Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

৩১৮ রান করলেই আবাহনী চ্যাম্পিয়ন

৩১৮ রান করলেই আবাহনী চ্যাম্পিয়ন
তানভীর হায়দার : ১১৫ বলে অপরাজিত ১৩২ -ছবি : বিসিবি
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আবাহনীর কাজটা কি কঠিন করে দিলো শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব? শেখ জামালের স্কোরবোর্ডে ৩১৭ রানের বড় সঞ্চয় জমা হওয়ার পর আবাহনীর ডাগআউট ও সমর্থকদের মধ্যে এই দুঃশ্চিন্তা ছড়িয়ে পড়ে! ম্যাচ জিতবে তো আবাহনী?

সাভারের বিকেএসপির মাঠ ব্যাটিং সহায়ক। কিন্তু জয়ের টার্গেট ৩১৮ রানও কিছু কম নয়! শিরোপা অক্ষুণ্ন রাখতে হলে এই ম্যাচে আবাহনীকে জিততেই হবে। কারণ দিনের অন্য ম্যাচে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জও ৪ উইকেটে ৩২৭ রানের বিশাল সংগ্রহ পেয়েছে। আবাহনী যদি জিততে না পারে এবং রূপগঞ্জ ম্যাচে জয় পেলে শিরোপার হিসেব বদলে যাবে। সেক্ষেত্রে এবারের ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে চ্যাম্পিয়ন হবে রূপগঞ্জ।

বিকেএসপির মাঠে আবাহনীর বিপক্ষে টসে জিতে সকালে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব ব্যাটিং বেছে নেয়। ব্যাটিংয়ের শুরুটা তাদের মোটেও সুখকর কিছু হয়নি। মাশরাফি বিন মতুর্জা তার ওপেনিং স্পেলেই দুই উইকেট তুলে নেন। ১৬.১ ওভারে মাত্র ৮৫ রানে ৫ উইকেট হারায় শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। আশঙ্কা জাগে কোটার পুরো ৫০ ওভারও ব্যাটিং করতে পারবে কিনা তারা? কিন্তু ব্যাটিংয়ে দলের সব শঙ্কা উড়িয়ে দিলেন তানভীর হায়দার। মিডলঅর্ডার এই ব্যাটসম্যান দুর্দান্ত কায়দায় ঘুরে দাড়ালেন। ১১৫ বলে তার ১০ বাউন্ডারি ও ৬ ছক্কায় অপরাজিত ১৩২ রানের ইনিংস শেখ জামালকে সাহস যোগায়। ইলিয়াস সানি ও মেহরাব হোসেন দলের এই দুই স্পিনারও ব্যাট হাতে তানভীর হায়দারকে চমৎকার সমর্থন দেন। সানি করেন ৪৬ বলে ৪৫ রান। মেহরাবের সংগ্রহ ৫ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় ৩৬ বলে ৪৪ রান।

একসময় ৮৫ রানে ৫ উইকেট হারানো শেখ জামালের ইনিংস শেষ পর্যন্ত গিয়ে থামে ৯ উইকেটে ৩১৭ রানে।

দুর্দান্ত ফিরে আসা একেই বলে! আবাহনীর বোলারদের মধ্যে সেরা পারফরমেন্স দেখান এই ম্যাচে মাশরাফি। ১০ ওভারে ৫৬ রানে তার শিকার ৪ উইকেট। শুরু ও শেষের দুই স্পেলে দুটি করে উইকেট পান মাশরাফি। পুরো মৌসুমে ভালো বোলিং করা আবাহনী পেসার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন এই ম্যাচে ১০ ওভারে খরচা গোনেন ৬৯ রানের। পান মাত্র ১টি উইকেট। বোলিংয়ের সবচেয়ে বড় খরুচে সৌম্য সরকার। ৬ ওভারে ৪৭ রানে ১ উইকেট। ইকোনোমি রেট ৭.৮৩।

আপনার মতামত লিখুন :

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল

ভারত সফরে কোণঠাসা মুমিনুলের দল
বল হাতে দাপট দেখালেন তাসকিন আহমেদ- ফাইল ছবি

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ভারত সফরে চাপে বিসিবি একাদশ। প্রথম ইনিংসে লিড নিতে না পেরে এখন হারের শঙ্কায় দল। সফরকারীদের বড় চ্যালেঞ্জের মুখেই দাঁড় করাচ্ছে ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি।

বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে চারদিনের ম্যাচে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ক্রিকেট একাডেমির তুলেছে ৮ উইকেটে ২৭৪। বৃহস্পতিবার দিন শেষে মুমিনুল হকের দলের বিপক্ষে তাদের লিড ২৯৯ রান।

