Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চেলসিকে হারিয়ে ফের শীর্ষে লিভারপুল

চেলসিকে হারিয়ে ফের শীর্ষে লিভারপুল
সতীর্থদের নিয়ে সাদিও মানের গোল উদযাপন
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ম্যানচেস্টার সিটিকে উপভোগের সুযোগই দিলো না লিভারপুল। দিন না যেতেই ফের শীর্ষে পেপ গার্দিওলার দল। রোববার দিনের প্রথম ম্যাচে ক্রিস্টাল প্যালেসকে হারিয়ে শীর্ষে উঠে এসেছিল সিটি। কিন্তু বিকেল গড়াতেই তাদের টপকে গেলো লিভারপুল। আরেক জায়ান্ট চেলসিকে হারিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে ফিরে এসেছে অলরেডরা!

রোববার এনফিল্ডে নিজেদের মাঠে চেলসিকে ২-০ গোলে হারিয়েছে লিভারপুল। এই জয়ে শিরোপা জয়ের পথে দলটি এগিয়ে গেলো আরো একধাপ!

অবশ্য আরো বড় ব্যবধানেই জিততে পারতো লিভাপুল। কিন্তু বারবারই সুযোগগুলো ঠিকঠাক মতো কাজে লাগাতে পারেন নি দলটির তারকা ফুটবলাররা। বিশেষ করে একেবারেই শুরুতে সাদিও মানের ভাসানো ক্রসে বলে চলে যায় মোহাম্মদ সালাহর কাছে। কিন্তু গোলের সহজতম সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেন নি তিনি।

পুরো প্রথমার্ধ এভাবেই আক্ষেপে সময় কেটেছে। গোল পেতে থাকতে হয় ৫১তম মিনিট অব্দি। এবার আর গোলের উৎস তৈরি নয়, দলকেই এগিয়ে দেন সাদিও মানে। সতীর্থ জর্ডান হেন্ডারসনের ভাসানো ক্রসে লাফিয়ে মাথাটা ছুঁইয়ে দেন দিনি (১-০)। এবারের প্রিমিয়ার লিগে এটি তার ১৮ নম্বর গোল।

দুই মিনিটে না যেতেই ব্যবধানটা দ্বিগুণ করে ফেলে লিভারপুল। এবার সেই চেনা সালাহর দেখা মিললো। দূরপাল্লার এক শটে বল পাঠিয়ে দেন চেলসির জালে। এটি চলতি লিগে তার ১৯তম গোল। সমান গোল করে যৌথভাবে শীর্ষে আছেন ম্যানসিটির সার্জিও আগুয়েরো।

ম্যাচে ফিরতে কম চেষ্টা করেনি চেলসিও। কিন্তু ইডেন হ্যাজার্ডরা সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলে হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়ে দল। আর এই জয়ে ৩৪ ম্যাচে লিভারপুলের অর্জন ৮৫ পয়েন্ট। ৮৩ পয়েন্ট নিয়ে এরপরই আছে ম্যানচেস্টার সিটি। যারা রোববারই দিনের আরেক ম্যাচে ক্রিস্টাল প্যালেসকে হারিয়েছে ৩-১ গোলে।

প্রিমিয়ার লিগে টটেনহ্যাম হটস্পার ৩৩ ম্যাচে ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে আছে তৃতীয় স্থানে এক পয়েন্ট কম নিয়ে এরপরই চেলসি। ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।

আপনার মতামত লিখুন :

ফাইনাল কাণ্ডে আম্পায়ার ধর্মসেনার ভুল স্বীকার

ফাইনাল কাণ্ডে আম্পায়ার ধর্মসেনার ভুল স্বীকার
ভুল মানলেও অনুতপ্ত নন কুমার ধর্মসেনা

