Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বার্সার ড্রয়ের দিনে পিচিচি ট্রফি মেসির

বার্সার ড্রয়ের দিনে পিচিচি ট্রফি মেসির
মোট ছয়বার পিচিচি ট্রফি জিতে রেকর্ড স্পর্শ মেসির
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

শিরোপা জয় নিশ্চিত হয়েছে আগেই। কিন্তু স্প্যানিশ মৌসুমে নিজেদের শেষ ম্যাচে হাসিমুখে মাঠ ছাড়তে পারেনি বার্সেলোনা। লিওনেল মেসি দুই গোল করলেও এইবারের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে কাতালান ক্লাবটি। তবে দলের এই সেরা তারকা টানা তৃতীয়বারের মতো জিতেছেন পিচিচি ট্রফি। সব মিলিয়ে ৬বার জিতে স্পর্শ করেছেন অনন্য রেকর্ড।

প্রতিপক্ষের মাঠে রোববার এইবারের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ে শেষ অব্দি মেসির গোলে রক্ষা। ম্যাচের ২০তম মিনিটে এগিয়ে যায় এইবার। মার্ক কুকুরেইয়া গড়ে দেন ব্যবধান। এরপর অবশ্য মেসির জোড়া গোলে লিড নিয়েছিল বার্সা। কিন্তু এইবারের পক্ষে ৪৫ মিনিটে সমতা ফেরান পাবলো ডি ব্লেসিস।

এরই পথ ধরে মোট ৮৭ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগার যাত্রা শেষ হলো বার্সেলোনার। আগামী শনিবার কোপা দেল রের ফাইনালে কাতালান ক্লাবটি মুখোমুখি হবে ভালেন্সিয়ার।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/20/1558322346268.jpg

তার আগে অনন্য অর্জনে সিক্ত হলেন মেসি। আরো একবার শীর্ষ গোলদাতার জিতে অ্যাতলেটিক বিলবাওয়ের এক সময়ের মহাতারকা তেলমো সাররার রেকর্ড স্পর্শ করলেন তিনি। দু'জনই জিতলেন লা লিগায় ৬বার সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার।

এবারের লা লিগায় ৩৪ ম্যাচে ৩৬ গোল করেন মেসি। সতীর্থদের দিয়ে করালেন ১৩টি গোল। ২১ করে গোল করে এরপরই আছেন তারই সতীর্থ লুইস সুয়ারেস ও রিয়াল মাদ্রিদের করিম বেনজেমা। 

ইতিহাস জানাচ্ছে, মেসির আগে টানা তিনবার পিচিচি পুরস্কার জেতেন মেক্সিকোর সাবেক স্ট্রাইকার হুগো সানচেস। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ১৯৮৫-৮৬, ১৯৮৬-৮৭ ও ১৯৮৭-৮৮ মৌসুমে এই রেকর্ড গড়েন তিনি!

আপনার মতামত লিখুন :

ইমরুল-সাব্বিরদের ফের লজ্জায় ডুবাল আফগানরা

ইমরুল-সাব্বিরদের ফের লজ্জায় ডুবাল আফগানরা
টানা দ্বিতীয় ওয়ানডেতে হতাশ করলেন ইমরুল কায়েসরা

সেই একই গল্প! ব্যর্থতার বৃত্তেই হাঁটছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। আরো একবার আফগানিস্তানের সামনে নাজেহাল ইমরুল কায়েসরা। আগের ম্যাচে দল হেরেছিল ১০ উইকেটে। এবার স্বাগতিকদের ৪ উইকেটে হারাল আফগানিস্তান ‘এ’ দল।

