Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

তারপরও একাদশে থাকছেন না কোল্টার-নাইল?

তারপরও একাদশে থাকছেন না কোল্টার-নাইল?
দুর্দান্ত ইনিংস খেলেও একাদশে জায়গা পোক্ত হচ্ছে না কোল্টার নাইলের
স্পোর্টস ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ থেকে বাদ পড়তে পারেন নাথান কোল্টার-নাইল। কেননা কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার বুধবার পাকিস্তানের বিপক্ষে দুজন বাঁ-হাতি পেসার নিয়ে মাঠে নামতে চাইছেন।

অজি ক্রিকেট গুরুর মাথায় রয়েছেন জেসন বেহরেনডোর্ফ। অথচ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ ম্যাচে নাথান কোল্টার-নাইল ছিলেন নায়ক। তার ৯২ রানের বিস্ফোরক ব্যাটিং স্কোর অস্ট্রেলিয়াকে উদ্ধার করে ছিল ব্যাটিং বিপর্যয় থেকে। উপহার দিয়েছিল জয়।

কিন্তু সেই কোল্টার-নাইল ভারতের বিপক্ষে বল হাতে এক উইকেট নিয়ে ব্যাট হাতে সংগ্রহ করেন মাত্র ৪ রান। সব মিলিয়ে তিন ম্যাচে ১৬৯ রান দিয়ে তার শিকার মাত্র এক উইকেট। কোল্টার-নাইলের এ বোলিং পারফরম্যান্সটাই এখন বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই ওভালের ম্যাচের জন্য বেহরেনডোর্ফকে বিবেচনায় রেখেছেন ল্যাঙ্গার।

ভারতের বিপক্ষে হারের ম্যাচে প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্ক শুরুর দিকে উইকেট খড়ায় ভুগেছেন। পরে অবশ্য একটি করে উইকেট যোগ হয় তাদের থলেতে।

তাই রণকৌশলে পরিবর্তন আনতে চাচ্ছেন কোচ ল্যাঙ্গার, ‘রোববারই আমি দুজন বাঁ-হাতি বোলার খেলানোর চিন্তা করেছিলাম। জেসনেরই খেলার কথা ছিল। কিন্তু ভাগ্য ক্রমে কোল্টার সুযোগটা পেয়ে যায়। আমার মতে সে ভালো করেছে।’

বেহরেনডোর্ফের খেলার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়ে ল্যাঙ্গার বলেন, ‘এখন আমি দেখতে পারি (স্টার্ক ও বেহরেনডোর্ফকে টুর্নামেন্টে এক সঙ্গে)। আমি অবশ্যই দেখতে পারি। আমি জানি পাকিস্তান দুজন বাঁ-হাতি বোলার খেলাবে।’

আইসিসি বিশ্বকাপ ২০১৯
অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তান
সরাসরি বিকেল সাড়ে ৩টা
বিটিভি, জিটিভি, মাছরাঙা ও স্টার স্পোর্টস ওয়ান এশিয়া

আপনার মতামত লিখুন :

ধ্বংসস্তূপ থেকে ঘুরে দাড়িয়ে নিউজিল্যান্ড ২৩৭

ধ্বংসস্তূপ থেকে ঘুরে দাড়িয়ে নিউজিল্যান্ড ২৩৭
মাত্র তিন রানের জন্য শতরান পেলেন না নিসাম

একটা ব্যাটিং জুটিই বদলে দিলো নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের চেহারা! ধ্বংসস্তূপ থেকে ঘুরে দাড়িয়ে বার্মিংহ্যামের এজবাস্টনের নিউজিল্যান্ডের ২৩৭ রানের স্কোর কি ম্যাচ জেতার মতো হলো? লাঞ্চ বিরতিতে স্কোরবোর্ডের দিকে তাকিয়ে সেই প্রশ্নটা উঠতেই পারে!

তবে যে কায়দায় তারা শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত ২৩৭ রান জমা করতে পেরেছে সেটাই নিউজিল্যান্ড ইনিংসের সৌন্দর্য! ২৬.২ ওভারে ৮৫ রানে ৫ উইকেট হারানো দল ৫০ ওভার শেষে ৬ উইকেটে ২৩৭ রান দেখে আপাতত স্বস্তি খুঁজতেই পারে।

শুরুর চার ব্যাটসম্যানের মধ্যে তিনজনই সিঙ্গেল ডিজিটে আউট হওয়ার পর নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন নিজের খেলা বদলে ফেলেন। রানের চেয়ে উইকেটে টিকে থাকাই তখন বেশি জরুরি। সেই কাজই করেন তিনি। উইলিয়ামসন সেই সময় কাটিয়ে যখন বড় রানের দিকে যাবেন-তখনই আউট! ৪১ রানে উইলিয়ামসন ফিরতে পরের দিকে ব্যাটসম্যান বলতে তখন মাত্র দুজন- জিমি নিশাম ও কলিন ডি গ্রান্ডহোম। তবে শেষের এই দুজনেই ব্যাট হাতে যা করলেন তাতেই এজবাস্টনের পেস বোলিং সহায়ক উইকেটে পাকিস্তানকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো সঞ্চয় তুলে নিলো নিউজিল্যান্ড, সম্ভবত।

যে উইকেটে নিউজিল্যান্ডের মতো সুশৃঙ্খল ব্যাটিং লাইন আপের দলের রান তুলতে হাঁসফাঁস করতে হয়েছে, সেখানে আজীবন বিশৃঙ্খল হিসেবে পরিচিত পাকিস্তানের ব্যাটিং খুব সহজেই ‘পার’ পাবেন কিভাবে?

