Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

এভাবে বাড়ি ফিরে হতাশ বার্সা কোচ

এভাবে বাড়ি ফিরে হতাশ বার্সা কোচ
অজুহাত দাঁড় করাচ্ছেন না বার্সেলোনার কোচ এরনেস্তো ভালভেরদে
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

কিছুতেই স্বস্তি পাচ্ছে না বার্সেলোনার সমর্থকরা। আর কতো? প্রতিপক্ষের মাঠে ব্যর্থ হয়ে ফেরাটা যেন বদভ্যাস হয়ে গেছে কাতালান ক্লাবটির। শেষ ছয় মৌসুমে নকআউট পর্বে অ্যাওয়ে ম্যাচে হার দেখল স্প্যানিশ ক্লাবটি। রোমা, পিএসজি, জুভেন্টাস, আতলেতিকো মাদ্রিদ ও বায়ার্ন মিউনিখের পর এবার লিভারপুল। ক্লান্ত এরনেস্তো ভালভেরদে। বার্সা কোচ অবশ্য কোন অজুহাত খুঁজছেন না। ব্যর্থতার দায় নিজের কাঁধেই নিয়েছেন।

মঙ্গলবার রাতে এনফিল্ডে অবিশ্বাস্য ফুটবল খেলেছে লিভারপুল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমি-ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে ৪-০ গোলের জয়ে আকাশে উড়ছে অলরেডরা। ন্যু ক্যাম্পে প্রথম লেগে ৩-০ গোলে জিতেও শেষ রক্ষা হয়নি! বার্সাকে বিদায় করে ফাইনালে উঠে গেছে লিভারপুল। দলের এই ব্যর্থতায় যারপরনাই হতাশ ভালভেরদে।

সমর্থকদের জন্য খুব খারাপ লাগছে বার্সা কোচের। এভাবে বারবারই ব্যর্থতা সঙ্গী করে বাড়ি ফেরাটা মেনে নিতে পারছেন না। বলছিলেন, ‘এই হারের জন্য পুরো দায় কোচ হিসেবে আমিই নিচ্ছি। এটা আমাদের জন্য অস্বস্তির। সমর্থকদের জন্যও হতাশার। আমাদের সমর্থকদের জন্য এটি ভয়ঙ্কর ফল! এবার টানা দ্বিতীয় বছর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মাঠ ছাড়তে হলো। এভাবে বাড়ি ফেরাটা মেনে নেওয়া কষ্ঠকর!’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/08/1557314013103.jpg

চাপের মুখে থাকলেও হাল ছেড়ে দেয়নি লিভারপুল। তার পুরস্কারটাই পেয়েছে ক্লাবটি। তাইতো গলা ছেড়ে বার্সেলোনার কোচও প্রশংসা করলেন লিভারপুলের। ভালভেরদে জানাচ্ছিলেন, ‘ওরা বুদ্ধি দিয়ে খেলেছে এবং গোল আদায় করে নিয়েছে। দুটি দ্রুত গোল হজম করে খেই হারিয়ে ফেলি আমরা। তারপর আর ম্যাচে ফেরা হয়নি। পুরো কৃতিত্ব লিভারপুলের।’

হতাশ বার্সা তারকা লুইস সুয়ারেস অবশ্য রক্ষণভাগকেই দায়ী করছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এক মিনিটের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে দুই গোল হজম করেছি। যা ভাবনারও অতীত। বলা যায় আমরা শিশুদের মতো রক্ষণভাগ সামাল দিতে চেয়েছি।’

রীতিমতো ইতিহাস গড়েই লিভারপুল উঠেছে ফাইনালে। তারাই উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসের প্রথম ক্লাব যারা প্রথম লেগে ০-৩ গোলে হারলেও ঠিকই জায়গা করে নিয়েছে ফাইনালে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/08/1557314032828.jpg

অলরেডদের হয়ে দুটি করে গোল করেন দিভোক ওরিগি ও জর্জিনিয়ো ভেইনালডাম। এমন সাফল্যের পর ভেইনালডাম জানাচ্ছিলেন, বিস্ময়কর কিছু করতে প্রস্তুত ছিল দল। বলেন, ‘আমরা আত্মবিশ্বাসী ছিলাম চার গোল করতে পারব। এটা ঠিক অনেকেই আমাদের সামর্থ্যে সন্দেহ করেছিল। ওরা ধরে নিয়েছিল আমরা পারবো না। কিন্তু ঠিকই আমরা পেরেছি!’

আগামী ১ জুন মাদ্রিদের ওয়ান্দা মেট্রোপলিটনে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল। যেখানে লিভারপুলের প্রতিপক্ষ টটেনহ্যাম হটস্পার কিংবা আয়াক্স! দুই দল দুটো বুধবার রাতেই ফাইনালের টিকিট পেতে লড়ছে!

আরো পড়ুন-

বিস্ময়কর! বার্সাকে উড়িয়ে ফাইনালে লিভারপুল!!

