Alexa

‘ডিয়েগো ম্যারাডোনা’য় আপত্তি ম্যারাডোনার!

‘ডিয়েগো ম্যারাডোনা’য় আপত্তি ম্যারাডোনার!

‘ডিয়েগো ম্যারাডোনা: রেবেল. হিরো. হাসলার. গড’ প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের পোষ্টার

কান চলচ্চিত্র উৎসবে বোদ্ধারা প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কিন্তু মন ভরেনি খোদ ডিয়েগো ম্যারাডোনার। আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি নিজের জীবন নিয়ে নির্মিত পূর্ণ্যদৈর্ঘ্য প্রামাণ্য চলচ্চিত্র দেখে বিরক্ত। এমন কী সবাইকে এই সিনেমাটি দেখতেও নিষেধ করলেন তিনি।

গত ১৯ মে কান চলচ্চিত্র উৎসবের আউট অব কম্পিটিশন বিভাগে সিনেমাটির প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়। যদিও এই উৎসবে হাজির থাকতে পারেন নি ফুটবল ইশ্বর খ্যাত তারকাটি। কাঁধের চোটে অস্ত্রোপচারের জন্য এখন বিশ্রামে আছেন তিনি। কিন্তু ঠিকই চলচ্চিত্রটি দেখেছেন। তারপর থেকেই যারপরনাই বিরক্ত।

৫৮ বছর বয়সী এই ফুটবল কিংবদন্তি সমালোচনা করলেন নির্মাতা আসিফ কাপাডিয়ার। দর্শকদের সিনেমাটি নিষেধ করলেন তিনি। বলছিলেন, ‘সিনেমার শিরোনামটা পছন্দ হয়নি আমার। শিরোনাম পছন্দ না হলে আমি ওটা দেখতে যাব না। আপনারাও যাবেন না।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/21/1558432052095.jpg

আগামী ১৪ জুন মুক্তি পাবে ‘ডিয়েগো ম্যারাডোনা: রেবেল. হিরো. হাসলার. গড’ নামের এই চলচ্চিত্রটি। যেখানে ‘হাসলার’ শব্দটি পছন্দ হয়নি বিশ্বকাপ জয়ী তারকার। বাংলায় যার অর্থ অনেকটা এরকম- যে ব্যক্তি কাজে তাড়াহুড়ো করে অথবা ধাক্কা দেওয়া, ঠেলা মারা।

এখানেই আপত্তি ম্যারাডোনার। তিনি বলেন, ‘আমি ফুটবল খেলেছি আর বলের পেছনে দৌড়ে টাকা কামিয়েছি। কিন্তু ঠেলা মারিনি কাউকে। নির্মাতা যদি দর্শক টানতে শব্দটা ওখানে রাখে তাহলে বলব ভুল করেছে।’

‘এমি’ ও ‘সেনা’র মতো পুরস্কারজয়ী তথ্যচিত্র বানিয়েছেন আসিফ কাপাডিয়া। এবার ম্যারাডোনার ছবি বানিয়ে বিপাকেই পড়লেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/21/1558432068815.jpg

২ ঘণ্টা ১০ মিনিটের প্রামাণ্যচিত্রটিতে ইতালিয়ান ক্লাব নেপোলি ও আর্জেন্টিনার অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপ জয়ী ক্যারিয়ারের সঙ্গে তার ছন্নছাড়া জীবন ও মাদকাসক্ত অধ্যায় তুলে ধরা হয়েছে।  ব্যক্তিগত সংগ্রহশালায় থাকা ৫০০ ঘণ্টারও বেশি অদেখা ফুটেজ থেকে বাছাই করে এটি সাজানো হয়েছে।

পরিচালক আসিফ কাপাডিয়া বলেন, ‘একজন মানুষকে ঘিরে মানুষের এই ভালোবাসা ও সম্মান সত্যিই বিরল! আমি তার জীবনী পড়ে মুগ্ধ হয়েছি। অবিশ্বাস্য এক প্রতিভা তিনি! নাটকীয়তা আর রোমাঞ্চ সঙ্গী করে এগিয়ে গেছেন। তার জীবনের গল্পটা আরো বেশি করে সবার জানা উচিত সবার।’

প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণে সরাসরি জড়িত ছিলেন ম্যারাডোনা। দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে এই ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ জয়ী তারকার সাক্ষাৎকার নেন নির্মাতা আসিফ কাপাডিয়া।

আপনার মতামত লিখুন :