Alexa

স্ত্রী ক্যানডিস ওয়ার্নারের প্রেরণা

স্ত্রী ক্যানডিস ওয়ার্নারের প্রেরণা

ওয়ার্নারের ফিরে আসার পথে তার স্ত্রীর ছিল বড় ভূমিকা

বল টেম্পারিং নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফিরেই নিজেকে প্রমাণ করছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। সমালোচক আর গ্যালারির দর্শকদের দুয়োধ্বনির জবাব দিতে বিশ্বকাপে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে জ্বলে উঠেন এ তারকা ওপেনার। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৮৯ রানের হার না মানা অসাধারণ এক ক্রিকেটীয় ইনিংস খেলে অস্ট্রেলিয়াকে এনে দেন জয়।

মাঝে ক্যারিবিয়ানদের (৩) বিপক্ষে বিরতি দিয়ে ভারতের বিপক্ষে ফের হাফ-সেঞ্চুরি (৫৬) পান অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম সেরা এ ব্যাটসমান।

তার ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানের বিপক্ষে টনটনে বুধবার অনন্য এক সেঞ্চুরি (১০৭) হাঁকালেন। তার ব্যাটিং দৃঢ়তার সুবাদেই মোহাম্মদ আমিরের (৫ উইকেট) বোলিং চমকের পরও ৪১ রানের জয় ছিনিয়ে নেয় অস্ট্রেলিয়া।

সেঞ্চুরি দিয়ে নিন্দুকেদের জবাব দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে হাজির হলেন ওয়ার্নার। নিষেধাজ্ঞা কাটানোর পর প্রথমবার মুখোমুখি হলেন সংবাদ মাধ্যমের। নিজের দাপটে প্রত্যাবর্তনের জন্য ক্রেডিটটা দিলেন স্ত্রী ক্যানডিসকে। জানান ক্যারিয়ারের কঠিন সময়ে তার স্ত্রী কিভাবে তাকে প্রেরণা যুগিয়ে গেছেন।

২০১৮ সালের মার্চে বল টেম্পারিং কেলেংকারিতে জড়িয়ে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হন ওয়ার্নার। নিষিদ্ধ হন তৎকালীন অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ ও বোলার ক্যামেরন ব্যানক্রফট। সেই খারাপ সময়টা পেছনে ফেলে দুরন্ত ফর্মে ফিরেছেন ওয়ার্নার।

পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে টনটনে ওয়ার্নার বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার অপেক্ষায় ছিলাম সব সময়। স্ত্রী ও সন্তানরা আমাকে এ অনুভূতির মধ্যে রেখেছিল। আমার স্ত্রী আমার অনুপ্রেরণা। অবিশ্বাস্য এক মানুষ সে। দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, সুশৃঙ্খল ও নিঃস্বার্থ।’

৩২ বছরের এ বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান স্ত্রীকে প্রশংসার জোয়ারে ভাসিয়ে বলেন, ‘ও খুবই কড়া। খারাপ সময়ের প্রথম ১২ সপ্তাহের অনেক দিন আমাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে দিয়েছে। দৌড় আর কঠোর অনুশীলনে বাধ্য করেছে। এজন্য সত্যি আমাকে কোনো ছাড় দেয়নি।’

তৃতীয় সন্তানের মা হতে যাওয়া ক্যানডিস ওয়ার্নার এখন ইংল্যান্ডে। শনিবার ওভালে অস্ট্রেলিয়ার পরের ম্যাচ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। এখন পরিবারকে সময় দেওয়া সুযোগ পেয়ে খুশী ওয়ার্নার। বিশ্বকাপের পর অ্যাশেজ সিরিজের জন্য অনেক দিন তাদের থাকতে হবে ইংল্যান্ডে।

বল টেম্পারিং নিয়ে কিছু না বললেও ওয়ার্নার কথা বলেন নিজের শতক নিয়ে, ‘ব্যক্তিগতভাবে সেঞ্চুরিটা দারুণ একটা প্রাপ্তি। অনেক দিন পর ধরা দিল এটা।’

আপনার মতামত লিখুন :