Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

দর্শকরা ফেরত পাবেন অর্থ; রিজার্ভ ডে নিয়ে মুখ খুলল আইসিসি

দর্শকরা ফেরত পাবেন অর্থ; রিজার্ভ ডে নিয়ে মুখ খুলল আইসিসি
হাসিমুখে খেলা দেখতে এসেছেন। কিন্তু বৃষ্টির কারণে হতাশ হয়েই মাঠ ছাড়তে হচ্ছে ক্রিকেটপ্রেমীদের
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বৃষ্টি! এবারের বিশ্বকাপে জয়-পরাজয় আর ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স ছাপিয়ে আলোচনায় এই বেরসিক বৃষ্টি! কারণটাও সংগত প্রথম ১৬ ম্যাচের মধ্যেই পরিত্যক্ত তিনটি। যা কীনা বিশ্বকাপ ইতিহাসের রীতিমতো এক রেকর্ড। ব্রিস্টলে মঙ্গলবার বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচে মাঠেই নামতে পারেন নি ক্রিকেটাররা। তারপর থেকেই চলছে ধুন্ধুমার আলোচনা-ইংলিশ সামারে খেলা যখন হচ্ছে তখন রিজার্ভ ডে কি থাকতে পারতো না?

বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি অবশ্য এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছে। তবে খেলা দেখতে না পারা হতাশ দর্শকরা ফেরত পাবেন টিকিটের অর্থ। ম্যাচ না দেখে ঘরে ফেরা হতাশ দর্শকদের  টিকেটের অর্থ ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্বকাপের মূল আয়োজক আইসিসি।

তারপরও সমালোচনা থেমে নেই। বিশ্বকাপ আয়োজনের সময় নিয়ে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই বলছেন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগকে (আইপিএল) ছাড়া দিতেই দেরিতে বিশ্বকাপ আয়োজন করেছে আইসিসি। এমনিতে বৃষ্টি সারা বছরই লেগে থাকে ইংল্যান্ডে। আর জুন-জুলাইয়ে অঝোর ধারা থামেই না! এ কারণেই টেস্ট সিরিজ কিংবাি কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ শেষ হয় এপ্রিল কিংবা মে মাসে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/12/1560328669264.jpg

ইংল্যান্ডের নতুন মৌসুম শুরু হয় অক্টোবরে। তারপরও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) কেন এমনটা করেছে? ওয়ার্ল্ড কাপকে অনেকেই এখন ট্রল করে ডাকছেন রেইন কাপ নামে। বৃষ্টিতে একের পর এক ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় ঠিক জমছে না আসর। টসটাও হয়ে উঠছে গুরুত্বপূর্ণ। দেখা যাচ্ছে টস জিতলে এগিয়ে যাচ্ছে একটি দল!

এ অবস্থায় ক্রিকেটার, বিশ্লেষক থেকে শুরু করে দর্শক সবাই হতাশ। টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা, কোচ স্টিভেন রোডস এনিয়ে নিজেদের হতাশার কথাও শুনিয়েছেন মঙ্গলবার। বিশ্বকাপে এই পর্যায়ে রিজার্ভ ডে কেন নেই-প্রশ্ন তুলেছেন রোডস।

যদিও আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভিড রিচার্ডসন জানিয়ে দেন, এতো বড় একটা প্রতিযোগিতায় প্রত্যেক ম্যাচের জন্য রিজার্ভ ডে রাখা খুব কঠিন। তিনি বলেন, ‘দেখুন, বিশ্বকাপে প্রতি ম্যাচের জন্য রিজার্ভ ডে রাখলে টুর্নামেন্টের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পাবে আর আয়োজন করা অনেক জটিল হয়ে পড়বে। তাছাড়া রিজার্ভ ডেতে বৃষ্টি হবে না তারও কোনো গ্যারান্টি নেই।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/12/1560328725779.jpg

একটা ম্যাচ আয়োজনের পেছনে অনেক মানুষ জড়িত। রিচার্ডসন জানাচ্ছিলেন, ‘প্রতিটি ম্যাচেই প্রায় ১২০০ মানুষ যুক্ত থাকে। সহস্রাধিক মানুষ নিয়েই আমাদের এক ভেন্যু থেকে অন্য ভেন্যুতে যেতে হয়। সব মিলিয়ে জটিল একটা বিষয়কে আরও বড় করা সম্ভব ছিলো না।’

