Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

ক্রিকেটে এবার আসছে মাইক্রো-চিপের স্মার্ট বল!

ক্রিকেটে এবার আসছে মাইক্রো-চিপের স্মার্ট বল!
ছবি: সংগৃহীত
স্পোর্টস এডিটর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ক্রিকেটে প্রতিনিয়তই প্রযুক্তির স্ফুরণ ঘটছে। আলট্রা এজ, হক আই, হটস্পট, স্ট্যাম্পড মাইক্রোফোন, বল ট্র্যাকিংয়ের পর এবার আসছে স্মার্ট বল! অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান কোকাবুরা বাজারে আনছে নতুন প্রযুক্তির এই বল।

-কি আছে এই বলে?

বলের ভেতরের অংশে একটা মাইক্রো-চিপ থাকবে। কুঠুরিতে তার দিয়ে জড়ানো একটা গোল সকেটের সঙ্গে চিপের সংযোগ থাকবে। রাবার ও কর্ক দিয়ে মোড়ানো সেই সকেটের আকৃতি থাকবে ডিমের মতো। এমনভাবে সেই সকেট বসানো হবে যাতে বলের ওজন না বাড়ে। বলের সেলাই, আকৃতি সবকিছুই থাকবে আর দশটা স্বাভাবিক ক্রিকেট বলের মতোই। শুধু ভেতরে থাকা সেই মাইক্রো- চিপের সাহায্য জানা যাবে অনেক তথ্য।

-কি ফায়দা হবে এই বলে?

বলের ভেতরে থাকা মাইক্রো-চিপের তথ্যাদি স্মার্টফোন, ফোন অথবা ট্যাবলেট অ্যাপের সাহায্য পাওয়া যাবে। একজন বোলার তার প্রতিটি বল ডেলিভারি থেকে শুরু করে উইকেটকিপারের কাছে বল জমা হওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন তথ্যাদি জানতে পারবে। শুধু বলের গতি নয়, বলের সুইং, বাঁক, স্পিনের ধরণ এমনসব তথ্যের ক্ষুদ্র বিষয়গুলোও জানা যাবে। বলের পারফেক্ট রিলিজ টাইমের তথ্য মিলবে। কতটুকু বাউন্স হলো সেটা জানা যাবে। মাটিতে পিচ হওয়ার পর বলের গতি কেমন ছিলো তারও সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে। পিচ হওয়ার পর কতখানি গতি নিয়ে উইকেটকিপারের কাছে গেলো সেই সম্পর্কেও ধারণা মিলবে। বর্তমানে স্পিডগানে শুধুমাত্র বলটা প্রথমবার ল্যান্ড করার পর যে গতি পায় সেটাই পাওয়া যায়। কিন্তু স্মার্ট বলের প্রযুক্তিতে বাউন্সের সঠিক ডিগ্রী, সুইং, বাঁক বা নিচু হওয়া সম্পর্কে পুরো বিস্তারিত তথ্য দেবে।

এসব তথ্য নির্দিষ্ট বোলারের বোলিং সম্পর্কে ডাটা বিশ্লেষকদের কাজ অনেক সহজ করে দেবে। বোলারের ভুল কোথায় হচ্ছে বা কোন জায়গায় বাকিদের চেয়ে তার পার্থক্য-এমনসব বিষয় নিরূপণ করার কাজ স্মার্ট বল প্রযুক্তি অনেক সহজ করে দেবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/14/1565755242266.jpg

-আম্পায়ারদের কাজে সহায়ক হবে কি?

হ্যাঁ হবে। এই বলের প্রস্তুতকারকরা জানাচ্ছেন-বলে ব্যাটের সামান্যতম খোঁচাও এই প্রযুক্তির সহায়তায় ধরা পড়বে। অনেক সময় স্নিকোমিটারেও ক্ষুদ্রতম খোঁচা ধরা পড়ে না। তবে স্মার্ট বলে সেই সুযোগ নেই। খোঁচা হলে ধরা পড়বেই। তাছাড়া লো ক্যাচ নিয়েও অনেক সময় দ্বিধায় পড়েন আম্পায়াররা। আলট্রা ম্যাগনিফাইং ক্যামেরা জুম করেও বোঝা যায় না ফিল্ডারের আঙ্গুল বলের নিচে ছিলো নাকি বল আগে মাটি ছুঁয়েছে? স্মার্ট বলে এই আউটপুট একেবারে নিখুঁত আসবে। ক্যাচটা ঠিক হয়েছে কিনা- তা একশভাগ নিশ্চিতভাবে জানা যাবে।

