Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

রাতে ভাল ঘুম হয়েছে উইলিয়ামসনদের

রাতে ভাল ঘুম হয়েছে উইলিয়ামসনদের
ফাইনালে পৌঁছে দারুণ খুশি কিউইরা
স্পোর্টস ডেস্ক
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সত্যি করে বলুন তো, নিউজিল্যান্ডের ইনিংস শেষে কে ভেবেছে, দুই দিন খেলে ৮ উইকেটে তোলা তাদের ২৩৯ রান ভারতকে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট?

কিউইদের ড্রেসিং রুমের অনেকেই হয়তো এটা নিয়ে ভাবেনি। কিন্তু বিরাট কোহলিদের বিদায় করে নিউজিল্যান্ড ঠিকই ফাইনালের টিকিট কেটে ফেলেছে। কিন্তু কী ভাবে সম্ভব হল এটা?

পিচ খানিকটা ভেজা ছিল। কিছুটা আঠাল হয়ে পড়েছিল। যে কারণে স্ট্রোক খেলা কঠিন হয়ে পড়েছি। বাউন্ডারি হাঁকানো দুদলের জন্যই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এ কঠিন লড়াইটাই ব্ল্যাক ক্যাপ শিবির জিতে নিয়েছে বুদ্ধিমত্তা আর মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে।

পিচটা ব্যাটিং বান্ধব ছিল না। যেখানে খেলাটা ছিল রীতিমতো চ্যালেঞ্জিং। ৩০০ রান করার মতো ছিল না। স্বীকার করে নিলেন উইলিয়ামসন, ‘৩০০ রানের ভালো একটা স্কোর গড়ার মতো উইকেট ছিল না এটি। ২৫০ রান হওয়ার মতো ছিল। আমরা এ ব্যাপারটা নিয়ে সতর্ক ছিলাম। তাই ভারতের ভয়ঙ্কর বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে ২৪০-২৫০ তে পৌঁছানো চেষ্টা করেছি আমরা।’

কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন বলেন, ‘আমার মনে হয় ছেলেরা রাতে ভালো ঘুম দিয়েছে। শেষ চার ওভারে নিজেদের প্রয়োজনের ওপরই মনোযোগী ছিলাম আমরা। ৫ উইকেটে ২১১ রান সংগ্রহ করেই আমরা বুঝে যাই আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছে গেছি। মাঠের লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে যেটা আমরা অর্জন করার জন্য চেষ্টা করেছি।’

নিউজিল্যান্ডের উদ্বোধনী বোলারদের পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ। প্রথম পাওয়ারপ্লেতেই ২৪ রানেই তারা ভারতের চার উইকেট ফেলে দেয়। স্পিনার মিচেল স্যান্টনারের প্রথম আট ওভার থেকে আসে দুই উইকেট। বিপরীতে দেন মাত্র ১৫ রান। সঙ্গে ছিল দুটি মেডেন ওভার।

যদিও শেষ দিকে রবীন্দ্র জাজেদার মারমুখো ব্যাটিংয়ে তার বোলিং ফিগারটা খারাপ হয়ে যায়। সেটা বাদ দিলে কিউইদের জয়ে স্যান্টনারের ভূমিকা অগ্রগণ্য।

তাই স্যান্টনারের জয় গান গাইলেন ক্যাপ্টেন উইলিয়ামসন, ‘স্লো বোলারদের উপযোগী পিচে স্যান্টনারের স্পেলটা ছিল অসাধারণ। আমাদের ইনিংসেও দেখেছি। ভারতীয় স্পিনাররা ভালো করেছে। স্যান্টনার বিশ্ব মানের একজন বোলার। তাই আমাদের প্রত্যাশা ছিল সে ভালো করবে।’

উইলিয়ামসন প্রশংসা করেছেন দলীয় পারফরম্যান্সের, ‘এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দলের জন্য খুবই স্পেশাল। মাঠের লড়াই চলাকালে যেটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পুরো ম্যাচে ব্যাট-বল হাতে ও ফিল্ডিংয়ে অনেকে অবদান রেখেছে। আজ (বুধবার) সেমি-ফাইনালের সীমা অতিক্রম করার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে তারা।’
 
লিগ পর্বের শেষ দিকে পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের কাছে টানা তিন ম্যাচ হেরেও শেষ চারে জায়গা করে নেয় নিউজিল্যান্ড। সেমি-ফাইনালে উঠা যে কোনো দলের চেয়ে তাদের পারফরম্যান্স ছিল খারাপ। কিন্তু তারপরও ওয়ানডে ক্রিকেটের মহাযজ্ঞে এগিয়ে যাওয়ার পথ খুঁজে নিয়েছে টানা দুই বারের ফাইনালিস্টরা।

কিন্তু উইলিয়ামসন মনে করেন, যে কোনো দল যে কোনো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারানোর সামর্থ্য রাখে, ‘আমরা অনেক দেখেছি র‌্যাঙ্কিংয়ের নিচে থাকা দল ওপরে থাকা দলকে হারিয়ে দিয়েছে। যে কেউ যে কাউকে হারিয়ে দিতে পারে। এটাই ক্রিকেটের বৈশিষ্ট্য। কোনো নিশ্চয়তা নেই যে আপনি সব ম্যাচে জিততে পারবেন।’

আপনার মতামত লিখুন :

অ্যান্টিগা টেস্টের লাগাম ভারতের হাতে

অ্যান্টিগা টেস্টের লাগাম ভারতের হাতে
কোহলি ও রাহানে উভয়ই হাফসেঞ্চুরি করেছেন, ছবি: সংগৃহীত