মার্টিন গাপটিলের অনাকাঙ্ক্ষিত ওভারথ্রোতে বাড়তি চার রান পেয়েও লাভ হতো না ইংল্যান্ডের। স্বাগতিকরা নয় বিশ্বসেরা হতো নিউজিল্যান্ডই। যদি না মাঠের আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা ভুল করে এক রান বাড়তি দিতেন। অবশেষে শ্রীলঙ্কান ওই আম্পায়ার নিজের ‘ভুল’ স্বীকার করে নিয়েছেন।

১৪ জুলাই লর্ডসের ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার আম্পায়ার মারাইস এরাসমাসের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা ধর্মসেনা বলেন, ‘টিভি রিপ্লে দেখার পর আমি মানছি ভুল হয়েছিল।’

ভুল মেনে নিলেও নিজের পক্ষে সাফাই গান ধর্মসেনা। শ্রীলঙ্কার সাবেক এ টেস্ট খেলোয়াড় সানডে টাইমসকে জানান, তার কাছে টেলিভিশন রিপ্লে দেখার সুযোগ ছিল না। যেখানে ধরা পড়ে ব্যাটসম্যানরা উইকেটের প্রান্ত সীমানা অতিক্রম করেননি, ‘মাঠে আমাদের জন্য টিভি রিপ্লের ব্যবস্থা ছিল না। তাই নিজের এ সিদ্ধান্তের জন্য আমি মোটেই অনুতপ্ত নই।’

মাঠের অন্য অফিসিয়ালদের সঙ্গে পরামর্শ করেই নাকি ছয় রানের সংকেত দিয়ে ছিলেন ধর্মসেনা, ‘কমিউনিকেশন সিস্টেমে আমি লেগ আম্পায়ারের (এরাসমাস) সঙ্গে পরামর্শ করেছি। যা অন্য আম্পায়াররা ও ম্যাচ রেফারি শুনেছেন।’

ধর্মসেনা আরো যোগ করেন, ‘ম্যাচ অফিসিয়ালরা টিভি রিপ্লে পরীক্ষা করতে পারেননি। তারা সবাই নিশ্চিত করেন ব্যাটসম্যানরা দ্বিতীয় রান পূর্ণ করেছেন। তখনই আমি আমার সিদ্ধান্তটা জানাই।’

ফাইনালের শেষ ওভারে গাপটিলের থ্রো স্টাম্পে না লেগে অলরাউন্ডার বেন স্টোকসের ব্যাট স্পর্শ করে ছুঁয়ে ফেলে বাউন্ডারি। কিন্তু দ্বিতীয় রান নেওয়ার সময় স্টোকস উইকেটের প্রান্ত সীমানাই স্পর্শ করেননি। কিন্তু তারপরও ধর্মসেনা ইংল্যান্ডকে পাঁচ রানের বদলে ছয় রান দিয়ে দেন।

আম্পায়ারদের ভুলটা প্রথম সবার নজরে আনেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক আম্পায়ার সাইমন টফেল। তিনি ফক্স স্পোর্টস অস্ট্রেলিয়াকে জানান, আম্পায়াররা পরিষ্কার ভুল করেছেন। কারণ ব্যাটসম্যানরা দ্বিতীয় রান পূর্ণই করেননি।

৫০ ওভার খেলা শেষে নিউজিল্যান্ডের সমান ২৪১ রান তুলে ম্যাচ টাই করে ফেলে ইংল্যান্ড। ফলে শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালের ভাগ্য গড়ায় সুপার ওভারে। সেখানে অবিশ্বাস্য ভাবে ইংল্যান্ডের সমান ১৫ রান তুলে টাই করে বসে নিউজিল্যান্ড। শেষে কিউইদের হৃদয় ভেঙে বাউন্ডারি হাঁকানোর হিসেবে এগিয়ে থেকে শিরোপা জিতে নেয় আয়োজকরা।

