পুলিশের চিরুনি অভিযানে উদ্ধার হয়েছে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতাল থেকে চুরি হওয়া নবজাতক শিশুটি।

রোববার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে রমেক হাসপাতালের একটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত ইয়াসমিন সুলতানা মুন্নি (৩২) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বিকেলে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরপিএমপি) কমিশনার মুহম্মদ আবদুল আলীম মাহমুদ।

আরপিএমপি কমিশনার জানান, রমেক হাসপাতাল থেকে লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার ভেলাগুড়ি এলাকার ফারুক মিয়ার স্ত্রী ইয়াসমিন সুলতানা মুন্নি ওই নবজাতককে চুরি করে হাসপাতাল ক্যাম্পাসে পরমানু গবেষণা ইনস্টিটিউট সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত ভবনে আত্মগোপন করেছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্নি পুলিশকে জানায়, সে নবজাতককে সন্তানের মতো লালনপালনের উদ্দেশে চুরি করেছিলেন। তার আগের স্বামীর একটি সন্তান রয়েছে। হাসপাতালের ক্যাম্পাস সংলগ্ন পরিত্যক্ত একটি ভবনে মুন্নির এক আত্মীয় থাকে। আত্মীয়ের কাছে থাকার সুবাদে তার হাসপাতালে অবাধ যাতায়াত ছিল।

তিনি জানান, নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাবড়িঝাড়গ্রামের পরশ চন্দ্রের স্ত্রী সুধা রাণী গত ৯ অক্টোবর মঙ্গলবার রাতে সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য রমেক হাসপাতালে ভর্তি হন। প্রসূতি ওয়ার্ডে ওই রাতে সিজারের মাধ্যমে একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেন সুধা রাণী। পরদিন বুধবার ভোরে শিশুটি কোলে আদর করতে নিয়ে সটকে পড়েন মুন্নি। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করে শিশুটিকে না পাওয়া গেলে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন শিশুর নানা সন্তোষ কুমার।

আলীম মাহমুদ জানান, ঘটনার দিন থেকে অবশেষে সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গোয়েন্দা, ডিবি ও ক্রাইম অপরাধ শাখার পুলিশ সদস্যরা চিরুনি অভিযান চালায়। সন্দেহভাজন কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। রোববার দুপুর ১টা ৩০মিনিটে মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মোত্তাকিন মিনান ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (বিডি) আলতাব হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল মুন্নিকে আটকসহ শিশুটিকে উদ্ধার করে।

প্রেস ব্রিফিং শেষে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নবজাতক শিশুটিকে মায়ের কোলে তুলে দেয়া হয়। এ সময় আরপিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আবু সুফিয়ান, উপ-পুলিশ কমিশনার (হেড কোয়ার্টার্স) মহিদুল ইসলাম, উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মোত্তাকিন মিনান, অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) শহিদুল্লাহ কাওছার, সহকারী পুলিশ কমিশনার (বিডি) আলতাব হোসেনসহ রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

গফরগাঁওয়ে হত্যা মামলার আসামি বন্দুকযুদ্ধে নিহত

গফরগাঁওয়ে হত্যা মামলার আসামি বন্দুকযুদ্ধে নিহত
ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ অটোরিকশা চালক হত্যার প্রধান আসামি মো. এখলাছ উদ্দিন (৩০) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ডিবি’র উপ-পরিদর্শক (এসআই) আকরাম হোসেন ও কনস্টেবল ইলিয়াস মিয়া।

বুধবার (২১ আগস্ট) দিনগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার পাগলা থানার চাকুয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকালে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গোপন সূত্রে ডিবি পুলিশ জানতে পারে পাগলার চাকুয়া এলাকায় অটোরিকশা চালক হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ বেশ কয়েকজন ডাকাত অবস্থান করছেন। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালায় ডিবির একটি দল। এ সময় তাদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা করলে ডাকাত দল ও মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে অতর্কিতভাবে গুলি করতে থাকে। এতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়। 

পরে আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে ডাকাত দল ও মাদক ব্যবসায়ীরা গুলি করতে করতে দৌড়ে পালিয়ে যান। এসময় ঘটনাস্থলে একটি বিদেশি ১২ বোর রিভলবার, এক রাউন্ড গুলি ও ২০০ গ্রাম হেরোইনসহ চিহ্নিত ডাকাত ও মাদক ব্যবসায়ী মো. এখলাছ উদ্দিনকে আহত অবস্থায় পাওয়া যায়। 

পরে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

ডিবি’র ওসি আরো জানান, নিহত এখলাছ উদ্দিন আন্ত:জেলা ডাকাত দলের সদস্য। তার নেতৃত্বে ডাকাতরা গত ২৭ জুলাই রাতে এক অটোচালককে নির্মমভাবে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই করে নিয়ে যায়। তার বিরুদ্ধে ৩টি ডাকাতি, ২টি মাদক ও ১টি হত্যা মামলাসহ ৬টির বেশি মামলা রয়েছে। 

 

গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি

গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ডদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি
গ্রেনেড হামলায় আত্মার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় জড়িতদের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকর এবং মাস্টার মাইন্ডদের বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা।

বুধবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় নগরীর শিববাড়ি রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে এক প্রতিবাদ সভায় এ দাবি জানানো হয়।

ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজমা ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহিত-উর-রহমান শান্ত'র সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আ'লীগের সহ-সভাপতি মো. ইকরামুল হক টিটু।

এতে সংগঠনের সহ-সভাপতি হোসাইন জিল্লু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসাইন জাহাঙ্গীর বাবুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, 'বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতেই দানবীয় এ হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। তবে আল্লাহর অশেষ রহমতে পরিকল্পিত সে হামলায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন শেখ হাসিনা। ইতোমধ্যে এই গ্রেনেড হামলার যে রায় হয়েছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করতে হবে।'

প্রতিবাদ সভা শেষে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র