Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আবাহনীকে আটকে দিল মিনেরভা

আবাহনীকে আটকে দিল মিনেরভা
ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে আবাহনী লিমিটেড
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

জয়ের ছন্দ ধরে রাখতে পারেনি আবাহনী লিমিটেড। এএফসি কাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে অবশ্য হারের তিক্ত স্বাদ পায়নি বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন দলটি। বরং স্বস্তির ড্রয়ে ‘ই’ গ্রুপের লড়াইয়ে দাপট ধরে রাখলো। ম্যাচে প্রথমার্ধে খুঁজেই পাওয়া যায়নি ধানমন্ডির ক্লাবটিকে। শেষ অব্দি দুইবার পিছিয়ে পড়েও এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে আবাহনী।

বুধবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতের চ্যাম্পিয়ন মিনেরভা পাঞ্জাব আটকে (২-২) দিয়েছে আবাহনীকে।

গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেপালের চ্যাম্পিয়ন ক্লাব মানাং মার্সিয়াংদিকে ১-০ গোলে হারায় আবাহনী। আর চেন্নাইন এফসির সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছিল মিনেরভা। এ অবস্থায় দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট আবাহনীর। ২ পয়েন্ট মিনেরভার।

বলা যায়- ম্যাচের প্রথমার্ধটা ছিল ভারতীয় ক্লাব মিনেরভার। একের পর এক আক্রমণে ব্যস্ত রাখে আবাহনীর রক্ষণভাগের ফুটবলারদের। এরই পথ ধরে খেলার ১৫তম মিনিটে এগিয়ে যায় তারা। মাকান উইংলের ক্রসে অধিনায়ক আমনার প্লেসিং শট। বল চলে যায় স্বাগতিকদের জালে (১-০)।

এরপরই অবশ্য ম্যাচে ফেরে আবাহনী। ২০তম মিনিটে কেরভেন্স ফিলস বেলফোর্টের অসাধারণ পাস নিখুঁত দক্ষতায় প্রতিপক্ষে জালে পাঠান ফর্মে থাকা স্ট্রাইকার নাবীব নেওয়াজ জীবন (১-১)। পরের মিনিটেই অবশ্য প্রতিপক্ষের গোলরক্ষককে একা পেয়েছিলেন সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন নি সানডে চিজোবা।

এরপর প্রথমার্ধ শেষের বাঁশি বাজার আগেই গোপালান ভালিয়াভিত্তুর গোলে এগিয়ে মিনেরভা। এবারো লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখা হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সমতা ফেরায় আবাহনী। ওয়ালী ফয়সালের কর্নার কিক থেকে উড়ে যাওয়া বল ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। এরপরই ফিরতি বলে নিশানা খুঁজে নেন চিজোবা (২-২)।

শেষ অব্দি এই ব্যবধান নিয়েই মাঠ ছাড়ে আবাহনী-মিনেরভা।

এএফসি কাপে বাংলাদেশের পরের ম্যাচ ৩০ এপ্রিল। প্রতিপক্ষ ভারতের চেন্নাইন এফসি।

আপনার মতামত লিখুন :

কেকেআরের বিশ্বকাপজয়ী কোচকে নিয়ে গেল সানরাইজার্স!

কেকেআরের বিশ্বকাপজয়ী কোচকে নিয়ে গেল সানরাইজার্স!
এবার নুতন ঠিকানায় ট্রেভর বেলিস

আগের দিনই বলা হয়েছিল বিশ্বকাপজয়ী ইংল্যান্ডের কোচ ট্রেভর বেলিস নাম লেখাচ্ছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সে (কেকেআর)। সহকারী হিসেবে বেন্ডন ম্যাকালামের নাম শোনা গিয়েছিল। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা না যেতেই কেকেআর থেকে বেলিসকে ছিনিয়ে নিয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। টম মুডির পরিবর্তে আসছে মৌসুমে তাকে দলে নিয়েছে এই দলটির ফ্রাঞ্চাইজিরা।

ইংল্যান্ড সেমি-ফাইনালে উঠার পরই সিদ্ধান্তটা জানিয়ে দিয়েছিলেন কোচ ট্রেভর বেলিস। তার দল বিশ্বকাপ জিতুক বা না জিতুক চাকরিটা আর করছেন না তিনি। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ মিশন শেষে সেটাই করলেন তিনি। ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ী কোচ এবার যোগ দিলেন আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি সানরাইজার্স হায়দরাবাদে।

খবরটা নিশ্চিত করে সানরাইজার্স এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘গভীর ভাবে চিন্তা-ভাবনা করে সানরাইজার্স প্রধান কোচের পদে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে টম মুডির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। ইংল্যান্ডের ২০১৯ বিশ্বকাপ জয়ী কোচ ট্রেভর বেলিস সানরাইজার্স হায়দরাবাদের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।’

সানরাইজার্সে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার টম মুডির স্থলাভিষিক্ত হলেন বেলিস। আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজ সিরিজ শেষে থ্রি-লায়নসের দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন বেলিস।

মুডি সানরাইজার্সের কোচ হিসেবে যোগ দেন ২০১২ সালে। ২০১৩, ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯ সালে দলকে প্লে-অফে নিয়ে যান। আর মুস্তাফিজুর রহমানের বোলিং নৈপুণ্যে শিরোপা জেতেন ২০১৬ সালে।

