Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

উদ্বোধনী ম্যাচের ফেভারিট রাশিয়া

উদ্বোধনী ম্যাচের ফেভারিট রাশিয়া
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আর একটি সূর্যোদয় এবং অস্তগমনের অপেক্ষা, এরপরই বিশ্বকাপ ফুটবলের পর্দা উঠবে। একমঞ্চে প্রবেশ করবে পুরো বিশ্ব। বিশ্বে একমাস একদিন থাকবে ফুটবল ঈশ্বের দাপট। টাইমজোনের বিভেদ ভুলে, একসঙ্গে জেগে থাকবে বিশ্ব। উত্তর-দক্ষিণ-পূর্ব-পশ্চিত কোনো দিকেই পুরোপুরি অন্ধকার হবে না। আলো জ্বলবে, টিভি পর্দায় চোখ রাখবে কোটিকোটি মানুষ। প্রিয় দলের সমর্থন দেবে ঘরে বসে, দেশের সীমানা অতিক্রম না করেও।

ব্রাজিল আর্জেন্টিনা, জার্মানির সমর্থক বিশ্বজোড়া। তাদের খেলোয়াড়রা সেটা ভালো করেই জানে। কিন্তু টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিনে, যাদের ম্যাচ দিয়ে যাত্রা করবে ২১তম ফুটবল বিশ্বকাপ, সেই রাশিয়া-সৌদির সমর্থক কতজনই পাওয়া যাবে বিশ্বে? তবুও এই ম্যাচের গুরুত্ব অনেক। কারণ, রাশিয়া স্বাগতিক, আর সৌদি খেলছে এশিয়া থেকে। এরচেয়েও বড় বিষয় বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ খেলবে তারা।

সুতরাং অপেক্ষার পালা শেষ। বৃহস্পতিবার মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে স্বাগতিক রাশিয়া ও সৌদি আরবের ম্যাচ দেখার অপেক্ষায় বিশ্ব। দ্যা গ্রেটেটস্ট শো অন আর্থের একটা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও রেখেছে ফিফা। ৩০ মিনিটের এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে ঢাকার সময় রাত ৯টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

বিশ্বকাপের প্রথম আয়োজন স্মরণীয় করে রাখতে জিততে মরিয়া থাকবে রাশিয়া। টুর্নামেন্ট জমাতে হলে স্বাগতিকদেরও অনেক দূর পর্যন্ত যেতে হয়। টিকে থাকতে হয় লড়াইয়ে। তারই মিশন শুরু করছে ভ্লাদিমির পুতিনের দেশ।

২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ বাদ দিলে স্বাগতিকরা বরাবরই ভালো করেছে। রাশিয়াকে নিয়েও তেমনই শঙ্কা করছে ফুটবল বিশ্ব। যদিও স্বাগতিকরা সে পথে হাঁটতে রাজি নয়। কিন্তু রেকর্ড বলছে, গত কয়েক আসরে রাশানদের বিশ্বকাপ রেকর্ড হতাশার। ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে একটি ম্যাচও জিততে পারেনি তারা। ১৬ বছর আগে তিউনিশিয়ার বিপক্ষে সবশেষ ম্যাচ জিতেছে।

১৯৯৮ ও ২০০২ বিশ্বকাপে খেলা স্ট্যানিস্লাভ চেরচেসোভের অধীনে মাঠে নামছে স্বাগতিক শিবির। সাম্প্রতিক সময়ে খুব একটা ছন্দে নেই তারা। বিশ্বকাপের পরিসংখ্যান বলছে কোনো স্বাগতিক দলই উদ্বোধনী ম্যাচে হারেনি। সে দিক থেকে আত্মবিশ্বাসী থাকতে পারে রাশিয়া। দলের ভরসা মিডফিল্ডার আলেকজান্ডার গোলোভিন ও চেলসির সাবেক তারকা ঝিরকোভ।

অপরদিকে,১২ বছর পর বিশ্বকাপের মাঠে নামছে সৌদি আরব। ১৯৯৪ সালে প্রথম অংশ নিয়ে নকআউট পর্বে উঠলেও বাকি তিন আসরে বাদ পড়েছে গ্রুপ পর্বে। বাছাই পর্বে দুর্দান্ত খেলে এশীয় অঞ্চল থেকে অস্ট্রেলিয়ার আগে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছিলো তারা। বিশ্বকাপ মঞ্চে তাদের ভালো কোনো স্মৃতি নেই। সম্প্রতিক তারা হারের বৃত্তে।

উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিকদের বিপক্ষে সৌদি আরবের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়ার ক্ষমতা কতটুকু তাই দেখার বিষয়। রাশানদের বিপক্ষে সৌদি আরবের ভরসা হতে পারেন আল আবিদ,আল মাওয়াল ও আল শেহরি। রাশিয়ার সঙ্গে ১৯৯৩ সালেই কেবল একবার মুখোমুখি হয়েছিলো তারা। যেখানে রাশিয়াকে ৪-২ গোলে হারায় সৌদি।

আপনার মতামত লিখুন :

সাকিব প্রসঙ্গ এড়িয়ে গেলেন তামিম

সাকিব প্রসঙ্গ এড়িয়ে গেলেন তামিম
সিরিজের ট্রফি নিয়ে দুই অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে ও তামিম ইকবাল

নতুন মিশনে এখন শ্রীলঙ্কায় তামিম ইকবালের দল। মাশরাফি বিন মর্তুজার ইনজুরিতে শেষ মুহূর্তে নেতৃত্ব পেয়েছেন তিনি। যদিও তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে পাচ্ছেন না দলের সেরা পারফরমার সাকিব আল হাসানকে। তারপরও ছন্দ ধরে রাখতে প্রস্তুত তামিম। সোমবার আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তেমনটাই শোনালেন টাইগারদের এই অধিনায়ক।

এই সফরটা নানা কারণে আলোচিত। কারণ গত এপ্রিলে শ্রীলঙ্কায় আত্মঘাতী বোমা হামলার পর অনেকটাই স্থবির হয়ে ছিল দেশটি। ঠিক এমন সময়ে প্রথম কোন আন্তর্জাতিক দল হিসেবে সফরে গেলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। অবশ্য নিরাপত্তা নিয়ে কোন শঙ্কা নেই তামিমদের। দুই দিনেই শ্রীলঙ্কার আতিথেয়তায় খুশি দলের ক্রিকেটাররা।

মাঠের লড়াইয়ের আগে কলম্বোতে সংবাদ সম্মেলনে সাকিব প্রসঙ্গটাও এসেছে। কারণ সদ্য শেষ বিশ্বকাপে ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়েছেন তিনি। ছয়শর বেশি রান ও ১১ উইকেটে বিশ্বকাপের সেরা তারকার একজন। তাকে পাচ্ছেন না তামিম। ছুটিতে রয়েছেন সাকিব।

এই প্রসঙ্গে সোমবার তামিম ইকবাল বলছিলেন, ‘এই সিরিজের দলে যারা আছেন তারা প্রত্যেকেই যোগ্য। যারা এই টিমে নেই আমি আসলে তাদের নিয়ে কথা বলতে চাইছি না। সবাই জানে সাকিব স্পেশাল। দুর্দান্ত একটি বিশ্বকাপ খেলে এসেছে ও। কিন্তু এই সফরে নেই। তাই তার বিষয়ে আমরা কথা না বলি। প্রথম ওয়ানডেতে যে ১১ জন খেলার সুযোগ পাবে, আমি নিশ্চিত তারা সুযোগটা কাজে লাগাবে।’

নিরাপত্তা ইস্যুটাও এসেছে সংবাদ সম্মেলনে। কড়া নিরাপত্তা পাচ্ছে বাংলাদেশ দল। কারণটাও সংগত। গত এপ্রিলেই দেশটিতে বোমা হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন আড়াইশর বেশি মানুষ। এ অবস্থায় নিরাপত্তা পেয়ে তামিম জানাচ্ছিলেন, ‘শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানাতেই হবে। এখানকার নিরাপত্তা অসাধারণ। দুই মাস আগে ঘটে যাওয়া ঘটনার পর আমাদের ক্রিকেট বোর্ড আর দেশের মানুষ সবাই এ সফর নিয়ে ইতিবাচক ছিল। এমন পরিস্থিতিতে আমরাও পড়েছিলাম। তখন শ্রীলঙ্কা আমাদের সহায়তা করেছিল। দেখুন, আমরা একটা পরিবারের মতো। এমন ঘটনার পর একে অপরের সহায়তা করা খুব দরকার। এখানে আমরা এখন ক্রিকেট ছাড়া কিছু ভাবছি না।’

