Alexa

আক্ষেপ হয়েই রইল জুভেন্টাসের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ

আক্ষেপ হয়েই রইল জুভেন্টাসের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ

গোলের পর আয়াক্সের উদযাপন, হতাশ রোনালদো

ইতালিয়ান ফুটবলে তাদের একচেটিয়া দাপট। এরইমধ্যে টানা সাতবার জিতেছে সিরি এ শিরোপা। অষ্টম ট্রফি জেতাও সময়ের ব্যাপার মাত্র। কিন্তু ঘরের মাঠের সাফল্যে কিছুতেই মন ভরছিল না জুভেন্টাস কর্তাদের। তাইতো মোটা অঙ্কের অর্থ খরচ করে রিয়াল মাদ্রিদ দলে টানে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে। পর্তুগিজ এই প্লেমেকারের হাত ধরে ইউরোপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখছিল তুরিনোর ওল্ড লেডি খ্যাত ক্লাবটি। সেই স্বপ্নপূরণের পথে দাপটে পথ চলা শুরু হয় দলটির। কিন্তু মঙ্গলবার থমকে গেলো জুভরা।

রোনালদোর গোলে সেমি-ফাইনালে ওঠার পথে একধাপ এগিয়ে গিয়েছিল দল। কিন্তু দুর্দান্ত দক্ষতায় কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে চমক দেখালো আয়াক্স। জুভেন্টাসকে হারিয়ে শেষ পর্যন্ত দলটি পেয়ে গেলো উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালের টিকিট। ১৯৯৬-৯৭ মৌসুমের পর এবারই প্রথম সেরা চারে উঠে গেলো আয়াক্স।

অথচ রোনালদোরা ম্যাচটি খেলতে নেমেছিল জুভেন্টাস স্টেডিয়ামে। মঙ্গলবার রাতে কোয়ার্টার-ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে ২-১ গোলের জয়ে নতুন উচ্চতায় উঠে যায় আয়াক্স। প্রথম লেগ ম্যাচটি ছিল ১-১ ড্র।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/17/1555481935101.jpg

আয়াক্সের বিপক্ষে ফেভারিট হয়েই মাঠে নেমেছিল জুভেন্টাস। তাদের বিপক্ষে সবশেষ দশবারের লড়াইয়ে প্রতিবারই হোঁচট খেয়েছে ডাচ ক্লাবটি। এবার তারাই চমকে দিয়েছে। এমন কী দুর্দান্ত ফুটবল খেলে হাসি মুখে মাঠ ছেড়েছে দলটি।

অবশ্য খেলার ২৭ মিনিটে এগিয়ে যায় জুভরা। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর গোল টিকিয়ে রাখে দলটির সেমির স্বপ্ন। এনিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসের রেকর্ড ১২৬ নম্বর গোলটি পেয়ে যান পুর্তগালের এই মহাতারকা। কিন্তু এই আনন্দ বেশিক্ষণ উপভোগ করতে পারেনি জুভেন্টাস। ৩৪তম মিনিটে সতীর্থ হাকিমের কাছ থেকে বল পেয়ে লক্ষভেদ করেন ফন দে বেক। গোলটি নিশ্চিত হতে ভিএআরের সাহায্য নেন রেফারি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/17/1555481973758.jpg

বিস্ময়কর হলেও সত্য এরপর জুভেন্টাসকেই চাপে রেখেছে আয়াক্স। মনেই হয়নি প্রতিপক্ষের মাঠে ম্যাচটি খেলতে নেমেছে দলটি। এমন কী ফিনিশিং ভাল হলে আরো বড় ব্যবধানেই জিততে পারতো তারা। এরমধ্যে ৬১তম মিনিটে রোনালদোর সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন। কিন্তু তার কাছ থেকে বল পেয়ে গোলের সুযোগটা হাতছাড়া করেন ময়জে কেন।

খেলার ৬৭তম মিনিটে এগিয়ে এসে এগিয়ে যায় আয়াক্স। গোলদাতা মাতাইস দি লিগট। এই গোলে ধরে রেখেই হাসি মুখে মাঠ ছাড়ে ডাচ চ্যাম্পিয়নরা। বিদায় নেয় জুভেন্টাস। একইসঙ্গে ১৯৯৪-৯৫ মৌসুমের পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেলো আয়াক্স।

কান্না চেপে হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়লেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোরা। মিশনটা যে ব্যর্থই হয়ে গেলো!

আপনার মতামত লিখুন :