Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

নাসিরের সেঞ্চুরির ম্যাচে নায়ক সানি

নাসিরের সেঞ্চুরির ম্যাচে নায়ক সানি
সেঞ্চুরিয়ান নাসিরকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন প্রতিপক্ষের আব্দুর রাজ্জাক
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় দলে নেই গত বছরের জানুয়ারি থেকেই। অবশ্য অফ ফর্মের সঙ্গে চোট মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছিল তাকে। তবে হাল ছাড়েন নি নাসির হোসেন। ইনজুরি কাটিয়ে সোমবার পেলেন দুর্দান্ত এক শতরান। যদিও ম্যাচের নায়ক ইলিয়াস সানি। বোলিংয়ের পর ব্যাট হাতেও দাপট দেখিয়ে তিনিই শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবকে এনে দিয়েছেন অনায়াস জয়। দাপুটে জয়ে শুরু তাদের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের সুপার লিগ।

প্রথম রাউন্ডে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে শেখ জামাল। ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে লক্ষ্য ছিল মাত্র ২৩৭ রানের। আর সেই সংগ্রহটা ৪ উইকেট হারিয়ে ৮ বল বাকি থাকতেই পূরণ করে ফেলে ধানমন্ডির ক্লাবটি।

এই জয়ে ১২ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে শেখ জামাল। ১৬ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে প্রাইম ব্যাংক।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে অবশ্য শুরুতেই পথ হারায় প্রাইম ব্যাংক। এনামুল হকের বিদায়ে শুরু। এরপর অবশ্য পথ দেখিয়েছিলেন রুবেল মিয়া ও নামান ওঝা। তাদের ব্যাটে দল তিন অঙ্কে পা রাখে। যদিও রান তুলেছেন বেশ ধীর গতিতে। এরমধ্যে ৭৫ বলে ৪৬ রান করে ফেরেন ওঝা। ৬৬ রান তুলে তার পিছু নেন রুবেল।

এরপর ইলিয়াস সানি-তানবীর হায়দারের তোপে এলোমেলো হয়ে যায় প্রাইম ব্যাংকের লাইন আপ। দ্রুত ফেরেন আল আমিন জুনিয়র, অলক কাপালি, নাহিদুল ইসলাম ও নাঈম হাসান। আরিফুল হক হাল না ধরলে দুইশ রানের আগেই অলআউট হতে যাচ্ছি দলটি। ৫১ বলে ৭৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলকে সম্মানজনক স্কোর এনে দেন তিনি।

স্পিনার ইলিয়াস সানি নেন ৩৫ রানে তিন উইকেট। ৪৩ রানে সমান উইকেট তানবীরের।

জবাবে নেমে শুরুটা একেবারে মন্দ ছিল না শেখ জামাল। উদ্বোধনী জুটিতে ইমতিয়াজ হোসেন ও ইলিয়াস সানি করেন ৪৫ রান। তারপর তৃতীয় উইকেটে নাসির-সানি মিলেন দলকে পথ দেখালেন। করলেন ৯৩ রানের জুটি। এরমধ্যে ৬৭ রানে আব্দুর রাজ্জাকর শিকার সানি।

তারপরই লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ব্যক্তিগত সপ্তম সেঞ্চুরি তুলে নেন নাসির। ১১০ বলে ১১২ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। তবে ম্যাচসেরা অলরাউন্ডার ইলিয়াস সানিই।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব: ৪৮.৩ ওভারে ২৩৬/১০ (রুবেল ৬৬, ওঝা ৪৬, আল আমিন জুনিয়র ৬, কাপালী ১, আরিফুল ৭৪, মনির ১৪, রাজ্জাক ১৪; খালেদ ১/২৯, শাকিল ২/৩৭, সানি ৩/৩৫, তানবীর ৩/৪৩, এনামুল হক ১/২৯)
শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব: ৪৮.৪ ওভারে ২৩৯/৪ (ইমতিয়াজ ২৬, সানি ৬৭, মুনাবিরা ১২, নাসির ১১২*, সোহান ৫, তানবীর ১২*; আল আমিন ০/২৪, নাহিদুল ২/৩০, রাজ্জাক ২/৫২)
ফল: ৬ উইকেটে জয়ী শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব
ম্যাচসেরা: ইলিয়াস সানি

আপনার মতামত লিখুন :

হেরে উৎসব পেছাল বসুন্ধরার

হেরে উৎসব পেছাল বসুন্ধরার
২০ ম্যাচ জয়ের পর হার দেখল বসুন্ধরা কিংস

সামনে ছিল সহজ সমীকরণ-জিতলেই নিশ্চিত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা! প্রতিপক্ষ শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র। কিন্তু তাদের বিপক্ষে লক্ষ্য পূরণ হল না। প্রথমবারের মতো লিগ ট্রফি জয়ের উৎসব পিছিয়ে গেল বসুন্ধরা কিংসের। শনিবারের আরেক ম্যাচে সাইফ স্পোর্টিংকে হারিয়ে গাণিতিক হিসাবে টিকে থাকল আবাহনী লিমিটেড।

সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে বসুন্ধরাকে ১-০ গোলে হারিয়েছে শেখ রাসেল। লিগে টানা ২০ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর হার দেখল নবাগত এই দলটি। তবে ২১ ম্যাচে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই থাকল তারা। শেষ তিন ম্যাচ থেকে ৩ পয়েন্ট পেলেই চ্যাম্পিয়ন দলটি। ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে শেখ রাসেল।

এদিকে দিনের আরেক খেলায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে সাইফকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ঢাকা আবাহনী। ২২ ম্যাচে ১৮ জয়ে ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে বসুন্ধরার পরই আছে তারা। ২১ ম্যাচে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে সাইফ স্পোর্টিং।

আগের ম্যাচেই মোহামেডানের কাছে আবাহনী হারে ০-৪ গোলে। সেই ধাক্কা সামলে উঠল তারা। তবে সাইফকে ৩৭ মিনিটে এগিয়ে দেন ড্যানিয়েল করদোপা। এরপরই আবাহনী পায় চার গোল। অবশ্য প্রথম দুটিই এসেছে পেনাল্টি থেকে। ৫১ মিনিটে সানডে ও ৫৯ মিনিটে নাবিব নেওয়াজ জীবন তুলে নেন গোল।

এরপর ৬৫ মিনিটে সানডে আরেকটি ও ৮০ মিনিটে মামুনুল ইসলাম গোল করলে হাসিমুখে মাঠ ছাড়ে আবাহনী।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শনিবার লিগের আরেক ম্যাচে চট্টগ্রাম আবাহনীকে ২-০ গোলে হারিয়েছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। আরেক খেলায় ময়মনসিংহের রফিক উদ্দিন ভূইয়া স্টেডিয়ামে আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ ৬-৩ গোলে হারিয়েছে রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস অ্যান্ড সোসাইটিকে।

কলম্বোতে পা রাখল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল

কলম্বোতে পা রাখল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল
নিরাপদেই শ্রীলঙ্কায় পৌঁছলেন তামিম-মোসাদ্দেক হোসেনরা

তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এখন শ্রীলঙ্কায়। শনিবার দুপুরেই দেশ ছেড়েছিলেন টাইগার ক্রিকেটাররা। এরপর স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে কলম্বোতে পা রাখেন তামিম-মুশফিকুর রহিমরা। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ খেলতে অবশ্য পুরো দল একসঙ্গে যেতে পারেনি।

গত ২১ এপ্রিল শ্রীলঙ্কার হোটেল ও চার্চে ভয়ংকর সন্ত্রাসী হামলায় প্রাণ হারিয়েছিল আড়াই শর বেশি মানুষ। এরপর থেকেই জরুরি অবস্থা জারি করে শ্রীলঙ্কা। সেই ঘটনার পর প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ দল গেল শ্রীলঙ্কা সফরে। এ কারণেই বাংলাদেশ দলকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিচ্ছে শ্রীলঙ্কা। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধিদের জন্য যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে তাই পাবেন তামিম ইকবালরা।

চট্টগ্রামে আফগানিস্তান ‘এ’ দলের বিপক্ষে সিরিজ ও ভারতে মিনি রঞ্জি ট্রফিতে খেলার কারণে ১৪ জনের দলের মধ্যে ৭ জন যাচ্ছেন পরে। এরমধ্যে শনিবার কলম্বো গেলেন তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, মুশফিকুর রহিম, সৌম্য সরকার, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও মুস্তাফিজুর রহমান। রোববার যাওয়ার কথা রুবেল হোসেনের। ইনজুরি সামলে নিয়েছেন এই পেস বোলার।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563635963858.jpg

আফগানিস্তানের ‘এ’ দলের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলে দ্বীপ দেশটিতে যাবেন এনামুল হক বিজয়, মোহাম্মদ মিঠুন, সাব্বির রহমান ও ফরহাদ রেজা। ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় যাবেন- তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলাম।

এর আগে শুক্রবার ইনজুরিতে এই সফর শেষ হয়ে যায় অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার। চোটের কারণে খেলতে পারছেন না পেসার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনও। তাদের বদলে দলে আছেন তাসকিন আহমেদ ও ফরহাদ রেজা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563635980900.jpg

আগামী ২৩ জুলাই একটি প্রস্তুতি ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে শ্রীলঙ্কা সফর। এরপর আগামী ২৬, ২৮ ও ৩১ জুলাই স্বাগতিকদের সঙ্গে তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ১ আগষ্ট দেশে ফেরার কথা টাইগার ক্রিকেটারদের।

শ্রীলঙ্কা সফরে বাংলাদেশ দল-

তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, এনামুল হক বিজয়, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোসাদ্দেক হোসেন, সাব্বির রহমান, মোহাম্মদ মিঠুন, মুস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, ফরহাদ রেজা ও তাসকিন আহমেদ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র