এ কারণেই শুধু সেমি-ফাইনাল আর ফাইনালেই আইসিসি রেখেছে রিজার্ভ ডে। প্রধান নির্বাহী ডেভিড রিচার্ডসন বলেন, ‘আমরা নক আউট পর্বে রিজার্ভ ডে রেখেছি। যেখানে একটা ম্যাচ আসলেই গুরুত্বপূর্ণ। এখন একেবারেই অদ্ভুত আবহাওয়া চলছে। গত দুদিনে আমরা প্রায় গড়ে এক মাসের বৃষ্টি দেখে ফেলেছি।’

আরো পড়ুন-

বিশ্বকাপ নাকি রেইন কাপ?

আপনার মতামত লিখুন :

ধ্বংসস্তূপ থেকে ঘুরে দাড়িয়ে নিউজিল্যান্ড ২৩৭

ধ্বংসস্তূপ থেকে ঘুরে দাড়িয়ে নিউজিল্যান্ড ২৩৭
মাত্র তিন রানের জন্য শতরান পেলেন না নিসাম

একটা ব্যাটিং জুটিই বদলে দিলো নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের চেহারা! ধ্বংসস্তূপ থেকে ঘুরে দাড়িয়ে বার্মিংহ্যামের এজবাস্টনের নিউজিল্যান্ডের ২৩৭ রানের স্কোর কি ম্যাচ জেতার মতো হলো? লাঞ্চ বিরতিতে স্কোরবোর্ডের দিকে তাকিয়ে সেই প্রশ্নটা উঠতেই পারে!

তবে যে কায়দায় তারা শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত ২৩৭ রান জমা করতে পেরেছে সেটাই নিউজিল্যান্ড ইনিংসের সৌন্দর্য! ২৬.২ ওভারে ৮৫ রানে ৫ উইকেট হারানো দল ৫০ ওভার শেষে ৬ উইকেটে ২৩৭ রান দেখে আপাতত স্বস্তি খুঁজতেই পারে।

শুরুর চার ব্যাটসম্যানের মধ্যে তিনজনই সিঙ্গেল ডিজিটে আউট হওয়ার পর নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন নিজের খেলা বদলে ফেলেন। রানের চেয়ে উইকেটে টিকে থাকাই তখন বেশি জরুরি। সেই কাজই করেন তিনি। উইলিয়ামসন সেই সময় কাটিয়ে যখন বড় রানের দিকে যাবেন-তখনই আউট! ৪১ রানে উইলিয়ামসন ফিরতে পরের দিকে ব্যাটসম্যান বলতে তখন মাত্র দুজন- জিমি নিশাম ও কলিন ডি গ্রান্ডহোম। তবে শেষের এই দুজনেই ব্যাট হাতে যা করলেন তাতেই এজবাস্টনের পেস বোলিং সহায়ক উইকেটে পাকিস্তানকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো সঞ্চয় তুলে নিলো নিউজিল্যান্ড, সম্ভবত।

যে উইকেটে নিউজিল্যান্ডের মতো সুশৃঙ্খল ব্যাটিং লাইন আপের দলের রান তুলতে হাঁসফাঁস করতে হয়েছে, সেখানে আজীবন বিশৃঙ্খল হিসেবে পরিচিত পাকিস্তানের ব্যাটিং খুব সহজেই ‘পার’ পাবেন কিভাবে?

আর তাই নিউজিল্যান্ডের ২৩৭ রানের মাঝারি মানের স্কোরও এই ম্যাচে প্রতিপক্ষ পাকিস্তানের জন্য যে অনেক বড় কিছু!

৮৫ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর নিউজিল্যান্ডকে পথ দেখান জিমি নিসাম ও কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম। দুই অলরাউন্ডার হাফসেঞ্চুরি করেন। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে দুজনে যোগ করেন ১৩২ রান। তাও আবার মাত্র ২১.২ ওভারে। এই জুটির রান রেট ৬.১৮! জুটিতে যোগ হওয়া রানে দুজনের অবদানও একেবারে সমানে সমান, ৬৪ করে। মুলত এই দুজনের ব্যাটিংই দলকে শুধু উদ্ধারই করলো না; নিয়ে গেলো স্বস্তিকর উচ্চতায়। জিমি নিসাম ৫ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ১১২ বলে অপরাজিত থাকেন ৯৭ রানে।

