Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

কোথাও যাওয়ার ছিলো না, তাই বোতলের কাছেই গেলাম-মানিন্দার সিং

কোথাও যাওয়ার ছিলো না, তাই বোতলের কাছেই গেলাম-মানিন্দার সিং
সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার মানিন্দার সিং, ছবি: সংগৃহীত
স্পোর্টস এডিটর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মানিন্দার সিংকে মনে আছে?

আশির দশকের মাঝামাঝি সময়টায় তাকে ভাবা হচ্ছিল বিষেন সিং বেদির প্রতিভু হিসেবে। ধারণা করা হচ্ছিল টেস্ট ক্রিকেটে তিনিই হতেই চলেছেন ভারতের আরেক বিষেন সিং বেদি! বেদির মতো মানিন্দার সিংও বাঁহাতি অর্থোডক্স স্পিনার। বোলিং স্টাইলেও দারুণ মিল!

কিন্তু মাত্র ১৭ বছর ১৯৩ তম দিনে টেস্ট অভিষেক হওয়া মানিন্দার যে বেদির ধারে কাছেও পৌঁছাতে পারলেন না। প্রতিভা ছিল। কিন্তু স্ফুরণ ঘটাতে পারলেন না যে! ৩৫ টেস্টে ৮৮ উইকেট। ৫৯টি ওয়ানডেতে ৬৬ উইকেট শিকার-খুব আহামরি কোনো ক্যারিয়ার নয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টিকে থাকার জন্য যে দৃঢ়তার প্রয়োজন, ব্যর্থতার কবল থেকে বেরিয়ে এসে লড়াইয়ের যে জেদ- সেই জায়গায় হার মানেন ভারতের এই বাঁহাতি স্পিনার।

ক্যারিয়ারের শুরুতে সাফল্য ধরা না দিলে ব্যর্থতার বলয় থেকে বেরিয়ে এসে লড়াইয়ে জেতা অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। সেই কঠিন পথ সবাই পাড়ি দিতে পারে না। তখন মানসিকভাবে অনেকে পিছিয়ে পড়ে। ভাবতে শুরু করে-নাহ, আমাকে দিয়ে হবে না। আমি বোধহয় যথেষ্ট প্রতিভাবান না। আমি ক্রমশ বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছি সবার। মাত্র ৩০ বছর বয়সে স্পিনার মানিন্দার সিংকে এই হতাশা পেয়ে বসে। যে বয়স আকাশকে স্পর্শ করার স্বপ্ন দেখে সবাই; মানিন্দার তখন ডুব দিলেন নেশার জগতে! মদের বোতলে! সেই সংকটেই মাত্র ত্রিশেই শেষ তার ক্রিকেট ক্যারিয়ার! ক্রিকেট ছাড়ার পরের জীবনটা আরও অন্ধকার! বিয়ে করলেন, সেখানেও অসুখী জীবন। আশে পাশের মানুষজন, পরিবেশ সবকিছুই একসময় তার কাছে অসহ্য হয়ে উঠলো। বিপদের চূড়ান্ত হলো যখন কোকেনসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়লেন!

এক কথায় বলা যায়- ধ্বংসের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে যান ভারতের এই স্পিনার। তবে জীবন সবাইকে দ্বিতীয় সুযোগ দেয়। সেই দ্বিতীয় সুযোগ মানিন্দার সিংকে হয়তো ক্রিকেটে ফিরিয়ে আনতে পারেনি, কিন্তু নেশার পঙ্কিলতার গর্ত থেকে টেনে তুলে আনলো ঠিকই!

আর তাই একসময় সারাদিন মুখ গোমড়া করে রাখা মানিন্দার সিং এখন হাসতে পারেন প্রাণখুলে। বলতে পারেন তার জীবনের গল্প। যে গল্পের নষ্ট সময়কে ঠিকই পরাজিত করতে পেরেছেন তিনি।

ক্রিকেটের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকইফোর কাছে এক সাক্ষাতকারে নিজের জীবনের সেই ক্ষতবিক্ষত অধ্যায়ের কথা বলছিলেন মানিন্দার সিং।