অ্যান্টিগা টেস্ট জয়ের অবস্থা প্রায় তৈরি করে ফেলেছে ভারত। তৃতীয়দিন শেষে ম্যাচে তাদের লিড ২৬০ রানের। হারিয়েছে মাত্র ৩ উইকেট। অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও অজিঙ্কা রাহানে উইকেটে সেট হয়ে ব্যাট করছেন, হাফসেঞ্চুরি নিয়ে। ৪০০ রানের টার্গেট দিয়ে ইনিংস ঘোষণার অপেক্ষায় ভারত। তবে সেই সঙ্গে তাদের সামনের দু’দিনের বৃষ্টির চিন্তাও মাথায় রাখতে হচ্ছে। সার্বিক হিসেব জানাচ্ছে, নাটকীয় কোনো কিছু না ঘটলে অ্যান্টিগায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাজ এখন একটাই-ম্যাচ বাঁচানো!

প্রথম ইনিংসে ভারতের চেয়ে খুব বেশি পিছিয়ে ছিল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শেষের দিকে অধিনায়ক জেসন হোল্ডার ৩৯ রান করে ব্যবধান কমিয়ে আনেন। ভারতের ২৯৭ রানের জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ গুটিয়ে যায় ২২২ রানে।

দ্বিতীয় ইনিংসেও যথারীতি ভারতের ওপেনাররা ব্যর্থ। আগারওয়াল ফিরলেন ১৬ রানে। রাহুল করলেন ৩৮। ওয়ানডাউনে চেতশ্বর পুজারাও টানা ব্যর্থ। ৮১ রানে ৩ উইকেট হারানো ভারতকে পথ দেখালেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও অজিঙ্কা রাহানে। দু’জনেই হাফসেঞ্চুরি করে দলকে দ্বিতীয় ইনিংসে বড় স্কোরের পথে নিয়ে চলেছেন। তাদের চতুর্থ উইকেট জুটিতে যোগ হয়েছে হার না মানা ১০৪ রান। তৃতীয়দিন শেষ করে ভারত ৩ উইকেটে ১৮৫ রান তুলে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: ভারত ১ম ইনিং: ২৯৭/১০ (৯৬.৪ ওভারে, রাহুল ৪৪, আগরওয়াল ৫, পুজারা ২, কোহলি ৯, রাহানে ৮১, বিহারি ৩২, পান্থ ২৪, জাদেজা ৫৮, রোচ ৪/৬৬, গ্যাব্রিয়েল ৩/৭১, চেজ ২/৫৮)। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ম ইনি: ২২২/১০ (৭৪.২ ওভারে, ব্রাভো ১৮, চেজ ৪৮, হোপ ২৪, হেটমায়ার ৩৫, হোল্ডার ৩৯, ঈশান্ত ৫/৪৩)। ভারত দ্বিতীয় ইনিংস: ১৮৫/৩(৭২ ওভারে, রাহুল ৩৮, আগারওয়াল ১৬, পুজারা ২৫, কোহলি ৫১*, রাহানে ৫৩*, রোচ ১/১৮)
*তৃতীয়দিন শেষে।

লিভারপুলের জয়, ম্যানইউয়ের হার

লিভারপুলের জয়, ম্যানইউয়ের হার
মোহাম্মদ সালাহর উদযাপন (ইনসেটে মাতিপ), ছবি: সংগৃহীত

মাঠের লড়াইয়ে জ্বলে উঠলেন মোহাম্মদ সালাহ। পেলেন জোড়া গোল। মিশরীয় ফুটবল রাজপুত্রের এ দাপুটে পারফরম্যান্সে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ঘরের মাঠে লিভারপুল ৩-১ গোলে ধরাশায়ী করেছে আর্সেনালকে। তবে অঘটনের শিকার হয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। নিজেদের মাঠে ক্রিস্টাল প্যালেসের কাছে ২-১ গোলে হার মেনেছে কোচ ওলে গুনার শোলসজায়েরের দল।

দ্য অ্যানফিল্ডে লিভারপুলকে ৪১তম মিনিটে এগিয়ে দেন জোয়েল মাতিপ। আট মিনিট বাদে পেনাল্টি থেকে গোল ব্যবধান ২-০ তে নিয়ে যান কোচ জুর্গেন ক্লপের শিষ্য সালাহ। ৫৮তম মিনিটে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন দ্য রেড শিবিরের এ তারকা ফরওয়ার্ড।

ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার ৫ মিনিট আগে কোচ উনাই এমেরির গানারদের হয়ে একটি গোল শোধ করেন লুকাস তোরেইরা।

শনিবার রাতের অন্য ম্যাচে ওল্ড ট্রাফোর্ডে ৩২তম মিনিটেই জর্ডান আইয়ুর গোলে এগিয়ে যায় অতিথি ক্রিস্টাল প্যালেস। ম্যাচ শেষ হওয়ার এক মিনিট আগে রেড ডেভিলদের সমতায় ফেরান ড্যানিয়েল জেমস।

কিন্তু ইনজুরি টাইমে ম্যানইউ ফুটবলারদের হৃদয় ভেঙে দেন ক্রিস্টাল প্যালেসের ফুলব্যাক প্যাট্রিক ফন অ্যানহোল্ট (৯০+৩)। তার জয়সূচক গোলেই ১৯৮৯ সালের পর প্রথম বারের মতো ওল্ড ট্রাফোর্ডে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল ক্রিস্টাল প্যালেস। কোচ রয় হজসনের কাছে যা ‘বীরত্ব গাঁথা জয়’।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র