দল কেমন করবে শ্রীলঙ্কায় তিন ম্যাচ ওয়ানডেতে। লক্ষ্যটাই বা কি তামিম ইকবালের? এমন প্রশ্নে টাইগার ক্যাপ্টেন বলেন, ‘এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সিরিজ আমাদের জন্য। যদিও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার নেই দলে। তবে যারা আছে তাদের সামর্থ্য রয়েছে। এটা জানি শ্রীলঙ্কার মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভালো করা কঠিন। তবে এখানে সব সিরিজে ভালো করেছিলাম। আশা করি সেই ছন্দটা ধরে নিতে পারব আমরা।’

২৩ জুলাই, মঙ্গলবার একটি প্রস্তুতি ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে শ্রীলঙ্কা সফর। এরপর ২৬, ২৮ ও ৩১ জুলাই স্বাগতিকদের সঙ্গে তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ১ আগষ্ট দেশে ফেরার কথা রয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের।

বল হাতে দাপটের পর লিড বিসিবি একাদশের

বল হাতে দাপটের পর লিড বিসিবি একাদশের
২০ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন শহিদুল

ক্যাপ্টেন কে থিমাপ্পাইয়া সর্বভারতীয় স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে দারুণ একটা দিন কাটাল বিসিবি একাদশ। বল হাতে রীতিমতো ঝড় তুলেছেন সফরকারী দলের বোলাররা। তিন পেসার শহিদুল ইসলাম, আরিফুল হক ও ইবাদত হোসেনের দাপটে মাত্র ৭৯ রানে অলআউট হয়ে যায় কেএসসিএ সেক্রেটারি একাদশ।

এরপর জবাবে নেমে সাদমান ইসলামের ফিফটিতে প্রথম দিন শেষে ৩ উইকেটে ১৩৫ রান তুলেছে বিসিবি একাদশ। চারদিনের ম্যাচে এরইমধ্যে ৫৬ রানের লিড নিয়েছে মুমিনুল হকের দল। বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে সোমবার দিন শেষে জহুরুল ইসলাম ২৮ ও নাজমুল হোসেন শান্ত ২৭ রানে মাঠ ছাড়েন।

এর আগে দাপট দেখালেন বোলাররা। জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ায় ম্যাচটিতে দেখা যায়নি তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলামকে। তবে তাদের অভাবটা বুঝতে দেননি শহিদুল, ইবাদত ও আরিফুল।

ম্যাচে টস ভাগ্যটাও ছিল বিসিবি একাদশের পক্ষে। বোলাররা আস্থার প্রতিদান নিয়ে প্রতিপক্ষের দলীয় ১৫ রানের মধ্যে তুলে নেন ৪ উইকেট। দলীয় সর্বোচ্চ ১৮ রান তুলেন কেএস দেবাইয়া। ২০ রানে ৫ উইকেট নেন শহিদুল। ২২ রানে ৩ উইকেট আরিফুলের। ইবাদত শিকার করেন ৩৬ রানে ২ উইকেট।

এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে অবশ্য বিসিবি একাদশ শুরুতেই হারায় সাইফ হাসানকে। অধিনায়ক মুমিনুলও (১০) তেমন কিছুই করতে পারেন নি। তবে এরপরই তৃতীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন সাদমান ও জহুরুল। ৯ চার ও এক ছক্কায় ৯৩ বলে ৫৯ রান করেন সাদমান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

কেএসসিএ সেক্রেটারি একাদশ ১ম ইনিংস: ৪১ ওভারে ৭৯/১০ (অর্জুন ১২, রোহান ১, শিভম ০, নাগা ২, অভিনব ১২, প্রভিন ১৬, বিনয় ৭, কার্তিক ০, দেবাইয়া ১৮, আনন্দ ৮, বিদওয়াথ ১*; শহিদুল ৫/২০, ইবাদত ২/৩৬, আরিফুল ৩/২২)
বিসিবি একাদশ ১ম ইনিংস: ৪৪ ওভারে ১৩৫/৩ (সাইফ ৩, সাদমান ৫৯, মুমিনুল ১০, জহুরুল ২৮*, শান্ত ২৭*; দেবাইয়া ১/৩১, বিদওয়াথ ১/৪৫, আনন্দ ১/১৫)

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র