বাকিটা শুনি তার কথায়- ‘হঠাৎ করেই বোলিংয়ে ধার হারিয়ে ফেলি আমি। মনে হয় কি যেন ছিল আমার। সেটা খুইয়ে ফেলেছি। ভিডিও দেখলাম। কোচের কাছে ছুটলাম। কিন্তু কিছুতেই সমাধান মিলল না। পারফরমেন্স হারিয়ে ফেললাম। আমার তখন মাত্র ২২/২৩ বছর। প্রচণ্ড আবেগের বয়স। চারধারের হতাশায় আমি পাগল হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থায় পড়লাম। কারো কোনো কথা, কোনো সমালোচনা সহ্যই করতে পারতাম না। সবার সঙ্গে মেজাজ দেখাতে শুরু করলাম। হঠাৎ করে দেখলাম-আমার কোনো বন্ধু নেই। আশপাশে কেউ নেই! মদের বোতল হাতে নিলাম। দেখলাম ওটাই আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু। আস্তে আস্তে আমি পুরোদুস্তর অ্যালকোহলিক হয়ে গেলাম। বাবাকে আমি ভয় পেতাম। তার কাছে যেতাম না। মা’ কে কিছু বলতে পারতাম না। মনে হতো তিনি আমাকে বুঝতে পারবেন না। বোন আমার চেয়ে দশ বছরের বড়। বিয়ে করে সে অন্যত্র থাকতো। তাকেও বিরক্ত করতে চাইতাম না। ভাই বিদেশি চাকরি করতো। সব থেকেও যেন কোথাও আমার কেউ নেই। কারো কাছে যাওয়ার কোনা জায়গা ছিল না, তাই আমি বোতলের কাছেই গেলাম!'

তিনি বলেন, 'আমার বাজে রুক্ষ মেজাজের কারণে ক্রিকেট দলেও জায়গা হারালাম। বাজে রাগ ও আচরণ দিয়ে আসলে কিছু জেতা যায় না। ধীরে ধীরে মানুষজন আমাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করলো। কপিল দেব ও মহিন্দার অমরনাথ আমাকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলেন, কিন্তু আমি যে তখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছি!'

’৯১ সালে বিয়ে করলাম। কিন্তু সেও আমাকে বুঝতে পারলো না। আমাকে সহায়তা করতে পারলো না। আসলে আমার যে রুক্ষ এবং কড়া মেজাজ ছিল তাতে কেউ আমাকে সহ্য করারই কথা নয়! আমাকে বুঝবে কিভাবে? আমার সবসময়ের সঙ্গী তখন মদের বোতল। বাসায় মদ খেতাম। গাড়ির মধ্যে বোতল থাকত। বাসা-বাইরে যেখানেই যেতাম মদের বোতল আমার নিত্যসঙ্গী। সবাই যখন ঘুমে থাকতো, আমি তখন বোতলের ছিপি খোলা শুরু করতাম!'

তবে বাবার মাত্র একটা কথা আমার এই ক্ষতবিক্ষত জীবনটা বদলে দিলো। মারা যাওয়ার আগে বাবা আমাকে বলেছিলেন- ‘তুমি যদি কোনোকিছু করে আনন্দ না পাও তবে সেটা ত্যাগ কর। তুমি যদি একটা দরজা বন্ধ না কর তবে অন্য দরজা খুলবে না।’

'আমি বাবার এই কথাটা মেনে পরদিনই সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিলাম। তখন আমার বয়স মাত্র ৩০। খাদের কিনারায় পৌঁছে যাওয়া জীবন থেকে আমাকে উদ্ধার করলেন দিল্লির ডাক্তার অমিত্রা ওয়াদাহ। তিনিই শেখালেন-জীবন কোনো এক ব্যর্থতায় কখনো আটকে যায় না। আমি এখন বলতেই পারি-এখনকার আমি অনেক ভালো মানুষ। রাগ যে করি না তা হয়, তবে জানি সেই রাগ কিভাবে দমিয়ে শান্ত থাকতে হয়!'

'বিশ্বাস করি যে মানুষ শান্ত থাকতে পারে, জীবনে সঠিক সিদ্ধান্তও সেই নিতে পারে।'

আপনার মতামত লিখুন :

অবৈধ বিজ্ঞাপনে ছবি, তাসকিন বললেন প্রতারণা!

অবৈধ বিজ্ঞাপনে ছবি, তাসকিন বললেন প্রতারণা!
ইবনে সিনা লাইফ কেয়ারের সেই অবৈধ বিজ্ঞাপনের ছবি -বার্তা২৪

ইবনে সিনা লাইফ কেয়ার?

টেলিফোনের ওপার থেকে বিস্ময় মাখা সুরে তাসকিনের পাল্টা প্রশ্ন-এরা কারা?