নতুন এই স্মার্ট বলের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে পরীক্ষণের সময় লাগবে প্রায় বছর খানেকের মতো। তারপর এই বল আর্ন্তজাতিক ক্রিকেটে ব্যবহার করা যাবে কিনা-তা নিয়ে সিদ্ধান্ত আসবে। তবে সমস্যাও কিন্তু কম নয়। কোকাবুরা বলের স্থায়িত্ব খুব বেশি নয়। খেলার স্বাভাবিকত্ব এবং মান যাতে বাধাগ্রস্ত না হয় সেদিকে এই বলের প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য রাখতে হবে। এর আগে টেস্ট ক্রিকেটে গোলাপি বলের ব্যবহার বেশ সমালোচনার জন্ম দিয়েছিলো। ফ্লাডলাইটের আলোয় গোলাপি বলে সুইং নাকি অতিমাত্রায় হয়। তাছাড়া লাল বল ৮০ ওভারের মধ্যে দুই থেকে তিনবার বদল করতে হয়। টেস্ট ম্যাচে বোলাররা ডিউক বলই বেশি পছন্দ করেন। কোকাবুরার সাদা বলের আকৃতিও দ্রæত নষ্ট হয়ে যায়। টি-টুয়েন্টি ধাঁচের ক্রিকেটে বল একটু বেশি পিটুনি খায়! অতিরিক্ত সেই পিটুনির চোটে উন্নত প্রযুক্তির দামি মাইক্রো-চিপ যে
ক্ষতিগ্রস্ত হবে না- সেই নিশ্চয়তা কোথায়?

বানিজ্যিক একটা ব্যাপারও আছে। মাইক্রো-চিপ সম্বলিত এই বলের দামও নিশ্চয়ই কম হবে না। নেট অনুশীলনের জন্য এমন বলের ব্যবহার বেশ ব্যয়বহুল হবে।

অস্ট্রেলিয়ায় সামনের মৌসুমের বিগব্যাশ ক্রিকেটে এই স্মার্ট বল ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। যদি সেই পরীক্ষণ সফল হয় তবে টেস্ট ক্রিকেটেও এই স্মার্ট বল ব্যবহার করতে চায় কোকাবুরার প্রস্তুতকারক অস্ট্রেলীয় প্রতিষ্ঠান।

আপনার মতামত লিখুন :

ইউএস ওপেনে শুরু তারকা লড়াই

ইউএস ওপেনে শুরু তারকা লড়াই
বছরের শেষ গ্র্যান্ড স্ল্যাম আসরে মুখোমুখি টেনিস তারকারা, ছবি: সংগৃহীত

ফ্লাশিং মিডোসে আজ সোমবার (২৬ আগস্ট ) গড়াচ্ছে বছরের শেষ গ্র্যান্ড স্ল্যাম আসর ইউএস ওপেন। টেনিসের এ মেজর টুর্নামেন্টটি সেরেনা উইলিয়ামসের জন্য দারুণ এক সুযোগডোসে আজ সোমবার (২৬ আগস্ট ) গড়াচ্ছে বছরের শেষ গ্র্যান্ড স্ল্যাম আসর ইউএস ওপেন। টেনিসের এ মেজর টুর্নামেন্টটি সেরেনার জন্য দারুণ এক সুযোগ। সুযোগটা অস্ট্রেলিয়ান কিংবদন্তি মার্গারেট কোর্টকে ছোঁয়ার।

মেয়ের মা হওয়ার পর থেকে অনেক দিন ধরেই মেজর শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে কোর্টে লড়ে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের এ টেনিস সুপারস্টার। কিন্তু ভাগ্যের শিকে খুলছে না কিছুতেই। মার্গারেট কোর্টের ২৪তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের রেকর্ড স্পর্শ করতে সেরেনার দরকার আর মাত্র একটি শিরোপা।

