Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

নেপালের চ্যাম্পিয়ন ক্লাবকে উড়িয়ে শীর্ষে আবাহনী

নেপালের চ্যাম্পিয়ন ক্লাবকে উড়িয়ে শীর্ষে আবাহনী
পাঁচ গোলের আনন্দে ভাসছে আবাহনীর ফুটবলাররা- ছবি:বাফুফে
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নিজেদের মাঠে দুর্দান্ত ফুটবলের পসরা সাজাল আবাহনী লিমিটেড। ধানমন্ডির ক্লাবটি রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছে নেপালের চ্যাম্পিয়ন ক্লাব মানাং মার্সিয়াংদিকে। এএফসি কাপে হেসে-খেলেই জয় তুলে নিয়েছে আবাহনী।

বুধবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ফিরতি লেগের ম্যাচে ৫-০ গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আবাহনী।

জয়ী দলের হয়ে পাঁচটি গোল করেন নবীন নেওয়াজ জীবন, কেরভেন্স ফিলস বেলফোর্ট, জুয়েল রানা, সানডে চিজোবা ও মমিনুল ইসলাম।

এর আগে প্রথম লেগে ১-০ গোলে মানাং মার্সিয়াংদিকে হারিয়েছিল ঢাকা আবাহনী।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/19/1560956140153.jpg

এ অবস্থায় ৫ ম্যাচে ৩ জয় ও এক ড্রয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে ‘ই’ গ্রুপে শীর্ষে আছে বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন ক্লাবটি। ৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে চেন্নাইন এফসি। তারা মিনেরভা পাঞ্জাবের সঙ্গে ১-১ ড্র করে পিছিয়ে পড়েছে।

খেলার ১১তম মিনিটে এগিয়ে যায় আবাহনী। প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার শাহিদ আজিজের ভুলে বল পেয়ে যান জীবন। সেই সুযোগটা কাজে লাগাতে ভুল করেন নি এই ফরোয়ার্ড (১-০)। এরপর প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বেলফোর্টে।

দুই গোলে এগিয়ে এগিয়ে আক্রমণ থেকে সরে যায়নি আবাহনী। তবে গোল মিসের মহড়া দিয়েছেন দলের ফুটবলাররা। বিশেষ করে চিজোবা একের পর সুযোগ নষ্ট করেছেন। এরইমধ্যে ৬৩তম মিনিটে জুয়েল রানার গোলে আরও এগিয়ে যায় আবাহনী।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/19/1560956156192.jpg

খেলার ৭৬তম মিনিটে এসে স্বস্তি খুঁজে পান চিজোবা। একের পর গোল মিসের পর খুঁজে পান নিশানা। নাইজেরিয়ার ফরোয়ার্ডের গোলে আরো এগিয়ে যায় দল। শেষ বাঁশির কয়েক সেকেন্ড আগে দলের হয়ে শেষ গোলটি করেন মামুনুল।

গোল উৎসবের আনন্দ সঙ্গী করে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে সমর্থকরা হাসিমুখেই ছাড়েন মাঠ।

আপনার মতামত লিখুন :

নাম্বার ওয়ানেই আছেন সাকিব

নাম্বার ওয়ানেই আছেন সাকিব
বিশ্বকাপে ঝড় তুলে শীর্ষস্থান ধরে রাখলেন সাকিব আল হাসান

প্রত্যাশার সঙ্গে যেন প্রাপ্তির দেখা হল। শীর্ষস্থানেই যে তিনি থাকবেন তা নিশ্চিত ছিল আগেই। বিশ্বকাপে অসাধারণ ক্রিকেটের পসরা সাজিয়ে আলোচনাতেই ছিলেন সাকিব আল হাসান। সেই সাফল্যে নিজের জায়গা ধরে রাখলেন এই অলরাউন্ডার। বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আফগানিস্তানের রশিদ খানকে সরিয়ে আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার হয়েছিলেন সাকিব। টুর্নামেন্ট শেষেও ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থার রায়ে তিনিই এক নম্বরে।

তবে অনেকটা পিছিয়ে পড়েছেন রশিদ খান। বিশ্বকাপে ব্যাটে-বলে ব্যর্থ এই অলরাউন্ডার দুই থেকে নেমে গেলেন পাঁচে! অন্যদিকে বেশ এগিয়েছেন বেন স্টোকস। ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক আছেন দুই নম্বরে।

শীর্ষে থাকা সাকিবের পয়েন্ট ৪০৬। দুই নম্বরে থাকা স্টোকসের (৩১৯) চেয়ে অনেক এগিয়ে বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার। এবারের বিশ্বকাপে ৮ ইনিংসে দুই সেঞ্চুরি ও পাঁচ হাফ-সেঞ্চুরিতে তার রান ৬০৬। ৩টিতে ম্যাচসেরা আর টুর্নামেন্টে সর্বাধিক গড় ৮৬.৫৭। এখানেই শেষ নয়, বল হাতে নেন ১১ উইকেট। এই সাফল্যে আইসিসির বিশ্বকাপ দলেও আছেন সাকিব।

আইসিসি ওয়ানডে অলরাউন্ডারদের তিনে রয়েছেন আফগানিস্তানের মোহম্মদ নবি। তার পয়েন্ট ৩১০। চারে আছেন পাকিস্তানের ইমাদ ওয়াসিম (৩০০)। এরপরই রশিদ খান (২৮৯)।