জানানো হলো-রাজশাহীতে এই নামের একটি প্রতিষ্ঠান তাসকিনের ছবি ব্যবহার করেছে হারবাল ব্যবসার বিজ্ঞাপনে। চটকদার ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে পুরো বিজ্ঞাপনে। আর সেই বিজ্ঞাপনে তাসকিনের হাস্যোজ্জ্বল একটা ছবি আছে এক কোনায়। অর্থাৎ তাসকিনকে রীতিমতো এই হারবাল বিজ্ঞাপনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দেখানো হয়েছে।

শনিবার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-এর কাছ থেকে এই তথ্য জানতে পেরে তাসকিন অবাক। বললেন, ‘আমি তো এমন কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কখনো কথাই বলিনি। কাউকে চিনিও না। চুক্তি টুক্তি করার তো প্রশ্নই আসে না। এটা স্রেফ আমার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। নাম ও ছবি ব্যবহার করে আমার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। আমি প্রয়োজন হলে আইনের আশ্রয়ে নেব।’

বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-এর রাজশাহীর স্টাফ করেসপন্ডেন্ট হাসান আদিব সর্বপ্রথম এই বিষয়টি নজরে আনেন। তিনি জানান-জাতীয় দলের ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদের ছবি ব্যবহার করে রাজশাহী জুড়ে চলছে হারবাল ব্যবসা। ইবনে সিনা লাইফ কেয়ার মেডিকো নামের একটি প্রতিষ্ঠান তাদের বিজ্ঞাপনে তাসকিনের এই ছবি ব্যবহার করেছে।

প্রতিষ্ঠানটির সাইনবোর্ডের এক পাশে বড় করে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে তাসকিনের ছবি আছে। তাতে লেখা, স্থায়ী সুন্দর স্বাস্থ্যবান হউন- বডি প্লাস সেবনে। কোর্স- ৯৯০ টাকা। ৭ দিনে যৌন রোগের স্থায়ী সমাধান সেবন করুন-ফুর্তি প্লাস। কোর্স ১২৯০ টাকা। পাইলস? বিনা অপারেশনে অশ্ব গেজ চিকিৎসা ১০০% নিশ্চিত ফলাফল।

রাজশাহী নগরীর চৌদ্দপাই, ডাশমারী, বিনোদপুর, বর্ণালীর মোড়, মনিচত্ত¡র, সাধুর মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় চোখে পড়ছে এমন বিজ্ঞাপন। যা নিয়ে মানুষের মধ্যে কৌতুহল এবং হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে। তবে কেউ কেউ বলছেন, তাসকিনের অনুমতি ছাড়াই এই প্রতিষ্ঠান হয়তো বিজ্ঞাপনে তার ছবি ব্যবহার করেছে। যা অনুচিত।

যোগাযোগ করা হলে ইবনে সিনা লাইফ কেয়ার মেডিকো’র পক্ষ থেকে ডা. হৃদয় ইসলাম বলেন, ‘ক্রিকেটার তাসকিনের সঙ্গে কথা বলে আমরা এই ছবি ছেপেছি। তিনি এ বিষয়ে অবগত। আমরা তার সঙ্গে মৌখিক চুক্তি করেছি। তার অনুমতি নিয়েছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘এই ধরনের পোস্টার দেড়শ করার কথা ছিল। কিন্তু আমরা হাজারের মতো পোস্টার ঝুলিয়েছি।’

তাসকিন এমন কোনো বিজ্ঞাপনে অনুমতি দেওয়ার বিষয় পুরোপুরি অস্বীকার করে বলেন, ‘এই প্রতিষ্ঠানকে কী করে ধরা যায়, তার একটা উপায় বলেন প্লিজ!’

বিসিবির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বলেন, ‘ক্রিকেটাররা তাদের ভালো মন্দ বোঝে। কে কোন বিজ্ঞাপন করবে সেটা তো বিসিবি চূড়ান্ত করে দিতে পারে না। তবে তাসকিন যদি মনে করে তার সঙ্গে কেউ বিজ্ঞাপন নিয়ে প্রতারণা করেছে তাহলে বিসিবি তাকে পরামর্শ দেবে, মামলা করতে। পুলিশের কাছে অভিযোগ করতে।’

সাইফ-শান্তদের হতাশ করে সিরিজ শ্রীলঙ্কার

সাইফ-শান্তদের হতাশ করে সিরিজ শ্রীলঙ্কার
সিরিজ জয়ী শ্রীলঙ্কা ইমার্জিং দল

অলিখিত ফাইনালে চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়লেও শেষ রক্ষা হয়নি! সাইফ হাসানের শতরান দিন শেষে ম্লান। পাথুম নিশানকার টর্নেডো গতির শতরানে বাজিমাত শ্রীলঙ্কা ইমার্জিং দলের। শনিবার তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স দলকে (এইচপি) অনায়াসে হারিয়ে সিরিজ জিতল সফরকারীরাই।

