Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

গ্রেনেড হামলা: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কে এই আব্দুস সালাম?

গ্রেনেড হামলা: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কে এই আব্দুস সালাম?
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুস সালাম। ছবি: বার্তা২৪.কম
গনেশ দাস
ডিস্ট্রিক করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার ঘোষিত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাওলানা শেখ আব্দুস সালামের বাড়ি বগুড়ার ধুনটের চৌকিবাড়ি ইউনিয়নের পেঁচীবাড়ি গ্রামে। তার স্ত্রী ফাতেমা তুজ-জোহরা ১ ছেলে এবং ২ মেয়েকে নিয়ে বসবাস করেন বগুড়ার শেরপুর পৌর শহরের হামছায়াপুর মহল্লায় নিজস্ব বাড়িতে।

বুধবার (১০ অক্টোবর) গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। তবে ঘোষিত রায় নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি ফাতেমা। এমনকি সাংবাদিকদের কাছে কোনো মন্তব্য করবেন না বলে জানিয়ে দেন।

বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) শেরপুর পৌর শহরের হামছায়াপুর মহল্লায় আব্দুস সালামের বাসায় গিয়ে তালা ঝুলানো দেখা যায়। নিচতলায় বসবাসরত এক ভাড়াটিয়া জানান, আবদুস সালামের স্ত্রী কোথায় গেছেন জানেন না তিনি। দুপুর ১টার দিকে ফাতেমা খাতুন বাসায় ফিরলেও সাংবাদিক পরিচয় শুনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

আব্দুস সালামের গ্রামের বাড়িতে ধুনটের পেঁচীবাড়ি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, পৈত্রিক ভিটেমাটির উপর টিনের একটি ঘর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ওই ঘরে কেউ বসবাস করে না।

আব্দুস সালামের বড় ভাই মৃত গোলাম মোস্তফার স্ত্রী মরিয়ম বেগম জানান, তার দেবর আব্দুস সালাম মাদরাসায় পড়ালেখা করার কারণে ছোটবেলা থেকেই বাইরে থাকতেন। গ্রামের বাড়িতে কম আসতেন। আব্দুস সালাম শেরপুর শহরে বাড়ি করে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সেখানেই বসবাস করতেন। তবে গ্রেফতার হওয়ার কয়েক মাস আগে একবার অল্প সময়ের জন্য গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন।

২০০৯ সালের ১ নভেম্বর র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হওয়ার আগ পর্যন্ত মরিয়ম বেগমের মতো এলাকাবাসীও জানতেন না আব্দুস সালাম জঙ্গি সংগঠনের বড় নেতা এবং সে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে জড়িত। তবে আব্দুস সালাম আফগানিস্তানে যুদ্ধ করেছেন বলে তারা শুনেছেন।

কে এই আব্দুস সালাম:
ধুনট উপজেলার চৌকিবাড়ী ইউনিয়নের পেঁচিবাড়ী গ্রামের মৃত মোজাহার আলী শেখের ৪ ছেলে এবং ৩ মেয়ের মধ্যে সবার ছোট আব্দুস সালাম। তিনি শেরপুর শহীদিয়া কামিল মাদরাসায় লেখাপড়া করা অবস্থায় চলে যান ভারতে। সেখানে দারুল উলুম দেওবন্দ মাদরাসায় লেখাপড়া করা অবস্থায় ১৯৮৪ সালে পাকিস্তানে যান। সেখান থেকে ওই বছরেই আফগানিস্তানে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে যান মাওলানা শেখ আব্দুস সালাম। পরপর তিনবার আফগানিস্তানে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন তিনি। এরপর ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশে ফেরেন।

