Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কারফিউ ভেঙে পার্টি করেনি পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা- পিসিবি

কারফিউ ভেঙে পার্টি করেনি পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা- পিসিবি
সমালোচনার মুখে তারকা দম্পতি শোয়েব-সানিয়া
স্পোর্টস ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের আগে পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা দলের কারফিউ ভেঙে ছিলেন। সানিয়া মির্জা-শোয়েব মালিককে নিয়ে তারা মেতে উঠে ছিল ডিনার পার্টিতে। এমন গুঞ্জনই ছড়িয়ে পড়েছিল চারদিকে। কিন্তু এ অভিযোগকে স্রেফ গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

পিসিবির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘ক্রিকেটাররা তাদের কারফিউ ভাঙেনি।’

বোর্ডের ওই মুখপাত্রের দাবী, পুরনো ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল ভার্চুয়্যাল জগতে, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিও এবং ছবি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ মাঠে গড়ানোর দুই দিন আগের। ম্যাচের আগের দিন কারফিউ চলাকালে ক্রিকেটাররা নিজেদের হোটেল রুমেই ছিলেন।’

ম্যাচের আগের রাতেই গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে, সানিয়া পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের নিয়ে গিয়ে ছিলেন ক্যাফে লাউঞ্জে। খেয়েছেন বার্গার-পিজ্জার মতো জাঙ্ক খাবার। বাদ যায়নি শিশাও। পার্টিতে ছিলেন শোয়েব মালিক, ইমাদ ওয়াসিম, ওয়াহাব রিয়াজ ও ইমাম উল হকদের মতো ক্রিকেটাররা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/18/1560846629911.jpg

পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সেই পার্টির ছবি ও ভিডিও ম্যাচের আগেই ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধমে। তা দেখে ক্ষুব্ধ হন পাকিস্তানি সমর্থকরা। রোববার ওল্ড ট্রাফোর্ডে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ভারতের কাছে ৮৯ রানে হারের পর পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সমালোচনায় রীতি মতো ঝড় বইয়ে যায়। আর শোয়েব মালিকের শূন্য রানে আউট হওয়াটা সমর্থকদের রাগটা আরো বাড়িয়ে দিয়েছিল।

অনেকে আবার দলের ভরাডুবির জন্য দায়ী করে ছিলেন ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জাকেই। তাদের অভিযোগ ছিল, শোয়েব মালিক পত্নী নাকি সবাইকে ফুসলিয়ে ক্যাফেতে নিয়ে গিয়ে ছিলেন। অনুমতি না নিয়ে ভিডিও করায় এক টুইট বার্তায় অবশ্য ক্ষোভ ঝাড়েন সানিয়া। তার দাবী, কোনো পার্টি নয় ডিনার করতে গিয়ে ছিলেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন :

সাকিব প্রসঙ্গ এড়িয়ে গেলেন তামিম

সাকিব প্রসঙ্গ এড়িয়ে গেলেন তামিম
সিরিজের ট্রফি নিয়ে দুই অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে ও তামিম ইকবাল

নতুন মিশনে এখন শ্রীলঙ্কায় তামিম ইকবালের দল। মাশরাফি বিন মর্তুজার ইনজুরিতে শেষ মুহূর্তে নেতৃত্ব পেয়েছেন তিনি। যদিও তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে পাচ্ছেন না দলের সেরা পারফরমার সাকিব আল হাসানকে। তারপরও ছন্দ ধরে রাখতে প্রস্তুত তামিম। সোমবার আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তেমনটাই শোনালেন টাইগারদের এই অধিনায়ক।

এই সফরটা নানা কারণে আলোচিত। কারণ গত এপ্রিলে শ্রীলঙ্কায় আত্মঘাতী বোমা হামলার পর অনেকটাই স্থবির হয়ে ছিল দেশটি। ঠিক এমন সময়ে প্রথম কোন আন্তর্জাতিক দল হিসেবে সফরে গেলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। অবশ্য নিরাপত্তা নিয়ে কোন শঙ্কা নেই তামিমদের। দুই দিনেই শ্রীলঙ্কার আতিথেয়তায় খুশি দলের ক্রিকেটাররা।

মাঠের লড়াইয়ের আগে কলম্বোতে সংবাদ সম্মেলনে সাকিব প্রসঙ্গটাও এসেছে। কারণ সদ্য শেষ বিশ্বকাপে ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়েছেন তিনি। ছয়শর বেশি রান ও ১১ উইকেটে বিশ্বকাপের সেরা তারকার একজন। তাকে পাচ্ছেন না তামিম। ছুটিতে রয়েছেন সাকিব।

এই প্রসঙ্গে সোমবার তামিম ইকবাল বলছিলেন, ‘এই সিরিজের দলে যারা আছেন তারা প্রত্যেকেই যোগ্য। যারা এই টিমে নেই আমি আসলে তাদের নিয়ে কথা বলতে চাইছি না। সবাই জানে সাকিব স্পেশাল। দুর্দান্ত একটি বিশ্বকাপ খেলে এসেছে ও। কিন্তু এই সফরে নেই। তাই তার বিষয়ে আমরা কথা না বলি। প্রথম ওয়ানডেতে যে ১১ জন খেলার সুযোগ পাবে, আমি নিশ্চিত তারা সুযোগটা কাজে লাগাবে।’

