Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আদালতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, রাতেই  তদন্ত প্রতিবেদন জমা

আদালতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, রাতেই  তদন্ত প্রতিবেদন জমা
ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

গ্রেনেড হামলা মামলার রায় প্রদানের সময় নাজিমউদ্দিন রোডের বিশেষ আদালতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নের ঘটনায় গঠিত মন্ত্রণালয়ের কমিটি বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) রাতের মধ্যেই রিপোর্ট জমা দিতে যাচ্ছে।

বার্তা২৪.কম কে এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন তদন্ত কমিটির প্রধান বিদ্যুৎ যুগ্ম সচিব শেখ ফায়েজুল করীম।

সন্ধ্যা ৭ টায় তিনি জানান, আমরা ওই দিন রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এখন বেশ কিছু সুপারিশসহ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে যাচ্ছি। সুপারিশের মধ্যে রয়েছে, পুরান ঢাকার নন স্ট্যান্ডার্ড লাইনগুলো আপগ্রেড করা, লাইনগুলো মাটির নীচ দিয়ে নেওয়াসহ বেশকিছু সুপারিশ।

কারো কোনো গাফিলতি পাওয়া গেছে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ ফায়েজুল করীম বলেন, এখনই এ বিষয়ে কথা বলতে চাচ্ছি না। তবে তারা রায়কে কেন্দ্র করে সেখানে আগেই গ্যাংসহ একটি টিম রেডি রেখেছিলাম। তবে বিকল্প হিসেবে জেনারেটরের ব্যবস্থা রাখলে এমন বিড়ম্বনা এড়ানো যেতো।

এই কমিটির অপর ৩ সদস্য হচ্ছেন ডিপিডিসির (ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি) নির্বাহী প্রকৌশলী এটিএম হারুন উর রশীদ, পিজিসিবির  প্রধান প্রকৌশলী প্রনব কুমার রায়, বিদ্যুৎ উন্নয়ণ বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শেখ ওয়াহিদুজ্জামান।

বুধবারের (১০ অক্টোবর) ওই ঘটনায় ডিপিডিসির লালবাগ এনওসিএস'র চার স্টাফকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

গতকাল বুধবার পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে অবস্থিত ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে (অস্থায়ী) বহুল আলোচিত গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন। তবে রায় ঘোষণার সময় অন্ধকারে ছিল আদালত কক্ষ।

বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে রায় পড়া শুরু করেন বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন। ওই সময়েই আদালত কক্ষের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে আদালতের একজন কর্মকর্তা মোবাইলের টর্চ বের করে আলো দিতে থাকেন। এর মধ্যে একবার বিদ্যুৎ এলেও কয়েক মিনিট পরেই আবারো চলে যায়।

ঐতিহাসিক এ রায় ঘোষণার দিনে আদালত চত্বরে বিদ্যুৎ না থাকায় দায়িদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয় বিদ্যুৎ বিভাগ। কর্মকর্তাদের বরখাস্তের পাশাপাশি তদন্ত কমিটিও গঠন করারও নির্দেশ দেয়। কমিটিকে বৃহস্পতিবারের (১১ অক্টোবর) মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছিলো।

আরও পড়ুন, আদালতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, এনওসিএস‘র সব স্টাফ বরখাস্ত

অন্ধকার কক্ষে মোবাইলের টর্চের আলোয় রায় পড়েন বিচারক

আপনার মতামত লিখুন :

গণপিটুনির কারণ খতিয়ে দেখা হবে : আইনমন্ত্রী

গণপিটুনির কারণ খতিয়ে দেখা হবে : আইনমন্ত্রী
আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক

 

আইন বিচার  ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সাম্প্রতিক ঘনঘন অগ্নিকাণ্ড, ধর্ষণ ও গণপিটুনির ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হবে। যে কোন ঘটনার একটা স্বাভাবিকতা আছে আর একটা অস্বাভাবিকতাও আছে। আপনারা যদি আগুন লাগার ঘটনা দেখে থাকেন। তাহলে দেখবেন, এটা কন্টিনিউয়াস ঘটতে থাকে। তারপরে ধর্ষণের ঘটনা কন্টিনিউয়াস ঘটতে থাকল। এখন গণপিটুনির ঘটনা ঘটছে। একটা দুটো দুর্ঘটনা হলে ঠিক আছে। কিন্তু ১১-১২ টা ঘটনা ঘটেছে-এটা অস্বাভাবিক।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত জাতিসংঘ নির্যাতন বিরোধী কনভেনশন (ইউএনসিএটি) বিষয়ে সিভিল সোসাইটির সঙ্গে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, যেখানে গত বছরে একটাও গণপিটুনির ঘটনা নাই, সেখানে হঠাৎ এক মাসে সাত দিনের মধ্যে ১১ টা গণপিটুনির ঘটনা ঘটে গেল। এ ঘটনাগুলো দেশে যে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিরাজ করছে তা নষ্ট করার জন্য কি না-তা খতিয়ে দেখা হবে।

দেশে বিচারবর্হিভূত হত্যার পরিমাণ কমেছে মন্তব্য করে আনিসুল হক বলেন, একটাও যাতে বিচার বহির্ভূত হত্যা না হয়, আমরা সে দিকেই অগ্রসর হচ্ছি। নির্যাতন বন্ধে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন স্থানে নির্যাতন কমেছে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের যেখানেই অপরাধ হচ্ছে সেখানেই তা রুখে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। ধর্ষণ বা অন্যান্য নির্যাতন বন্ধ করার জন্য সরকার অনেক চেষ্টা করছে। মাদক নির্মূলের জন্যও চেষ্টা করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, এসিড সন্ত্রাস দমনে যেমন দেশের মানুষ সবাই একত্রিত হয়েছিল তেমনি এইসব অপরাধ দমনে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

সৎ বাবার বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী শিশু হত্যার অভিযোগ

সৎ বাবার বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী শিশু হত্যার অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় স্বাধীন (৪) নামে বাকপ্রতিবন্ধী এক শিশুকে গলাটিপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার সৎ বাবার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা সৎ বাবা কামাল উদ্দিনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের কান্দানিয়া কচুয়ারপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ছয় মাস আগে কচুয়ারপাড় এলাকার কামাল উদ্দিন একই গ্রামের বিধবা উম্মে কুলছুমকে প্রতিবন্ধী শিশুটিসহ বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে প্রায়ই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হতো।

মঙ্গলবার সকালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার পর কুলছুম প্রতিবন্ধী ছেলেকে বাড়িতে রেখে পাশের এক বাড়িতে চলে যান। দুপুরে বাড়ি ফিরে শিশুটিকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।

বিকালে ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনূর মল্লিক জীবন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘বাকপ্রতিবন্ধী স্বাধীনকে তার সৎ বাবা কামাল উদ্দিন গলাটিপে হত্যা করেছে বলে দাবি করছে শিশুটির মা কুলছুম। স্থানীয়রা কামালকে আটক করে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসার পর পুলিশকে বিষয়টি জানানো হলে অভিযুক্ত কালামকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।’

ফুলবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ তালুকদার বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য শিশুটির মরদেহ মমেক হাসপাতালে পাঠানো হবে।’

তিনি জানান, অভিযুক্ত সৎ বাবা কামালকে থানায় রাখা হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত কেউ এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেননি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র