Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

২০২০ সালের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপেও ধোনি!

২০২০ সালের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপেও ধোনি!
মহেন্দ্র সিং ধোনি : নতুন মিশনের অপেক্ষায়
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপে খেলছেন সেই ২০০৭ সাল থেকে। সেই বিশ্বকাপের প্রথম পর্ব থেকেই ভারত বিদায় নিয়েছিলো। চার বছর পরের বিশ্বকাপে ভারত চ্যাম্পিয়ন হয়। সেই দলের অধিনায়ক ছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপেও ভারতের অধিনায়ক ছিলেন ধোনি। সেই বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যায় ভারত। এবারের ২০১৯ সালের বিশ্বকাপেও ভারতীয় দলের উইকেটকিপার কাম ব্যাটসম্যান হিসেবে আছেন ধোনি। তবে অধিনায়ক অন্যজন, বিরাট কোহলি।

বলা হচ্ছে এটাই মহেন্দ্র সিং ধোনির শেষ বিশ্বকাপ। বয়স এখন ৩৭ পেরিয়ে ৩৮ এর পথে। চার বছর পরে দেশের মাটিতে পরের ওয়ানডে বিশ্বকাপে ধোনির খেলার সম্ভাবনা শূন্য প্রায়। কিন্তু আগামী বছর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বসছে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকারে আসর। সেই টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে কি ধোনিকে দেখা যাবে? টি-টুয়েন্টিতে ধোনির এখন যে দুর্দান্ত ফর্ম যাচ্ছে তা দেখে একযোগে প্রায় সবাই বলছেন-অবশ্যই পরের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ধোনির খেলা উচিত।

২০০৭ সালে ধোনির নেতৃত্বে ভারত প্রথমবারের মতো টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিলো। ২০১১ সালে জিতে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফিও উঠেছে অধিনায়ক ধোনির হাতে। আইপিএলের ট্রফি জিতেছেন তিনবার। তিনবার রার্নাসআপ হয়েছেন। ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সফল ও প্রভাবী অধিনায়ক বলা হয় মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। 

টেস্ট ক্রিকেট থেকে আগেই বিদায় নিয়েছেন ধোনি। এখন শুধু ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি খেলছেন। কিছুদিন আগে ফর্মের কারণে ভারতের টি-টুয়েন্টি দল থেকে বাদ পড়েছিলেন। তবে বেশিদিন দলের বাইরে থাকতে হয়নি। সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজেই ফের ভারতের জার্সি গায়ে ফিরেছেন। আর এবারের আইপিএলে ব্যাট হাতে ধোনি যে ফর্ম দেখাচ্ছেন তা এককথায় চমকপ্রদ। একা হাতেই দলকে টেনে তুলছেন। ব্যাট হাতে প্রায় অসম্ভব অবস্থান থেকে দলকে জিতিয়ে আনছেন। পয়েন্টের শীর্ষে থেকে এবারের আইপিএলের প্লে অফে ধোনির দল চেন্নাই সুপার কিংস জায়গা করে নিয়েছে। আর ব্যাট হাতে ধোনি এখন পর্যন্ত দলের সবচেয়ে বেশি রানের মালিক এবারের টুর্নামেন্টে। 

ধোনি সম্পর্কে চেন্নাইয়ের কোচ স্টিফেন ফ্লেমি যা বলেছেন সেটা বাঁধিয়ে রাখার মতোই-‘ধোনি গ্রেট খেলোয়াড় এবং একই সঙ্গে গ্রেট দলনেতাও । এই ধরনের নেতা দলে না থাকলে দলে অনেক বড় শূন্যতার তৈরি হয়।’

ফ্লেমিংয়ের এই টুইট ২০২০ সালের টি-টুয়েন্টির অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টও শেয়ার করে। সেই সঙ্গে ক্রিকেট প্রেমিদের কাছে জানতে চাওয়া হয়-২০২০ সালের টি-টুয়েন্টিতে ধোনিকে তারা দেখতে চান কিনা?

প্রায় সঙ্গে সঙ্গে টুইটের ঝড় বয়ে যায়! প্রতিক্রিয়া জানানো সবাই ধোনির প্রশংসা করেন এবং সেই সঙ্গে তাকে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সামনের বছরের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে দেখতে চান বলে মত জানান।

আপনার মতামত লিখুন :

হেডিংলি টেস্টে খেলবেন স্মিথ!