নিরাপত্তা ইস্যুটাও এসেছে সংবাদ সম্মেলনে। কড়া নিরাপত্তা পাচ্ছে বাংলাদেশ দল। কারণটাও সংগত। গত এপ্রিলেই দেশটিতে বোমা হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন আড়াইশর বেশি মানুষ। এ অবস্থায় নিরাপত্তা পেয়ে তামিম জানাচ্ছিলেন, ‘শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানাতেই হবে। এখানকার নিরাপত্তা অসাধারণ। দুই মাস আগে ঘটে যাওয়া ঘটনার পর আমাদের ক্রিকেট বোর্ড আর দেশের মানুষ সবাই এ সফর নিয়ে ইতিবাচক ছিল। এমন পরিস্থিতিতে আমরাও পড়েছিলাম। তখন শ্রীলঙ্কা আমাদের সহায়তা করেছিল। দেখুন, আমরা একটা পরিবারের মতো। এমন ঘটনার পর একে অপরের সহায়তা করা খুব দরকার। এখানে আমরা এখন ক্রিকেট ছাড়া কিছু ভাবছি না।’

দল কেমন করবে শ্রীলঙ্কায় তিন ম্যাচ ওয়ানডেতে। লক্ষ্যটাই বা কি তামিম ইকবালের? এমন প্রশ্নে টাইগার ক্যাপ্টেন বলেন, ‘এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সিরিজ আমাদের জন্য। যদিও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার নেই দলে। তবে যারা আছে তাদের সামর্থ্য রয়েছে। এটা জানি শ্রীলঙ্কার মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভালো করা কঠিন। তবে এখানে সব সিরিজে ভালো করেছিলাম। আশা করি সেই ছন্দটা ধরে নিতে পারব আমরা।’

২৩ জুলাই, মঙ্গলবার একটি প্রস্তুতি ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে শ্রীলঙ্কা সফর। এরপর ২৬, ২৮ ও ৩১ জুলাই স্বাগতিকদের সঙ্গে তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ১ আগষ্ট দেশে ফেরার কথা রয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের।

বল হাতে দাপটের পর লিড বিসিবি একাদশের

বল হাতে দাপটের পর লিড বিসিবি একাদশের
২০ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন শহিদুল

ক্যাপ্টেন কে থিমাপ্পাইয়া সর্বভারতীয় স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে দারুণ একটা দিন কাটাল বিসিবি একাদশ। বল হাতে রীতিমতো ঝড় তুলেছেন সফরকারী দলের বোলাররা। তিন পেসার শহিদুল ইসলাম, আরিফুল হক ও ইবাদত হোসেনের দাপটে মাত্র ৭৯ রানে অলআউট হয়ে যায় কেএসসিএ সেক্রেটারি একাদশ।

এরপর জবাবে নেমে সাদমান ইসলামের ফিফটিতে প্রথম দিন শেষে ৩ উইকেটে ১৩৫ রান তুলেছে বিসিবি একাদশ। চারদিনের ম্যাচে এরইমধ্যে ৫৬ রানের লিড নিয়েছে মুমিনুল হকের দল। বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে সোমবার দিন শেষে জহুরুল ইসলাম ২৮ ও নাজমুল হোসেন শান্ত ২৭ রানে মাঠ ছাড়েন।

এর আগে দাপট দেখালেন বোলাররা। জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ায় ম্যাচটিতে দেখা যায়নি তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলামকে। তবে তাদের অভাবটা বুঝতে দেননি শহিদুল, ইবাদত ও আরিফুল।

ম্যাচে টস ভাগ্যটাও ছিল বিসিবি একাদশের পক্ষে। বোলাররা আস্থার প্রতিদান নিয়ে প্রতিপক্ষের দলীয় ১৫ রানের মধ্যে তুলে নেন ৪ উইকেট। দলীয় সর্বোচ্চ ১৮ রান তুলেন কেএস দেবাইয়া। ২০ রানে ৫ উইকেট নেন শহিদুল। ২২ রানে ৩ উইকেট আরিফুলের। ইবাদত শিকার করেন ৩৬ রানে ২ উইকেট।

এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে অবশ্য বিসিবি একাদশ শুরুতেই হারায় সাইফ হাসানকে। অধিনায়ক মুমিনুলও (১০) তেমন কিছুই করতে পারেন নি। তবে এরপরই তৃতীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন সাদমান ও জহুরুল। ৯ চার ও এক ছক্কায় ৯৩ বলে ৫৯ রান করেন সাদমান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

কেএসসিএ সেক্রেটারি একাদশ ১ম ইনিংস: ৪১ ওভারে ৭৯/১০ (অর্জুন ১২, রোহান ১, শিভম ০, নাগা ২, অভিনব ১২, প্রভিন ১৬, বিনয় ৭, কার্তিক ০, দেবাইয়া ১৮, আনন্দ ৮, বিদওয়াথ ১*; শহিদুল ৫/২০, ইবাদত ২/৩৬, আরিফুল ৩/২২)
বিসিবি একাদশ ১ম ইনিংস: ৪৪ ওভারে ১৩৫/৩ (সাইফ ৩, সাদমান ৫৯, মুমিনুল ১০, জহুরুল ২৮*, শান্ত ২৭*; দেবাইয়া ১/৩১, বিদওয়াথ ১/৪৫, আনন্দ ১/১৫)

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র