ম্যাচে নিজের প্রথম বলেই উইকেট পেয়ে পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আমির নাটকীয় পরিস্থিতির তৈরি করেন। পাওয়ার প্লে’তে ৩ উইকেট হারানো নিউজিল্যান্ড হঠাৎ যেন পথহারা! আরেক বাঁহাতি পেসার শাহীন আফ্রিদি তার নিখুঁত নিশানা ও দুর্দান্ত গতিতে নিউজিল্যান্ডের শুরুর ব্যাটিং এলোমেলো করে দেন। টানা সাত ওভারের স্পেলে শাহীন আফ্রিদি তিন উইকেট তুলে নেন। এসময় তার বোলিং বিশ্লেষণ ছিলো ৭-৩-১১-৩!

পাকিস্তানের আরেকবার বিখ্যাত বাঁহাতি ওয়াসিম আকরামের বিশ্বকাপ স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছিলেন শাহীন আফ্রিদি এই ম্যাচে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: নিউজিল্যান্ড : ২৩৭/৬ (৫০ ওভারে, মনরো ১২, উইলিয়ামসন ৪১, টেলর ৩, লাথাম ১, নিসাম ৯৭*, গ্র্যান্ডহোম ৬৪, স্যান্টার ৫, শাহীন আফ্রিদি ৩/২৮, আমির ১/৬৭, শাদাব খান ১/৪৩)।

এএফসি কাপে ইতিহাস গড়ল আবাহনী

এএফসি কাপে ইতিহাস গড়ল আবাহনী
নতুন উচ্চতায় ঢাকা আবাহনী লিমিটেড

ফুটবল হারানো শ্রেষ্টত্ব ফিরে পেতে লড়ছে বাংলাদেশ। ঠিক এমন সময় দেশসেরা ক্লাব আবাহনী লিমিটেড গড়ল নতুন এক ইতিহাস। বাংলাদেশের প্রথম ক্লাব হিসেবে এএফসি কাপের গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে গেল ধানমন্ডির ক্লাবটি।

বুধবার ‘ই’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে ভারতের মিনেরভা পাঞ্জাবকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আবাহনী।

গুয়াহাটির ইন্দিরা গান্ধী স্টেডিয়ামে গ্রুপের নিজেদের শেষ ম্যাচে মিনেরভা পাঞ্জাবকে ১-০ গোলে হারাল আবাহনী লিমিটেড। দলের জয়ে নায়ক আফগানিস্তানের রিক্রুট মাসিহ সাইঘানি।

খেলায় মামুনুল ইসলাম, নাবীব নেওয়াজ জীবন অবশ্য গোল মিসের মহড়াই দিয়েছেন। মনে হচ্ছিল ম্যাচটা বুঝি ড্রই হতে যাচ্ছে। খেলার ইনজুরি সময়ে এসে গোলের দেখা পায় আবাহনী। জীবনের ভাসানো কর্নারে বেলফোর্ট হেড থেকে বল যায় সাইঘানির কাছে। তিনিও হেডেই খুঁজে নেন নিশানা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561555575659.jpg

তার এই গোলেই ইন্টার জোনাল প্লে-অফ সেমি-ফাইনালসে খেলা নিশ্চিত হয় আবাহনীর। প্রথম পর্বে ঢাকায় মিনেরভার সঙ্গে ২-২ ড্র করেছিল আবাহনী।

‘ই’ গ্রুপে ৬ ম্যাচে চার জয় ও এক ড্রয়ে আবাহনীর অর্জন ১৩ পয়েন্ট। গ্রুপ সেরা হয়ে ইন্টার জোনাল প্লে-অফ সেমি-ফাইনালে পা রাখল ঢাকার এই ক্লাবটি ১১ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে রানার্স আপ চেন্নাইয়ান। তারা বুধবারের আরেক ম্যাচে ৩-২ গোলে হারায় নেপালের মানাং মার্সিয়াংদিকে। মিনার্ভার ৫ ও মার্সিয়াংদির পয়েন্ট ২।

এএফসি কাপ এশিয়ান ফুটবলে তৃতীয় সারির টুর্নামেন্ট। এবার এই টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মতো গ্রুপ পর্বের বাধা টপকে নকআউট পর্বে গেল বাংলাদেশের কোন ক্লাব। তৃতীয়বারের মতো এএফসি কাপ গিয়ে এবারই প্রথম দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলার যোগ্যতা অর্জন করছে আবাহনী।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র