খুলনার শেখ আবু নাসের চৌধুরী স্টেডিয়ামে ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে ৭ উইকেটে জিতেছে লঙ্কানরা। বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে হেরে হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়ল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। কেননা, এই জয়ে ২-১ ব্যবধানে তিন ম্যাচের সিরিজ জিতে নিয়েছে শ্রীলঙ্কা ইমার্জিং দল।

সকালে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৬৯ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা। সাইফের ব্যাটে সেঞ্চুরি আর আফিফ হোসেন করেন ফিফটি। এরপর জবাবে নেমে বৃষ্টির বাধায় শ্রীলঙ্কার সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৮ ওভারে ১৯৯ রান। কিন্তু ২৪ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে নোঙর করে সফরকারীরা।

শুরুতে ব্যাট করতে নেমে মোহাম্মদ নাঈমের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বিসিবি এইচপি দল। অবশ্য এরপরই এরপরই নাজমুল হোসেন শান্ত-সাইফ জুটিতে দল সামলে উঠে ধাক্কা! দু'জন যোগ করেন ৭৪ রান। কিন্তু এরপরই অধিনায়ক শান্ত ফেরেন ৩৯ রানে। তাকে অনুসরণ করে ইয়াসির আলী (৬) দ্রুত ফিরলে চাপে পড়ে দল।

ঠিক তখনই সাইফ ও আফিফের ব্যাটে ফের পথ খুঁজে নেয় এইচপি দল। চতুর্থ উইকেট জুটিতে তারা করেন ১২৫ রান। সাইফ দারুণ দক্ষতায় পেয়ে যান সেঞ্চুরি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566658428574.jpg

১৩০ বলে করেন ১১৭। ৪ চার ও ৭ ছক্কায় সাজানো ছিল সাইফের ইনিংস। আফিফ ৭০ বলে করেন ৬৮ রান। ১৩ রান আসে ইয়াসিনের ব্যাটে।

কিন্তু এরপরই বৃষ্টিতে সর্বনাশ। ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে শ্রীলঙ্কার লক্ষ্যটা বড় ছিল না। এরমধ্যে ওপেনার নিসানকার সেঞ্চুরি ও মিনোদ ভানুকার ব্যাটে পথ খুঁজে নেয় সফরকারীরা। ৩২ বলে ৫৫ রান তুলেন ভানুকা। অন্যদিকে ৭৮ বলে ১১৫ রানে অপরাজিত থেকে হাসিমুখে মাঠ ছাড়েন নিসানকা।

সিরিজসেরার পুরস্কার জিতেছেন বাংলাদেশ দলের সাইফ হাসান। খেলা শেষে পুরস্কার তুলে দেন খুলনা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এসএম মোর্ত্তজা রশিদী দারা।

ওয়ানডে সিরিজ শেষ। এবার চারদিনের ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল। মঙ্গলবার খুলনাতেই শুরু হচ্ছে প্রথম চার দিনের ম্যাচ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-
বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স দল: ৫০ ওভারে ২৬৯/৫ (সাইফ ১১৭, নাঈম ৬, শান্ত ৩৯, ইয়াসির ৯, আফিফ ৬৮*, জাকির ৭, ইয়াসিন ১৩*; ফার্নান্দো ১/৪৮, পেরেরা ২/৪৭, রমেশ মেন্ডিস ১/৪৪, হাসারাঙ্গা ১/৫৮)
শ্রীলঙ্কা ইমার্জিং দল: (লক্ষ্য ২৮ ওভারে ১৯৯) ২৪ ওভারে ১৯৯/৩ (নিসানকা ১১৫*, বোয়াগোদা ১২, আসালঙ্কা ২, ভানুকা ৫৫, কামিন্দু মেন্ডিস ৫*; ইয়াসিন ১/২৯, রবিউল ১/৩৯, আমিনুল ১/৩২)
ফল: শ্রীলঙ্কা ইমার্জিং দল ৭ উইকেটে জয়ী
সিরিজ: তিন ম্যাচের সিরিজে শ্রীলঙ্কা ইমার্জিং দল ২-১ ব্যবধানে জয়ী
ম্যাচসেরা: পাথুম নিসানক

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র