Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সেরা দল কিন্তু কঠিন বিশ্বকাপ!

সেরা দল কিন্তু কঠিন বিশ্বকাপ!
মিনহাজুল আবেদীন নান্নু : দল নিয়ে আশাবাদী
এম. এম. কায়সার
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

এইমাত্র বিশ্বকাপের দল ঘোষণা হলো।

সেই সংবাদ সম্মেলন শেষ হতেই বেশ হুড়োহুড়ি পড়ে গেলো; ভিড়টা ছবি তোলার। নির্বাচকদের সঙ্গে সেলফি তোলার। আগ্রহী সাংবাদিকদের এই বাড়তি উৎসাহ-ই জানান দিলো বিশ্বকাপের দল নির্বাচন নিয়ে সবাই বেশ সন্তুষ্ঠ। নির্বাচকরাও হাসিমুখেই দল ঘোষণার বৈঠক থেকে ফিরলেন। বিশ্বকাপের জন্য সেরা দলই তৈরি করেছেন তারা।

-সেই সেরা শুধু এবারের জন্য নয়, এ যাবতকালের বাংলাদেশের আগের সব বিশ্বকাপ দলের চেয়ে এটাই নাকি সেরা দল! নিজে বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপে খেলেছেন মিনহাজুল আবেদিন নান্নু। এর আগেও একটি বিশ্বকাপের দল নির্বাচনে সহযোগি নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করেছেন। এবার তিনি প্রধান নির্বাচক। সেই মিনহাজুলও অকপটে মানলেন-এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের পেছনের সব আসরের মধ্যে এটাই বাংলাদেশের সেরা দল।

ঠিক কেন এবং কোন বিবেচনায় মিনহাজুল এটাকে বাংলাদেশের সেরা দল বলছে সেই ব্যাখা শুনি-‘অবশ্যই এটা সেরা দল। বিশ্বকাপের জন্য আমরা যে দল তৈরি করেছি, অবশ্যই এই মূহূর্তে এটা সেরা দল। এই দলে শুধুমাত্র একজন বাদে বাকি সবারই আর্ন্তজাতিক ওয়ানডে ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে। সিনিয়র খেলোয়াড়দের মধ্যে বেশ কয়েকজনের এটি চতুর্থ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে। দলের অনেক খেলোয়াড়ের একশ বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে। পেছনের একবছরে আমরা অনেকগুলো ওয়ানডে ম্যাচ জিতেছি। জয়ের শতকরা হার ৫১ ভাগ।’

সেরা দল গঠনের তৃপ্তি ও সন্তষ্ঠির হাসি প্রধান নির্বাচক মিনহাজুলের চোখে মুখে।

তবে দল সেরা হলেও সাফল্যের জন্য এবারের বিশ্বকাপের মাঠে বাংলাদেশের লড়াইটা অনেক কঠিন। এই প্রথম বিশ্বকাপের আসরে বাংলাদেশকে অংশগ্রহণকারী সব প্রতিপক্ষের বিপক্ষে লড়তে হচ্ছে। সেমিফাইনালের আগ পর্যন্ত খেলতে হবে ৯টি ম্যাচ। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্যায়ে এতবেশি ম্যাচ আগে কখনো বাংলাদেশ খেলেনি। আগে সাধারণত গ্রুপে দুটো ম্যাচ জিতলেই পরের রাউন্ডে যাওয়ার টিকিট মিলতো। কিন্তু এবার সামনে এগুনোর পথ অনেক কঠিন। জিততে হবে অনেক ম্যাচ।

-বেশি ম্যাচ কি তাহলে বেশি সুযোগ নয়?

মিনহাজুল বললেন-‘নাহ্, এটা অবশ্যই কঠিন। আয়ারল্যান্ড সফরসহ বিশ্বকাপে আমাদের একনাগাড়ে ১৪টি ম্যাচ খেলতে হবে। এটা কিন্তু অনেক বড় ব্যাপার। আমরা এর আগে টানা এভাবে খেলিনি। কঠিন হবে। তবে আমাদের দলটা অভিজ্ঞ। মানসিক দিক থেকে শক্ত থাকলে এবং নিজের মতো করে নিতে পারলে ইনশাল্লাহ আমরা ভালো কিছু করতে পারবো।’

-সেই ভালো কিছু, মানে কতদুর যাওয়া?

