Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

‘তিতলি’ আক্রান্তের ঝুঁকিতে ১৯ জেলা

‘তিতলি’ আক্রান্তের ঝুঁকিতে ১৯ জেলা
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের ১৯ উপকূলীয় জেলা ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’ দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। সম্ভাব্য জেলাগুলো হল- বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা, ফেনী, ভোলা, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও শরীয়তপুর।

বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) তথ্য অধিদফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আশংকার কথা জানান।

মোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাব্য জেলাগুলোতে ঘূর্নিঝড় মোকাবেলায় বাড়তি প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১৯টি জেলার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে।’

‘স্থানীয় আশ্রয় কেন্দ্রসমূহ প্রস্তুত রাখা ও প্রয়োজনীয় যানবাহন প্রস্তুত রাখার জন্য জেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় ৫৬ হাজার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।’

মন্ত্রী জানান, সর্বশেষ পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত হ্যারিকেনের তীব্রতা সম্পন্ন ঘূর্ণিঝড় তিতলি উত্তর, উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বৃহস্পতিবার ভোরে গোপালপুরের নিকট দিয়ে ভারতের উড়িষ্যা ও অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করেছে।

আগাম প্রস্তুতির কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘নিয়মিতভাবে যে সব জেলায় দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে সেই জেলাগুলোতে খাদ্য মজুদ রাখি। প্রতিটি জেলা প্রশাসকের অফিসে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে, যাতে করে যে কোন সময় খাদ্য সরবরাহ করা যায়। ইতোমধ্যে সে সব এলাকায় ২৫ হাজার শুকনো খাবার মজুদ রেখেছি। যা চাওয়া মাত্র দিতে পারবো। প্রতিটি জেলায় ২০০-৮০০ মেট্রিক টন চাল মজুদ রাখা হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তাদেরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সর্বাত্মক কাজ করতে। তবে দল মত নির্বিশেষে এসব দুর্যোগে কাজ করতে হবে। দুর্যোগের সময় কাউকে ডেকে আনা যায় না, নিজ উদ্যোগে এগিয়ে আসতে হয়।’

আপনার মতামত লিখুন :

রাজধানীসহ সারাদেশে মাঝারি ভূমিকম্প

রাজধানীসহ সারাদেশে মাঝারি ভূমিকম্প
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ৩টা ২০ মিনিটের দিকে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ভারতের অরুণাচল প্রদেশের ক্যামেং জেলার বমডিলা এলাকায়।

আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, অরুনাচলে উৎপত্তিস্থলে ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ছিল ৫.৫। ঢাকার আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে উৎপত্তিস্থল ৪৯৯ কিলোমিটার উত্তরপূর্বে অবস্থিত। সিলেট জেলা থেকে এর দূরত্ব ৩২৫ কিলোমিটার।

আবহাওয়া বিদ বজলুর রশিদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'ভারতের উত্তর প্রদেশ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল। এটি মাত্রা ছিল ৫.৫ রিখটার স্কেল। এটি খুব বড় ধরনের ভূমিকম্প হয়নি। চিন্তার কোনো কারণ নেই। ক্ষয়ক্ষতির তেমন কোন আশঙ্কা নেই।'

ঢাকায় কাঁচা মরিচের দাম চড়া

ঢাকায় কাঁচা মরিচের দাম চড়া
শুক্রবার কারওয়ান বাজারে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয় ১৫০-১৬০ টাকা কেজি/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যার প্রভাবে রাজধানী ঢাকার কাঁচা বাজারে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। আর অতিরিক্ত হারে বেড়েছে কাঁচা মারিচের দাম। কাঁচা মরিচ কিনতে এসে চরম বিপাকে পড়ছে সাধারণ মানুষ।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দেখা যায়, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়।

ক্রেতারা বলছেন, কাঁচা মরিচের দাম লাগামহীনভাবে বেড়েছে। তবে বিক্রেতারা বলছেন, বন্যার কারণে ঢাকায় কাঁচা মরিচের সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়ে গেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563531518103.gif

মহানগর প্রজেক্টের বাসিন্দা নাজিম উদ্দীন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘কাঁচা মরিচের দাম প্রতিদিনই বেড়ে চলছে। এক দুই দিনের ব্যবধানে মরিচের দাম বেড়ে গেল।’

দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে কারওয়ান বাজারের তরকারি বিক্রেতা সোলায়মান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘কাঁচা মরিচের সরবরাহ তুলনামূলক অনেক কম। চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকলে দাম বেশি হবে স্বাভাবিক।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র