আর তাই নিউজিল্যান্ডের ২৩৭ রানের মাঝারি মানের স্কোরও এই ম্যাচে প্রতিপক্ষ পাকিস্তানের জন্য যে অনেক বড় কিছু!

৮৫ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর নিউজিল্যান্ডকে পথ দেখান জিমি নিসাম ও কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম। দুই অলরাউন্ডার হাফসেঞ্চুরি করেন। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে দুজনে যোগ করেন ১৩২ রান। তাও আবার মাত্র ২১.২ ওভারে। এই জুটির রান রেট ৬.১৮! জুটিতে যোগ হওয়া রানে দুজনের অবদানও একেবারে সমানে সমান, ৬৪ করে। মুলত এই দুজনের ব্যাটিংই দলকে শুধু উদ্ধারই করলো না; নিয়ে গেলো স্বস্তিকর উচ্চতায়। জিমি নিসাম ৫ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ১১২ বলে অপরাজিত থাকেন ৯৭ রানে।

ম্যাচে নিজের প্রথম বলেই উইকেট পেয়ে পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আমির নাটকীয় পরিস্থিতির তৈরি করেন। পাওয়ার প্লে’তে ৩ উইকেট হারানো নিউজিল্যান্ড হঠাৎ যেন পথহারা! আরেক বাঁহাতি পেসার শাহীন আফ্রিদি তার নিখুঁত নিশানা ও দুর্দান্ত গতিতে নিউজিল্যান্ডের শুরুর ব্যাটিং এলোমেলো করে দেন। টানা সাত ওভারের স্পেলে শাহীন আফ্রিদি তিন উইকেট তুলে নেন। এসময় তার বোলিং বিশ্লেষণ ছিলো ৭-৩-১১-৩!

পাকিস্তানের আরেকবার বিখ্যাত বাঁহাতি ওয়াসিম আকরামের বিশ্বকাপ স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছিলেন শাহীন আফ্রিদি এই ম্যাচে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: নিউজিল্যান্ড : ২৩৭/৬ (৫০ ওভারে, মনরো ১২, উইলিয়ামসন ৪১, টেলর ৩, লাথাম ১, নিসাম ৯৭*, গ্র্যান্ডহোম ৬৪, স্যান্টার ৫, শাহীন আফ্রিদি ৩/২৮, আমির ১/৬৭, শাদাব খান ১/৪৩)।

এএফসি কাপে ইতিহাস গড়ল আবাহনী

এএফসি কাপে ইতিহাস গড়ল আবাহনী
নতুন উচ্চতায় ঢাকা আবাহনী লিমিটেড

ফুটবল হারানো শ্রেষ্টত্ব ফিরে পেতে লড়ছে বাংলাদেশ। ঠিক এমন সময় দেশসেরা ক্লাব আবাহনী লিমিটেড গড়ল নতুন এক ইতিহাস। বাংলাদেশের প্রথম ক্লাব হিসেবে এএফসি কাপের গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে গেল ধানমন্ডির ক্লাবটি।

বুধবার ‘ই’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে ভারতের মিনেরভা পাঞ্জাবকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আবাহনী।

গুয়াহাটির ইন্দিরা গান্ধী স্টেডিয়ামে গ্রুপের নিজেদের শেষ ম্যাচে মিনেরভা পাঞ্জাবকে ১-০ গোলে হারাল আবাহনী লিমিটেড। দলের জয়ে নায়ক আফগানিস্তানের রিক্রুট মাসিহ সাইঘানি।

খেলায় মামুনুল ইসলাম, নাবীব নেওয়াজ জীবন অবশ্য গোল মিসের মহড়াই দিয়েছেন। মনে হচ্ছিল ম্যাচটা বুঝি ড্রই হতে যাচ্ছে। খেলার ইনজুরি সময়ে এসে গোলের দেখা পায় আবাহনী। জীবনের ভাসানো কর্নারে বেলফোর্ট হেড থেকে বল যায় সাইঘানির কাছে। তিনিও হেডেই খুঁজে নেন নিশানা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561555575659.jpg

তার এই গোলেই ইন্টার জোনাল প্লে-অফ সেমি-ফাইনালসে খেলা নিশ্চিত হয় আবাহনীর। প্রথম পর্বে ঢাকায় মিনেরভার সঙ্গে ২-২ ড্র করেছিল আবাহনী।

‘ই’ গ্রুপে ৬ ম্যাচে চার জয় ও এক ড্রয়ে আবাহনীর অর্জন ১৩ পয়েন্ট। গ্রুপ সেরা হয়ে ইন্টার জোনাল প্লে-অফ সেমি-ফাইনালে পা রাখল ঢাকার এই ক্লাবটি ১১ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে রানার্স আপ চেন্নাইয়ান। তারা বুধবারের আরেক ম্যাচে ৩-২ গোলে হারায় নেপালের মানাং মার্সিয়াংদিকে। মিনার্ভার ৫ ও মার্সিয়াংদির পয়েন্ট ২।

এএফসি কাপ এশিয়ান ফুটবলে তৃতীয় সারির টুর্নামেন্ট। এবার এই টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মতো গ্রুপ পর্বের বাধা টপকে নকআউট পর্বে গেল বাংলাদেশের কোন ক্লাব। তৃতীয়বারের মতো এএফসি কাপ গিয়ে এবারই প্রথম দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলার যোগ্যতা অর্জন করছে আবাহনী।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র