আব্দুস সালাম নিজেই আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশ শাখা প্রতিষ্ঠা করে কার্যক্রম শুরু করেন বলে জানা যায়। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত আব্দুস সালাম প্রকাশ্যে হরকাতুল জিহাদ নামের সংগঠন পরিচালনা করেন বলে তার ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়। বাংলাদেশ সরকার হরকাতুল জিহাদ নামের সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলে আব্দুস সালাম ভারত ও পাকিস্তানে সক্রিয় বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে যাতায়াতের সময় কখনো পাকিস্তানি পাসপোর্ট, আবার কখনো বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করতেন মাওলানা আব্দুস সালাম। ১৯৯৭ সালে আব্দুস সালাম তার স্ত্রী সন্তানসহ বাংলাদেশি পাসপোর্টে পাকিস্তানে যান। ২০০২ সালে আব্দুস সালাম পাকিস্তানি পাসপোর্টে গফুর পরিচয়ে ফের দেশে ফেরেন। এরপর তিনি বগুড়ার শেরপুরে পৌর এলাকার হামছায়াপুর মহল্লায় জায়গা কিনে দোতলা বাড়ি নির্মাণ করেন। বাড়ির একটি অংশে স্ত্রীর নামে ফাতেমা তুজ-জোহরা বালিকা মাদরাসা স্থাপন করে তা পরিচালনা শুরু করেন।

এলাকাবাসী জানায়, ওই সময় থেকেই আব্দুস সালামের বাড়িতে মাঝে মধ্যে দেশ ও দেশের বাইরে থেকে অপরিচিত লোকজন আসত। ২ বছর পর মাদরাসা বিলুপ্ত করে দিয়ে আব্দুস সালাম ঢাকায় চলে যান। মাঝে মধ্যে রাতে বাড়িতে আসলেও সকালে আবার চলে যেতেন। ৪ মেয়ে ও ১ ছেলে সন্তানের বাবা আব্দুস সালাম দুই মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। শেরপুরে তার বাসায় স্ত্রী ফাতেমা বসবাস করেন ১ ছেলে ও ২ মেয়েকে নিয়ে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানান, আব্দুস সালামের বাড়িতে প্রতিবেশীদের কোনো যাতায়াত নেই। আব্দুস সালামের স্ত্রীও প্রতিবেশীদের সঙ্গে তেমন কথাবার্তা বলেন না। বাড়ির দোতলা থেকে আসা ভাড়া ছাড়া আর কোনো আয়ের উৎস আছে কিনা তাও কেউ বলতে পারে না।

আপনার মতামত লিখুন :

৭ নারী ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাকে পুরস্কৃত করল কালারস

৭ নারী ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাকে পুরস্কৃত করল কালারস
পুরস্কৃত ৭ নারী ব্যবসায়ী উদ্যোক্তার সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী পলক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সাত নারী ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাকে পুরস্কৃত করেছে ঢাকা ও নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত লাইফস্টাইল ম্যাগাজিন কালারস। সাতটি ক্যাটাগরিতে নারী উদ্যোক্তাদের স্বীকৃতি দিতে দেশে প্রথমবারের মতো এমন উদ্যোগ নেয় কালারস।

শনিবার (২০ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক জাকজমজ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। ‘সিটি ব্যাংক কালারস প্ল্যাটিনাম বিজনেস ওমেন আওয়ার্ড-২০১৯’ শিরোনামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও শারীরিক অসুস্থতার জন্য উপস্থিত থাকতে পারেননি তিনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

সাতটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পাওয়া নারীরা হলেন-প্ল্যাটিনাম বিজনেস ওমেন অফ দ্যা ইয়ার ক্যাটাগরিতে রুমানা চৌধুরী, বিজনেস এন্টারপ্রাইজ ক্যাটাগরিতে সুজান খান মঈন, এসএমই এন্টারপ্রাইজ ক্যাটাগরিতে তানিয়া ওয়াহাব, ইনোভেটিভ প্রজেক্ট অব দ্যা ইয়ার ক্যাটাগরিতে আমিনা খাতুন, স্টার্টআপ অফ দ্যা ইয়ার ক্যাটাগরিতে তৃণা ফাল্গুনী, ইনোভেটিভ সল্যুশন অফ দ্যা ইয়ার ক্যাটাগরিতে ফাহমিদা ইসলাম এবং রাইজিং স্টার ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে নাবিলা নওরীন ও নাহিদ শারমিন।

1
এক নারী উদ্যোক্তার হাতে পুরস্কার তুলে দিচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী পলক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