২৩টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম ট্রফি আগেই এসে ধরা দিয়েছে যুক্তরাষ্টের উইলিয়ামস পরিবারের এ ছোট মেয়ের হাতে। তার লক্ষ্য এখন ২৪তম মেজর ট্রফি। এবারের ইউএস ওপেনে চ্যাম্পিয়ন হতে পারলেই তার অনেক দিনের এ স্বপ্নটা আলোর মুখ দেখবে।

শিরোপা জয়ের স্বপ্ন জিইয়ে রাখতে হলে প্রথম রাউন্ডেই রুশ গ্ল্যামার গার্ল মারিয়া শারাপোভাকে বিদায় করতে হবে সেরেনাকে। ভয় নেই অবশ্য এ মার্কিন তারকার। জয়ের রেকর্ড তার পক্ষেই ভারী। দুজনের ২১ বারের মুখোমুখি লড়াইয়ে ১৯ বারই জয়ের দেখা পেয়েছেন সেরেনা। প্রথম রাউন্ডে যেই হারুক। আসরের সৌন্দর্য কমবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

সেরেনার স্বপ্ন ভেঙে দিতে তৈরী আছেন বর্তমান চ্যাম্পিয়ন জাপানের নাওমি ওসাকা। ট্রফি জয়ের দৌড়ে লড়তে প্রস্তুত রোমানিয়ান তারকা সিমোনা হ্যালেপও।

ছেলেদের এককে ১৬ বারের গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ী ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন নোভাক জোকোভিচ কোর্টে নামছেন শিরোপা ধরে রাখার মিশনে। বিশ্বের নাম্বার ওয়ান এ সার্বিয়ান তারকার সঙ্গে লড়াইয়ে আছেন ১৮ মেজর ট্রফি জেতা বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা তারকা স্পেনের রাফায়েল নাদাল। অস্ত্রে শাণ দিয়ে রেখেছেন ২০ গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক সুইস মহাতারকা রজার ফেদেরারও।

 

ইতিহাসের অন্যতম সেরা ইনিংস, প্রশংসা বৃষ্টিতে বেন স্টোকস

ইতিহাসের অন্যতম সেরা ইনিংস, প্রশংসা বৃষ্টিতে বেন স্টোকস
মহাকাব্যিক সেই ইনিংস শেষে ড্রেসিংরুমে বেন স্টোকস

বিশেষণের শব্দ হারিয়ে ফেলেছেন সবাই। কোনো প্রশংসা বাক্যই বুঝি যথেষ্ট নয়! ২৮৬ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে হারের দ্বারপ্রান্তে ছিল ইংল্যান্ড। মনে হচ্ছিল হেডিংলিতে জিতে অ্যাশেজে আরও এগিয়ে যাবে অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু একজন জানতেন ম্যাচটা তারই হবে!

জিততে হলে দশম উইকেট জুটিতে ইংল্যান্ডের চাই ৭৩ রান।  মিশন ইমপসিবল হয়ে উঠেছিল ম্যাচ। কিন্তু তিনি জানতেন জিতবে তারই দল। শেষ পর্যন্ত সেই ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তারই জয় হলো। দেখা গেল বেন স্টোকস বীরত্ব। শেষ উইকেট জুটিতে জ্যাক লিচকে নিয়ে গড়লেন ৭৬* রানের জুটি। বিস্ময়কর হলেও সত্য যেখানে লিচের অবদান মাত্র ১ রান! আর এখানেই লুকিয়ে স্টোকসের বীরত্ব। অনেকটাই একাই হেডিংলি টেস্টে ইংল্যান্ডকে এনে দিয়েছেন ১ উইকেটের অনবদ্য এক জয়।

২১৯ বলে ১১ চার ও ৮ ছক্কায় অপরাজিত ১৩৫ রান! প্রায় দেড়শ বছরের পুরনো টেস্ট ইতিহাসের সেরা ইনিংসের একটি!

