Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভারত ম্যাচে ভালো কিছু হবে, ইনশাল্লাহ: মেহেদী মিরাজ

ভারত ম্যাচে ভালো কিছু হবে, ইনশাল্লাহ: মেহেদী মিরাজ
আরেকটি জয়ের অপেক্ষায় মেহেদী হাসান মিরাজ
এম. এম. কায়সার
স্পোর্টস এডিটর
বার্তা২৪.কম
বার্মিংহ্যাম
ইংল্যান্ড থেকে


  • Font increase
  • Font Decrease

একটা চ্যালেঞ্জ শেষ না হতেই, সামনে আরেক চ্যালেঞ্জ! বিশ্বকাপ আসলে এমনই!

তবে প্রতি ম্যাচে নতুন চ্যালেঞ্জের সামনে দাড়ানো বাংলাদেশ মোটেও পিছু হটছে না। অমুক দল অনেক শক্তিশালী-তাদের হারানো যাবে না, এমন সনাতনী কোনো চিন্তাই নেই বাংলাদেশ দলের কোনো খেলোয়াড়ের মাথায়। এই বিশ্বকাপের প্রতিটি দলকেই বাংলাদেশ হারানোর ক্ষমতা রাখে, সেই ধাঁচের ক্রিকেট খেলার যোগ্যতা আছে এই দলের-আর এই বিশ্বাস বাকিদের চেয়ে  সবচেয়ে বেশি আস্থা দলের ১৫ ক্রিকেটারের। মেহেদী মিরাজ তাদেরই একজন।

বার্মিংহ্যামে এসে পৌছেছে বাংলাদেশ দল মঙ্গলবার দুপুরেই। তবে কোনো অনুশীলন নেই। পুরোদুস্তর ছুটির মেজাজে আছেন ক্রিকেটাররা। সেই ফাঁকে টিম হোটেলের সামনে মেহেদী মিরাজ বাংলাদেশের মিডিয়াকে সময় দিলেন। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সাফল্য এবং সামনের পথ নিয়ে সম্ভাবনার কথাও উঠে এলো সেই কয়েক মিনিটের সেই ক্রিকেট গল্পে।

২ জুলাই বার্মিংহ্যামের এজবাস্টনে বাংলাদেশ লড়বে ভারতের বিপক্ষে।

সেই ম্যাচ প্রসঙ্গে মেহেদী হাসান মিরাজ বললেন-ভারত ম্যাচে চাপের কিছু নেই। প্রক্রিয়া ঠিক রেখে সামনে বাড়তে পারলে এই ম্যাচ থেকেও সাফল্য নিয়ে ফিরবে বাংলাদেশ দল। বিস্তারিত ব্যাখায় মিরাজ জানান-‘ বিশ্বকাপের প্রতিটা ম্যাচেই তো চ্যালেঞ্জ। আমাদের দলটা এখন খুব ভালো ক্রিকেট খেলছে। শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দক্ষিণ আফ্রিকা এসব বড়ো এবং অভিজ্ঞ দলগুলো পয়েন্ট তালিকায় আমাদের নিচে আছে। আমরা এখনো পয়েন্ট তালিকার পাঁচ নম্বরে। ভারত ম্যাচে চাপের কিছু নেই। আগের ম্যাচগুলো যেভাবে খেলেছি, এই ম্যাচও সেভাবেই খেলবো। যে তিনটি ম্যাচ জিতেছি আমরা সেই প্রক্রিয়াটা পরের দুই ম্যাচেও বজায় রাখতে হবে। জিততেই হবে, না জিতলে বাদ অথবা সেমিফাইনালে উঠতে হবে-এমন ভাবে চিন্তা করে আমরা চাপ নিচ্ছি না। শুধু ভাবছি প্রক্রিয়াটা ঠিক রাখতে হবে। ভাগ্যেরও কিছু সহায়তা প্রয়োজন। আল্লাহ যদি রহম করে তবে ইনশাল্লাহ অবশ্যই ভালো কিছু করবো আমরা।’

ভারত তো স্পিনের বিপক্ষে সবসময় দক্ষ। এমন দলের সঙ্গে বাংলাদেশের স্পিনারদেরও নিশ্চয়ই বাড়তি চ্যালেঞ্জ  নিয়ে নামতে হবে?