মিনহাজুল লক্ষ্যটা জানালেন-‘এক থেকে চারের মধ্যে থাকা।’

সেরা দল। কঠিন বিশ্বকাপ। বড় লক্ষ্য-২০১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ট্যাগলাইন এটাই।

আপনার মতামত লিখুন :

কোহলিই অধিনায়ক, ধোনি-হার্দিক বিশ্রামে

কোহলিই অধিনায়ক, ধোনি-হার্দিক বিশ্রামে
ধোনি ও হার্দিককে ছাড়াই মাঠে নামবেন কোহলি

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ভারতের নেতৃত্বে কে থাকবেন? বিরাট কোহলি নাকি রোহিত শর্মা? এনিয়ে নানা গুঞ্জন উড়ে বেড়িয়েছে গণমাধ্যমে। কোহলিকে বিশ্রাম দিয়ে রোহিতের কাঁধে নেতৃত্বভার দেওয়ার কথাও শোনা গিয়েছিল। রটে ছিল নেতৃত্ব ভাগ করে দেওয়ার গুঞ্জনও। কিন্তু শেষমেশ সব গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে ক্যারিবিয়ান সফরে তিন সংস্করণেই ভারতকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন কোহলি।

শনিবারই খবর রটে যায়, ক্রিকেট থেকে এখনই অবসর নিচ্ছেন না মহেন্দ্র সিং ধোনি। যাচ্ছেন না উইন্ডিজ সফরেও। ক্রিকেট থেকে ছুটি নিয়ে যোগ দিচ্ছেন সেনাবাহিনীতে। বাস্তবে সেটাই হল। ক্যারিবিয়ান সফরের দলে নেই ধোনি। তবে চোট কাটিয়ে একদিনের ও টি-টুয়েন্টি দলে ফিরেছেন ওপেনার শিখর ধাওয়ান।

তবে তিন ধরণের ক্রিকেটেই বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে হার্দিক পান্ডিয়াকে। সীমিত ওভারের সিরিজে নেই জাসপ্রিত বুমরাহ। খেলবেন শুধু লাল বলের ম্যাচে। তবে রিশব পান্থ তিন সংস্করণেই আছেন।

সীমিত ওভারের দলে নির্বাচকরা জায়গা করে দিয়েছেন এক ঝাঁক তরুণ ক্রিকেটারকে। টি-টুয়েন্টিতে জায়গা হয়নি কেদর যাদবের। প্রত্যাশা মাফিক টেস্টে রিশব পান্থের ব্যাক-আপ হিসেবে ডাক পেয়েছেন ঋদ্ধিমান সাহা। টেস্ট দলে উমেশ যাদবকে জায়গা করে দিতে ছিটকে গেছেন ভুবনেশ্বর কুমার।

৩ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া সফরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিনটি করে টি-টুয়েন্টি ও ওয়ানডে এবং দুটি টেস্ট খেলবে ভারত।

টেস্ট দল: বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), অজিঙ্কা রাহানে (সহ-অধিনায়ক), মায়াঙ্ক আগরওয়াল, লোকেশ রাহুল, চেতেশ্বর পূজারা, হনুমা বিহারী, রোহিত শর্মা, রিশব পান্থ, ঋদ্ধিমান সাহা, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রবীন্দ্র জাদেজা, কুলদীপ যাদব, ইশান্ত শর্মা, মোহাম্মদ সামি, জাসপ্রিত বুমরাহ ও উমেশ যাদব।