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/26/1566800539241.jpg

রোববার এমন রূপকথার জন্ম দিয়ে বেন স্টোকস ভাসছেন প্রশংসার বৃষ্টিতে। আর নিজে জানাচ্ছিলেন, ‘দেখুন, লিচ যখন এল উইকেটে, তখনো হাল ছাড়িনি। কারণ জানতাম কী করতে হবে আমাকে। অবশ্য লিচ এর আগেও এমনটা করেছে। নাইট ওয়াচম্যান হিসেবে নেমে ৯২ রান তুলতে দেখেছি ওকে। এটা ঠিক শেষ দিকে এসে আমি তাকাতেই পারছিলাম না।’

পরিস্থিতি বুঝে দ্রুত রান তোলাতেই ব্যস্ত ছিলেন স্টোকস। জানতেন এখানে প্রতিটি বলকেই কাজে লাগাতে হবে। শেষ ১০ ওভারে তুলেন ৭৬ রান। ইংল্যান্ডের এই অতি মানব বলছিলেন, ‘শুরুতে পরিস্থিতি বুঝে ধীর গতিতে খেলেছি। তবে লিচ নামতেই বুঝলাম এবার খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হবে। আমাদের দ্রুত শেষ করতে হবে। জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলগুলো লিচ খেলেছে। সত্যিই এটা অসাধারণ।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/26/1566800560846.jpg

আর এভাবেই ৩৫৯ রান তাড়া করে জয় তুলে নিয়েছে ইংল্যান্ড। টেস্টে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড এটিই।  এই অর্জনের পর খোদ অজিরাই মেতেছেন স্টোকস বন্দনায়। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাদের ফেসবুক পেজে লিখেছে, ‘টুপিখোলা অভিনন্দন বেন স্টোকস আর ইংল্যান্ড ক্রিকেটকে। দুর্দান্ত খেলে সিরিজে ১-১ সমতা এনেছে তারা।’

বিস্মিত জিওফ বয়কটও। ইংল্যান্ডের এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার বললেন, ‘আমার দীর্ঘ জীবনে বেশ কিছু অসাধারণ মুহূর্ত দেখেছি। কিন্তু ৫০ বছরেরও বেশি সময়ে এটাই সেরা! জাদুকরি এক ইনিংসে স্টোকস অ্যাশেজ বাঁচিয়ে দিল। বিশ্বকাপের চেয়েও এটি সেরা পারফরম্যান্স ছিল।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/26/1566800626647.jpg

এইতো কিছুদিন আগেই বিশ্বকাপের ফাইনালে তারই ব্যাটে জয়ের দেখা পেয়েছিল ইংল্যান্ড। প্রথমবারের মতো তাদের হাতে উঠে বিশ্বকাপ ট্রফি!

ভারতের বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেটার যুবরাজ সিংও বিস্মিত। তিনি টুইটারে লিখলেন, ‘অ্যাশেজে অবিশ্বাস্য দৃশ্য। ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না, স্টোকস তুমি ব্যাট হাতে কী করেছ। তোমাকে টুপিখোলা অভিনন্দন।’ 

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার জেসন গিলেস্পির মতে এটি টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ইনিংস। একই কথা বললেন কোচ টম মুডি। তার টুইট, ‘দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছেন স্টোকস। টেস্ট ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ইনিংস এটি।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/26/1566800688608.jpeg

কেভিন পিটারসেনও মুগ্ধ স্টোকসের ইনিংসে। ইংল্যান্ডের সাবেক এই তারকা ক্রিকেটারের টুইট, ‘হাই, মাই নেম ইজ স্টোকস, বেন স্টোকস!’ সবার কাছেই আসলে এমন ইনিংস রীতিমতো আরাধ্য! তবে শেষ দিকে এসে লেগ বিফোর উইকেট থেকে স্টোকসের বেঁচে যাওয়ার প্রসঙ্গটাও এসেছে। যেখানে আম্পায়ার অজিদের আবেদন এড়িয়ে যান। স্টোকসের প্রশংসার ফাঁকে অস্ট্রেলিয়ান গ্রেট মার্ক ওয়াহ এই কথাটিও মনে করিয়ে দিলেন!

মজার টুইট করলেন গ্রায়েম সোয়ান। ইংল্যান্ডের সাবেক এই স্পিনার লিখেছেন, ‘আমার কোনো বোন নেই। থাকলে বেন স্টোকসের সঙ্গে বিয়ে দিতাম।’

ঠিক তাই, সবার কাছে এখন এতোটাই প্রিয় বেন স্টোকস!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র