এই প্রসঙ্গে মিরাজ বললেন-‘ আমরা যদি ভারতের বিপক্ষে জিততে পারি তবে সেটা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া হবে। তখন পরের ম্যাচের জন্য কাজটা আরো সহজ হয়ে যাবে। ভারত ম্যাচে স্পিনারদের ভুমিকাও ভালো ভাবে পালন করার চ্যালেঞ্জ তো আছেই। ম্যাচের মাঝের ওভারগুলো তে যেন নিয়ন্ত্রণ আমরা রাখতে পারি সেই চেষ্টাই করতে হবে।’

সেই চেষ্টার জোরেই তো ৭ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট পাওয়া বাংলাদেশের চোখে এখন বিশ্বকাপের শেষ চারের সবুজ স্বপ্ন!

আপনার মতামত লিখুন :

সাকিব প্রসঙ্গ এড়িয়ে গেলেন তামিম

সাকিব প্রসঙ্গ এড়িয়ে গেলেন তামিম
সিরিজের ট্রফি নিয়ে দুই অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে ও তামিম ইকবাল

নতুন মিশনে এখন শ্রীলঙ্কায় তামিম ইকবালের দল। মাশরাফি বিন মর্তুজার ইনজুরিতে শেষ মুহূর্তে নেতৃত্ব পেয়েছেন তিনি। যদিও তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে পাচ্ছেন না দলের সেরা পারফরমার সাকিব আল হাসানকে। তারপরও ছন্দ ধরে রাখতে প্রস্তুত তামিম। সোমবার আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তেমনটাই শোনালেন টাইগারদের এই অধিনায়ক।

এই সফরটা নানা কারণে আলোচিত। কারণ গত এপ্রিলে শ্রীলঙ্কায় আত্মঘাতী বোমা হামলার পর অনেকটাই স্থবির হয়ে ছিল দেশটি। ঠিক এমন সময়ে প্রথম কোন আন্তর্জাতিক দল হিসেবে সফরে গেলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। অবশ্য নিরাপত্তা নিয়ে কোন শঙ্কা নেই তামিমদের। দুই দিনেই শ্রীলঙ্কার আতিথেয়তায় খুশি দলের ক্রিকেটাররা।

মাঠের লড়াইয়ের আগে কলম্বোতে সংবাদ সম্মেলনে সাকিব প্রসঙ্গটাও এসেছে। কারণ সদ্য শেষ বিশ্বকাপে ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়েছেন তিনি। ছয়শর বেশি রান ও ১১ উইকেটে বিশ্বকাপের সেরা তারকার একজন। তাকে পাচ্ছেন না তামিম। ছুটিতে রয়েছেন সাকিব।

এই প্রসঙ্গে সোমবার তামিম ইকবাল বলছিলেন, ‘এই সিরিজের দলে যারা আছেন তারা প্রত্যেকেই যোগ্য। যারা এই টিমে নেই আমি আসলে তাদের নিয়ে কথা বলতে চাইছি না। সবাই জানে সাকিব স্পেশাল। দুর্দান্ত একটি বিশ্বকাপ খেলে এসেছে ও। কিন্তু এই সফরে নেই। তাই তার বিষয়ে আমরা কথা না বলি। প্রথম ওয়ানডেতে যে ১১ জন খেলার সুযোগ পাবে, আমি নিশ্চিত তারা সুযোগটা কাজে লাগাবে।’

নিরাপত্তা ইস্যুটাও এসেছে সংবাদ সম্মেলনে। কড়া নিরাপত্তা পাচ্ছে বাংলাদেশ দল। কারণটাও সংগত। গত এপ্রিলেই দেশটিতে বোমা হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন আড়াইশর বেশি মানুষ। এ অবস্থায় নিরাপত্তা পেয়ে তামিম জানাচ্ছিলেন, ‘শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানাতেই হবে। এখানকার নিরাপত্তা অসাধারণ। দুই মাস আগে ঘটে যাওয়া ঘটনার পর আমাদের ক্রিকেট বোর্ড আর দেশের মানুষ সবাই এ সফর নিয়ে ইতিবাচক ছিল। এমন পরিস্থিতিতে আমরাও পড়েছিলাম। তখন শ্রীলঙ্কা আমাদের সহায়তা করেছিল। দেখুন, আমরা একটা পরিবারের মতো। এমন ঘটনার পর একে অপরের সহায়তা করা খুব দরকার। এখানে আমরা এখন ক্রিকেট ছাড়া কিছু ভাবছি না।’

