Alexa

এভাবে বাড়ি ফিরে হতাশ বার্সা কোচ

এভাবে বাড়ি ফিরে হতাশ বার্সা কোচ

অজুহাত দাঁড় করাচ্ছেন না বার্সেলোনার কোচ এরনেস্তো ভালভেরদে

কিছুতেই স্বস্তি পাচ্ছে না বার্সেলোনার সমর্থকরা। আর কতো? প্রতিপক্ষের মাঠে ব্যর্থ হয়ে ফেরাটা যেন বদভ্যাস হয়ে গেছে কাতালান ক্লাবটির। শেষ ছয় মৌসুমে নকআউট পর্বে অ্যাওয়ে ম্যাচে হার দেখল স্প্যানিশ ক্লাবটি। রোমা, পিএসজি, জুভেন্টাস, আতলেতিকো মাদ্রিদ ও বায়ার্ন মিউনিখের পর এবার লিভারপুল। ক্লান্ত এরনেস্তো ভালভেরদে। বার্সা কোচ অবশ্য কোন অজুহাত খুঁজছেন না। ব্যর্থতার দায় নিজের কাঁধেই নিয়েছেন।

মঙ্গলবার রাতে এনফিল্ডে অবিশ্বাস্য ফুটবল খেলেছে লিভারপুল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমি-ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে ৪-০ গোলের জয়ে আকাশে উড়ছে অলরেডরা। ন্যু ক্যাম্পে প্রথম লেগে ৩-০ গোলে জিতেও শেষ রক্ষা হয়নি! বার্সাকে বিদায় করে ফাইনালে উঠে গেছে লিভারপুল। দলের এই ব্যর্থতায় যারপরনাই হতাশ ভালভেরদে।

সমর্থকদের জন্য খুব খারাপ লাগছে বার্সা কোচের। এভাবে বারবারই ব্যর্থতা সঙ্গী করে বাড়ি ফেরাটা মেনে নিতে পারছেন না। বলছিলেন, ‘এই হারের জন্য পুরো দায় কোচ হিসেবে আমিই নিচ্ছি। এটা আমাদের জন্য অস্বস্তির। সমর্থকদের জন্যও হতাশার। আমাদের সমর্থকদের জন্য এটি ভয়ঙ্কর ফল! এবার টানা দ্বিতীয় বছর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মাঠ ছাড়তে হলো। এভাবে বাড়ি ফেরাটা মেনে নেওয়া কষ্ঠকর!’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/08/1557314013103.jpg

চাপের মুখে থাকলেও হাল ছেড়ে দেয়নি লিভারপুল। তার পুরস্কারটাই পেয়েছে ক্লাবটি। তাইতো গলা ছেড়ে বার্সেলোনার কোচও প্রশংসা করলেন লিভারপুলের। ভালভেরদে জানাচ্ছিলেন, ‘ওরা বুদ্ধি দিয়ে খেলেছে এবং গোল আদায় করে নিয়েছে। দুটি দ্রুত গোল হজম করে খেই হারিয়ে ফেলি আমরা। তারপর আর ম্যাচে ফেরা হয়নি। পুরো কৃতিত্ব লিভারপুলের।’

হতাশ বার্সা তারকা লুইস সুয়ারেস অবশ্য রক্ষণভাগকেই দায়ী করছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এক মিনিটের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে দুই গোল হজম করেছি। যা ভাবনারও অতীত। বলা যায় আমরা শিশুদের মতো রক্ষণভাগ সামাল দিতে চেয়েছি।’

রীতিমতো ইতিহাস গড়েই লিভারপুল উঠেছে ফাইনালে। তারাই উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসের প্রথম ক্লাব যারা প্রথম লেগে ০-৩ গোলে হারলেও ঠিকই জায়গা করে নিয়েছে ফাইনালে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/08/1557314032828.jpg

অলরেডদের হয়ে দুটি করে গোল করেন দিভোক ওরিগি ও জর্জিনিয়ো ভেইনালডাম। এমন সাফল্যের পর ভেইনালডাম জানাচ্ছিলেন, বিস্ময়কর কিছু করতে প্রস্তুত ছিল দল। বলেন, ‘আমরা আত্মবিশ্বাসী ছিলাম চার গোল করতে পারব। এটা ঠিক অনেকেই আমাদের সামর্থ্যে সন্দেহ করেছিল। ওরা ধরে নিয়েছিল আমরা পারবো না। কিন্তু ঠিকই আমরা পেরেছি!’

আগামী ১ জুন মাদ্রিদের ওয়ান্দা মেট্রোপলিটনে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল। যেখানে লিভারপুলের প্রতিপক্ষ টটেনহ্যাম হটস্পার কিংবা আয়াক্স! দুই দল দুটো বুধবার রাতেই ফাইনালের টিকিট পেতে লড়ছে!

আরো পড়ুন-

বিস্ময়কর! বার্সাকে উড়িয়ে ফাইনালে লিভারপুল!!

বিশ্বাসই করতে পারছেন না লিভারপুল কোচ

আপনার মতামত লিখুন :