কোহলিই অধিনায়ক, ধোনি-হার্দিক বিশ্রামে

কোহলিই অধিনায়ক, ধোনি-হার্দিক বিশ্রামে
ধোনি ও হার্দিককে ছাড়াই মাঠে নামবেন কোহলি

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ভারতের নেতৃত্বে কে থাকবেন? বিরাট কোহলি নাকি রোহিত শর্মা? এনিয়ে নানা গুঞ্জন উড়ে বেড়িয়েছে গণমাধ্যমে। কোহলিকে বিশ্রাম দিয়ে রোহিতের কাঁধে নেতৃত্বভার দেওয়ার কথাও শোনা গিয়েছিল। রটে ছিল নেতৃত্ব ভাগ করে দেওয়ার গুঞ্জনও। কিন্তু শেষমেশ সব গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে ক্যারিবিয়ান সফরে তিন সংস্করণেই ভারতকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন কোহলি।

শনিবারই খবর রটে যায়, ক্রিকেট থেকে এখনই অবসর নিচ্ছেন না মহেন্দ্র সিং ধোনি। যাচ্ছেন না উইন্ডিজ সফরেও। ক্রিকেট থেকে ছুটি নিয়ে যোগ দিচ্ছেন সেনাবাহিনীতে। বাস্তবে সেটাই হল। ক্যারিবিয়ান সফরের দলে নেই ধোনি। তবে চোট কাটিয়ে একদিনের ও টি-টুয়েন্টি দলে ফিরেছেন ওপেনার শিখর ধাওয়ান।

তবে তিন ধরণের ক্রিকেটেই বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে হার্দিক পান্ডিয়াকে। সীমিত ওভারের সিরিজে নেই জাসপ্রিত বুমরাহ। খেলবেন শুধু লাল বলের ম্যাচে। তবে রিশব পান্থ তিন সংস্করণেই আছেন।

সীমিত ওভারের দলে নির্বাচকরা জায়গা করে দিয়েছেন এক ঝাঁক তরুণ ক্রিকেটারকে। টি-টুয়েন্টিতে জায়গা হয়নি কেদর যাদবের। প্রত্যাশা মাফিক টেস্টে রিশব পান্থের ব্যাক-আপ হিসেবে ডাক পেয়েছেন ঋদ্ধিমান সাহা। টেস্ট দলে উমেশ যাদবকে জায়গা করে দিতে ছিটকে গেছেন ভুবনেশ্বর কুমার।

৩ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া সফরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিনটি করে টি-টুয়েন্টি ও ওয়ানডে এবং দুটি টেস্ট খেলবে ভারত।

টেস্ট দল: বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), অজিঙ্কা রাহানে (সহ-অধিনায়ক), মায়াঙ্ক আগরওয়াল, লোকেশ রাহুল, চেতেশ্বর পূজারা, হনুমা বিহারী, রোহিত শর্মা, রিশব পান্থ, ঋদ্ধিমান সাহা, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রবীন্দ্র জাদেজা, কুলদীপ যাদব, ইশান্ত শর্মা, মোহাম্মদ সামি, জাসপ্রিত বুমরাহ ও উমেশ যাদব।

ওয়ানডে দল: বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), রোহিত শর্মা (সহ-অধিনায়ক), শিখর ধাওয়ান, লোকেশ রাহুল, শ্রেয়াস আইয়ার, মনিশ পান্ডে, রিশব পান্থ, রবীন্দ্র জাদেজা, কুলদীপ যাদব, যুবেন্দ্র চাহাল, কেদর যাদব, মোহাম্মদ সামি, ভুবনেশ্বর কুমার, খলিল আহমেদ ও নবদীপ সাইনি।

টি-টুয়েন্টি দল: বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), রোহিত শর্মা (সহ-অধিনায়ক), শিখর ধাওয়ান, লোকেশ রাহুল, শ্রেয়াস আইয়ার, মনিশ পান্ডে, রিশব পান্থ, ক্রুনাল পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, ওয়াশিংটন সুন্দর, রাহুল চাহার, ভুবনেশ্বর কুমার, খলিল আহমেদ, দীপক চাহার ও নবদীপ সাইনি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র