এর আগে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রিভা গাঙ্গুলী বিজয়ী নারী উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের শুভ কামনা জানান। একই সঙ্গে দেশে আরও নেতৃত্ব উঠে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘পৃথিবীর ৫০০ ফরচুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাত্র ২৪টিতে নারী নেতৃত্ব আছে। আমাদের দেশেও এমন দারুণ নারী নেতৃবৃন্দ আছেন। তবে আমাদের আরও এমন নেতৃত্ব দরকার, বিশেষ করে আইসিটি খাতে।’

নারী নেতৃত্বের প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ‘নারীরা এখন সব ক্ষেত্রে সফলভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আমি যখন ছোট ছিলাম, তখন আমার মাকে দেখেছি বাড়ির সব সিদ্ধান্ত নিতে। এখন আমার পরিবারের সব সিদ্ধান্ত আমার সহধর্মিণী নেন। তেমনিভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও একজন নারী। তিনি শুধু আমাদের দেশের না বরং বিশ্বের সেরা একজন নেতা। রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক সব ক্ষেত্রে নারীরা ভালো করছেন। এ ধরনের পুরস্কারের আয়োজন ভবিষ্যৎ নারী উদ্যোক্তাদের অনুপ্রাণিত করবে।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কালারস ম্যাগাজিনের প্রকাশক ও সম্পাদক জাকারিয়া মাসুদ ও সিটি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মারুফ।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার

রোহিঙ্গা ইস্যুতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার
যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে সেমিনারে আলোচকরা/ ছবি: সংগৃহীত

মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের টেকসই ও স্থায়ী প্রত্যাবাসনে ভূমিকা রাখতে শিক্ষাবিদ, গবেষক ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের ‘অ্যাশ সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্ননেন্স এন্ড ইনোভেশন’ সেন্টারে অনুষ্ঠিত সেমিনারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

‘ইন্টারন্যাশনাল রোহিঙ্গা অ্যাওয়ারনেস কনফারেন্স’ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করেন বোস্টনস্থ অর্থনীতিবিদ ড. আব্দুল্লাহ শিবলী, ড. ডেভিড ড্যাপাইচ ও সমাজকর্মী নাসরিন শিবলী।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563639147560.gif

রোহিঙ্গা ইস্যু কিভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতি, সমাজ ও পরিবেশের উপর প্রভাব ফেলছে সেমিনারে তা উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে ভাগ্য বিড়ম্বিত, অমানবিক সহিংসতার শিকার এই মানুষগুলোকে আশ্রয় না দিলে তাদের আর যাওয়ার কোনো জায়গা ছিল না।’

মন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটের ইতিহাস তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমার এই সংকট সমাধানে এগিয়ে আসেনি। কফি আনান কমিশনের সুপারিশ থেকে শুরু করে কোনো পদক্ষেপই তারা বাস্তবায়ন করেনি। রাখাইন রাজ্যে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার আস্থা ও নিরাপত্তা সৃষ্টিকারী কোনো অনুকূল পরিবেশই তারা সৃষ্টি করতে পারেনি। পরিবর্তে মিয়ানমার বিষয়টি নিয়ে ব্লেইম গেম খেলছে।’

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে যা সম্ভব তার সব সবকিছুই বাংলাদেশ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই সংকটের সমাধানে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পদক্ষেপের পাশাপাশি শিক্ষাবিদ, গবেষক ও বিশ্বের খ্যাতনামা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে ভূমিকা রাখতে হবে, যাতে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের টেকসই ও স্থায়ী প্রত্যাবাসন নিশ্চিত হয়।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563639181228.gif

সেমিনারে অন্য আলোচকদের মধ্যে ছিলেন জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনের নিউইয়র্কস্থ কার্যালয়ের পরিচালক নিনেথ কেলি ও হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের ভিয়েতনাম ও মিয়ানমার কর্মসূচির সিনিয়র ইকোনমিস্ট ও প্রফেসর ইমেরিটাস ডেভিড ড্যাপাইচ।

অনুষ্ঠানটির মডারেটর ছিলেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও হার্ভার্ডের অ্যাশ সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্নন্যান্স এর পরিচালক এন্থনি সাইচ।

নিনেথ কেলি রোহিঙ্গা সঙ্কটে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জনগণের উদারতা, সহানভূতি ও মানবিকতার প্রশংসা করেন। বক্তব্যের শুরুতে তিনি একটি ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন দৃশ্যপট তুলে ধরেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র