এর আগে ২০১১-২০১৪ সাল পর্যন্ত কেকেআরের কোচের দায়িত্বে ছিলেন বেলিস । কলকাতার হয়ে সেসময় দুটি শিরোপাও জিতেন। বেলিস কাজ করেন বিগ ব্যাশ দল সিডনি সিক্সার্সের সঙ্গেও। ২০১১ বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলা শ্রীলঙ্কার কোচও ছিলেন তিনি।

পরে এ অস্ট্রেলিয়ান কোচ ২০১৫ সালে মনোযোগী হন ইংল্যান্ডকে নিয়ে। শ্রীলঙ্কা দলে নিজের সহকারী পল ফারব্রেসের সঙ্গে জুটি বেঁধে ইংলিশ ক্রিকেট দলের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন। চার দিন আগে সেই দলকে প্রথম বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপাও উপহার দিয়েছেন।

বিশ্বকাপ জয়ের পরই গণমাধ্যমে গুঞ্জন রটে- কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর) কোচ হিসেবে যোগ দিয়েছেন ট্রেভর বেলিস। যদিও এই খবরের সত্যতা মিলল না!

সুপার ওভার দেখতে গিয়ে মারা যান নিশামের কোচ

সুপার ওভার দেখতে গিয়ে মারা যান নিশামের কোচ
ডেভিড গর্ডন ও জিমি নিশাম, ছবি: সংগৃহীত

লর্ডসের অবিশ্বাস্য ও মহানাটকীয় ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনাল হৃদ-কম্পন বাড়িয়ে দিয়েছিল ক্রিকেট প্রেমীদের। উচ্চ রক্তচাপে ভোগা বয়স্ক ও হৃদরোগীদের জন্য এমন স্নায়ুচাপ ও রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ প্রায়ই প্রাণঘাতের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বাস্তবে হয়েছেও তাই। ফাইনালের সুপার ওভার খেলার সময়ই মারা গেছেন কিউই অলরাউন্ডার জিমি নিশামের সাবেক কোচ ডেভিড গর্ডন।

এমনিতেই অকল্পনীয় ও অভাবনীয় হাইভোল্টেজ ফাইনালে শিরোপা হাতছাড়া হওয়ায় প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ভেঙেছে জিমি নিশামের। হৃদয় ভেঙে হয়েছে চুরমার। তারওপর কোচের মৃত্যুর মতো বিয়োগান্তক খবর হজম করতে হল নিউজিল্যান্ডের এ তারকা ক্রিকেটারকে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ফাইনালে সুপার ওভারে মার্টিন গাপটিলের সঙ্গে দলকে যখন জেতানোর চেষ্টা করছিলেন নিশাম, তখন তার হাইস্কুল শিক্ষক ও বাল্যকালের কোচ ডেভিড গর্ডন হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান।

হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে ছিলেন গর্ডন। তার মৃত্যু নিয়ে কন্যা লিওনি বলেন, ‘ফাইনাল ওভার, সুপার ওভারে একজন নার্স আসেন। ওই নার্স বলেন, আমার বাবার শ্বাস-প্রশ্বাসে পরিবর্তন এসেছে। জিমি নিশাম ছক্কা হাঁকানোর সঙ্গে সঙ্গে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।’

লিওনি জানান, তার বাবা ছিলেন একজন বিচিত্র রসিক মানুষ। রসবোধের সত্যিকারের এক চরিত্র। সব সময় ক্রিকেট খেলা দেখতে দেখতে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করতে চাইতেন। বাস্তবে তিনি তেমনটাই করতে পেরেছেন।

টুইট বার্তায় প্রয়াত কোচকে শ্রদ্ধাঞ্জলী জানান জিমি নিশাম, লেখেন- ‘ডেভ গর্ডন, আমার হাই স্কুল শিক্ষক, কোচ ও বন্ধু। ক্রিকেটের প্রতি আপনার ভালোবাসা সংক্রামক। বিশেষ করে আমাদের জন্য। আপনার অধীনে যাদের খেলার সৌভাগ্য হয়েছে। এমন ম্যাচ নিয়ে আপনি যেভাবে স্তুতি গেয়ে গেছেন। নিশ্চিত আপনি গর্ব নিয়ে গেছেন। সব কিছুর জন্য ধন্যবাদ। শান্তিতে চির নিদ্রায় ঘুমান।’

জিমি নিশামের শ্রদ্ধাঞ্জলি বার্তা ছুঁয়ে গেছে গর্ডনের মেয়েদের মনকে, ‘বার্তাটি ছিল ভালবাসামাখা। আমার বাবা সব সময় জিমির খোঁজ খবর রাখতেন। তিনি একই সঙ্গে জিমির বাবার বন্ধুও ছিলেন। মন থেকে সব সময় জিমি নিশামকে ভালো জানতেন। তার জন্য আমার বাবা ছিলেন গর্বিত। স্বর্গে বসে তিনি অবশ্যই তার শিষ্যের ক্যারিয়ারকে অনুসরণ করবেন।’

নিউজিল্যান্ডের সমান ২৪১ রান তোলে ফাইনালটা টাই করে বসে ইংল্যান্ড। যেকারণে ম্যাচের ভাগ্য গড়ায় সুপার ওভারে। ইংলিশদের সমান ১৫ রান করে সেখানে টাই করে বসে কিউইরা। কিন্তু বাউন্ডারি বেশি হাঁকানোর সুবাদে প্রথম বারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে যায় ইংল্যান্ড।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র