Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

চার নম্বরেই গলফার সিদ্দিকুর

চার নম্বরেই গলফার সিদ্দিকুর
শিরোপা জেতার দৌড়ে টিকে আছেন সিদ্দিকুর
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সেই একই জায়গায় দাঁড়িয়ে সিদ্দিকুর রহমান। দ্বিতীয় রাউন্ড যেখানে শেষ করেছিলেন, তৃতীয় রাউন্ড শেষেও একই অবস্থানে দেশসেরা গলফার। বঙ্গবন্ধু কাপ গলফ ওপেনে চতুর্থস্থানেই আছেন তিনি। একইভাবে সেরা দশে আছেন বাংলাদেশের আরেক গলফার আকবর হোসেন।

শুক্রবার রাজধানীর কুর্মিটোলা গলফ কোর্সে তিনটি বার্ডি করেন সিদ্দিকুর। তিন রাউন্ড মিলিয়ে পারের চেয়ে ১১ শট কম খেলেন তিনি। তারই পথ ধরে আরো এক গলফারের সঙ্গে যৌথভাবে চতুর্থ স্থানে আছেন সিদ্দিকুর।

একইসঙ্গে তৃতীয় রাউন্ডে তিনটি বার্ডি আর একটি বোগি করে আকবর পারের চেয়ে নয় শট কম খেলেন। তিনি দুই জনের সঙ্গে যৌথভাবে আছেন সপ্তম স্থানে। সাড়ে ৩ লাখ ডলার প্রাইজমানির এশিয়ান ট্যুরের এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের গলফারদের মধ্যে লড়াইয়ে আছেন আকবর আর সিদ্দিকুরই।

এশিয়ান ট্যুরের দুটি শিরোপা জেতা গলফার সিদ্দিকুর দিনশেষে সন্তুষ্টিই প্রকাশ করলেন। তিনি বলেন, ‘সত্যিই আজকের দিনটা বেশ ভালো ছিল। তিন দিনে মাত্র একটা বোগি হয়েছে। আমি খুব কম ভুল করেছি। আমার ভুলের সংখ্যা একেবারেই কম। তবে হ্যাঁ পাটিং কিছু ঠিকমতো হচ্ছে, কিছু হচ্ছে না। আশা করছি শেষ দিনে সর্বোচ্চ ভালোটা হবে।’

অন্যদিকে নির্ভার হয়ে খেলছেন আকবর। দিন শেষে বাংলাদেশের এই গলফার গণমাধ্যমে বলছিলেন, ‘দেখুন, আমি নতুন। পেশাদার গলফার হিসেবে মাত্র এক বছর হয়েছে। প্রথম এশিয়ান ট্যুরে খেলছি। আমি এখানে চ্যাম্পিয়ন কিংবা রানারআপ হতে লড়ছি না। নিজে ভাল খেলতে পারলেই হবে।’

বাংলাদেশের গলফারদের মধ্যে সিদ্দিকুর ও আকবরের পরই সবচেয়ে সফল সজীব আলি। পারের চেয়ে পাঁচ শট কম খেলে যৌথভাবে ১৪ নম্বরে আছেন তিনি। জামাল হোসেন মোল্লা তিন শট কম খেলে যৌথভাবে ২৪তম স্থানে রয়েছেন। যৌথভাবে ২৯তম স্থানে মুহাম্মদ মুয়াজ।

বঙ্গবন্ধু কাপ ওপেনের তৃতীয় রাউন্ড শেষে পারের চেয়ে ১৮ শট কম খেলে শীর্ষে আছেন থাইল্যান্ডের সাদোম কায়েওকানজানা।

আপনার মতামত লিখুন :

৯ বছর পর টানা দুই জয়!

৯ বছর পর টানা দুই জয়!
জয়সূচক গোলের পর এমেরিক আউবামেয়াং উদযাপন

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে আর্সেনাল। নিউক্যাসলকে হারিয়ে শুরু হয়েছিল মৌসুম। শনিবার বার্নলির বিপক্ষেও জয় তুলে নিয়েছে গানাররা। নিজেদের মাঠে ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। ২০০৯ সালের পর এবারই প্রথম লিগে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচেই জিতল আর্সেনাল। নয় বছর পর দেখা দিল ফের এমন সাফল্য!