তবে বল হাতে বেশ দাপটই দেখিয়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। ৬৯ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। কিন্তু শতরানে দৃশ্যপট পাল্টে দেন প্রতিপক্ষের নৌশাদ শেখ। ১২ চারে ১০৮ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর ইকবাল করেন ৪২ বলে ৪২ রান।

ম্যাচে ৫ উইকেটে ২৬১ রান নিয়ে বৃহস্পতিবার দিন শুরু করেছিল বিসিবি একাদশ। কিন্তু ৩০৬ রানে অলআউট দল।

নুরুল হাসান সোহান করেন ৮৭ রান। অন্যরা ব্যর্থ। দল ৩২ রানে হারায় শেষ ৫ উইকেট! এ ব্যর্থতাই চাপে ফেলে দিয়েছে মুমিনুলদের।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ১ম ইনিংস: ৩৩১/১০
বিসিবি একাদশ ১ম ইনিংস: ৮৮ ওভারে ৩০৬/১০ (সোহান ৮৭, সাইফ ২৭, নাঈম ১০, তাইজুল ২*, শহিদুল ০, তাসকিন ১; আকিব ২/৪২, মুকেশ ৩/৬৫, ইকবাল ১/৭৭, সাইরাজ ২/৪৮, নৌশাদ ২/৩৭)
ড. ডিওয়াই পাতিল ক্রিকেট একাডেমি ২য় ইনিংস: ৬৮ ওভারে ২৭৪/৮ (হার্দিক ১, মনন ১২, সারদেশাই ৮, শুভম ১০, নৌশাদ ১০৮, সরফরাজ ৩৬, আমান ১২, সাইরাজ ২৯, ইকবাল ৪২*, মুকেশ ৪*; তাসকিন ৪/৬৯, শহিদুল ১/৪৫, তাইজুল ১/৭৫, নাঈম ১/৫৬, মুমিনুল ১/৯)

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল

ক্যান্সারে ভুগছেন চ্যাপেল
দুঃসময়ে অজি গ্রেট ইয়ান চ্যাপেল

ভালো নেই ইয়ান চ্যাপেল। থাকবেনই বা কী করে? ক্যান্সারের জীবাণু যে বাসা বেঁধেছে তার শরীরের ত্বকে। এখন মরণব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এ অধিনায়ক। বৃহস্পতিবার খবরটা দিয়ে ক্রিকেট দুনিয়াকে রীতিমতো ভড়কে দিয়েছেন এই ক্রিকেট গ্রেট।

চ্যাপেল বলেন, ’৭০ বছরে পা দিলে নিজেকে অরক্ষিত মনে হবে। অনুমান করি, কয়েক বছর ধরে আমি খুনে ত্বকের ক্যান্সারে ভুগে চলেছি। তবে স্বস্তির খবর হচ্ছে মেলানোমা জীবাণু ধরা পড়েনি। এ কারণেই সম্ভবত স্বস্তি পাচ্ছি। সম্ভবত এটা আমার মতোই সাদাসিধে।’

তবে একই কারণে মায়ের মৃত্যুর কারণে চ্যাপেল চিন্তিতও বটে, “শরীরের একাধিক জায়গায় ক্যান্সার আক্রমণ করেছে। এ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বয়স ৭০ হলে আপনাকে চিন্তা করতে হবে। ‘যিশু, এখন এটা শেষ পর্যায়ে আছে।’ কিন্তু আমি দেখেছি আমার মা জিন শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন। এবং মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে বাধ্য হয়েছেন। এজন্যই আমি ভেবেছি ‘ক্যান্সারের বিরুদ্ধে নিজেকে লড়তে হবে’।”

এ পর্যায়ে প্যাথলজি রিপোর্ট পুরোপুরি ভালো এসেছে। তাই রেডিওথেরাপি চলাকালে তার স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারবেন চ্যাপেল। গত সপ্তাহে ভাই গ্রেগ চ্যাপেল ও ট্রেভর চ্যাপেলের সঙ্গে এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে ছিলেন তিনি।

ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই চললেও ৭৫ বছর বয়সী চ্যাপেলের প্রত্যাশা, আসন্ন অ্যাশেজ সিরিজে ধারাভাষ্য দিতে কোনো সমস্যা হবে না। সেসময় যথেষ্ট ফিট থাকবেন তিনি। ১ আগস্ট থেকে বার্মিংহামে মাঠে গড়াচ্ছে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার অ্যাশেজ সিরিজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র