হেডিংলি টেস্টে খেলবেন স্মিথ!
আর্চারের বাউন্সারের আঘাতে মাঠে পড়ে আছেন স্মিথ, ছবি: সংগৃহীত

ঘাড়ে বাউন্সারের আঘাত নিয়ে লর্ডস টেস্টের শেষ দিন মাঠে নামেননি স্টিভেন স্মিথ। অবশ্য গুরুতর কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি স্ক্যান রিপোর্টে। তবে আঘাতের ধকল কাটিয়ে উঠতে পারেননি। তাই সতর্কতা হিসেবে দ্বিতীয় টেস্টের পঞ্চম দিন বিশ্রামেই ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এ অধিনায়ক।

তবে তৃতীয় টেস্টের আগেই শতভাগ ফিট হয়ে যাবেন বলেই  প্রত্যাশাই করছেন এ তারকা অজি ব্যাটসমান।

শনিবার ব্যক্তিগত ৮০ রানের স্কোরে থাকার সময় ইংলিশ পেসার জোফরা আর্চারের বাউন্সারের আঘাতে মাঠে লুটিয়ে পড়েন স্মিথ। রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফেরেন সাজঘরে।  

প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে ফের ব্যাট হাতে মাঠে নেমে স্কোরটা টেনে নিয়ে যান ৯২ তে। তবে পঞ্চম দিনে তার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মারনাস লাবুশেন।

২২ আগস্ট বৃহস্পতিবার হেডিংলিতে অ্যাশেজ সিরিজের তৃতীয় টেস্ট শুরুর আগে ফের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে স্মিথের।

নিজের চোট নিয়ে স্মিথ বলেন, ‘আঘাত পাওয়াটা  অবশ্যই দুশ্চিন্তার বিষয়। তবে আমি শতভাগ ফিট হতে চাই। এটা মেডিকেল টিমের ওপর নির্ভর করছে। আমরা এনিয়ে কথা বলেছি।’

তবে ভক্ত সমর্থকদের আশার বাণী শুনিয়েছেন স্মিথ, ‘তৃতীয় টেস্ট শুরুর আগে আগামী কয়েকটা দিন নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকব। প্রত্যাশা করছি, আমি চোট কাটিয়ে উঠতে পারব। এবং আগামী টেস্টের জন্য ফিট হয়ে উঠব।’

এক বছরের জন্য বরখাস্ত শাহজাদ

এক বছরের জন্য বরখাস্ত শাহজাদ
সব ধরনের ক্রিকেটে নিষিদ্ধ এখন শাহজাদ

আচরণবিধি অমান্য করে এক বছরের জন্য বরখাস্ত হলেন মোহাম্মদ শাহজাদ। এ সময়টাতে কোনো ধরনের ক্রিকেট খেলতে পারবেন না আফগানিস্তানের এ উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান।

এর আগে এ তারকা ক্রিকেটারের চুক্তি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)। এবার তার বরখাস্তের সময় নির্দিষ্ট করে দিল বোর্ড।

দেশ ছাড়ার আগে বোর্ডের অনুমতি নিতে হয় ক্রিকেটারদের। কিন্তু মোহাম্মদ শাহজাদ নিয়মটা মানেননি। এ অপরাধে শাস্তিটা পেলেন তিনি।

ওয়ানডে বিশ্বকাপ চলাকালে শৃঙ্খলা না মানায় শাহজাদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল এসিবি। ২০ ও ২৫ জুলাই বোর্ডের ডিসিপ্লিনারি কমিটির সঙ্গে দেখা করার কথা থাকলেও তিনি তা করেননি।

জানা গেছে, এসিবিকে না জানিয়েই পাকিস্তানের পেশোয়ারে পাড়ি জমান শাহজাদ। সেখানে তাকে অনুশীলনও করতে দেখা গেছে।

এক বিবৃতিতে বোর্ড থেকে জানানো হয়, ‘দেশেই অনুশীলনের সকল সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। এর জন্য আফগান ক্রিকেটারদের দেশের বাইরে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।’

গত বছর জরিমানা গুনেছিলেন শাহজাদ। সঙ্গে বোর্ড থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, আফগানিস্তানে তাকে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে হবে। অন্যথায় তার চুক্তি বাতিল হয়ে যেতে পারে।

অনেক আফগান সতীর্থের মতো পেশোয়ারের শরণার্থী ক্যাম্পে বেড়ে উঠেছেন শাহজাদ।  বিয়েও করেন সেখানে। কিন্তু তার মা-বাবা মূলত আফগানিস্তানের নাঙ্গাহারের নাগরিক।

শাহজাদের মতো অনেক আফগান নাগরিক এক সময় শরণার্থী থাকলেও এখন পাকিস্তানের পেশোয়ারে বসবাস করছেন। এবং অস্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে দেশটিতে নিবন্ধিত।

হাঁটুর চোটের জন্য জুনে হঠাৎ করেই বিশ্বকাপের মাঝপথে ইংল্যান্ড থেকে শাহজাদকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। কিন্তু এ উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান তা অস্বীকার করে জানান, তিনি খেলার জন্য শতভাগ ফিট।  সঙ্গে অভিযোগ করেন, বোর্ড ষড়যন্ত্র করে তাকে দল থেকে বাদ দিয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র