ওয়ানডে ব্যাটসম্যানদের ব়্যাংকিংয়ের শীর্ষেও অবশ্য কোন পরিবর্তন হয়নি। আগের মতোই নাম্বার ওয়ানে আছেন ভারতের বিরাট কোহলি। দুইয়ে রয়েছেন বিশ্বকাপে ৫ সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড গড়া রোহিত শর্মা। ৮৮৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এক নম্বরে আছেন অধিনায়ক কোহলি। পাঁচ পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রোহিত।

তিন নম্বরে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান বাবর আজম (৮২৭)। চার নম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস (৮২০)। এরপরই নিউজিল্যান্ডের রস টেলর (৮১৭)।

তালিকার ১৯ নম্বরে রয়েছেন বাংলাদেশের মুশফিকুর রহিম। সাকিব ২২ নম্বরে।

ওয়ানডে বোলারদের ব়্যাংকিংয়ে আগের মতোই শীর্ষ জাসপ্রিত বুমরাহ। ভারতের এই পেসারের রেটিং পয়েন্ট ৮০৯। দুই নম্বরে নিউজিল্যান্ডের ট্রেন্ট বোল্ট (৭৪০)। তিনে দক্ষিণ আফ্রিকার কাগিসো রাবাদা (৬৯৪)। এরপরই অস্ট্রেলিয়ার প্যাট কামিন্স (৬৯৩) ও দক্ষিণ আফ্রিকার ইমরান তাহির (৬৮৩)।

বোলারদের তালিকায় ১৫ নম্বরে আছেন টাইগার পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। সাকিব ২৮ নম্বরে।

দল হিসেবে শীর্ষেই আছে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। এরপরই ভারত। তিন নম্বরে রানার্সআপ নিউজিল্যান্ড। চারে অস্ট্রেলিয়া। পাঁচ নম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা। ছয়ে পাকিস্তান। তারপরই আছে বাংলাদেশ দল। শ্রীলঙ্কা রয়েছে ৮ নম্বরে। নবম ও দশমস্থানে যথাক্রমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তান।

সন্ধ্যায় আবাহনী-মোহামেডান মহারণ

সন্ধ্যায় আবাহনী-মোহামেডান মহারণ
বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে মুখোমুখি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনী-মোহামেডান

সবই এখন সোনালী অতীত! একটা সময় ছিল যখন আবাহনী-মোহামেডান ফুটবল লড়াইয়ে দেশ হয়ে যেতো দুই ভাগ। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তো টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া! গ্যালারি উপচে উঠতো দর্শকে। কিন্তু এখন আর তেমন উন্মাদনা নেই। এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াই নিছকই আরেকটা ম্যাচ। এই যেমন আজ সন্ধ্যায় ফুটবল ম্যাচে মাঠে নামছে আবাহনী-মোহামেডান, অথচ নেই কোন রোমাঞ্চ!

অবশ্য পথ হারিয়ে মোহামেডান এখন শুধুই ঐতিহ্যের অংশ হয়ে আছে। এবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে সাদা-কালো শিবির রয়েছে রেলিগেশনের লড়াইয়ে। তবে আবাহনী শিরোপা জয়ের মিশন থেকে এখনো দূরে সরে যায়নি!

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় শুরু শুরু হবে লড়াই। এই ম্যাচ দিয়েই অবসর নেবেন মোহামেডান ফুটবলার এনামুল হক শরীফ। ১৯ বছরের ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন এই মিডফিল্ডার। যদিও তার দল আছে রেলিগেশনের শঙ্কায়।

১৯ ম্যাচ খেলে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানে মোহামেডান। আবার ২০ ম্যাচে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে আবাহনী। এবারও ট্রফিতে চোখ থাকছে ধানমন্ডির এই ক্লাবটির। এজন্য মোহামেডানকে হারাতে প্রস্তুত তারা। পরিসংখ্যান জানাচ্ছে-সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচেই মোহামেডানকে হারিয়েছে আবাহনী!

ফুটবলপ্রেমীরা ঘরে বসেই দেখতে পারবেন এই লড়াই। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে ঢাকা আবাহনী ও ঢাকা মোহামেডান ম্যাচটি সরাসরি টেলিভিশনের পর্দায় দেখা যাবে। খেলা শুরু সন্ধ্যা ৭টা থেকে।

অন্যদিকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপে ভারতের মুখোমুখি সিরিয়া। সঙ্গে থাকছে ইউএস ওপেন ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের উত্তেজনাকর লড়াই।

চলুন চোখ দেখে নেই মঙ্গলবার টেলিভিশনের পর্দায় কখন কী থাকছে-

ফুটবল
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ
ঢাকা মোহামেডান-ঢাকা আবাহনী
সরাসরি সন্ধ্যা ৭টা
বাংলা টিভি

ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ
ভারত-সিরিয়া
সরাসরি রাত সাড়ে ৮টা
স্টার স্পোর্টস টু এশিয়া ও স্টার স্পোর্টস টু এশিয়া এইচডি

ব্যাডমিন্টন
ইউএস ওপেন
সরাসরি রাত ২টা
স্টার স্পোর্টস টু

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র