দল কেমন করবে শ্রীলঙ্কায় তিন ম্যাচ ওয়ানডেতে। লক্ষ্যটাই বা কি তামিম ইকবালের? এমন প্রশ্নে টাইগার ক্যাপ্টেন বলেন, ‘এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সিরিজ আমাদের জন্য। যদিও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার নেই দলে। তবে যারা আছে তাদের সামর্থ্য রয়েছে। এটা জানি শ্রীলঙ্কার মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভালো করা কঠিন। তবে এখানে সব সিরিজে ভালো করেছিলাম। আশা করি সেই ছন্দটা ধরে নিতে পারব আমরা।’

২৩ জুলাই, মঙ্গলবার একটি প্রস্তুতি ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে শ্রীলঙ্কা সফর। এরপর ২৬, ২৮ ও ৩১ জুলাই স্বাগতিকদের সঙ্গে তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ১ আগষ্ট দেশে ফেরার কথা রয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের।

বল হাতে দাপটের পর লিড বিসিবি একাদশের

বল হাতে দাপটের পর লিড বিসিবি একাদশের
২০ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন শহিদুল

ক্যাপ্টেন কে থিমাপ্পাইয়া সর্বভারতীয় স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে দারুণ একটা দিন কাটাল বিসিবি একাদশ। বল হাতে রীতিমতো ঝড় তুলেছেন সফরকারী দলের বোলাররা। তিন পেসার শহিদুল ইসলাম, আরিফুল হক ও ইবাদত হোসেনের দাপটে মাত্র ৭৯ রানে অলআউট হয়ে যায় কেএসসিএ সেক্রেটারি একাদশ।

এরপর জবাবে নেমে সাদমান ইসলামের ফিফটিতে প্রথম দিন শেষে ৩ উইকেটে ১৩৫ রান তুলেছে বিসিবি একাদশ। চারদিনের ম্যাচে এরইমধ্যে ৫৬ রানের লিড নিয়েছে মুমিনুল হকের দল। বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে সোমবার দিন শেষে জহুরুল ইসলাম ২৮ ও নাজমুল হোসেন শান্ত ২৭ রানে মাঠ ছাড়েন।

এর আগে দাপট দেখালেন বোলাররা। জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ায় ম্যাচটিতে দেখা যায়নি তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলামকে। তবে তাদের অভাবটা বুঝতে দেননি শহিদুল, ইবাদত ও আরিফুল।

ম্যাচে টস ভাগ্যটাও ছিল বিসিবি একাদশের পক্ষে। বোলাররা আস্থার প্রতিদান নিয়ে প্রতিপক্ষের দলীয় ১৫ রানের মধ্যে তুলে নেন ৪ উইকেট। দলীয় সর্বোচ্চ ১৮ রান তুলেন কেএস দেবাইয়া। ২০ রানে ৫ উইকেট নেন শহিদুল। ২২ রানে ৩ উইকেট আরিফুলের। ইবাদত শিকার করেন ৩৬ রানে ২ উইকেট।

এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে অবশ্য বিসিবি একাদশ শুরুতেই হারায় সাইফ হাসানকে। অধিনায়ক মুমিনুলও (১০) তেমন কিছুই করতে পারেন নি। তবে এরপরই তৃতীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন সাদমান ও জহুরুল। ৯ চার ও এক ছক্কায় ৯৩ বলে ৫৯ রান করেন সাদমান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

কেএসসিএ সেক্রেটারি একাদশ ১ম ইনিংস: ৪১ ওভারে ৭৯/১০ (অর্জুন ১২, রোহান ১, শিভম ০, নাগা ২, অভিনব ১২, প্রভিন ১৬, বিনয় ৭, কার্তিক ০, দেবাইয়া ১৮, আনন্দ ৮, বিদওয়াথ ১*; শহিদুল ৫/২০, ইবাদত ২/৩৬, আরিফুল ৩/২২)
বিসিবি একাদশ ১ম ইনিংস: ৪৪ ওভারে ১৩৫/৩ (সাইফ ৩, সাদমান ৫৯, মুমিনুল ১০, জহুরুল ২৮*, শান্ত ২৭*; দেবাইয়া ১/৩১, বিদওয়াথ ১/৪৫, আনন্দ ১/১৫)

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র