Alexa

৩১৮ রান করলেই আবাহনী চ্যাম্পিয়ন

৩১৮ রান করলেই আবাহনী চ্যাম্পিয়ন

তানভীর হায়দার : ১১৫ বলে অপরাজিত ১৩২ -ছবি : বিসিবি

আবাহনীর কাজটা কি কঠিন করে দিলো শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব? শেখ জামালের স্কোরবোর্ডে ৩১৭ রানের বড় সঞ্চয় জমা হওয়ার পর আবাহনীর ডাগআউট ও সমর্থকদের মধ্যে এই দুঃশ্চিন্তা ছড়িয়ে পড়ে! ম্যাচ জিতবে তো আবাহনী?

সাভারের বিকেএসপির মাঠ ব্যাটিং সহায়ক। কিন্তু জয়ের টার্গেট ৩১৮ রানও কিছু কম নয়! শিরোপা অক্ষুণ্ন রাখতে হলে এই ম্যাচে আবাহনীকে জিততেই হবে। কারণ দিনের অন্য ম্যাচে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জও ৪ উইকেটে ৩২৭ রানের বিশাল সংগ্রহ পেয়েছে। আবাহনী যদি জিততে না পারে এবং রূপগঞ্জ ম্যাচে জয় পেলে শিরোপার হিসেব বদলে যাবে। সেক্ষেত্রে এবারের ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে চ্যাম্পিয়ন হবে রূপগঞ্জ।

বিকেএসপির মাঠে আবাহনীর বিপক্ষে টসে জিতে সকালে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব ব্যাটিং বেছে নেয়। ব্যাটিংয়ের শুরুটা তাদের মোটেও সুখকর কিছু হয়নি। মাশরাফি বিন মতুর্জা তার ওপেনিং স্পেলেই দুই উইকেট তুলে নেন। ১৬.১ ওভারে মাত্র ৮৫ রানে ৫ উইকেট হারায় শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। আশঙ্কা জাগে কোটার পুরো ৫০ ওভারও ব্যাটিং করতে পারবে কিনা তারা? কিন্তু ব্যাটিংয়ে দলের সব শঙ্কা উড়িয়ে দিলেন তানভীর হায়দার। মিডলঅর্ডার এই ব্যাটসম্যান দুর্দান্ত কায়দায় ঘুরে দাড়ালেন। ১১৫ বলে তার ১০ বাউন্ডারি ও ৬ ছক্কায় অপরাজিত ১৩২ রানের ইনিংস শেখ জামালকে সাহস যোগায়। ইলিয়াস সানি ও মেহরাব হোসেন দলের এই দুই স্পিনারও ব্যাট হাতে তানভীর হায়দারকে চমৎকার সমর্থন দেন। সানি করেন ৪৬ বলে ৪৫ রান। মেহরাবের সংগ্রহ ৫ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় ৩৬ বলে ৪৪ রান।

একসময় ৮৫ রানে ৫ উইকেট হারানো শেখ জামালের ইনিংস শেষ পর্যন্ত গিয়ে থামে ৯ উইকেটে ৩১৭ রানে।

দুর্দান্ত ফিরে আসা একেই বলে! আবাহনীর বোলারদের মধ্যে সেরা পারফরমেন্স দেখান এই ম্যাচে মাশরাফি। ১০ ওভারে ৫৬ রানে তার শিকার ৪ উইকেট। শুরু ও শেষের দুই স্পেলে দুটি করে উইকেট পান মাশরাফি। পুরো মৌসুমে ভালো বোলিং করা আবাহনী পেসার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন এই ম্যাচে ১০ ওভারে খরচা গোনেন ৬৯ রানের। পান মাত্র ১টি উইকেট। বোলিংয়ের সবচেয়ে বড় খরুচে সৌম্য সরকার। ৬ ওভারে ৪৭ রানে ১ উইকেট। ইকোনোমি রেট ৭.৮৩।

আপনার মতামত লিখুন :