ওয়ানডে দল: বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), রোহিত শর্মা (সহ-অধিনায়ক), শিখর ধাওয়ান, লোকেশ রাহুল, শ্রেয়াস আইয়ার, মনিশ পান্ডে, রিশব পান্থ, রবীন্দ্র জাদেজা, কুলদীপ যাদব, যুবেন্দ্র চাহাল, কেদর যাদব, মোহাম্মদ সামি, ভুবনেশ্বর কুমার, খলিল আহমেদ ও নবদীপ সাইনি।

টি-টুয়েন্টি দল: বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), রোহিত শর্মা (সহ-অধিনায়ক), শিখর ধাওয়ান, লোকেশ রাহুল, শ্রেয়াস আইয়ার, মনিশ পান্ডে, রিশব পান্থ, ক্রুনাল পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, ওয়াশিংটন সুন্দর, রাহুল চাহার, ভুবনেশ্বর কুমার, খলিল আহমেদ, দীপক চাহার ও নবদীপ সাইনি।

বাংলাদেশে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলতে পারছে না জিম্বাবুয়ে

বাংলাদেশে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলতে পারছে না জিম্বাবুয়ে
ক্রিকেট থেকেই দূরে সরে যাচ্ছে জিম্বাবুয়ে

ভয়াবহ দুঃসময়ে দাঁড়িয়ে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট। এরইমধ্যে জিম্বাবুয়ের সদস্য পদ স্থগিত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। দেশটির বোর্ডে সরকারের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের পরই এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা। এ কারণেই থমকে গেল দেশটির ক্রিকেট।

নিরুপায় হয়ে এবার ত্রিদেশীয় টি-টুয়েন্টি সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসতে অপারগতার কথা জানিয়েছেন জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট কর্তারা। সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় এই টুর্নামেন্টে খেলার কথা ছিল জিম্বাবুয়ের।

গত শনিবার জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানায়-সামনের মৌসুমে ঘরোয়া টুর্নামেন্টই আয়োজনের সামর্থ্য নেই তাদের। একইভাবে অর্থনৈতিক কারণে নিকট ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক সিরিজেও খেলতে পারছে না তারা।

আরও পড়ুন- সদস্য পদ স্থগিতে ক্রিকেটের বাইরে জিম্বাবুয়ে

সরকারের হস্তক্ষেপের কারণে লন্ডনে আইসিসির সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে জিম্বাবুয়ের সদস্য পদ স্থগিত করা হয়। এই নিষেধাজ্ঞার পর থমকে গেল জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট। তারা আইসিসি'র কোনো ইভেন্টে অংশ নিতে পারবে না। জাতীয় দল ও বয়সভিত্তিক দলের ক্রিকেট বন্ধ হয়ে গেল। এমন কী আইসিসির কাছ থেকে কোনো অর্থও পাবে না তারা।

এ অবস্থায় এক বিবৃতিতে ক্রিকেট জিম্বাবুয়ে জানিয়েছে, ‘আইসিসির নিষেধাজ্ঞায় সব কিছুই আটকে গেল। আমাদের দেশে একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের বাছাইপর্ব হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেটা এখন অনিশ্চিত হয়ে গেছে। খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তারা রয়েছেন চরম বিপাকে। তারা হয়ত কয়েক মাস এমনও হতে পারে আজীবন বেতন ও ম্যাচ ফি বিহীন থাকবে।’

আরও পড়ুন- আইসিসির সিদ্ধান্তে দিশেহারা জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটাররা

হতাশ দেশটির তারকা অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজা। দিন দুয়েক আগে তিনি বলেন, ‘জানি না আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে আমরা কোথায় খেলব। ক্লাব ক্রিকেটে খেলব নাকি আমরা কোনো ক্রিকেটই খেলতে পারব না? আমরা কী ক্রিকেট সরঞ্জামাদি পুড়িয়ে ফেলে চাকরি খুঁজব?’

এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে এখন নির্বাচন হতে হবে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটে। আগামী তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন দিলে আর নির্বাচিত কমিটি বোর্ডের দায়িত্ব নিতে পারলেই স্থগিতাদেশ তুলে নিতে পারে আইসিসি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র