শনিবার এমিরেটস স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের গোল দুটি করেন আলেকজান্দ্রে লাকাজেত ও পিয়েরে-এমেরিক আউবামেয়াং।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566055643027.jpg

যদিও প্রতিপক্ষের মাঠে দুর্দান্ত খেলেছে বার্নলি। মনে হচ্ছিল পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়বে তারা। যদিও তা হয়নি। ম্যাচের ১৩তম মিনিটে এগিয়ে যায় আর্সেনাল। লাকাজেতের ভাসানো হেড কর্নারের বিনিময়ে আটকে দেন গোলরক্ষক নিক পোপ। তারপর দানি সেবাইয়োসের কর্নার কিক থেকে ভেসে আসা বল পেয়ে যান লাকাজেত। বল নিয়ন্ত্রনে নিয়ে দেখার মতো এক গোল করেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড।

অবশ্য ৪৩তম মিনিটে এসে স্বাগতিক দর্শকদের হতাশ করে সমতায় ফেরায় বার্নলি। গোলদাতা অ্যাশলি বার্নস (১-১)।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566055658280.jpg

ফের এগিয়ে যেতে দারুণ লড়লেও প্রতিপক্ষের গোলকিপার নিক পোপকে হারানো যাচ্ছিল না। অবশেষে ৬৪তম মিনিটে নিশানা খুঁজে নেন আউবামেয়াং। গ্যাবনের এই ফরোয়ার্ডই গত মৌসুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা! তার গোলেই স্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়ে উনাই এমেরির দল।

তবে ম্যাচসেরা দানি সেবাইয়োস। জুলাইয়ে রিয়াল মাদ্রিদ থেকে ধারে আর্সেনালে যোগ দিয়েই যােগ্যতার পরিধিটা দেখালেন এই প্লেমেকার।

জয়ের পথে হাঁটছে শ্রীলঙ্কা

জয়ের পথে হাঁটছে শ্রীলঙ্কা
দলকে পথ দেখাচ্ছেন দিমুথ করুনারত্নে ও লাহিরু থিরিমান্নে

জিততে লক্ষ্য ২৬৮। তা আবার ঘরের মাঠে। এটা তো কোনো ব্যাপারই না। সেটাই যেন প্রমাণ করতে এগিয়ে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা। একটু একটু করে হাঁটছে জয়ের পথে।

শনিবার লঙ্কান শিবিরের কোনো উইকেটই ফেলতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। দ্বিতীয় ইনিংসে চতুর্থ দিন শেষে শ্রীলঙ্কার ওপেনিং জুটি গড়েছে ১৩৩ রানের অবিচ্ছিন্ন ইনিংস। অবশ্য আলোর স্বল্পতার জন্য দিনের খেলা আগেই শেষ হয়ে যায়।

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অধীনে প্রথম ম্যাচ জয়ের জন্য স্বাগতিকদের এখন দরকার মাত্র ১৩৫ রান। তাদের হাতে এখনো রয়ে গেছে পুরো ১০ উইকেট।

গল টেস্ট জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং দৃঢ়তা দেখিয়ে চলেছেন শ্রীলঙ্কার দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান। অধিনায়কোচিত ৭১ রানের ইনিংস খেলে এখনো উইকেটে টিকে আছেন দিমুথ করুনারত্নে। তাকে সঙ্গ দিতে ৫৭ রানে অপরাজিত থেকে পাশে আছেন লাহিরু থিরিমান্নে।

তার আগে ৭ উইকেটে ১৯৫ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে বিজে ওয়াটলিংর ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে দ্বিতীয় ইনিংসে দলীয় স্কোরে ৯০ রান যোগ করে নিউজিল্যান্ড। ২৮৫ রানে অল-আউট হলে তারা লিড পায় ২৬৭ রানের।

৪৬ রানে ভাঙে উইলিয়াম সমারভিলের সঙ্গে ওয়াটলিংয়ের জুটি। ব্যক্তিগত ৭৭ রানে ওয়াটলিং ফিরলেও ৪০ রানে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে যান সমারভিলে। ট্রেন্ট বোল্ট ও আজাজ প্যাটেলের সঙ্গে শেষ দিকে ছোটখাটো পার্টনারশিপ গড়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখেননি সমারভিলে।

লাসিথ এমবুলদেনিয়ার ৪ উইকেটের সঙ্গে ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা ৩টি ও লাহিরু কুমারা নেন ২টি উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-
নিউজিল্যান্ড: ১ম ইনিংসে ২৪৯/১০ ও ২য় ইনিংসে ২৮৫/১০ (ওয়াটলিং ৭৭, সমারভিলে ৪০*; এমবুলদেনিয়া ৪/৯৯, ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা ২/২৫ ও কুমারা ২/৩১)
শ্রীলঙ্কা: ১ম ইনিংসে ২৬৭/১০ ও ২য় ইনিংসে ১৩৩/০ (করুনারত্নে ৭১* ও থিরিমান্নে ৫৭*)

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র