বিশ্বাসই করতে পারছেন না লিভারপুল কোচ

আপনার মতামত লিখুন :

দুর্দান্ত জয়ে লা লিগা শুরু রিয়ালের

দুর্দান্ত জয়ে লা লিগা শুরু রিয়ালের
জয় দিয়েই এবারের লা লিগা মিশন শুরু হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদের

নতুন মৌসুমে এরচেয়ে ভাল শুরু বুঝি আর হতেই পারতো না! স্প্যানিশ লা লিগায় শুরুতেই অনায়াস জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল রিয়াল মাদ্রিদ। শনিবার সেল্টা ভিগোকে উড়িয়ে পথচলা শুরু হলো জিনেদিন জিদানের দলের। আগের দিনই অবশ্য আথলেতিক বিলবাওয়ের কাছে লা লিগা মিশন শুরু হয় চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনার।

এবারের লা লিগায় নিজেদের প্রথম ম্যাচে ৩-১ গোলে জয় তুলে নিয়েছে রিয়াল। ম্যাচে দলটির হয়ে গোল তিনটি করেন করিম বেনজেমা, টনি ক্রুস ও লুকাস ভাসকেস।

তবে এই জয়েও লেগে আছে কলঙ্ক। লালকার্ড দেখে এদিন মাঠ ছাড়েন রিয়াল তারকা লুকা মডরিচ। যদিও দশজন নিয়ে খেললেও তেমন সমস্যা হয়নি তাদের।

খেলার ১২তম মিনিটেই এগিয়ে যায় রিয়াল মাদ্রিদ। গ্যারেথ বেলের ক্রস থেকে বল পেয়ে ব্যবধান গড়ে দেন বেনজেমা। প্রথমার্ধেই মডরিচের গোলে আরও এগিয়ে যেতে পারতো সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু তাকে সফল হতে দেননি সেল্টা ভিগোর গোলকিপার রুবেন ব্লানকো।

এরইমধ্যে স্রোতের বিপরীতে রিয়ালের জালে বলও পাঠিয়ে দেয় সেল্টা। যদিও ইয়াগো আসপাসের সেই গোল ভিএআর প্রযুক্তিতে বাতিল হয়ে যায়। খেলার ৫৬তম মিনিটে এসে দশজনের দল হয়ে যায় রিয়াল। প্রতিপক্ষের ফুটবলার দেনিস সুয়ারেসের পায়ে পিছন থেকে আঘাত করেন লুকা মডরিচ। এরপরই ভিএআর প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে রেফারি লালকার্ড দেখান মরডিচকে। প্রথমবারের মতো লা লিগায় লালকার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এই তারকা ফুটবলার।

তারপরও দাপুটে ফুটবল থেকে সরে যায়নি রিয়াল। ৬১তম মিনিটে দলকে আরও এগিয়ে দেন টনি ক্রুস। এরপর ৮০তম মিনিটে বেনজেমার পাস থেকে বল পেয়ে গোল তুলে নেন ভাসকেস (৩-০)। তবে এই ব্যবধান নিয়ে মাঠ ছাড়া হয়নি রিয়ালের। ইনজুরি সময়ে ইকের লোসাদা গোলে কিছুটা হলেও স্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়ে সেল্টা ভিগো।

লিভারপুলের জয়ের দিনে সিটির ড্র

লিভারপুলের জয়ের দিনে সিটির ড্র
গোল বাতিল হওয়াটা যেন মেনে নিতে পারছেন না জেসুস, ছবি: সংগৃহীত

নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচেই কী দুর্দান্ত পারফরম্যান্সই না উপহার দিয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি। ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেডকে রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছিল ৫-০ গোলে। কিন্তু ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেই হোঁচট খেলো কোচ পেপ গার্দিওলার দল। ঘরের মাঠে তারা ২-২ গোলে ড্র করেছে টটেনহ্যাম হটস্পারের সঙ্গে। তবে সাউদ্যাম্পটনকে ২-১ গোলে হারিয়ে জয়ের ধারায় রয়ে গেল ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন লিভারপুল।

ইতিহাদ স্টেডিয়ামে শনিবার রাতে ম্যাচের ২০তম মিনিটেই সিটিকে এগিয়ে দেন রাহিম স্টারলিং। কিন্তু মিনিট তিনেক বাদেই গোল শোধ করে দেন টটেনহ্যামের এরিক লামেলা।

৩৫তম মিনিটে আর্জেন্টাইন তারকা সার্জিও আগুয়েরো ফের স্বাগতিকদের লিড এনে দেন। কিন্তু ৫৬ মিনিটে লুকাস স্পার শিবিরকে সমতায় ফেরান।

জয়সূচক গোল অবশ্য পেয়ে গিয়েছিল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন সিটি। ইনজুরি টাইমে গ্যাব্রিয়েল জেসুস প্রতিপক্ষ টটেনহ্যামের বিশ্বকাপ জয়ী ফরাসি গোলরক্ষক হুগো লরিসের চোখ ফাঁকি দেন নির্ভুল নিশানায়। কিন্তু ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) ব্রাজিলিয়ান তারকার গোলটি বাতিল করে দেন।

কারণ জালে জায়গা করে নেওয়ার আগে বল ছুঁয়ে যায় সিটির সেন্টার ব্যাক আইমেরিক লাপোর্তের হাত। এনিয়ে অবশ্য কোনো আপত্তি নেই কোচ গার্দিওলার। তাই ম্যাচ শেষে জানিয়ে দেন, ‘আমরা ভিএআর সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি।’

রাতের অন্য ম্যাচে প্রথমার্থের ইনজুরি টাইমে (৪৫+১ মিনিটে) অতিথি লিভারপুলের প্লেমেকার সাদিও মানে গ্যালারির নিরবতা ভাঙেন। ৭১ মিনিটে গোল ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রবার্তো ফিরমিনো।

ম্যাচ শেষ হওয়ার ৭ মিনিট আগে স্বাগতিক সাউদ্যাম্পটনের হয়ে একটি গোল শোধ করেন ড্যানি ইংস।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র