রোববার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় আনঅফিশিয়াল ওয়ানডেতেও চেনা গেল না বাংলাদেশের তারকাদের। এনিয়ে টানা দুই ম্যাচ হারল তারা। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচ সিরিজে ২-০ তে এগিয়ে গেল আফগানিস্তান। এর আগে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ তারা জিতেছিল ১-০ ব্যবধানে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির বিপক্ষে বেশ শক্তিশালী দল নিয়েই নেমেছিল বাংলাদেশ ‘এ’। দলে ইমরুল কায়েস, এনামুল হক, বিজয়, মোহাম্মদ মিঠুন ও সাব্বির রহমানদের সঙ্গে ফরহাদ রেজা, আবু জায়েদ রাহি, শফিউল ইসলাম, আবু হায়দার রনিরা ছিলেন। কিন্তু তাদেরও পাত্তা দেয়নি আফগানরা।

এদিন টস হেরে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ দল। ৫০ ওভারে তারা ৯ উইকেট হারিয়ে করে ২৭৮ রান। জবাবে নেমে ৪৯.১ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে নোঙর করে সফরকারীরা।

টস ভাগ্যটা সঙ্গে না থাকলেও ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের শুরুটা মন্দ ছিল না। ৫৬ রানের জুটি গড়েন এনামুল ও ইমরুল। জাতীয় দলের মিশনে যোগ দেওয়ার আগে এনামুল তুলেন ২৪ বলে ২৬। এরপর ইমরুল ফেরেন ৪০ রানে।

দুই ওপেনারের পর কিছুটা সময় লড়াই করলেন মোহম্মদ নাঈমও। তবে ৪৯ রান তিনি ধরেন সাজঘরের পথ। মিঠুন ৯৪ বলে ৮৫ রান তুললে বাংলাদেশ পায় লড়াকু পুঁজি। শেষ দিকে ৩৮ বলে ৩৫ রান করেন সাব্বির।

জবাবে নামা আফগান দলকে অবশ্য শুরুতেই কোণঠাসা করে ফেলেছিল বাংলাদেশ। দলীয় ২৮ রানে উদ্বোধনী জুটিতে ভাঙ্গন ধরান শফিউল ইসলাম। তারপর অবশ্য দারুণ লড়েছেন ইব্রাহিম জাদরান। তার ব্যাটে এগিয়ে গেছে সফরকারীরা। ১৪৯ বলে ১২৭ রান করে তুলেন তিনি।

জিততে আফগানদের শেষ ২৩ বলে দরকার ছিল ৩৫ রান। আর বাংলাদেশের ৪ উইকেট। এ অবস্থায় সপ্তম উইকেট জুটিতে শরাফুদ্দিন আশরাফ ও ফজল নিয়াজাই হতাশ করেন স্বাগতিক বোলারদের। ৫ বল হাতে রেখেই দল পেয়ে যায় দারুণ এক জয়। ১৭ বল ৩৬ রান করেন আশরাফ। ৮ বলে ১৫ রানে অপরাজিত নিয়াজাই।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

বাংলাদেশ ‘এ’ দল: ৫০ ওভারে ২৭৮/৯ (ইমরুল ৪০, এনামুল ২৬, মিঠুন ৮৫, নাঈম ৪৯, সাব্বির ৩৫, আফিফ ৮, রেজা ১, মেহেদি ১০, আবু হায়দার ৭*, শফিউল ০, আবু জায়েদ ১*; শিরজাদ ১/৫৪, আশরাফ ১/৩৭, করিম ৩/৪৩, ফজল ৩/৪৮)
আফগানিস্তান ‘এ’ দল: ৪৯.১ ওভারে ২৮১/৬ (রহমানউল্লাহ ২১, ইব্রাহিম ১২৭, উসমান ২৬, নাসির ১১, রাসুলি ৭, করিম ২৪, আশরাফ ৩৬*, ফজল ১৫*; শফিউল ২/৫৯, আবু জায়েদ ১/৫৮, রেজা ৪২/০, মেহেদি ০/৩৪, আবু হায়দার ১/৫৬, সাব্বির ১/১০)
ফল: ৪ উইকেটে জয়ী আফগানিস্তান ‘এ’ দল

ফাইনাল কাণ্ডে আম্পায়ার ধর্মসেনার ভুল স্বীকার

ফাইনাল কাণ্ডে আম্পায়ার ধর্মসেনার ভুল স্বীকার
ভুল মানলেও অনুতপ্ত নন কুমার ধর্মসেনা

মার্টিন গাপটিলের অনাকাঙ্ক্ষিত ওভারথ্রোতে বাড়তি চার রান পেয়েও লাভ হতো না ইংল্যান্ডের। স্বাগতিকরা নয় বিশ্বসেরা হতো নিউজিল্যান্ডই। যদি না মাঠের আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা ভুল করে এক রান বাড়তি দিতেন। অবশেষে শ্রীলঙ্কান ওই আম্পায়ার নিজের ‘ভুল’ স্বীকার করে নিয়েছেন।

১৪ জুলাই লর্ডসের ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার আম্পায়ার মারাইস এরাসমাসের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা ধর্মসেনা বলেন, ‘টিভি রিপ্লে দেখার পর আমি মানছি ভুল হয়েছিল।’

ভুল মেনে নিলেও নিজের পক্ষে সাফাই গান ধর্মসেনা। শ্রীলঙ্কার সাবেক এ টেস্ট খেলোয়াড় সানডে টাইমসকে জানান, তার কাছে টেলিভিশন রিপ্লে দেখার সুযোগ ছিল না। যেখানে ধরা পড়ে ব্যাটসম্যানরা উইকেটের প্রান্ত সীমানা অতিক্রম করেননি, ‘মাঠে আমাদের জন্য টিভি রিপ্লের ব্যবস্থা ছিল না। তাই নিজের এ সিদ্ধান্তের জন্য আমি মোটেই অনুতপ্ত নই।’

মাঠের অন্য অফিসিয়ালদের সঙ্গে পরামর্শ করেই নাকি ছয় রানের সংকেত দিয়ে ছিলেন ধর্মসেনা, ‘কমিউনিকেশন সিস্টেমে আমি লেগ আম্পায়ারের (এরাসমাস) সঙ্গে পরামর্শ করেছি। যা অন্য আম্পায়াররা ও ম্যাচ রেফারি শুনেছেন।’

ধর্মসেনা আরো যোগ করেন, ‘ম্যাচ অফিসিয়ালরা টিভি রিপ্লে পরীক্ষা করতে পারেননি। তারা সবাই নিশ্চিত করেন ব্যাটসম্যানরা দ্বিতীয় রান পূর্ণ করেছেন। তখনই আমি আমার সিদ্ধান্তটা জানাই।’

ফাইনালের শেষ ওভারে গাপটিলের থ্রো স্টাম্পে না লেগে অলরাউন্ডার বেন স্টোকসের ব্যাট স্পর্শ করে ছুঁয়ে ফেলে বাউন্ডারি। কিন্তু দ্বিতীয় রান নেওয়ার সময় স্টোকস উইকেটের প্রান্ত সীমানাই স্পর্শ করেননি। কিন্তু তারপরও ধর্মসেনা ইংল্যান্ডকে পাঁচ রানের বদলে ছয় রান দিয়ে দেন।

আম্পায়ারদের ভুলটা প্রথম সবার নজরে আনেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক আম্পায়ার সাইমন টফেল। তিনি ফক্স স্পোর্টস অস্ট্রেলিয়াকে জানান, আম্পায়াররা পরিষ্কার ভুল করেছেন। কারণ ব্যাটসম্যানরা দ্বিতীয় রান পূর্ণই করেননি।

৫০ ওভার খেলা শেষে নিউজিল্যান্ডের সমান ২৪১ রান তুলে ম্যাচ টাই করে ফেলে ইংল্যান্ড। ফলে শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালের ভাগ্য গড়ায় সুপার ওভারে। সেখানে অবিশ্বাস্য ভাবে ইংল্যান্ডের সমান ১৫ রান তুলে টাই করে বসে নিউজিল্যান্ড। শেষে কিউইদের হৃদয় ভেঙে বাউন্ডারি হাঁকানোর হিসেবে এগিয়ে থেকে শিরোপা জিতে নেয় আয়োজকরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র